Connect with us

ধর্ম ও জীবন

কী পরিমাণ সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব

Published

on

এক

ইসলামে কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। হাদিস শরিফে এ ইবাদতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজরত ফাতেমা (রা.)-কে তাঁর কোরবানির নিকট উপস্থিত থাকতে বলেন এবং ইরশাদ করেন, এই কোরবানির প্রথম রক্তবিন্দু প্রবাহিত হওয়ার সাথে সাথে আল্লাহ তায়ালা তোমার গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুল (সা.)! এটা কি শুধু আহলে বায়তের জন্য, নাকি সকল মুসলিমের জন্য? উত্তরে রাসুল (সা.) বললেন, এই ফজিলত সকল মুসলিমের জন্য।’ (মুসনাদে বাজযার-আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৪)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন,‘অতএব তুমি তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো।’ (সুরা কাওসার: ২)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এদিকে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যারা কোরবানি দেয় না, তাদের ব্যাপারে হাদিস শরিফে কঠোর বার্তা এসেছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যার কোরবানির সামর্থ্য আছে তবুও সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।’ (মুসনাদে আহমদ: ২/৩২১, মুস্তাদরাকে হাকেম: ৭৬৩৯, আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৫)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কোরবানি কখন, কার ওপর ওয়াজিব?

জনপ্রিয় ইসলামি স্কলার মুফতি রেজাউল করীম আবরার বলেন, প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন-অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, বর্তমানে বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

কোরবানির জন্য নেসাব পরিমাণ সম্পদ কতটুকু?

ইসলামি গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারে বলা হয়েছে, নেসাব হলো স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রুপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো, এর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহীতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)

নেসাবের মেয়াদ

কোরবানির নেসাব পুরো বছর থাকা জরুরি নয়; বরং কোরবানির দিনগুলোতে থাকলেই কোরবানি ওয়াজিব হবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/১৯৬, রদ্দুল মুহতার: ৬/৩১২)

উল্লেখ্য, কেউ যদি কোরবানির দিনগুলোতে ওয়াজিব কোরবানি দিতে না পারে তাহলে কোরবানির পশু ক্রয় না করে থাকলে তার ওপর কোরবানির উপযুক্ত একটি ছাগলের মূল্য সদকা করা ওয়াজিব। আর যদি পশু ক্রয় করে থাকে কিন্তু কোনো কারণে কোরবানি দেওয়া হয়নি, তাহলে ওই পশু জীবিত সদকা করে দেবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৪, ফাতাওয়া কাযীখান: ৩/৩৪৫)

শেয়ার করুন:-

ধর্ম ও জীবন

হিজরি প্রথম শতকের দুর্লভ ইসলামী শিলালিপির সন্ধান

Published

on

এক

সৌদি আরবের হাইল অঞ্চলে প্রাচীন হজ রুটের পাশে হিজরি প্রথম শতকের একটি বিরল ইসলামী শিলালিপির সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এই আবিষ্কার ইসলামের সূচনালগ্নে হজযাত্রা ও তীর্থপথের ইতিহাস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নতুন তথ্য দিচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বুধবার (৬ মে) সৌদি হেরিটেজ কমিশন এই ঐতিহাসিক আবিষ্কারের তথ্য নিশ্চিত করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কমিশন জানায়, হাইল অঞ্চলের সামিরা গভর্নরেটের দক্ষিণে জালি আল-নিস এলাকায় শিলালিপিটি পাওয়া গেছে। স্থানটি ঐতিহাসিক দরবে জুবাইদা হজ রুটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা প্রাচীনকালে কুফা থেকে মক্কা যাওয়ার পথে তীর্থযাত্রীদের প্রধান যাতায়াতপথ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

একটি সমতল গ্রানাইট পাথরের ওপর খোদাই করা এই শিলালিপিতে ইব্রাহিম ইবনে জিয়াদ নামের এক ব্যক্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে দোয়ার কথা লেখা রয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র কোরআনের সূরা বাকারার শেষ অংশের একটি আয়াতের উদ্ধৃতিও সেখানে পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোয়ার্টজ শিরাযুক্ত পাথরের ওপর চমৎকারভাবে খোদাই করা এই লিপিটি সে সময়ের মানুষের গভীর ধর্মীয় বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ। এই আবিষ্কার প্রমাণ করে যে, ইসলামের প্রাথমিক যুগে হজ রুটগুলো শুধুমাত্র যাতায়াতের পথ ছিল না, বরং এগুলো ছিল তৎকালীন সংস্কৃতির এক অনন্য মাধ্যম।

হেরিটেজ কমিশন জানিয়েছে, সৌদি আরবজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো নথিভুক্ত ও সংরক্ষণের যে বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে, এই আবিষ্কার তারই অংশ। দেশটির সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের ঐতিহাসিক স্থানগুলো রক্ষায় কমিশন ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত জরিপ ও গবেষণার পরিকল্পনা করছে। মূলত মানব সভ্যতার জীবন্ত দলিল হিসেবে এসব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণে কঠোর জোর দিচ্ছে দেশটির সরকার।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

সাঈদ ইবনে জায়েদ (রা.)-এর জীবনবৃত্তান্ত

Published

on

এক

ইসলামের ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যাদের অবদান নীরব হলেও অনস্বীকার্য। তেমনই একজন মহান সাহাবি হলেন সাঈদ ইবনে জায়েদ (রা.)। তিনি জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত মহান দশ সাহাবিদের অন্যতম। তিনি ইসলামের একেবারে সূচনালগ্নে ইসলাম গ্রহণকারীদেরও একজন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

যে সময় সত্যকে গ্রহণ করা মানেই ছিল কঠিন পরীক্ষা ও নির্যাতনের সম্মুখীন হওয়া। ঠিক সেই সময়েই তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। তখনও মহানবী (সা.) দাওয়াতের কেন্দ্র-দারুল আরকাম-প্রতিষ্ঠা করেননি। তবে তার এই ইসলাম গ্রহণ এত সহজ ছিল না। কিন্তু সত্যের পথে অটল থাকার দৃঢ়তা তাকে কখনো বিচলিত করতে পারেনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

যদিও তিনি বদরের যুদ্ধে অংশ নিতে পারেননি, তবে এর বাইরে প্রায় সকল গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে তিনি উপস্থিত ছিলেন। উহুদ, খন্দকসহ অন্যান্য অভিযানে তিনি নবীজীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছেন। শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, জ্ঞানচর্চাতেও তিনি ছিলেন অগ্রগণ্য।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মহানবী (সা.) থেকে প্রায় ৪৮টি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যা ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডারে মূল্যবান সংযোজন। তিনি কুরাইশ গোত্রের প্রসিদ্ধ বংশ কাব ইবনে লুআই বংশোদ্ভূত। পারিবারিকভাবেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত মর্যাদাবান। তিনি ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর চাচাতো ভাই এবং একই সঙ্গে তার ভগ্নিপতি। তিনি বিবাহ করেছিলেন ফাতিমা বিনতে খাত্তাব (রা.)-কে, যিনি ওমর (রা.)-এর বোন।

আবার ওমর (রা.) বিবাহ করেছিলেন তার বোন আতিকা বিনতে জায়েদকে-এভাবে তাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। আর ওমর (রা.) তাঁর এই ভগ্নিপতির কোরআন তিলাওয়াতে প্রভাবিত হয়েই ইসলাম গ্রহন করেছিলেন। যে ঘটনা ইতিহাসে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

তার পিতা জায়েদ ইবনে আমর ইবনে নুফায়েল ছিলেন জাহেলিয়াত যুগের সেই বিরল মানুষদের একজন, যারা একত্ববাদে বিশ্বাসী ছিলেন। ইবরাহিম (আ.)-এর ধর্ম অনুসরণ করতেন এবং মূর্তিপূজাকে ঘৃণা করতেন। তিনি কখনো মূর্তির উদ্দেশ্যে উৎসর্গকৃত খাবার গ্রহণ করতেন না। নিজের সম্প্রদায়কে তিনি বলতেন, ‘হে কুরাইশ! আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে উৎসর্গ করা কিছু আমি খাব না। আমি ইবরাহিমের ধর্মে আছি।’ পিতার এই সত্যনিষ্ঠতাই সাঈদ (রা.)-এর জীবনেও গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

তবে বিশিষ্ট এই সাহাবির ইন্তিকালের বছর নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে কিছু মতভেদ আছে। কেউ বলেন ৫০ হিজরি, কেউ বলেন ৫২, আবার কেউ বলেন ৫৮ হিজরি। তবে এ বিষয়ে সকলেই একমত যে তিনি সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে জীবন অতিবাহিত করে দুনিয়া ত্যাগ করেন। তবে তাঁর জীবন আমাদের শেখায়, সত্যকে গ্রহণ করতে হলে সাহস লাগে, আর সেই সাহসই একজন মানুষকে ইতিহাসে অমর করে তোলে।(তারিখে তবারি, সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং : ৩৭৪৮)

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

শতভাগ ভিসা ইস্যু, সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৪৩ হাজার ১৯ হজযাত্রী

Published

on

এক

চলতি বছরে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ১০৮টি ফ্লাইটে মোট ৪৩ হাজার ১৯ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ভিসা ইস্যু শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রোববার (৩ মে) সকালে হজ কার্যক্রম-সংক্রান্ত সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। এ তথ্য হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট সূত্রে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৭ জন হজযাত্রীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন মক্কায় এবং ২ জন মদিনায় মারা যান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এতে আরও বলা হয়, সৌদি মেডিকেল টিম ৯ হাজার ১৭৫ জন হজযাত্রীকে সরাসরি চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। এছাড়া আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ৯ হাজার ৭৩০ জন স্বাস্থ্যসেবা পেয়েছেন।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। মোট ৬৬০টি এজেন্সি এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে ৩০টি প্রধান এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।

বিমান সংস্থাভিত্তিক তথ্যে বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৫০টি ফ্লাইটে ২০ হাজার ৪৮৩ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৩৯টি ফ্লাইটে ১৪ হাজার ৬৪৬ জন এবং ফ্লাইনাসের ১৯টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ৮৯০ জন যাত্রী সৌদি আরবে গেছেন।

গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মোট হজযাত্রীর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।

ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস শতভাগ ভিসা মোট ৭৮ হাজার ৫০০টি ভিসা ইস্যু করেছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪,৪৪৩টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩,৯০৩টি ভিসা রয়েছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে, আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হজ পালন শেষে আগামী ৩০ মে জেদ্দা থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। আগামী ৩০ জুন শেষ ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের ডামাডোল পেরিয়ে হজে যাচ্ছেন ৩০ হাজার ইরানি

Published

on

এক

চলতি বছর প্রায় ৩০ হাজার ইরানি নাগরিক হজে অংশ নেবেন। আগামী সপ্তাহ থেকে তাদের যাত্রা শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির হজ ও তীর্থযাত্রা বিষয়ক সংস্থা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের হজ ও তীর্থযাত্রা সংস্থার একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি সৌদি আরবে পৌঁছায়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তারা জানায়, প্রথম দফায় ইরানি হজযাত্রীরা ২৫ এপ্রিল মদিনায় পৌঁছাবেন। সেখান থেকে তারা নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে মক্কায় গিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। তবে তারা স্থলপথে না আকাশপথে সৌদি আরবে যাবেন সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানের হজ ও তীর্থযাত্রা সংস্থার একজন প্রতিনিধি বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ একাধিকবার ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের, বিশেষ করে ইরানি হজযাত্রীদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।

সৌদি আরব জানিয়েছে, আসন্ন হজ মৌসুমকে সামনে রেখে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। তারা ইরানি হজযাত্রীদের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে। হজের সব আনুষ্ঠানিকতা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সৌদি কর্মকর্তারা আরও জানান, হজে আসা মেহমানদের আন্তরিকতা ও উষ্ণ আতিথেয়তার মাধ্যমে স্বাগত জানাতে তারা প্রস্তুত।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

সুরা কাহাফের ১০ আয়াতের ফজিলত

Published

on

এক

মানুষকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য মহান আল্লাহ যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রসুল পাঠিয়েছেন। এসব নবী-রসুলের গাইডবুক হিসেবে দিয়েছেন কিতাব। এসব কিতাবের মধ্যে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব হচ্ছে আল-কোরআন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সুরা কাহাফ কোরআনের ১৫তম পারার ১৮ নম্বর সুরা। কাহাফ মানে গুহা। এ সুরায় ১১০টি আয়াত রয়েছে, আর রুকুর সংখ্যা ১২। সুরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

হাদিসের বর্ণনা অনুসারে সুরা কাহাফ তেলাওয়াতের অন্যতম ফজিলত হলো — এ সুরা পাঠ করলে মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত বর্ষিত হয়। এক সাহাবি সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করছিলেন। তার বাড়িতে একটি ঘোড়া বাঁধা ছিল। ঘোড়াটি তখন লাফালাফি করতে লাগল। তখন ওই সাহাবি শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন। তখন তিনি দেখলেন, একখণ্ড মেঘ এসে তাকে ঢেকে দিয়েছে। তিনি নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলেন। তখন তিনি বললেন, হে অমুক! তুমি এভাবে তেলাওয়াত করবে। এটাতে প্রশান্তি ছিল, যা কোরআন তেলাওয়াতের কারণে নাজিল হয়েছিল। (বুখারি: ৩৬১৪)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কিয়ামতের দিন এ সুরা তার পাঠকারীকে আলোকিত করবে। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে, তার পায়ের নিচ থেকে আসমান পর্যন্ত নুর প্রজ্বলিত হবে এবং কিয়ামতের দিন তার জন্য উজ্জ্বল হবে। আর দুই জুমার মধ্যবর্তী সব গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (তাফসিরে ইবনে কাসির: ৬/৩৯৮)

প্রতি জুমায় এ সুরা তেলাওয়াত করলে এক জুমা থেকে অন্য জুমার মধ্যবর্তী সময়ের জন্য নুর প্রজ্বলিত করে রাখা হয়। আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে, তার জন্য দুই জুমা পর্যন্ত নুর প্রজ্বলিত হবে। (সুনানে দারিমি ৩৪০৭)

মুসলমান হিসেবে সবারই পবিত্র কোরআন পড়া জরুরি। আর শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত শেখা ফরজ। কেউ যদি পুরো সুরা পাঠ করতে না পারে, সে অন্তত এ সুরার প্রথম ১০ আয়াত তেলাওয়াত করতে পারে।

হযরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকবে। (মুসলিম: ৮০৯, আবু দাউদ: ৪৩২৩)

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

এক এক
পুঁজিবাজার47 minutes ago

এক হাজার কোটি টাকার টেকসই বন্ড ছাড়বে ব্যাংক এশিয়া

দেশের বেসরকারি খাতের ব্যাংক ব্যাংক এশিয়া ১ হাজার কোটি টাকার পরিবেশবান্ধব টেকসই বন্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যাংকের মূলধন ভিত্তি আরও...

এক এক
পুঁজিবাজার3 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৬৪ কোটি টাকার

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৫টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৬৪ কোটি...

এক এক
পুঁজিবাজার3 hours ago

দরপতনের শীর্ষে ইস্টার্ন ব্যাংক

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি।...

এক এক
পুঁজিবাজার3 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৭টি কোম্পানির মধ্যে ১২৭টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

এক এক
পুঁজিবাজার4 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে ডমিনেজ স্টিল

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড।...

এক এক
পুঁজিবাজার4 hours ago

সূচকের পতনে সপ্তাহ শেষ, দর কমেছে ১৯৮ কোম্পানির

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুজিঁবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের নেতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

এক এক
পুঁজিবাজার5 hours ago

ইউসিবি ব্যাংকের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  
এক
জাতীয়44 seconds ago

পুলিশের আধুনিকায়নে জার্মানির সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এক
রাজনীতি5 minutes ago

সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি: হাসনাত

এক
অর্থনীতি18 minutes ago

করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে, জানানো হবে করদাতাকে: তিতুমীর

এক
ধর্ম ও জীবন32 minutes ago

কী পরিমাণ সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব

এক
পুঁজিবাজার47 minutes ago

এক হাজার কোটি টাকার টেকসই বন্ড ছাড়বে ব্যাংক এশিয়া

এক
অর্থনীতি1 hour ago

বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম

এক
আইন-আদালত1 hour ago

৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে গ্রেপ্তার ইমি কারামুক্ত

এক
খেলাধুলা1 hour ago

বিপিএল ফিক্সিংয়ের দায়ে এক ক্রিকেটারসহ ৫ জনকে নিষেধাজ্ঞা বিসিবির

এক
আন্তর্জাতিক1 hour ago

মার্কিন ঘাঁটিগুলোর অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান

এক
অর্থনীতি2 hours ago

মে মাসের ৬ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ৭৫ কোটি মার্কিন ডলার

এক
জাতীয়44 seconds ago

পুলিশের আধুনিকায়নে জার্মানির সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এক
রাজনীতি5 minutes ago

সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি: হাসনাত

এক
অর্থনীতি18 minutes ago

করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে, জানানো হবে করদাতাকে: তিতুমীর

এক
ধর্ম ও জীবন32 minutes ago

কী পরিমাণ সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব

এক
পুঁজিবাজার47 minutes ago

এক হাজার কোটি টাকার টেকসই বন্ড ছাড়বে ব্যাংক এশিয়া

এক
অর্থনীতি1 hour ago

বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম

এক
আইন-আদালত1 hour ago

৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে গ্রেপ্তার ইমি কারামুক্ত

এক
খেলাধুলা1 hour ago

বিপিএল ফিক্সিংয়ের দায়ে এক ক্রিকেটারসহ ৫ জনকে নিষেধাজ্ঞা বিসিবির

এক
আন্তর্জাতিক1 hour ago

মার্কিন ঘাঁটিগুলোর অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান

এক
অর্থনীতি2 hours ago

মে মাসের ৬ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ৭৫ কোটি মার্কিন ডলার

এক
জাতীয়44 seconds ago

পুলিশের আধুনিকায়নে জার্মানির সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এক
রাজনীতি5 minutes ago

সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি: হাসনাত

এক
অর্থনীতি18 minutes ago

করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে, জানানো হবে করদাতাকে: তিতুমীর

এক
ধর্ম ও জীবন32 minutes ago

কী পরিমাণ সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব

এক
পুঁজিবাজার47 minutes ago

এক হাজার কোটি টাকার টেকসই বন্ড ছাড়বে ব্যাংক এশিয়া

এক
অর্থনীতি1 hour ago

বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম

এক
আইন-আদালত1 hour ago

৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে গ্রেপ্তার ইমি কারামুক্ত

এক
খেলাধুলা1 hour ago

বিপিএল ফিক্সিংয়ের দায়ে এক ক্রিকেটারসহ ৫ জনকে নিষেধাজ্ঞা বিসিবির

এক
আন্তর্জাতিক1 hour ago

মার্কিন ঘাঁটিগুলোর অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান

এক
অর্থনীতি2 hours ago

মে মাসের ৬ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ৭৫ কোটি মার্কিন ডলার