Connect with us

প্রবাস

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে কড়াকড়ি, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও

Published

on

লভ্যাংশ

অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার প্রক্রিয়া আরো কঠোর হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রস্তাবিত নীতিতে আবেদনকারীদের অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও অনলাইন কার্যক্রমের গভীর যাচাইয়ের ইঙ্গিত থাকায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার আবেদনকারীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার বিরোধীদলীয় রাজনীতিক নেতা অ্যাঙ্গাস টেইলর অভিবাসন ব্যবস্থায় কঠোরতা আনার প্রস্তাব তুলে ধরে আশ্রয় আবেদনকারীদের পরিচয় ও কার্যক্রম যাচাইয়ের ওপর জোর দিয়েছেন। তার প্রস্তাব অনুযায়ী, ভিসা ও আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এতে আবেদনকারীদের অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা, বক্তব্য এবং কার্যক্রম যাচাইয়ের সুযোগ বাড়বে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তবে অভিবাসন বিষয়ে বিজ্ঞজনদের মতে, প্রস্তাবিত নীতিগুলো বাস্তবায়িত হলে এর প্রভাব পড়তে পারে বিভিন্ন স্তরে। নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে আবেদন প্রস্তুত আরও জটিল ও প্রমাণনির্ভর হয়ে উঠবে। চলমান আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাচাইয়ের মুখোমুখি হতে পারে এবং ভিসাধারীদের মধ্যেও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়তে পারে।

বিশেষ করে, যাদের অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা প্রকাশ্য বা অনলাইনে দৃশ্যমান, তাদের জন্য ঝুঁকি বাড়তে পারে।

সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র বিষয়ক দপ্তর আশ্রয় আবেদন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর ব্যক্তিগতভাবে নির্যাতনের আশঙ্কা, প্রমাণের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং দেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করে থাকে।

সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী, কেবল রাজনৈতিক পরিচয় নয় বরং আবেদনকারীর ব্যক্তিগতভাবে ঝুঁকির মুখে থাকার বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করতে হয়।

অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবীদের মতে, ভবিষ্যতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যাচাই বাধ্যতামূলক হলে আবেদন প্রক্রিয়া আরো কঠোর ও তথ্যনির্ভর হয়ে উঠবে এবং পূর্বের কার্যক্রমের সঙ্গে বর্তমান দাবির অসামঞ্জস্য থাকলে তা আবেদন বাতিলের কারণ হতে পারে।

সিডনির বাংলাদেশি কমিউনিটির আবিদুর রহমান জানান, সাম্প্রতিক বাংলাদেশ থেকে আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কমিউনিটির একাংশ মনে করছেন, অতীতে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন এমন ব্যক্তিদের জন্য নতুন নীতি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। অন্যদিকে কেউ বলছেন, যাদের প্রকৃতপক্ষে ব্যক্তিগত ঝুঁকি রয়েছে এবং যারা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবেন, তাদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন তেমন প্রভাব ফেলবে না।

একজন আবেদনকারীর অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে কমিউনিটির অপর একটি সূত্র জানায়, তিনি দেশে সক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই সংক্রান্ত ছবি ও তথ্য রয়েছে। বর্তমানে আশ্রয়ের আবেদন করতে গিয়ে তিনি শঙ্কায় রয়েছেন।

কারণ নতুন যাচাই ব্যবস্থায় তার পূর্বের অবস্থান তার দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। যদিও এ ধরনের অভিজ্ঞতা যাচাইযোগ্য নয়, তবুও কমিউনিটির মধ্যে এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যানগত দিক থেকে দেখা যায়, অস্ট্রেলিয়ায় প্রতি বছর বিভিন্ন দেশ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আশ্রয় আবেদন জমা পড়ে। যার একটি অংশ দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল থেকে আসে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, অনেক আবেদনই প্রাথমিক পর্যায়ে বাতিল হয়, প্রধানত পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব বা বিশ্বাসযোগ্যতার ঘাটতির কারণে। যাচাই প্রক্রিয়া আরও কঠোর হলে বাতিলের হার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এদিকে ‘নিরাপদ দেশ’ তালিকা নিয়ে আলোচনাও সামনে এসেছে। কোনো দেশকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে সেই দেশ থেকে আসা আশ্রয় আবেদন সাধারণত কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং দ্রুত নিষ্পত্তির আওতায় আনা হয়। বাংলাদেশকে এই তালিকায় যুক্ত করার বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকলেও, এ ধরনের প্রস্তাবনা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনায় নতুন বাংলাদেশি আশ্রয় প্রাথনাকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকদের মতে, অতিরিক্ত যাচাই প্রক্রিয়া প্রকৃত আশ্রয়প্রার্থীদের জন্যও জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা নিরাপত্তার কারণে প্রকাশ্যে তাদের অবস্থান তুলে ধরতে পারেন না বা অনলাইনে সক্রিয় থাকেন না। ফলে কেবল অনলাইন উপস্থিতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিলে বাস্তব পরিস্থিতি পুরোপুরি প্রতিফলিত নাও হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অভিবাসন ইস্যু ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। লিবারেল-ন্যাশনাল জোট এই বিষয়টিকে নির্বাচনী অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরছে, যেখানে সীমান্ত নিরাপত্তা ও ভিসা ব্যবস্থার কঠোরতার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের প্রস্তাব রাজনৈতিক বিতর্ককে আরো তীব্র করে তুলছে।

এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার ভিসা মাইগ্রেশনের বিষয়ে পরামর্শক নাসির উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে আরো কঠোর, যাচাইকেন্দ্রিক এবং তথ্যনির্ভর হয়ে উঠছে। এতে একদিকে দুর্বল বা অসংগত আবেদন কমে আসতে পারে। অন্যদিকে প্রকৃত আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য শক্তিশালী প্রমাণ উপস্থাপনের প্রয়োজনীয়তা আরো বাড়বে। নতুন বাস্তবতায় রাজনৈতিক পরিচয় বা অতীত ভূমিকার চেয়ে ব্যক্তিগত ঝুঁকি প্রমাণই হয়ে উঠতে পারে আশ্রয় পাওয়ার প্রধান নির্ধারক।

শেয়ার করুন:-

প্রবাস

ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনপ্রতিনিধিদের নতুন প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ

Published

on

লভ্যাংশ

ফ্রান্সে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকার রক্ষা, কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতকরণ এবং প্রশাসনিক সহায়তা জোরদারের লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনপ্রতিনিধিদের নতুন সংগঠন— “আসোসিয়াসিয়োঁ দে জেল্যু ফ্রঁসেজ দোরিজিন বাংলাদেশ”।

গত রবিবার (১২ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। ২০২৬ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনে বিজয়ী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলরদের সমন্বয়ে গঠিত এই প্ল্যাটফর্মটি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি সংগঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক কণ্ঠস্বর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সংগঠনটির লক্ষ্য হচ্ছে প্রশাসনিক পর্যায়ে বাংলাদেশিদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা এবং একটি শক্তিশালী কমিউনিটি কাঠামো গড়ে তোলা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নবগঠিত সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কৌশিক রাব্বানী (সেইন্ট ডেনিস), সেক্রেটারি নাহিদুল মোহাম্মদ (সেইন্ট ডেনিস), সহ-সভাপতি জুবায়েদ আহমেদ (ইভরি সুর সেইন) এবং ট্রেজারার তানিয়া তুনু (গার্ঝ-লে-গোনেস)।

সংগঠন গঠন প্রসঙ্গে সভাপতি কৌশিক রাব্বানী বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান, অধিকার সংরক্ষণ এবং ফরাসি সমাজে তাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে এই প্ল্যাটফর্ম কাজ করবে। আমরা চাই, এই প্ল্যাটফর্মটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল ও কার্যকর প্রতিনিধিত্বকারী শক্তিতে পরিণত হোক।

উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে ফ্রান্সের জাতীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, বিশেষ করে সংসদ সদস্যরাও এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত হবেন। এতে সংগঠনটি আরও শক্তিশালী, গতিশীল এবং কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ঐক্য, সহযোগিতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় এই উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠবে। পাশাপাশি ফরাসি সমাজে বাংলাদেশি কমিউনিটির ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তোলা এবং তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেও সংগঠনটি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদত্যাগ

Published

on

লভ্যাংশ

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ওই পোস্টে আকবর হোসেন লিখেছেন, ‘ডিয়ার অল—লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার পদ থেকে আমি পদত্যাগ করেছি। একান্ত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে সেখানে দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টির সঙ্গে অন্য কোনো কিছুর সম্পর্ক নেই। ধন্যবাদ।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার হিসেবে তাকে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তবে তার পদত্যাগের বিষয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

প্রেস মিনিস্টার হিসেবে যোগদানের আগে তিনি বিবিসি বাংলার ঢাকা অফিসে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

মার্কিন ভিসা নিয়ে দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

Published

on

লভ্যাংশ

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা থাকলেই দেশটিতে প্রবেশের নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না বলে সতর্ক করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।

শনিবার (২৮ মার্চ) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং অবস্থানের মেয়াদ নির্ধারণের পূর্ণ ক্ষমতা থাকে প্রবেশস্থলের (পোর্ট অব এন্ট্রি) ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার হাতে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

দূতাবাস জানায়, একটি ইউএস ভিসা থাকা মানেই যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের শতভাগ নিশ্চয়তা নয়। একজন ভ্রমণকারী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন কিনা এবং কতদিন সেখানে অবস্থান করতে পারবেন, তার শর্তাবলি নির্ধারণ করেন সংশ্লিষ্ট প্রবেশস্থলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা। অর্থাৎ, ভিসা থাকা সত্ত্বেও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা চাইলে যে কাউকে প্রবেশে বাধা দিতে পারেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ভিসাধারীদের সতর্ক করে পোস্টে আরও বলা হয়, পারমিটের মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা বা ভিসার ধরন অনুযায়ী অনুমোদিত নয় এমন কোনো কাজে (যেমন: টুরিস্ট ভিসায় গিয়ে চাকরি করা) জড়িত হওয়া গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের নিয়ম লঙ্ঘনের ফলে ভবিষ্যতে ওই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে।

মার্কিন দূতাবাস স্পষ্ট জানিয়েছে, সঠিকভাবে ভিসা ব্যবহার করা সম্পূর্ণভাবে ভ্রমণকারীর নিজস্ব দায়িত্ব। নিয়ম মেনে দেশটিতে অবস্থান এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফিরে আসার ওপরই পরবর্তী ভিসা প্রাপ্তি বা ভ্রমণের সুযোগ নির্ভর করে।

সম্প্রতি ভিসা জালিয়াতি এবং অতিরিক্ত সময় অবস্থানের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপের অংশ হিসেবেই দূতাবাস থেকে নিয়মিত বিরতিতে এমন সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইইউর বাইরে অভিবাসী আটক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব পাস

Published

on

লভ্যাংশ

ইউরোপীয় পার্লামেন্টে অভিবাসননীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ বা অভিবাসী আটক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটে প্রস্তাবটির পক্ষে ৩৮৯ জন আইনপ্রণেতা সমর্থন দেন, বিপক্ষে ভোট পড়ে ২০৬টি এবং ৩২ জন ভোটদানে বিরত থাকেন। এই সিদ্ধান্তকে ইউরোপের অভিবাসনব্যবস্থায় একটি কঠোর ও বিতর্কিত মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রস্তাবটি পাসের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সমীকরণেও বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ডানপন্থী দলগুলো এবার চরম ডানপন্থীদের সঙ্গে সমন্বয় করে অবস্থান নেয়, যা অতীতে খুব একটা দেখা যায়নি। অন্যদিকে বামপন্থী ও কেন্দ্রপন্থী শক্তিগুলো এর বিরোধিতা করে। নতুন ব্যবস্থায় ইইউ সদস্য রাষ্ট্রগুলো এখন এককভাবে কিংবা ছোট জোট গঠন করে তৃতীয় দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবে, যার মাধ্যমে অনিয়মিত অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত না পাঠিয়ে ইইউর বাইরের নির্ধারিত কেন্দ্রে পাঠানো হবে। ইতিমধ্যে জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক ও গ্রিস আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এ ধরনের কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইউরোপের চরম ডানপন্থী দলগুলো এ সিদ্ধান্তকে তাদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতিফলন হিসেবে দেখছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসননীতির প্রশংসা করে একই ধরনের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আসছে। বেলজিয়ামের ভ্লামস বেলাং এবং জার্মানির এএফডি দল ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আদলে অভিবাসী শনাক্ত ও বহিষ্কারের জন্য বিশেষ বাহিনী গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।

তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই উদ্যোগকে গভীর উদ্বেগের চোখে দেখছে।

ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটির ইইউ অ্যাডভোকেসি পরিচালক মার্টা ওয়েলান্ডার বলেন, এই ভোট ‘শরণার্থী অধিকারের জন্য ঐতিহাসিক পশ্চাদপসরণ’। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এটি একটি নতুন শাস্তিমূলক ইইউ আশ্রয় ও অভিবাসনব্যবস্থার পথ প্রশস্ত করবে, যা নিরাপত্তা খোঁজা মানুষদের নিরুৎসাহিত, আটক এবং বহিষ্কার করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ইইউর এমন একটি ব্যবস্থা থাকা উচিত, যা জীবন রক্ষা করে, যা বেঁচে থাকাকে অপরাধী করে না।’
এ ছাড়া উদ্বেগ জানিয়েছে প্ল্যাটফরম ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন অন আনডকুমেন্টেড মাইগ্র্যান্টস (পিকাম)। সংস্থাটির অ্যাডভোকেসি কর্মকর্তা সিলভিয়া কার্তা বলেন, ‘এই ভোট একটি বিপজ্জনক মোড় নেওয়ার ইঙ্গিত দেয়, কারণ কেন্দ্র ডানপন্থী শক্তিগুলো চরম ডানপন্থীদের সঙ্গে জোট বেঁধে একটি দমনমূলক এজেন্ডা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছ।

এই বিষাক্ত জোট গণ-আটক, পরিবারের থেকে বিচ্ছেদ এবং বহিষ্কারের পথ প্রশস্ত করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের আইসিইকে করতে দেখেছি এবং অসংখ্য জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।’

অন্যদিকে সমর্থকরা বলছেন, ‘এই নীতি অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ফরাসি কেন্দ্র-ডানপন্থী এমইপি ফ্রাঁসোয়া-জাভিয়ের বেলামি বলেন, ‘এই সংস্কারের মাধ্যমে যে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে, তা সরলভাবে এই নীতিকে নিশ্চিত করবে, যদি আপনি অনিয়মিতভাবে ইউরোপে আসেন, তবে নিশ্চিত যে আপনি এখানে থাকতে পারবেন না।’

কেন্দ্র-বামপন্থী এসঅ্যান্ডডি গ্রুপের ইতালীয় এমইপি সেসিলিয়া স্ত্রাদা এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বলেন, ‘এই ভয়াবহ আইনগুলো আমাদের সমাজকে দুর্বল করবে, ভয় বাড়িয়ে তুলবে এবং নিরপরাধ মানুষদের কারাগার ও বহিষ্কারের ভয়ে লুকিয়ে থাকতে বাধ্য করবে।’

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘এটি ইউরোপকে একটি ‘বিশ্বাসযোগ্য অভিবাসন নীতি’র দিকে এগিয়ে নেবে। রিটার্ন হাবগুলো অনিয়মিত অভিবাসীদের জন্য প্রত্যাবাসনের দেশ শনাক্ত করার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে, যার মধ্যে শুধু তাদের নিজ দেশ নয়, তৃতীয় দেশও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এটি প্রত্যাবাসনকে আরো কার্যকর করা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা এবং ইউরোপকে একটি বেশি বিশ্বাসযোগ্য অভিবাসননীতি প্রদানের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

সমালোচকদের মতে, ইইউর বাইরে এসব কেন্দ্র স্থাপন করলে মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। ফ্রান্স, স্পেনসহ কয়েকটি দেশও এই মডেলের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অনেকের মতে, এসব কেন্দ্র বাস্তবে ‘আইনি কৃষ্ণগহ্বর’-এ পরিণত হতে পারে।

উল্লেখ্য, নতুন আইনের আওতায় যারা দেশ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানাবে, তাদের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর মধ্যে আটক এবং ভবিষ্যতে ইইউতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

প্রবাস

রফিকুল ইসলাম মাদানীর ছেলে মারা গেছেন

Published

on

লভ্যাংশ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও মদিনা মুনাওয়ারা শাখার সভাপতি মাওলানা সাইয়েদ রফিকুল ইসলাম মাদানীর বড় ছেলে হাফেজ নাঈম বিন রফিক ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার (২১ মার্চ) দুপুর ২টায় মদিনা মুনাওয়ারার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ২৪ বছর।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পারিবারিক সূত্রে জানায়, সম্প্রতি তার শরীরে দুরারোগ্য ক্যানসার ধরা পড়ে, যা ইতোমধ্যে চতুর্থ স্তরে পৌঁছায়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে মদিনার হায়াত আল-ওতানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি স্ত্রী, পিতা-মাতা, দুই ভাই ও এক বোন রেখে গেছেন। রোববার বাদ জোহর মসজিদে নববীতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে জান্নাতুল বাকিতে তাকে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে মরহুমের মাগফিরাত কামনা করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান এবং আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তাছাড়া মরহুমের পিতা মাওলানা সাইয়েদ রফিকুল ইসলাম মাদানী তার সন্তানের রূহের মাগফিরাতের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার5 minutes ago

নগদ ২২% লভ্যাংশ ঘোষণা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার9 minutes ago

পরিবারের সদস্যদের ৪৬ লাখ শেয়ার উপহার দিচ্ছেন ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসি’র ভাইস চেয়ারম্যান মো. আলমগীর কবির তাঁর স্ত্রী, পুত্র ও দুই কন্যার নামে মোট ৪৬...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার2 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারীর সঙ্গে বিএসইসির বৈঠক

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনির সঙ্গে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ঊর্ধ্বতনের...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার4 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ২৬ কোটি টাকার

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৮টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২৬ কোটি...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার4 hours ago

দরপতনের শীর্ষে প্রিমিয়ার লিজিং

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার5 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে লিগাসি ফুটওয়ার

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৪টি কোম্পানির মধ্যে ১৩১টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার5 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি। ঢাকা স্টক...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার5 minutes ago

নগদ ২২% লভ্যাংশ ঘোষণা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার9 minutes ago

পরিবারের সদস্যদের ৪৬ লাখ শেয়ার উপহার দিচ্ছেন ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান

লভ্যাংশ
প্রবাস21 minutes ago

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে কড়াকড়ি, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও

লভ্যাংশ
আইন-আদালত44 minutes ago

হাইকোর্ট বিভাগে ৬৩ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

লভ্যাংশ
আইন-আদালত48 minutes ago

কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন

লভ্যাংশ
জাতীয়1 hour ago

পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রীর পিএস

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক1 hour ago

জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পাকিস্তান নৌবাহিনী

লভ্যাংশ
জাতীয়1 hour ago

প্রতিশোধ প্রতিহিংসা নয়, সহনশীলতাকে গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী

লভ্যাংশ
অর্থনীতি1 hour ago

এপ্রিলের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭৮ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার

লভ্যাংশ
বিনোদন2 hours ago

স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার5 minutes ago

নগদ ২২% লভ্যাংশ ঘোষণা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার9 minutes ago

পরিবারের সদস্যদের ৪৬ লাখ শেয়ার উপহার দিচ্ছেন ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান

লভ্যাংশ
প্রবাস21 minutes ago

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে কড়াকড়ি, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও

লভ্যাংশ
আইন-আদালত44 minutes ago

হাইকোর্ট বিভাগে ৬৩ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

লভ্যাংশ
আইন-আদালত48 minutes ago

কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন

লভ্যাংশ
জাতীয়1 hour ago

পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রীর পিএস

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক1 hour ago

জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পাকিস্তান নৌবাহিনী

লভ্যাংশ
জাতীয়1 hour ago

প্রতিশোধ প্রতিহিংসা নয়, সহনশীলতাকে গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী

লভ্যাংশ
অর্থনীতি1 hour ago

এপ্রিলের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭৮ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার

লভ্যাংশ
বিনোদন2 hours ago

স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার5 minutes ago

নগদ ২২% লভ্যাংশ ঘোষণা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের

লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার9 minutes ago

পরিবারের সদস্যদের ৪৬ লাখ শেয়ার উপহার দিচ্ছেন ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান

লভ্যাংশ
প্রবাস21 minutes ago

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে কড়াকড়ি, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও

লভ্যাংশ
আইন-আদালত44 minutes ago

হাইকোর্ট বিভাগে ৬৩ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

লভ্যাংশ
আইন-আদালত48 minutes ago

কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন

লভ্যাংশ
জাতীয়1 hour ago

পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রীর পিএস

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক1 hour ago

জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পাকিস্তান নৌবাহিনী

লভ্যাংশ
জাতীয়1 hour ago

প্রতিশোধ প্রতিহিংসা নয়, সহনশীলতাকে গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী

লভ্যাংশ
অর্থনীতি1 hour ago

এপ্রিলের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭৮ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার

লভ্যাংশ
বিনোদন2 hours ago

স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত