জাতীয়
দেশে চালের ঘাটতি নেই, তারপরও কেন দাম বাড়ে- প্রশ্ন সিপিডির
আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম ৪০ শতাংশ কমেছে। দেশে চাল উৎপাদনেও ঘাটতি নেই। তারপরও কেন দাম বাড়ে— এ প্রশ্ন রেখে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলছে, এ ক্ষেত্রে চালের উৎপাদন খরচ ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বড় কারণ।
শনিবার ধানমন্ডিতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশ অর্থনীতি ২০২৫-২৬: নির্বাচনী বাঁকে বহুমাত্রিক ঝুঁকি’ শীর্ষক মিডিয়া বিফ্রিংয়ে সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এ বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন।
এ সময়ে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান ও গবেষণা পরিচালক গোলাম মোয়াজ্জেম উপস্থিত ছিলেন।
সিপিডির গবেষণা প্রবদ্ধ উপস্থাপনকালে ফাহমিদা খাতুন বলেন, ২০২৩ সাল থেকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি এখনও চলমান রয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতি কমছে, তবে কমার হার ধীর। লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি ৮.৪৯ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি আরও কমে এসেছে। তবে খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ। সুতরাং খাদ্যের মূল্য কিছুটা কমলেও অন্যান্য পণ্যের দাম বেশি।
তিনি বলেন, খাদ্যের দাম কেন কমছে না? যেমন: চালের মূল্যের সঙ্গে অন্যান্য পণ্যের মূল্যস্ফীতির সম্পৃক্ততা রয়েছে। তথ্যে পাওয়া যায় চালের চাহিদা ৩১ মিলিয়ন মেট্রিক, আর উৎপাদন ৪৪ মিলিয়ন টন। অর্থাৎ চালের উৎপাদনে ঘাটতি নেই। তারপরও কেন দাম বাড়ে। এ ক্ষেত্রে চালের উৎপাদন খরচ ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বড় কারণ হিসাবে দেখতে পাচ্ছি। অথচ আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম ৪০ শতাংশ কমেছে, কিন্তু আমাদের দেশে কমছে না। চিনি ও তেলের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও আমাদের দেশে কমছে না।
সামনে নির্বাচন, অর্থনৈতিক গতিপ্রকৃতিও মন্থর এই অবস্থায় রাজস্ব লক্ষমাত্রা বৃদ্ধি কতটা যৌক্তিক এমন প্রশ্ন রেখে সিপিডির ফাহমিদা খাতুন বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনমাসে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১৬.৭ শতাংশ হলেও লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। যতটুকু জানতে পেরেছি নভেম্বর পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি ১৫.০২ শতাংশ। এনবিআরকে যদি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হয়, তাহলে বাকি সময়ে প্রায় ৩৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। বর্তমান বাস্তবতায় খুবই কঠিন হবে। অন্যদিকে সংশোধিত বাজেটে এনবিআরের লক্ষ্যমাত্রা ৫৫ হাজার কোটি টাকা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা বলে মূল বাজেটে যে লক্ষ্যমাত্রা থাকে সেটা অর্জন করতেই এনবিআরকে হিমশিম খেতে হয়। সামনে নির্বাচন, অর্থনৈতিক গতিপ্রকৃতিও মন্থর। এই অবস্থায় লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি কতটা যৌক্তিক, সেই প্রশ্ন রয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, অন্যদিকে সরকারি ব্যয়ে দেখতে পাই সরকারি ব্যয় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিন্ম। জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এডিপি বাস্তবায়নের হার সাড়ে ১১ শতাংশ। বড় বড় মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হার অনেক কম। যেমন- সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ইত্যাদি। আবার বাজেট ঘাটতি নিয়ে যদি বিশ্লেষণ করা যায়, তাহলে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের প্রথম তিন মাসে জুলাই–সেপ্টেম্বর সময়ে অনুদান বাদে বাজেটে উদ্বৃত্ত দেখা যাচ্ছে। ওই সময়ে বাজেট উদ্বৃত্তের পরিমাণ ১২ হাজার ১৫৩ কোটি টাকা, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে উদ্বৃত্ত ছিল ৫ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা। তবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের ধীরগতিই ওই উদ্বৃত্তের প্রধান কারণ।
একই সময়ে সরকারের বৈদেশিক উৎস থেকে নিট ঋণ গ্রহণ কমেছে। তবে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ নির্ভরতা বেড়েছে। প্রথম তিন মাসে সরকার ব্যাংক খাত থেকে নিট ১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, বিপরীতে আগের অর্থবছরের একই সময়ে সরকার ব্যাংক খাতকে ১ হাজার ৬৪ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিল। অব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ গ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ঋণাত্মক অবস্থায় নেমে এসেছে। জুলাই–সেপ্টেম্বর সময়ে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে মাইনাস ৯ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা। অব্যাংকিং উৎসগুলোর মধ্যে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি প্রায় ৯০ শতাংশ কমে যাওয়ায় এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।
সিপিডি বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে সরকারের অর্থায়নে ব্যাংক খাতের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। যা ভবিষ্যতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ এবং সুদের হারের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। আর একটি বিষয় হচ্ছে সরকার ৫টি দূর্বল ইসলামী ব্যাংককে একত্রিত করতে গিয়ে ২০ হাজার কোটি টাকা পেইড অব ক্যাপিটাল দিয়েছে। আবার বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া পরিশোধ করতে হবে ২০ হাজার কোটি টাকা। যদি সামনের গ্রীষ্মের লোডশেডিং কমাতে হয়, তাহলে ওই টাকা পরিশোধ করতে হবে। আর একটি বিষয় হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-স্কেল চলতি অর্থ বছরে হয়তো বাস্তবায়ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে সরকারকে চাপের মুখে পড়তে হবে।
সুপারিশের ক্ষেত্রে সিপিডি বলছে, রাজস্ব বাড়াতে ডিজিটাল অর্থনীতি, সম্পদ ও সম্পত্তির ওপর কার্যকর কর আরোপ জরুরি। বাস্তব বাজারমূল্যের ভিত্তিতে সম্পত্তি কর হালনাগাদ করে এনবিআরের সম্পদ করের সঙ্গে সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে। একই সঙ্গে অকার্যকর কর ছাড় ও অব্যাহতিগুলো নিয়মিত পর্যালোচনা করে বাতিল করতে হবে এবং খেয়ালখুশিমতো কর সুবিধা দেওয়ার প্রবণতা কমাতে হবে। পাশাপাশি অবৈধ আর্থিক প্রবাহ রোধে নীতিগত ও বাস্তব প্রয়োগ—উভয় পর্যায়ে কর কর্তৃপক্ষের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।
জাতীয়
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ১১ জনের মৃত্যু
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা যায়নি, তবে হাম সন্দেহে সারাদেশে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৫৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৩০ হাজার ৬০৭ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২২৯ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা চার হাজার ৪৬০ জন।
১৫ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২০ হাজার ৪৭৫ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮১ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চার ১১ মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ২০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জাতীয়
কলেজ শিক্ষার্থীর রেসিং কার চালালেন প্রধানমন্ত্রী
কলেজ ছাত্র রিজওয়ান রশীদের নিজ হাতে তৈরি গো-কার্ট চালিয়ে তাকে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে তেজগাঁও কার্যালয় প্রাঙ্গণে তিনি গো-কার্টটি পর্যবেক্ষণ করেন এবং একপর্যায়ে নিজেই চালিয়ে দেখেন।
গো-কার্টটি চালানোর পর প্রধানমন্ত্রী রিজওয়ানসহ উদ্ভাবনী তরুণদের উৎসাহিত করেন। পাশাপাশি উদ্ভাবনকে আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাসও দেন তিনি।
এসএসসি পরীক্ষার পর নিজ উদ্যোগে স্থানীয় বাজার থেকে যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে গো-কার্টটি তৈরি করেন রিজওয়ান।
গো-কার্ট চালানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে। এরপরই তিনি রিজওয়ানকে তার কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান।
গো-কার্টটি চালানোর পর প্রধানমন্ত্রী তরুণ উদ্ভাবক রিজওয়ানকে প্রশংসা করেন এবং এমন উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে উৎসাহ দেন।
জাতীয়
তরুণদের প্রাধান্য দিয়ে নতুন কর্মপরিকল্পনা সরকারের: মাহদী আমিন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তরুণদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে বিশ্ব ডিএনএ দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত এক কর্মশালায় ড. মাহদী আমিন এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের একটি বড় লক্ষ্য হচ্ছে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করা। এ ক্ষেত্রে বায়োটেকনোলজি বা জৈবপ্রযুক্তি বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।’
ভোজ্যতেল ও চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যে স্বনির্ভরতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কৃষিজাত পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে বায়োটেকনোলজি খাতের উন্নতি এখন সময়ের দাবি।
দেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ড. মাহদী আমিন বলেন, চলমান কারিকুলামে ব্যবহারিক শিক্ষার অভাব রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা তাত্ত্বিক জ্ঞানে বড় ডিগ্রি নিলেও কর্মজীবনে তেমন ভূমিকা রাখতে পারছেন না। আবার যারা দক্ষ হয়ে উঠছেন, তাদের একটি বড় অংশ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দক্ষ জনশক্তির সরাসরি সংযোগ না থাকায় কর্মসংস্থানে সমস্যা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মেধাকে সরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে কাজে লাগাতে হবে এবং গবেষণার জন্য আলাদা সেল তৈরি করতে হবে।’
পরিবেশ রক্ষা এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।
কর্মশালায় উপস্থিত অন্য বক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার ট্যাক্স এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা এই সমস্যা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।
জাতীয়
নির্যাতন বন্ধে রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন: মাহমুদুর রহমান
নির্যাতন বন্ধে রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেছেন, আমরা দেশটাকে পরিবর্তন করতে চাই। শুধুমাত্র আইনের মাধ্যমে সম্ভব নয়, নিজেদেরকেও পরিবর্তন করতে হবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীতে মানবাধিকার সংস্থা ওএমসিটি ও অধিকার আয়োজিত নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান বলেন, আমি নিজে নির্যাতিত হয়েছি। আমাকে থানায় নির্যাতন করা হয়েছে। র্যাব ও ডিবি নির্যাতন করেছে। নির্যাতনের এমন অপসংস্কৃতি বন্ধ হওয়া জরুরি প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, আমাকে সবসময় প্রো অপজিশন হিসেবেই আখ্যায়িত করা হয়। কারণ, আমরা নির্দলীয় সাংবাদিকতা করে থাকি।
আইন-আদালত
নারী নির্যাতনের ৯০ শতাংশ মামলাই মিথ্যা: আইনমন্ত্রী
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হওয়া মামলাগুলোর ৯০ শতাংশই মিথ্যা হয়ে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, অনেকক্ষেত্রে স্বামী বা শ্বশুরবাড়ি নিয়ে কোনো নারী অসুখী হলেও মামলা করে দেন।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীতে মানবাধিকার সংগঠন ওএমসিটি ও অধিকার আয়োজিত নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় আইনমন্ত্রী তার আইনজীবী জীবনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, আদালতে আসা বেশির ভাগ নারী নির্যাতনের মামলাগুলোর ঘটনা মিথ্যা থাকে। আইনের অপব্যবহার করে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ীর লোকজনসহ যে কারও বিরুদ্ধে মামলা করে দেন অনেকেই।
শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন করে নির্যাতন বন্ধ হবে না, এজন্য প্রয়োজন মানুষের সম্পৃক্ততা- এমন মন্তব্য করে সভায় আইনমন্ত্রী বলেন, একসময় আমাদের দেশে এসিড নিক্ষেপের প্রকোপ ছিলো। কিন্তু পরে কঠোর আইন তৈরি ও মানুষকে সচেতন করার মাধ্যমে তা দূর হয়েছে।
সরকার যেকোনো ধরনের পরামর্শকে স্বাগত জানায় বলে আইনমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকারের আইনগুলোর অবমাননা চাই না। আমরাও বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চাই না।
সভায় গত দুই মাসে নেয়া সরকারের নানান পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।



