রাজনীতি
তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড হবে মা-বোনদের অস্ত্র: ফখরুল
তারেক রহমানের পরিকল্পনার ফ্যামিলি কার্ড হবে মা-বোনদের অস্ত্র। এই কার্ড দিয়ে মা-বোনদের সংসারে অনেক কাজে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদরের আউলিয়াপুর ইউনিয়নে এক নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, এমন করে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড করা হবে, যেটা দিয়ে কৃষকরা উপকৃত হবেন। স্বাস্থ্য কার্ড দিয়ে আমরা সহজে স্বাস্থ্যসেবা পাবো।
তিনি উপস্থিত ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের ১৯৭১ সালের কথা মনে আছে, যুদ্ধের কথা মনে আছে। আমরা সে সময় পাকিস্তানিদের সঙ্গে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলাম, অস্ত্র ধরেছিলাম। কেউ বাহির থেকে এসে যুদ্ধ করে দিয়ে যায়নি। আমরা বাংলাদেশ ছেড়ে কোথাও যাইনি। কিন্তু ওই সময় যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী, তারা আজ দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসছে। আপনারাই বলেন, তারা স্বাধীনতার পক্ষে ছিল নাকি বিপক্ষে ছিল।
মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমি এ নির্বাচনে আপনাদের কাছে ভোট চাই। আপনারা যখন আমাকে সমর্থন করেন, তখন আমি সংসদে গিয়ে কাজ করার চেষ্টা করি।
পথসভায় বিএনপি মহাসচিব এই আসনে বিগত দিনে এমপি নির্বাচিত হয়ে যে সব উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন, সেসব তুলে ধরেন। এসময় মঞ্চে এসে কয়েকজন ভোটারও তার বিগত দিনের উন্নয়ন কার্যক্রম উপস্থাপন করেন।
এমকে
রাজনীতি
বিদেশিদের গোলামি করছে আরেকটি শক্তি: সালাহউদ্দিন আহমদ
যারা ভারতের পক্ষের শক্তি ছিল তারা ভারতে পালিয়ে গেছে, আর বর্তমানে আরেকটি শক্তি বিদেশিদের গোলামি করে বিভ্রান্তিকর রাজনীতি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি দাবি করেন, বিএনপিই একমাত্র বাংলাদেশের পক্ষের শক্ত, বাংলাদেশের মানুষের পক্ষের শক্তি। আমাদের স্লোগান হচ্ছে সবার আগে বাংলাদেশ।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) চকরিয়া উপজেলার মানিকপুরে বেগম আয়েশা হক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এমন মন্তব্য করেন তিনি। সালাহউদ্দিন কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশে যেন আর কোনোদিন ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসে সে ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান সবার একই পরিণতি হবে-এমন হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, বিএনপি দেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছে। শহিদদের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে স্বাধীনভাবে মুক্ত পরিবেশে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান বিএনপির এই নেতা।
তিনি বলেন, ‘বিএনপির আমলে আমরা লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করেছিলাম। ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করলে আবার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করবে। এখন অস্থায়ী সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। তাদের বলে আপাতত লবণ আমদানি বন্ধ করিয়েছি।’
নিজ প্রতীকে ভোট চেয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিএনপি ছাড়া কেউ জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করে না। ক্ষমতায় গেলে বিএনপি লবণচাষিদের স্বার্থে কাজ করবে। চাষিদের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে ধানের শীষের পক্ষে সবাইকে রায় দিতে হবে।’
কক্সবাজার-১ আসনে সালাহউদ্দিন আহমদ ছাড়াও দুজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক ও ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী ছরওয়ার আলম কুতুবী।
এমএন
রাজনীতি
জনগণের অধিকার রক্ষায় ১০ দলীয় ঐক্যবদ্ধ শক্তি মাঠে নেমেছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ
সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ১০ দলীয় ঐক্যবদ্ধ শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পাবলিক মাঠে অনুষ্ঠিত ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ-এর ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দিতে পটুয়াখালী আসার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
জেলার প্রবেশদ্বার পায়রা সেতুর টোল পয়েন্টে হাসনাত আব্দুল্লাহকে স্বাগত জানান সাবেক ছাত্রশিবির নেতা ও পটুয়াখালী পৌরসভায় জামায়াত মনোনীত মেয়র প্রার্থী আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ান।
তিনি বলেন, আমরা অনিয়ম, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আপসহীনভাবে কাজ করবো। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। ১০ দলীয় ঐক্য সেই বিকল্প শক্তি হিসেবে জনগণের সামনে উপস্থিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও ইসলামী মূল্যবোধসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। এ লক্ষ্যে আসন্ন নির্বাচনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে ১০ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মুহা. ইসহাক মিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন মরহুম আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর (রহ.) পুত্র শামীম সাঈদী।
এমকে
রাজনীতি
অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল ভিত্তি: জামায়াত আমির
আগামীতে দল ক্ষমতায় এলে এককভাবে নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে সবাইকে নিয়ে দেশ পরিচালনা করা হবে। বিভেদ নয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল ভিত্তি। এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ শনিবার দুপুরে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে ১০ দলের সমন্বয়ে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
বিগত সরকারগুলোর সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একদল ক্ষমতায় আসার আগে ১০ টাকা দরে চাল দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু মানুষ কি তা পেয়েছে? দেশের মানুষ আর এ ধরনের রাজনৈতিক ধোঁকা দেখতে চায় না। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে মায়েদের নিরাপদ চলাচল ও কর্মক্ষেত্রে সংকোচহীন পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। নারীদের যোগ্যতা অনুযায়ী সম্মানজনক কর্মসংস্থানের পাশাপাশি যুবকদের বেকারত্ব দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বগুড়ার স্থানীয় উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামে পুনরায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনা হবে। এ ছাড়া বগুড়া সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন এবং একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সহজ করতে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে জামায়াতের আমির বলেন, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফ কায়েম করা। আমরা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গড়তে চাই। কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা চাঁদাবাজির স্থান নতুন বাংলাদেশে হবে না।
বগুড়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হকের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা।
বক্তব্য রাখেন- বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী দবিবুর রহমানর, বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল, বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী গোলাম রব্বানী, বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।
এমকে
রাজনীতি
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াত প্রার্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান) আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। এই আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী, বর্ষীয়ান আলেমে দ্বীন মুফতি মাওলানা ফজলুল করিমের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা এসেছে। কেন্দ্রীয় সংগঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত ও বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক বিশেষ বার্তায় ভোলা-২ আসনের নির্বাচন পরিচালক মো: মাকসুদূর রহমান ভোটারদের উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
বার্তায় মাকসুদূর রহমান উল্লেখ করেন, বিগত এক বছর ধরে বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখানের প্রতিটি অলিগলি এবং ঘরে ঘরে গিয়ে তারা যে গণজোয়ার ও ভালোবাসা পেয়েছেন, তা তাদের কাছে অমূল্য সম্পদ।
জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন থাকা সত্ত্বেও সংগঠনের শৃঙ্খলার স্বার্থে এই ‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ নিতে হয়েছে।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, কেন্দ্রীয় সংগঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত মেনে চলা। উম্মাহর ঐক্য : বৃহত্তর ইসলাহি স্বার্থ এবং ইসলামী শক্তির ঐক্য বজায় রাখা। আদর্শিক দৃঢ়তা, এটি কোনো ভয় বা দুর্বলতা নয়; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে একটি কৌশলগত অবস্থান।
এর আগে দলীয় সিদ্ধান্তে জামায়াত ইসলামী মনোনীত কয়েকজন প্রার্থী নির্বচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
এমএন
রাজনীতি
আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের শিক্ষা নিয়ে যে রিলস বানিয়েছেন, ওইখানে আপনারা বলেছেন প্রাইমারি শিক্ষা নিয়ে আমরা কি কাজ করেছি। সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে কিন্তু স্কুলে শেখাতে হবে। এ জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে জাতীয় রিলস মেকিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বিজয়ীদের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এ সময় তারেক রহমান বিজয়ীদের প্রশ্নের উত্তর দেন।
তিনি বলেন, জোরটা কী, নট মেকিং স্কুল বিল্ডিং, নতুন নতুন চারতলা, পাঁচতলা স্কুল বানানো এইটা আমাদের লক্ষ্য না। বরং আমরা ওই বাজেট দিয়ে আমরা প্রাইমারি শিক্ষকদের মোর কোয়ালিফাই করতে চাচ্ছি, তাদের ট্রেনিং দিতে চাচ্ছি। যে ট্রেনিংটার মধ্যে অ্যাকাডেমিক ট্রেনিং থাকবে, একই সাথে সামাজিক এবং ধর্মীয় যে মূল্যবোধ আছে এই বিষয়গুলোও বাচ্চাদের শেখাতে হবে।’
সাইবার বুলিং নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকে শেখাই, এইটা সঠিক, এইটা ভুল; এইটা সাদা, এইটা কালো; এইভাবে যদি আমরা বাচ্চাদের শেখাতে পারি আমার ধারণা একটা পর্যায়ে গিয়ে তাদের মাথায় ঢুকে যাবে কোনটা ন্যায় কোনটা অন্যায়।’
বিএনপির উদ্যোগে ‘আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় রিলস মেকিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ তারেক রহমান’ শিরোনামে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
এমকে



