আন্তর্জাতিক
হরমুজ অবরোধে পানামা খাল দিয়ে যাতায়াতে খরচ বেড়েছে
হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে গত কয়েক সপ্তাহে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের জাহাজগুলো পানামা খাল দিয়ে দ্রুত পার করার জন্য ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত ব্যয় করেছে। খাল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সাধারণত এ খাল দিয়ে যাতায়াতের জন্য একটি নির্দিষ্ট হারে ফি নেওয়া হয়। তবে যেসব কোম্পানির আগে থেকে বুকিং দেওয়া নেই, তারা জলপথটি পার হওয়ার জন্য কয়েকদিন অপেক্ষা না করে নিলামের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে দ্রুত যাওয়ার সুযোগ পায়।
এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ থাকায় এখন বাণিজ্যিক জাহাজগুলো বিকল্প হিসেবে পানামা খালের ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে নিলামের মাধ্যমে পাওয়া এই বিশেষ স্লটগুলোর চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়েছে, যা যাতায়াতের খরচকেও আকাশচুম্বী করে তুলেছে।
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন দূতাবাস জানায়, ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। এসব দেশের অভিবাসীদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ব্যয়ে সরকারি সহায়তা গ্রহণের হার বেশি।
তবে এই স্থগিতাদেশ পর্যটক ও শিক্ষার্থী ভিসাসহ অনভিবাসী ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, অভিবাসীদের অবশ্যই আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে এবং তারা যেন আমেরিকানদের ওপর আর্থিক বোঝা হয়ে না দাঁড়ায়। স্টেট ডিপার্টমেন্ট বর্তমানে সব স্ক্রিনিং এবং যাচাইকরণ নীতিগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করছে।
এর উদ্দেশ্য হলো- উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীরা যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বেআইনিভাবে কল্যাণমূলক সুবিধা গ্রহণ করতে না পারে বা তারা যেন রাষ্ট্রীয় বোঝা হয়ে না ওঠে, তা নিশ্চিত করা।
২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে স্টেট ডিপার্টমেন্ট নিম্নোক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য সব প্রকার ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে- আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামা দ্বীপপুঞ্জ, বাংলাদেশ, বার্বাডোস, বেলারুশ, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ব্রাজিল, বার্মা (মিয়ানমার), কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, কোত দিভোয়ার, কিউবা, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গো, ডোমিনিকা, মিশর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি।
এছাড়া গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনি, হাইতি, ইরান, ইরাক, জ্যামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টিনিগ্রো, মরক্কো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, পাকিস্তান, রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গো, রাশিয়া, রুয়ান্ডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তিউনিসিয়া, উগান্ডা, উরুগুয়ে, উজবেকিস্তান এবং ইয়েমেন তালিকায় রয়েছে।
আন্তর্জাতিক
পাকিস্তানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
পাকিস্তানে পৌঁছেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বে ইরানের প্রতিনিধিদল। শুক্রবার রাতে তাদের বহনকারী বিমানটি ইসলামাবাদে অবতরণ করে।
এদিকে ইসলামাবাদে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারও। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছেন, শনিবার ‘ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা করবেন’ তারা। তবে তেহরানের দাবি, ‘ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো বৈঠক হওয়ার পরিকল্পনা নেই।’
পাকিস্তানের ডন পত্রিকার এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ইসলামাবাদে অবতরণের পর ইরানের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান (সিডিএফ) ও সেনাপ্রধান (সিওএএস) ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সফরকালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করবেন আরাঘচি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার পাকিস্তানে আসছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিটের ভাষ্য, ‘ইরানিরা আলোচনা করতে চায়।’ প্রতিনিধিদলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স না থাকার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। তার ভাষায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট সফরের জন্য প্রস্তুত আছেন।
আলোচনা সফল হলে যাবেন তিনি।
আন্তর্জাতিক
মার্কিন অবরোধ ব্যর্থ, নিরাপদে বন্দরে পৌঁছাল ইরানি জাহাজ
ওমান সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি জব্দের চেষ্টা ব্যর্থ করে নির্ধারিত বন্দরে পৌঁছেছে ইরানের একটি পণ্যবাহী জাহাজ। হরমুজ প্রণালি হয়ে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানো ওই জাহাজকে ঘিরে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ ইউনিট নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করে।
আইআরজিসি-র দাবি, ওমান সাগরে অবস্থানকালে মার্কিন নৌবাহিনী জাহাজটিকে আটক ও নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। তবে সময়োচিত হস্তক্ষেপ এবং বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
পরে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে নিরাপদে গন্তব্য বন্দরে নোঙর করে। ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের সামুদ্রিক উত্তেজনার অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানগামী সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগর অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।
সেন্টকমের তথ্যমতে, বর্তমানে অন্তত ২৬টি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ওই অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে, যার মধ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরীও রয়েছে। আরও একটি রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশ’ ধীরে ধীরে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ইতিমধ্যে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার মধ্য দিয়ে হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের সমুদ্রপথে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে আইআরজিসি-র এই পদক্ষেপকে নিজেদের সমুদ্রসীমা ও বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।a
আন্তর্জাতিক
হরমুজ প্রণালিতে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর কর মওকুফ করলো ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম কৌশলগত সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী ব্যবহারকারী কিছু দেশের জন্য বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘বন্ধুপ্রতিম’ রাষ্ট্রগুলোর ক্ষেত্রে এই পথ দিয়ে চলাচলের নির্ধারিত ফি বা কর মওকুফ করা হয়েছে।
মস্কোয় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি জানিয়েছেন, বর্তমানে কয়েকটি দেশের জন্য এই সুবিধা কার্যকর রয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়ার মতো দেশের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যেই এই ছাড় দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এই নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে আপাতত ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ব্যতিক্রমী সুবিধা চালু রাখার বিষয়ে কাজ করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত সামুদ্রিক চাপ ও চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের এই পদক্ষেপকে কৌশলগত বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে একদিকে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করা হচ্ছে, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ইঙ্গিত করছে তেহরান।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। জানা গেছে, দেশটির বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ সেন্টকমের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করেছে।
সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, রণতরীটি বর্তমানে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তবে এটি আগে থেকেই মোতায়েন থাকা বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হবে নাকি কোনো জাহাজকে প্রতিস্থাপন করবে। সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
আন্তর্জাতিক
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এ রণতরীর নাম ইউএসএস জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পেন্টাগন সূত্র জানিয়েছে, গত মার্চ মাসে ভার্জিনিয়া থেকে রওনা হয়েছিল ইউএসএস জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ। তারপর আফ্রিকার উপকূল পাড়ি দিয়ে বর্তমানে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে রণতরীটি।
ইউএসএস জর্জ এইচ. ডব্লিউ বুশ যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সম্পদ। মার্কিন নৌবাহিনীর মোট ১০টি পরমাণু শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী আছে, ইউএসএস বুশ সেগুলোর মধ্যে অন্যতম।
গত ২৮ তারিখ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলে যৌথ বিমান হামলার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ। এই যুদ্ধের কয়েক দিন আগে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নিজেদের প্রথম বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। তারপর মার্চ মাসের মাঝামাঝি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড নামে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু লন্ড্রী এরিয়ায় আগুন এবং পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা বিগড়ে যাওয়া এবং অন্যান্য গোলযোগের কারণে গত মার্চের শেষ সপ্তাহে মেরামতের জন্য লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল দিয়ে ক্রোয়েশিয়ার পথে রওনা দেয় ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেদিন ইউএসএস ফোর্ড মধ্যপ্রাচ্য তেকে ক্রোয়েশিয়ার পথে রওনা হয়েছে, সেদিনই ভার্জিনিয়া থেকে যাত্রা শুরু করেছে ইউএসএস বুশ।
এদিকে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। সম্প্রতি সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ বর্ধিত করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
সূত্র : এএফপি, গালফ নিউজ



