কর্পোরেট সংবাদ
এসবিএসি ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন
এসবিএসি ব্যাংক পিএলসির বার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার (২৩ ও ২৪ জানুয়ারি) গাজীপুরের সারাহ রিসোর্টে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মোখলেসুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এস.এম. মঈনুল কবীর।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মদ আইয়ুব, একেএম দেলওয়ার হুসেন এফসিএমএ ও মেজর জেনারেল (অব.) শাহেদুল হক, স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর মো. মাকসুদুর রহমান সরকার এবং জিয়াউর রহমান জিয়া। বিজনেস সেশন পরিচালনা করেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন ভুঁইয়া। সম্মেলনে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী, বিভাগীয় প্রধান, শাখা ব্যবস্থাপক এবং উপশাখার ইনচার্জবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে জানানো হয়, এসবিএসি ব্যাংকের ২০২৫ সাল শেষে আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং ঋণ দাঁড়িয়েছে নয় হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা। বর্তমানে ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন দাঁড়িয়েছে ৮২৪ কোটি টাকা।
সম্মেলনে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘ব্যাংকিং খাত গতকয়েক বছরে চলমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এসবিএসি ব্যাংক সেসব সীমাবদ্ধতা মোকাবেলা তার আর্থিক সূচক স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের ব্যাংকে কোনো তারল্য সমস্যা হয়নি, এ জন্য গ্রাহক তার চাহিদামতো অর্থ উত্তোলন করতে পেরেছে। এসবিএসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করায় আর্থিক সূচকে টেকসই অগ্রগতি অর্জন করেছে। যার ফলশ্রুতিতে চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংক হয়েও আমরা আর্থিকসূচকগুলোতে ভালো একটা ভিত গড়তে সক্ষম হয়েছি।’
তিনি জানান, ‘পর্ষদের পক্ষ থেকেও আমরা সবধরণের নীতি ও কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা দিয়ে আসছি। আমরা মুনাফা অর্জনকে বড় করে না দেখে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ব্যাংকিং নিয়মাচার পরিপালনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি ব্যাংকের আমানত সুরক্ষা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধপরিকর।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাংকারদের গতানুগতিক ধ্যানধারনা থেকে বেরিয়ে এসে উদ্যোক্তা তৈরির মনোভাব নিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। যাতে সমাজে ব্যাপকভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। আমরা কৃষি, এসএমই, নারীউদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদানে অগ্রাধিকার দিতে দিতে চাই। পাশাপাশি রেমিট্যান্স আহরণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যেও সমান গুরুত্বারোপ করতে হবে। আমরা গ্রাহকের সন্তুষ্টিকে সর্বাধিক প্রাধান্য দিয়ে কাজ করে থাকি।’
মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমানতকারীরাই ব্যাংকের প্রকৃত মালিক, আমরা শুধুমাত্র তাদের স্বার্থ রক্ষায় আমানতদারিতার সঙ্গে কর্তব্য পালন করছি।’ সম্মেলনে শরিয়াহ যথাযথ পালনে এসবিএসি ইসলামী ব্যাংকিং সেবার পরিসর বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস.এম. মঈনুল কবীর বলেন, নতুন বছরে এসবিএসি ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতার শক্তভিত গড়ে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনকে সর্বাধিক প্রাধান্য দেওয়া হবে। আমরা রিটেইল ব্যাংকিং ও কার্ড বিজনেসকে মূল ফোকাস রেখে প্রত্যেক সূচকে উন্নতির জন্য অ্যাসেট কোয়ালিটি বৃদ্ধি করা হবে। তিনি ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবায় গ্রাহকবান্ধব সর্বোচ্চ আধুনিকায়নের উদ্যোগ এবং তরুণ প্রজন্মকে ব্যাংকিং সেবায় অন্তর্ভুক্ত করার কৌশলের ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, এসবিএসসি ব্যাংক দ্রুততম সময়ের মধ্যে সারাদেশে ৯০টি শাখা ও ৩২টি উপশাখা এবং এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ৩৭টি আউটলেটের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
শুরু হল বাংলার সবচেয়ে বড় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ‘বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৬’
বাংলার উৎসবের রঙ, আনন্দ ও ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে আবারও শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ‘বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৬’ (Wiki Loves Bangla)। অংশ নিয়ে জিতে নেয়ার সুগোগ থেকছে মোট $১,১০০ নগদ পুরস্কার। উইকিমিডিয়া আন্দোলনের এই উদ্যোগটি বাংলা সংস্কৃতিকে ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম।
২০২৪ সাল থেকে প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এ বছর প্রতিযোগিতার তৃতীয় আসর শুরু হয়েছে গত ১৪ আগস্ট এবং চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ কার্যক্রম’-এর অংশ হিসেবে প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করছে ‘বাংলা উইকিমৈত্রী’। প্রতিবছর বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে বাংলা বৈশাখ মাস জুড়ে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। এবারের প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য ‘বাংলার উৎসব’—পহেলা বৈশাখ থেকে দুর্গাপূজা, ঈদ, নবান্ন কিংবা গ্রামীণ মেলা—বাংলার প্রাণের প্রতিটি উৎসবই হতে পারে আপনার ক্যামেরার গল্প। বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ছবি ও ভিডিও জমা দিয়ে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া যাবে, এবং একজন অংশগ্রহণকারী একাধিক কাজ জমা দিতে পারবেন।
আয়োজকদের মতে, বাংলার উৎসবের চিত্র কেবল সৌন্দর্যের মুহূর্ত নয়—এগুলো আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জীবনধারার গুরুত্বপূর্ণ দলিল। ডিজিটাল মাধ্যমে এসব আলোকচিত্র সংরক্ষণ ভবিষ্যৎ গবেষণা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাংলার ঐতিহ্য ও জীবনাচার দীর্ঘস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে।
প্রতিযোগিতায় সেরা ১০টি আলোকচিত্র আন্তর্জাতিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। এর মধ্যে ১ম স্থান অর্জনকারী পাবেন $৪০০, ২য় স্থান অর্জনকারী $৩০০ এবং ৩য় স্থান অর্জনকারী $২০০ নগদ পুরস্কার। এছাড়াও শীর্ষ ১০ জন বিজয়ীর জন্য থাকবে ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র। এছাড়াও সেরা ভিডিওর জন্য থাকছে $১৫০ নগদ পুরস্কার, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র।
প্রতিযোগিতার আয়োজক ‘বাংলা উইকিমৈত্রী’ একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, যা বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং বাংলাভাষী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। ২০২৩ সালে মার্কিন অলাভজন প্রতিষ্ঠান উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের স্থানীয় চ্যাপ্টার উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ উইকিমিডিয়া ব্যবহারকারী দলের যৌথ উদ্যোগে এই উইকিমিডিয়া হাব প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা সম্পর্কে আরও জানতে ও অংশগ্রহণ করতে দেখুন: https://w.wiki/KLbd
কর্পোরেট সংবাদ
বিদেশি বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে বিডা-ইউসিবি সমঝোতা স্মারকে সই
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)। এর ফলে ইউসিবির সেবা বিডার অনলাইন ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) পোর্টালের সঙ্গে যুক্ত হবে।
সম্প্রতি বিডার প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিডার মহাপরিচালক জীবন কৃষ্ণ সাহা এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদনান মাসুদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এই চুক্তিতে সই মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক কাজ আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিডার নির্বাহী সদস্য এয়ার কমোডর মো. শাহারুল হুদা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মো. শাহীনুজ্জামান, ইউসিবির ট্রানজেকশন ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান শাহবাজ তালাতসহ ঊর্ধতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, বিডার অনলাইন ওয়ান স্টপ সার্ভিস পোর্টালটি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে কোম্পানি নিবন্ধন, ইউটিলিটি সংযোগ, আমদানি অনুমোদনসহ ৫০টিরও বেশি সেবা এক জায়গায় পাওয়া যায়। এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার ফলে ইউসিবি এখন সরাসরি ব্যাংকিং সেবা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সহায়তা সহজেই প্রদান করতে পারবে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তি পৌঁছে যাবে নগদে
২০২৬ সালে ভর্তিকৃত ষষ্ঠ শ্রেণি (স্কুল ও মাদ্রাসা) এবং ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ ও আলিম প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের নগদ নম্বরে উপবৃত্তির টাকা পেতে শুরু হয়েছে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম।
নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য নিবন্ধনের জন্য https://hsp.pmeat.gov.bd/login এই লিংকে গিয়ে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর মেন্যুতে গিয়ে ‘প্রাথমিক নির্বাচন’ অপশনে চাপ দিয়ে ‘নতুন শিক্ষার্থী এন্ট্রি’ অপশনে চাপ দিতে হবে। এরপর এন্ট্রি ফরমে শিক্ষার্থীর তথ্য, ঠিকানা ও আর্থসামাজিক তথ্য এন্ট্রি করে তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করে তা সংরক্ষণ করতে হবে। আগামী ৭ মে ২০২৬ পর্যন্ত এই নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান থাকবে।
মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদে শিক্ষার্থীদের অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে পিতা/মাতার মধ্যে যাকে অভিভাবক হিসেবে নির্বাচন করা হবে, তার এনআইডি দিয়ে সংশ্লিষ্ট সিম রেজিস্ট্রেশন ও অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টধারীর নাম হিসেবে শিক্ষার্থীর পিতা/মাতার নাম থাকবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তির টাকা সফলভাবে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে নগদ।
এ বিষয়ে নগদের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মো. সামসুল ইসলাম বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও উপবৃত্তির টাকা অত্যন্ত সফলভাবে বিতরণ করে আসছে নগদ। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তির টাকা গ্রহণেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পছন্দের শীর্ষে থাকবে নগদ। তিনি বলেন, সহজে সবখানে সেবা পাওয়ায় নগদ এখন মানুষের কাছে একটি আস্থার নাম।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সরকার ৯ হাজার কোটি টাকার সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা নগদের মাধ্যমে বিতরণ করে। চলতি অর্থবছরে এই অঙ্ক আরো অনেক বড় হবে। সহজে যেকোনো জায়গায় নগদের ক্যাশ আউট করার সুবিধা ও সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জের জন্য শুরু থেকেই ভাতাভোগীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে নগদ।
কর্পোরেট সংবাদ
ইবিএলের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন হাসান ও. রশিদ
দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন হাসান ও. রশিদ।
ইবিএলে যোগদানের আগে তিনি প্রাইম ব্যাংক পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাংকিং খাতে ৩১ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হাসান দেশি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে ছিলেন। এর মধ্যে ক্রেডিট অ্যাগ্রিকোল ইন্দোসুয়েজ, এইচএসবিসি এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র পদে কাজ করেছেন।
ট্রান্সফরমেশন, ইনোভেশন এবং কৌশলগত নেতৃত্বের জন্য হাসান ও রশিদ সুপরিচিত। ইতোপূর্বে তিনি ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ইবিএলের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এসময় তিনি ব্যাংকের অবস্থান সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বে ইবিএলের ব্যালান্স শিট দ্বিগুণ হয়, ট্রেড ফাইন্যান্স কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হয় এবং দেশে প্রথমবারের মতো কমার্শিয়াল পেপার ও জিরো-কুপন বন্ডের মতো আর্থিক উপকরণ চালু করা হয়।
তার সুদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন বড় অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়ন, এসএমই ব্যাংকিং খাতকে শক্তিশালী করা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতি ও ব্যবসা প্রশাসনে স্নাতক এবং গারভিন স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল ম্যানেজমেন্ট, থান্ডারবার্ড থেকে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল স্টুডেন্ট অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভের কৃতিত্ব অর্জন করেন এবং যুক্তরাজ্যের ওমেগা থেকে ‘ক্রেডিট প্রফেশনাল’ সনদ অর্জন করেছেন।
পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত। বর্তমানে তিনি Association of Bankers, Bangladesh (এবিবি)-এর ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি রোটারি ক্লাব অব রমনা, কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের সদস্য এবং সেন্ট জোসেফ ওল্ড বয়েজ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি গলফ খেলা ও লং ডিস্ট্যান্স রানিং এ আগ্রহী।
কর্পোরেট সংবাদ
বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডসে একাধিক স্বীকৃতি পেল ‘স্বপ্ন’
দেশের শীর্ষস্থানীয় রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’ বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছে। এই অর্জনের মাধ্যমে দেশের আধুনিক খুচরা বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত এবং বাংলাদেশ রিটেইল ফোরামের সহযোগিতায় অ্যাওয়ার্ডটির তৃতীয় আসর রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মাধ্যমে খুচরা খাতে পরিবর্তন আনছে, এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানটির টাইটেল স্পন্সর হিসেবেও ‘স্বপ্ন’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৫৩টি প্রতিষ্ঠানের ৩৪৭টি মনোনয়নের মধ্যে ১৬ সদস্যের বিচারক প্যানেলের কঠোর মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বপ্ন চারটি
গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায়:
* বেস্ট রিটেইল অর্গানাইজেশন অব দ্য ইয়ার-স্বপ্ন: রিডিফাইনিং রিটেইল ইন বাংলাদেশ
* বেস্ট ইউজ অব টেকনোলজি ইন রিটেইল-স্বপ্ন ভিডিও অ্যানালিটিক্স প্রজেক্ট
* মোস্ট সাসটেইনেবল রিটেইল ইনিশিয়েটিভ-ফার্ম টু শেল্ফ: ট্রেসেবল, এথিক্যাল ও ইনক্লুসিভ ফ্রেশ প্রোডিউস সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলা
* মোস্ট ইনোভেটিভ রিটেইল ব্র্যান্ড অব দ্য ইয়ার ২০২৫-স্বপ্ন ১৬০ টাকা বিফ কম্বো
এছাড়া, ‘ট্রলি রান’ ক্যাম্পেইনের জন্য বেস্ট রিটেইল ক্যাম্পেইন ক্যাটাগরিতে স্বপ্ন ‘অনরেবল মেনশন’ অর্জন করে।
এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে এমন রিটেইলারদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়, যারা পরিবর্তিত গ্রাহক আচরণের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে, অফলাইন ও অনলাইন অভিজ্ঞতার সমন্বয় করছে এবং নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
‘স্বপ্ন’-এর এই অর্জন প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম, গ্রাহকদের জন্য মূল্য সৃষ্টি এবং একটি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রিটেইল পরিবেশ গড়ে তোলার ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।
এই সাফল্যের মাধ্যমে ‘স্বপ্ন’ দেশের বিকাশমান রিটেইল খাতে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করে চলেছে এবং আধুনিক খুচরা বাণিজ্যে পথপ্রদর্শক হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে।



