সারাদেশ
জঙ্গল সলিমপুরে বসবে পুলিশের অস্থায়ী ক্যাম্প
সন্ত্রাস দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে ভোর থেকে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে অভিযান শেষে সলিমপুরের প্রবেশমুখে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপরাধ) নাজমুল হাসান।
এর আগে ভোর ৬টা থেকে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি’র সমন্বয়ে এই অভিযান শুরু হয়। যৌথ বাহিনীর ৪ হাজার সদস্য অভিযানে অংশ নিয়েছেন।
পাহাড়ি ও দুর্গম এ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসীদের অবস্থান, অবৈধ অস্ত্র মজুদ এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের আত্মগোপনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
অভিযান প্রসঙ্গে অতিরিক্ত ডিআইজি নাজমুল হাসান বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের আস্তানা উচ্ছেদ এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে এ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরো এলাকা ঘিরে রেখে তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এমএন
সারাদেশ
৪ হাজার সদস্য নিয়ে সলিমপুরে যৌথবাহিনীর অভিযান
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের দুর্গম জঙ্গল সলিমপুরে অপরাধীদের আস্তানা ও অবৈধ সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে দিতে বিশাল পরিসরে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল থেকে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের প্রায় ৪ হাজার সদস্যের সমন্বয়ে এই চিরুনি অভিযান শুরু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল।
প্রশাসনিকভাবে সীতাকুণ্ড উপজেলার অংশ হলেও জঙ্গল সলিমপুরের প্রবেশপথ মূলত চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার বাংলাবাজার এলাকা দিয়ে। প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর খাস জমি দখল করে পাহাড় কেটে গড়ে ওঠা এই এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে।
যৌথবাহিনী সকাল থেকেই এলাকাটির চারপাশ ঘিরে ফেলে এবং প্রবেশ ও বের হওয়ার পথগুলোতে কঠোর তল্লাশিচৌকি বসিয়েছে। অতীতে একাধিকবার অভিযানে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হামলার শিকার হওয়ায় এবার ভিন্ন কৌশলে অগ্রসর হচ্ছে ৪ হাজার সদস্যের এই বিশাল বহর।
চট্টগ্রাম জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল বলেন, অভিযানে যৌথবাহিনীর চার হাজার সদস্য রয়েছেন। অভিযানের বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
জঙ্গল সলিমপুরে অপরাধী চক্রের দৌরাত্ম্য নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা এই অভিযানকে ত্বরান্বিত করেছে। গত ১৯ জানুয়ারি অভিযান চলাকালে সন্ত্রাসী মোহাম্মদ ইয়াসিনের বাহিনীর হামলায় র্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন। ওই ঘটনায় ৪ জন র্যাব সদস্যকে অপহরণ করা হলেও পরে তাদের উদ্ধার করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এখানে ‘স্থানীয় সন্ত্রাসীদের’ তৎপরতা বৃদ্ধি পায়।
গত বছরের ৪ অক্টোবর দুই পক্ষের (ইয়াসিন ও রোকন বাহিনী) গোলাগুলিতে একজন নিহত হন এবং সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন দুই সাংবাদিক। নিহত র্যাব কর্মকর্তা মোতালেবের জানাজায় অংশ নিয়ে র্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহীদুর রহমান জঙ্গল সলিমপুরে সমন্বিত যৌথ অভিযানের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
২০২২ সালে এই খাস জমি দখলমুক্ত করে সেখানে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার, স্পোর্টস ভিলেজ, ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আইকনিক মসজিদ ও ইকো পার্কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল সরকার। তবে স্থানীয় দখলদার ও সন্ত্রাসী বাহিনীর বাধার মুখে বারবার উচ্ছেদ অভিযান ব্যাহত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে ‘পাহাড় ব্যবস্থাপনা ক্যাম্প ও চেকপোস্ট’ বসানো হলেও অপরাধীদের দমানো সম্ভব হয়নি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, অভিযানের বিস্তারিত ফলাফল এবং গ্রেপ্তার বা উদ্ধারের তথ্য পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
বর্তমানে এলাকাটিতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং যৌথবাহিনীর সদস্যরা তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
শিক্ষিকা রুনা হত্যার বিচারের দাবিতে ইবি পরিবারের মানববন্ধন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-এর সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব এবং গ্রিন ফোরাম।
রোববার (৮ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে শিক্ষক সংগঠন জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব এবং গ্রিন ফোরাম এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান-এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য ড. এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ ড. জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার ড. মনজুরুল হক, প্রক্টর ড. শাহীনুজ্জামান ও ছাত্র উপদেষ্টা ড. ওবায়দুল ইসলাম।
এছাড়াও কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন-এর নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
গ্রীন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দ্রুততম সময়ে রুনা হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় একটি অনিরাপদ স্থানে অবস্থিত। এজন্য সকল ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে ইউনিক আইডেনটিটির ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যত থোক বা ডে লেবার হিসেবে কাজ করে প্রত্যেকের ডাটা সংগ্রহ করতে হবে যেন পরবর্তীতে তাদেরকে আমরা আয়ত্তে রাখতে পারি।
জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান বলেন, মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের কাছে একটাই অনুরোধ করব আপনি এই দুই খুনের বিচারের জন্য প্রশাসনের কাছে যতটুকু আগানো সম্ভব আপনি আগান প্রয়োজন বোধে আমরা যাব। যদি আপনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে বিচার না পান, রেসপন্স না পান, আমরা রাস্তায় নামবো। কিন্তু আপনি উদ্যোগ নেন, বসে থাকবেন না।
শিক্ষিকা রুনা হত্যার ঘটনায় প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, তদন্ত কমিটির আহবায়ক হিসেবে আমি দল, মত নির্বিশেষে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকান্ডের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে- বিশ্ববিদ্যালয়ে অভ্যন্তরীণভাবে একটি তদন্ত কমিটি করেছি এবং এই বিভাগ যাতে সচল থাকে সে ব্যবস্থা আমরা করেছি। রুনার অকাল মৃত্যুতে যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে রুনা আমাদের হৃদয়ে সারাজীবন জাগরক থাকবে। যত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ব্যাপারে কোন ধরনের কার্পণ্য করা হবে না। আমরা প্রশাসনের কাছে, বিচার প্রশাসনের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এমএন/এমএসএ
সারাদেশ
স্ত্রীর পেটে লাথি মেরে গর্ভের সন্তান হত্যা, স্বামী গ্রেফতার
সারাদেশ
আ.লীগের ভাঙা অফিসে মাইকে শেখ মুজিবুরের ভাষণ প্রচার
নওগাঁয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগের ভাঙা দলীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রচার হয়েছে। ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনের পর এই প্রথম পরিত্যক্ত ওই অফিসে প্রচার হয়েছে শেখ মুজিবুরের ঐতিহাসিক ভাষণ।
শনিবার (৭ মার্চ) সকালে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শফিকুর রহমান মামুনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাষণের একটি ভিডিও আপলোড করা হয়।
আধা মিনিটের ভিডিওতে দেখা যায়, ৫ আগস্ট পরবর্তী কার্যক্রম নিষিদ্ধ নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের ভাঙা দলীয় কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় ছোট্র একটি মাইকে প্রচার হচ্ছে শেখ মুজিবুরের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।
সেখানে মাইকটি কার নেতৃত্বে কখন লাগানো হয়েছে এই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। এবং দলের কোনো নেতাকর্মীকে সেখানে দেখা যায়নি। তবে জেলার বিভিন্ন নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে লাগানো মাইকের ভাষণটি তাদের স্ব স্ব ফেসবুক আইডিতে প্রচার করে জানান দিচ্ছে।
নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নিয়ামুল হক জানান, তিনি শুনেছেন।
পরে জনগণ মাইকটি খুলে নিয়ে চলে গেছেন।
সারাদেশ
প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনে সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসের ৩ কর্মকর্তা বদলি
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তিন কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে। ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পরিদর্শনের পর বুধবার (৪ মার্চ) ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে এই ব্যবস্থা ও বিভাগীয় মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে একই দিন সকাল ৯টার দিকে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আকস্মিক সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান।
এসময় তিনি অফিসে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে উপস্থিত না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে অনিয়মের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়।
বদলি হওয়া কর্মকর্তারা হলেন—সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন, উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক এবং অফিস সহকারী জান্নাতী। নাসির উদ্দিন ও ওমর ফারুককে আড়াইহাজার উপজেলায় এবং অফিস সহকারী জান্নাতীকে বন্দর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন সেবাগ্রহীতা সেখানে অপেক্ষা করছেন। তবে কর্মকর্তারা বদলি হয়ে যাওয়ায় অফিস কার্যত ফাঁকা। এ সময় এসিল্যান্ড অফিসের নাজির মো. জান্নাতুল সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নতুন কর্মকর্তারা যোগদান করলে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি অপেক্ষা করছিলেন বলে জানা যায়।
নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহকারীসহ তিনজনকে বদলি করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় অবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় অফিসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে যথাসময়ে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগও পাওয়া যায়।
এছাড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিয়মিত দাপ্তরিক সময়ের বাইরে রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত অফিসে অবস্থান করে গান-বাজনাসহ বিভিন্ন অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও উঠে এসেছে।
তদন্তে আরো দেখা যায়, ওই ভূমি অফিসে সেবার মান সন্তোষজনক নয়। ভূমি সেবার নির্ধারিত ফি সংক্রান্ত কোনো বিলবোর্ড অফিসে প্রদর্শন করা হয়নি, ফলে সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছিল।
এ পরিস্থিতিতে ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে কয়েকটি জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অনিয়মে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের সব ভূমি অফিসকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতি প্রতিরোধে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)-দের নিয়মিত মনিটরিং ও দৃশ্যমান কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।




