পুঁজিবাজার
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে পিই রেশিও বেড়েছে
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ বিদায়ী সপ্তাহে (১৯–২৩ এপ্রিল) সার্বিক মূল্য-আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ৯.৩৬ পয়েন্ট, যা সপ্তাহ শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৪২ পয়েন্টে। এতে করে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পিই রেশিও ০.০৬ পয়েন্ট বা ০.৬৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে প্রাইম ফাইন্যান্স
বিদায়ী সপ্তাহে (১৯–২৩ এপ্রিল) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সাপ্তাহিক দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ১০ শতাংশ।
আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রাইম ফাইন্যান্সের শেয়ারদর ছিল ৪ টাকা, যা কমে বিদায়ী সপ্তাহ শেষে দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৬০ পয়সায়। ফলে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দর কমেছে ৪০ পয়সা।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস। কোম্পানিটির শেয়ারদর ১২ টাকা ৯০ পয়সা থেকে কমে ১১ টাকা ৮০ পয়সায় নেমেছে, যা ১ টাকা ১০ পয়সা বা ৮.৫৩ শতাংশ হ্রাস।
তৃতীয় স্থানে রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৪ টাকা ৭০ পয়সা থেকে কমে ৪ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা ৮.৫১ শতাংশ পতন নির্দেশ করে।
এছাড়া দরপতনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে রয়েছে খান ব্রাদার্স পিপি ব্যাগ, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, প্রিমিয়ার লিজিং, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ফাস ফাইন্যান্স এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।
আলোচ্য সপ্তাহে এসব কোম্পানির শেয়ারদর যথাক্রমে ৮.২৬ শতাংশ, ৭.৭৫ শতাংশ, ৭.৬৯ শতাংশ, ৭.৬৯ শতাংশ, ৭.৫০ শতাংশ, ৭.৪১ শতাংশ এবং ৭.৪১ শতাংশ হারে কমেছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে এপেক্স স্পিনিং
বিদায়ী সপ্তাহে (১৯–২৩ এপ্রিল) শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে এপেক্স স্পিনিং। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারের দর বেড়েছে ৩১.২৬ শতাংশ। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে যার দর ছিল ২৫৬ টাকা ২০ পয়সা, তা বেড়ে সপ্তাহ শেষে দাঁড়িয়েছে ৩৩৬ টাকা ৩০ পয়সায়। অর্থাৎ এক সপ্তাহে দর বেড়েছে ৮০ টাকা ১০ পয়সা।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিডি ল্যাম্পস। কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৫৯ টাকা ১০ পয়সা থেকে বেড়ে ২০৪ টাকা ৪০ পয়সায় পৌঁছেছে, যা ৪৫ টাকা ৩০ পয়সা বা ২৮.৪৭ শতাংশ বৃদ্ধি।
তালিকার তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সমতা লেদার। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৮৭ টাকা থেকে বেড়ে ১০৮ টাকা ৬০ পয়সায় উন্নীত হয়েছে, যা ২১ টাকা ৬০ পয়সা বা ২৪.৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
এছাড়া দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে রয়েছে কনটিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, অগ্নি সিস্টেমস, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, এপেক্স ফুডস, পুরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ এবং পিপলস ইন্স্যুরেন্স।
আলোচ্য সপ্তাহে এসব কোম্পানির শেয়ারদর যথাক্রমে ২০.২৪ শতাংশ, ২০.১৮ শতাংশ, ২০.১৮ শতাংশ, ২০.১৩ শতাংশ, ১৮.৬৯ শতাংশ, ১৮.৬৫ শতাংশ এবং ১৮.০৪ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক
বিদায়ী সপ্তাহে (১৯–২৩ এপ্রিল) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ লেনদেনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৩১ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের ৩.৫৩ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ডমিনেজ স্টিল। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির দৈনিক গড় লেনদেন দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৮৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের ৩.১৯ শতাংশ।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে একমি পেস্টিসাইডস। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ২.৩৪ শতাংশ।
এছাড়া সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে রয়েছে খান ব্রাদার্স পিপি ব্যাগ, সাপোর্ট, লাভেলো আইসক্রিম, পিটিএল, এপেক্স স্পিনিং, রানার অটোমোবাইলস এবং সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ।
এসব কোম্পানির দৈনিক গড় লেনদেন যথাক্রমে ২০ কোটি ১ লাখ টাকা (২.২২ শতাংশ), ১৯ কোটি ২৬ লাখ ২০ হাজার টাকা (২.১৩ শতাংশ), ১৮ কোটি ৮৫ লাখ ১০ হাজার টাকা (২.০৯ শতাংশ), ১৬ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা (১.৮০ শতাংশ), ১৩ কোটি ৮১ লাখ ৮০ হাজার টাকা (১.৫৩ শতাংশ), ১৩ কোটি ২৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা (১.৪৭ শতাংশ) এবং ১৩ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা (১.৪৫ শতাংশ)।
পুঁজিবাজার
মুনাফা বেড়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলসের
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত জানুয়ারি-মার্চ ২০২৬ সময়ের তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৮৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ৫৬ পয়সা।
চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিক (জুলাই ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬) মিলিয়ে কোম্পানিটির মোট ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ৭১ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ হার ছিল ৭ টাকা ৪৯ পয়সা।
এদিকে আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ কার্যকরী প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৭৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৭ টাকা ৮৩ পয়সা।
৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৮ টাকা ৭১ পয়সা।
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ১ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা
দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ বা ১ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৫ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা।
সূত্র মতে, চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে বেড়েছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৪১.৭৫ পয়েন্ট বা ০.৭৯ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ২৪.৭১ পয়েন্ট বা ১.২৪ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক বেড়েছে দশমিক ২১ পয়েন্ট বা ০.০২ শতাংশ।
সূত্র মতে, ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ৫১৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ২৭৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ২৪১ কোটি ৭ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৮৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বা ১০.৩৩ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৯০২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৮১৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯৪টি কোম্পানির, কমেছে ১৬৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ০.৪৭ শতাংশ ও ০.৫৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৮৩১.৭২ পয়েন্টে ও ৯০৯২.৮০ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৩০ সূচক ০.৬৬ শতাংশ ও সিএসই-৫০ ০.০৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৩০৬২.০৯ পয়েন্টে ও ১১১৩.৬২ পয়েন্টে। তবে সিএসআই সূচক কমেছে ০.০৮ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ৮৯৭.০৬ পয়েন্টে।
সূত্র মতে, চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৪৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ২৪৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ৯৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
সূত্র মতে, সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩১০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৮টির, কমেছে ১৫১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির কোম্পানির শেয়ার দর।
এমএন



