অর্থনীতি
শিগগির আসছে ২৫০০ কোটি টাকার সপ্তম বিনিয়োগ সুকুক
নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের (IRIDPNFL) বিপরীতে ৭ম ‘বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগ সুকুক’ ইস্যু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইসলামী শরীয়াহ্ ভিত্তিক এই সুকুকের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বড় ধরনের অর্থনৈতিক গতি সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্সের পরিচালক (এক্স ক্যাডার-প্রকাশনা) ও সহকারী মুখপাত্র সাঈদা খানম।
এর আগে, সোমবার (৩ নভেম্বর) ওই ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ডেপুটি গভর্নর ও ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের অধীনে গঠিত শরীয়াহ্ এডভাইজরি কমিটির ১ম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ড. মো. কবির আহাম্মদ।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, ইজারা পদ্ধতিতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ৭ বছর মেয়াদি সুকুক ইস্যু করা হবে। এই সুকুকের মাধ্যমে নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলার ২০টি উপজেলার পল্লী এলাকায় সড়ক উন্নয়ন, প্রশস্তকরণ, পুনর্বাসন, ঢাল রক্ষাকরণ, এবং হাট-বাজার ও পর্যটন এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কৃষি ও অকৃষি অর্থনীতির প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে, গ্রামীণ জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং পরিবহন ব্যয় ও সময় উভয়ই হ্রাস পাবে। এই কারণে সুকুকটির নামকরণ করা হয়েছে ‘IRIDPNFL Socio-Economic Development Sukuk’।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এই সুকুক ইস্যু করার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক স্পেশাল পারপাস ভেহিকল (SPV) হিসেবে মোট ২৪ হাজার কোটি টাকার ছয়টি সুকুক সফলভাবে ইস্যু করেছে।
অর্থনীতি
র্যাবের জন্য কেনা হচ্ছে ১৬৩ গাড়ি, ব্যয় ১২২ কোটি টাকা
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) অভিযান সক্ষমতা বাড়াতে ১৬৩টি গাড়ি কেনা হচ্ছে। এসব গাড়ি কিনতে খরচ হবে ১২২ কোটি ২৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব গাড়ি কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, র্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩টি জিপ, ১০০ টহল পিকআপ ও ৬০টি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত মাইক্রোবাস সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
প্রস্তাব উপস্থাপন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গাড়িগুলো সরবরাহ করবে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
অর্থনীতি
করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে, জানানো হবে করদাতাকে: তিতুমীর
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, নাগরিক তখনই কর দিতে আগ্রহী হবে, যখন সে বুঝতে পারবে রাষ্ট্র তার করের অর্থ কীভাবে ব্যয় করছে এবং বিনিময়ে রাষ্ট্র তাকে সেবা দিচ্ছে। রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যে সামাজিক আস্থার সম্পর্ক তৈরি না হলে কর ফাঁকি ও কর জালিয়াতি কমবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে করদাতাদের এমন রসিদ দেওয়া হবে, যেখানে উল্লেখ থাকবে তাদের দেওয়া করের কত অংশ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় হয়েছে। আগামী বাজেট থেকেই এ ধরনের ব্যবস্থা চালুর আশা করছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৬ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) ও দ্য ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস যৌথভাবে আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. তিতুমীর বলেন, দেশে কর ফাঁকি ও কর জালিয়াতি বাড়ার পেছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি বড় কারণ। তার ভাষায়, ‘গোষ্ঠীতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতায় রাখবে, আর বিনিময়ে কর খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। কর ফাঁকি ও জালিয়াতির মূল শেকড় এখানেই।’
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, যা বিশ্বের অন্যতম নিম্ন হার। ‘উন্নয়নের বড় বড় বুলি আওড়ানো হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে করব্যবস্থার ভিত্তি দুর্বলই থেকে গেছে’-বলেন তিনি।
কর ব্যবস্থায় ‘সংযুক্তি’ ও ‘বিযুক্তি’ দুই ধরনের সংস্কারের কথাও তুলে ধরেন উপদেষ্টা। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘বিযুক্তি’ মানে করদাতা ও কর্মকর্তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ কমিয়ে আনা, আর ‘সংযুক্তি’ মানে নাগরিককে জানানো-তার করের অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকার করের হার বাড়াতে চায় না; বরং অর্থনীতির আকার বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়াতে চায়। প্রত্যক্ষ কর বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।
ড. তিতুমীর জানান, সরকার ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য তিনটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। একই সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক খাতকে মূল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করা, বন্ধ শিল্পকারখানা চালু, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে প্রণোদনা এবং এসএমই নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ উদ্যোগের মাধ্যমে সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সৃজনশীল অর্থনীতি বা অরেঞ্জ ইকোনমিকে গুরুত্ব দিয়ে শিল্পী, ডিজাইনার, গেম নির্মাতা ও ফ্যাশন উদ্যোক্তাদেরও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, রাজস্বনীতি ও মুদ্রানীতির মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জরুরি। বন্ধ শিল্পকারখানা চালু করতে বাংলাদেশ ব্যাংক রিফাইন্যান্সিং স্কিম ও বিশেষ ঋণ কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি কামরান টি রহমান, অ্যামচেম সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ, আইসিএবি সভাপতি এন কে এ মবিন এবং দ্য ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ বক্তব্য দেন।-বাসস
অর্থনীতি
বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির আশায় বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে দুর্বল ডলার ও তেলের দাম কমে যাওয়ায় মূল্যবান ধাতুটির চাহিদা আরও বেড়েছে। খবর রয়টার্সের।
বৃহস্পতিবার (৬ মে) স্পট গোল্ডের দাম প্রতি আউন্সে ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৭৩৫ দশমিক ৩২ ডলারে। এটি ২৩ এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ অবস্থান। একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচারের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে হয় ৪ হাজার ৭৪৫ দশমিক ৯০ ডলার।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির সম্ভাবনায় তেলের দাম কমেছে, ফলে মূল্যস্ফীতি ও সুদহার বাড়ার আশঙ্কাও কিছুটা কমেছে। এতে বিনিয়োগকারীরা আবার স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন ডলারের দরপতনও স্বর্ণের বাজারকে সহায়তা করেছে। কারণ ডলার দুর্বল হলে অন্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা তুলনামূলক সস্তা হয়ে যায়।
অর্থনীতি
মে মাসের ৬ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ৭৫ কোটি মার্কিন ডলার
দেশে চলতি মে মাসের প্রথম ৬ দিনেই প্রবাসী রেমিট্যান্স এসেছে ৭৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১২ কোটি ৫৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন।
মুখপাত্র আরিফ হোসেন বলেন, চলতি মে মাসের প্রথম ৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ৬২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৬ মে পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
এর আগে গত এপ্রিলে দেশে এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।
গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
অর্থনীতি
তিন দফা বৃদ্ধির পর কমল জেট ফুয়েলের দাম
বিমান জ্বালানি বা জেট ফুয়েলের দামে দীর্ঘ সময়ের ঊর্ধ্বগতির পর এবার কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। টানা তিন দফায় বড় অঙ্কে দাম বাড়ানোর পর এবার প্রতি লিটারে প্রায় ২২ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
বৃহস্পতিবার (৬ মে) অনুষ্ঠিত কমিশনের এক বৈঠকে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা, যা আগে ছিল ২২৭ টাকা ০৮ পয়সা।
আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দামও কমানো হয়েছে। আগে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের মূল্য ছিল ১ দশমিক ৪৮০৬ মার্কিন ডলার, যা কমিয়ে ১ দশমিক ৩৩৮৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসি জানায়, নতুন এই মূল্যহার ৭ মে রাত থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে বছরের শুরুতে জেট ফুয়েলের দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও পরবর্তী মাসগুলোতে একাধিক দফায় তা বাড়তে থাকে। জানুয়ারিতে দাম ছিল ৯৪ টাকার কাছাকাছি, যা ধাপে ধাপে বাড়তে বাড়তে মার্চ-এপ্রিলে দুই শতাধিক টাকার ঘর ছাড়িয়ে যায়।
আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, সরবরাহ সংকট এবং বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতির প্রভাবেই মূলত এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাজার পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় দাম পুনর্বিবেচনা করে কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে বিমান ভাড়া ও পরিচালন ব্যয়ে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এমএন




