রাজধানী
কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিট
রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাতটি ইউনিট, আরও চারটি ইউনিট পথে রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে আগুনের খবর পান ফায়ার সার্ভিস। এ তথ্য জানান ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ।
রাশেদ বিন খালিদ বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাতটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। এছাড়া যানজটের কারণে এখনো পথে রয়েছে চারটি ইউনিট।
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও হতাহতের খবর জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
এমকে
রাজধানী
শুক্রবার সকাল থেকে টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
দেশের কয়েকটি এলাকায় আগামীকাল শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকাল থেকে টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
এতে বলা হয়, আগামী শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭টা পর্যন্ত আশুলিয়া টিবিএস থেকে বাইপাইল পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশের এলাকা, ঢাকা ইপিজেড, মালঞ্চ পাওয়ার প্ল্যান্ট, বক্সিমকো ডিআরএস (বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স), কাশিমপুর, সারদাগঞ্জ, হাজী মার্কেট, শ্রীপুর, চন্দ্রা, নবীনগর, সাভার টাউন এলাকা, সাভার ক্যান্টনমেন্ট, ডলাইল, ব্যাংক টাউন, সাভার রেডিও কলোনী, কলমা, দোসাইদ, কুমকুমারী, আক্রান, চারাবাগ, বড় আশুলিয়া, টঙ্গাবাড়ি, কাঠগড়া, জিরাবো, গাজীরচট, নয়াপাড়া, দেওয়ান ইদ্রিস সড়কের উভয় পাশের এলাকা, নয়ারহাট, বলিভদ্রপুর, পল্লীবিদ্যুত, ডেন্ডারবর, ভাদাইল, লতিফপুর, মানিকগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যমান সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এ ছাড়া এর আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
রাজধানী
শনিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট
প্রতিদিনই কেনাকাটা করতে আমরা কোথাও না কোথাও গিয়ে থাকি। অনেক ভোগান্তি শেষে কোথাও গিয়ে দেখলেন, সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ, তখন কাজ তো হলোই না বরং সময় নষ্ট।
তাই বাইরে বের হওয়ার আগে দেখে নিন শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর কোন কোন এলাকার মার্কেট, দোকান ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চানখাঁরপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, ধোলাইপাড়, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ ও শাঁখারী বাজার।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
নয়াবাজার, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, আজিমপুর সুপার মার্কেট, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার ও শরিফ ম্যানসন।
রাজধানী
উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ বৈশাখী শোভাযাত্রা
উৎসব, বর্ণিল আয়োজন ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখী শোভাযাত্রা। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণ থেকে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শোভাযাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, দোয়েল চত্বর ও বেগম রোকেয়া হল এলাকা প্রদক্ষিণ করে আবার চারুকলা প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
এতে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য ড. আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিদ্দিকুর রহমান খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য লুৎফর রহমানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং নগরবাসী।
ইউনেসকো স্বীকৃত এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে অংশ নিতে সকাল থেকেই চারুকলা এলাকায় ভিড় করেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। অনেককে দেখা যায় সাদা-লাল রঙের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নিতে।
শোভাযাত্রার শুরুতে ছিল মহানগর পুলিশের ১০টি ঘোড়সওয়ার দল। তাদের পেছনে জাতীয় পতাকা বহন করে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীর একটি দল অংশ নেয়।
এরপর মূল ব্যানারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষকবৃন্দ, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংসদ, কবিতা পরিষদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রার আকর্ষণ হিসেবে ছিল পাঁচটি বড় মোটিফ-মোরগ, বেহালা, শান্তির পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। এ ছাড়া প্রায় ৪০ জন শিল্পীর বাদ্যযন্ত্র পরিবেশনা এবং প্রায় ১৫০ ফুট দীর্ঘ পটচিত্রের স্ক্রল পেইন্টিং শোভাযাত্রায় বিশেষ মাত্রা যোগ করে। এতে অংশ নেয় দেশের ১০টি ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরাও, যা আয়োজনটিকে বহুসাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে।
রাজধানী
রাস্তা ও ফুটপাতে রাখা যাবে না নির্মাণ সামগ্রী: ডিএমপির কঠোর হুঁশিয়ারি
ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসন এবং পথচারীদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রাজধানীতে রাস্তা বা ফুটপাতে সরকারি কিংবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ সামগ্রী বা অন্যান্য মালামাল স্তূপ করে রাখা যাবে না। এই নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে শিগগিরই মাঠে নামছে ডিএমপির ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ট্রাফিক বিভাগ।
সোমবার ডিএমপি কমিশনারের (ভারপ্রাপ্ত) জারিকৃত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় চরম দুর্ভোগে নগরবাসী। সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের নির্মাণ কাজের সামগ্রী রাস্তা ও ফুটপাতে যত্রতত্র ফেলে রাখছেন। এর ফলে সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণ পথচারীদের চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে পুলিশ প্রশাসন।
আইনি ব্যবস্থা ও বিশেষ অভিযান ডিএমপি জানিয়েছে, রাস্তা বা ফুটপাতে মালামাল রাখা ডিএমপি অধ্যাদেশ ১৯৭৬-এর ৬৭, ৬৮, ৭২ ও ১০২ ধারা এবং সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৩৭ ও ৮২ ধারার পরিপন্থী। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ঢাকা মহানগরীতে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে জনদুর্ভোগ লাঘবে নিজ উদ্যোগে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাস্তা ও ফুটপাত থেকে যাবতীয় নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি। একটি সুশৃঙ্খল ও বাসযোগ্য মহানগরী গড়তে নগরবাসীর পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করেছেন ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার।
আবহাওয়া
ঢাকায় আজ বৃষ্টি হবে কিনা, জানাল অধিদপ্তর
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আজ বৃষ্টি হওয়ার আভাস নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে আকাশ মেঘলা থাকার সম্ভবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা।
আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এ ছাড়া রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এদিকে আজ সকালে ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৫৪ শতাংশ।



