অর্থনীতি
দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সংকটময় পরিস্থিতি অতিক্রম করছে: মোহাম্মদ হাতেম
দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সংকটময় পরিস্থিতি অতিক্রম করছে বলে মন্তব্য করেছেন নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমই-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তার অভিযোগ, ব্যাংক খাত থেকে ন্যূনতম সহযোগী পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে বিকেএমইএ এক্সপো ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, একদিকে ক্রমাগত লোডশেডিং, অন্যদিকে মিলছে না পর্যাপ্ত জ্বালানি। কারখানাগুলোকে দৈনিক অন্তত দুই-তিন ঘণ্টা উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
এতে উৎপাদন খরচ বেড়েছে অন্তত ২০ শতাংশ, যার প্রভাব পড়ছে ব্যবসায়। এ অবস্থা চলমান থাকলে আরও বহু প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি জানান, এবারের আয়োজনে ৩০টি দেশের এক হাজারের বেশি প্রদর্শক অংশ নেবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ খাত থেকে প্রায় ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি হয়েছে, যা দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি।
অর্থনীতি
রুপার বাজারেও টানা পতন, দাম কমলো কত?
দেশের বাজারে সবশেষ ৫ দফা সমন্বয়ের মধ্যে ৩ বারই কমেছে রুপার দাম। এর মধ্যে সবশেষ টানা ২ দফায় কমানো হয়েছে মোট ৫৮৪ টাকা।
সবশেষ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে টানা ২য় দফা রুপার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২৩৩ টাকা কমিয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে সবশেষ গত ২৩ এপ্রিল সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ১৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার। এদিকে, ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৫ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
অর্থনীতি
দেশের বাজারে আরও কমলো সোনার দাম
দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।
মঙ্গলবার সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ২৩ এপ্রিল ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। এই দাম কমানোর পাঁচদিন পর ফের দাম আরও কিছুটা কমানো হলো।
এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৯৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৮০৭ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ২১৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।
এর আগে গত ১৫ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কমিয়ে দাম ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই সোনা বিক্রি হয়েছে।
সোনার দাম কমানোর পাশাপাশি এখন রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৩৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৩৪ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৬ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থনীতি
এপ্রিলের ২৬ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার
চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ৪৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২২৭ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে এসেছে ২ হাজার ৮৯২ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ।
এর আগে গত মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।
গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
অর্থনীতি
জাতীয় বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকবে: অর্থমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য যত অর্থ প্রয়োজন হবে, আসন্ন জাতীয় বাজেটে সেই অর্থের সংস্থান রাখা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। সরকার এ প্রকল্পটি নির্বিঘ্নভাবে বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশেষ করে গ্রামীণ নারীদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় কিছু ছোটখাটো ত্রুটি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এসব ভুল আর হবে না এবং কার্যক্রম আরও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে।
উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে, যাতে নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রায় কিছুটা স্বস্তি আসে।
এমএন
অর্থনীতি
ব্র্যাক ব্যাংকের রেকর্ড ২ হাজার ২৫১ কোটি টাকা মুনাফা
দেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম শীর্ষ ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি ২০২৫ সালে রেকর্ড মুনাফা অর্জন করেছে। শক্তিশালী রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ও দক্ষ পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার ফলে ব্যাংকটির কর-পরবর্তী সম্মিলিত নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৫১ কোটি টাকা, যা আগের বছরের ১ হাজার ৪৩২ কোটি টাকার তুলনায় ৫৭ শতাংশ বেশি।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, একই সময়ে একক ভিত্তিতে ব্যাংকটির নিট মুনাফা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা, যা ২০২৪ সালের ১ হাজার ২১৪ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে।
শক্তিশালী আর্থিক ফলাফলের ধারাবাহিকতায় ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছে। তবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের পর।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চ্যালেঞ্জিং অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও গ্রাহকদের আস্থা, সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সতর্ক অবস্থান তাদের এ সাফল্যের দৌরাত্ম্যে এগিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ এবং গ্রাহককেন্দ্রিক নতুন সেবার উদ্ভাবন আয়ে প্রবৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণের ফলে তারা পূর্বের বছরের তুলনায় ভালো মুনাফা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কঠোর নীতি অনুসরণ এবং ঋণ অনুমোদন প্রক্রিয়ায় নিবিড় তদারকির ফলে সম্পদের গুণগত মান বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে বলে জানায় ব্যাংকটি। এতে খেলাপি ঋণের হার খাতের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
ব্যাংকটি আরও জানায়, দীর্ঘদিনের সুশাসন, নিয়ন্ত্রক অনুবর্তিতা এবং মূল্যবোধনির্ভর ব্যাংকিং চর্চার ফলেই এই ধারাবাহিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে, যা দেশের আর্থিক খাতে ব্র্যাক ব্যাংককে একটি মানদণ্ড প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।



