পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারে সূচক বাড়লেও লেনদেন আরও কমলো
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে টাকার অংকে কমেছে লেনদেন পরিমাণ।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (২২ অক্টোবর) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৫ দশমিক ৩৬ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ৯৪ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ০ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট বেড়ে ১০৭৭ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৫ দশমিক ২৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৯৭৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৩৫৫ কোটি ০৪ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৪৭৮ কোটি ০১ লাখ টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৪৫টি কোম্পানির, বিপরীতে ১৭৮টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৭৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এসএম
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
বিদায়ী সপ্তাহে (২৫ জানুয়ারি-২৯ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি।। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.২১ শতাংশ।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ১৩ কোটি ৮৮ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ২.৪০ শতাংশ।
লেনদেনের তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে কোম্পানিটির ১৩ কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ২.২৯ শতাংশ।
এছাড়া, সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো- প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, ফাইন ফুডস, ব্র্যাক ব্যাংক, শাহজিবাজার পাওয়ার, সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিটেড এবং রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।
এমএন
পুঁজিবাজার
অলটেক্সের আয় বেড়েছে ৪০ শতাংশ
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ৪০ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ৫ পয়সা লোকসান হয়েছিল।
সূত্র মতে, হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ৬ পয়সা লোকসান হয়েছিল।
আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ ছিল মাইনাস ৫ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ৩১ পয়সা ছিল। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৬ টাকা ৬৪ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
সিলকো ফার্মার আয় বেড়েছে ৯ শতাংশ
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ৯ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১১ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ১০ পয়সা আয় হয়েছিল।
সূত্র মতে, হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২৭ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ২৭ পয়সা আয় হয়েছিল।
আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ ছিল ৫১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ৬২ পয়সা ছিল। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৩ টাকা ২৯ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
আরডি ফুডের আয় কমেছে ৪৮ শতাংশ
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রংপুর ডেয়ারি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে ৪৮ শতাংশ।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৬ পয়সা। গত বছর একই সময়ে আয় হয়েছিল ৩১ পয়সা।
হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে (জুন’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩৮ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে আয় ছিল ৬৬ পয়সা।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে রংপুর ডেয়ারি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৭ টাকা ৩২ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো আরও ৪ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা
দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ৪ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে শূন্য দশমিক ৬২ শতাংশ বা ৪ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮১ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৬ লাখ ৯০ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে বেড়েছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৫৪.৭০ পয়েন্ট বা ১.০৭ শতাংশ। তবে ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ২৩.৬৬ পয়েন্ট বা ১.২১ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ৯.০৭ পয়েন্ট বা ০.৮৮ শতাংশ।
ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৮৯৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৮৭৯ কোটি ৮ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ১৮ কোটি ৪ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা বা ০.৬৩ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৫৭৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৫৭৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫২টি কোম্পানির, কমেছে ২০৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ১.৪৬ শতাংশ ও ১.৫২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৪৬৯.৩৭ পয়েন্টে ও ৮৯৬৪.৩১ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক বেড়েছে ২.০৪ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ১১২৩.৬৪ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ১.৬১ শতাংশ ও সিএসআই সূচক ১.২৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৩০৮০.০৩ পয়েন্টে ও ৮৮০.৪৭ পয়েন্টে।
চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৪ কোটি ২১ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৫৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ১৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ২৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৩টির, কমেছে ১২৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টির কোম্পানির শেয়ার দর।
এমকে



