Connect with us

অন্যান্য

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া, বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি রয়েছে: সালাহউদ্দিন আহমদ

Published

on

কর্ণফুলি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি দীর্ঘ সময় ধরে ইতিহাস বিকৃত করে সবকিছু তাদের নেতার কৃতিত্ব হিসেবে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল, কিন্তু ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতে চলে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষক, তা আজ বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে যখন পাক হানাদার বাহিনী রাজারবাগসহ বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা শুরু করে, তখনই চট্টগ্রাম থেকে মেজর জিয়াউর রহমান বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং স্বাধীনতার ডাক দেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, ‘দালিলিকভাবে প্রমাণিত যে, জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মাধ্যমেই স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। এমনকি তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামেও স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি সেই কৃতিত্ব দিতে বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে।’

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিগত সরকার দীর্ঘ সময় ধরে স্বাধীনতার মিথ্যা দলিল ও বয়ান তৈরি করেছে। তারা নিজেদের সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে প্রকৃত ইতিহাসকে অস্বীকার করেছে এবং সবকিছুকে কেবল একজনের কৃতিত্ব হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছে।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কাউকে ক্রেডিট দিতে রাজি নয়। কিন্তু আমরা সবার অবদানের স্বীকৃতি দিতে চাই, কারো সম্মান কেড়ে নিতে চাই না।’

আলোচনা সভায় বিএনপির লড়াই-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বহুদলীয় সংসদীয় রাজনীতি প্রবর্তনে বিএনপির অবদান অনস্বীকার্য। বিশেষ করে ৯০-এর গণ-অভ্যুত্থানের পর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা বাংলাদেশের ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। বিএনপি সবসময়ই ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্ব দিয়েছে।

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে ঠিকই, কিন্তু রাষ্ট্র এখনও নতুন করে বিনির্মিত হয়নি। ২৪-এর অভ্যুত্থান আমাদের স্বৈরাচারমুক্ত করেছে, এখন আমাদের কাজ হলো একটি আধুনিক ও গণতান্ত্রিক দেশ গঠন করা।’

তিনি জানান, সরকার সংসদীয় রাজনীতির চর্চা এবং আলোচনার মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।

শেয়ার করুন:-

অন্যান্য

মাতৃত্ব

Published

on

কর্ণফুলি

তিনি শুধু একজন মা ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক নিঃশব্দ বিপ্লব। গ্রামের ধুলো মাখা উঠোন থেকে তিনি দাঁড়িয়েছিলেন মানুষের পাশে, দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, কুশিক্ষার অন্ধকারের বিরুদ্ধে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

যখন চারদিকে ছিল ভয়, অভাব, অনিশ্চয়তা আর অবহেলা, তখন তিনি শিখিয়েছিলেন একজন মায়ের শক্তি কত বড় হতে পারে। তিনি বলতেন, “সন্তানকে শুধু বড় করলেই হয় না, মানুষ করতে হয়।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা দিনগুলোতে তিনি দেখেছিলেন একটি জাতির জন্ম। আর সেই সময় থেকেই নিজের ঘরের সন্তানদের মাঝেও স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, গ্রামবাংলার কাঁচা মাটির ঘর থেকেও জন্ম নিতে পারে বিজ্ঞানী, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিশ্বমানের নাগরিক।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি কোনো বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন না, কোনো রাষ্ট্রীয় পদকও পাননি, কিন্তু তাঁর জীবন ছিল এক চলমান বিদ্যালয়। গ্রামের নারীদের তিনি বুঝিয়েছেন মাতৃত্ব মানে শুধু সন্তান জন্ম দেওয়া নয়, মাতৃত্ব মানে চরিত্র গড়া, সাহস শেখানো, মানুষকে আলোকিত করা।

ব্রিটিশ শাসনের ছায়ায় জন্ম নেওয়া সেই নারী পাকিস্তানি বৈষম্যের সময় পেরিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন বুকে ধারণ করেছিলেন। তিনি জানতেন, একটি শিক্ষিত মা একটি জাতির ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।

নয়টি সন্তানকে তিনি বড় করেছেন অক্লান্ত শ্রমে, অসীম ধৈর্যে, অদম্য বিশ্বাসে। তিনি প্রমাণ করেছেন, বাংলার মায়েরা চাইলে বিশ্বের প্রথম সারির নাগরিক তৈরি করতে পারেন। একটি গ্রামের মা বিশ্বকে আলোকিত করার স্বপ্ন দেখাতে পারেন। আমার আর মায়ের সম্পর্ক আজকের নয়, এটি বহু বছরের জমে থাকা নিঃশব্দ ভালোবাসার ইতিহাস।

শৈশবের হাত ধরা পথ থেকে জীবনের কঠিন সিদ্ধান্ত পর্যন্ত তিনি ছিলেন আমার সাহস, আমার প্রথম বিদ্যালয়, আমার পৃথিবীকে দেখার জানালা। তারপর একদিন জীবনের প্রয়োজনে আমি হয়ে গেলাম দূর পরবাসী। বাংলার মাটির গন্ধ পেছনে ফেলে উত্তরের শীতল দেশে নতুন জীবন গড়ার সংগ্রাম শুরু হলো।

কিন্তু দূরত্ব কখনো মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ককে ভাঙতে পারেনি। হাজার মাইল দূরে থেকেও ফোনের ওপারে তাঁর কণ্ঠ শুনলেই মনে হতো আমি এখনো সেই গ্রামের সন্তান, যার জন্য মা রাত জেগে দোয়া করেন।

প্রায় পঁয়তাল্লিশ বছরের প্রবাস জীবনে মায়ের ভালোবাসাই ছিল আমার শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ। আর তাঁর জীবনের শেষ পনেরো বছরে বাংলাদেশ আর সুইডেনের মাঝখানে তিনি হয়ে উঠেছিলেন আমার দুই পৃথিবীর নীরব সেতুবন্ধন। আমার নতুন দেশের প্রতিটি পদক্ষেপে ছিল তাঁর আশীর্বাদ, ছিল তাঁর বিশ্বাস, ছিল তাঁর নীরব উপস্থিতি।

আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরের এক নীরব দিনে তিনি পৃথিবীর দায়িত্ব শেষ করে চলে গেছেন অনন্তের পথে। এখন তিনি ঘুমিয়ে আছেন সুইডেনের লিনশোপিং শহরের স্লাকা গ্রামের একটি শান্ত মুসলিম কবরস্থানে। তবুও আমি জানি, তিনি হারিয়ে যাননি। কারণ সন্তানের হৃদয়ে মায়েরা কখনো মারা যান না।

সফলতার আনন্দে, নিঃসঙ্গ রাতের নীরবতায়, অচেনা শহরের ভিড়ে, আজও আমি অনুভব করি তিনি ঠিক পাশে আছেন। যেন দূর আকাশের ওপার থেকে এখনো বলছেন, “মানুষের মাঝে তুমি মানুষ হয়ে বেঁচে থেকো বাবা।”

মা দিবস শুধু একটি দিন নয়, এটি সেই মানুষটির প্রতি কৃতজ্ঞতা যিনি নিজের জীবন নিঃশেষ করে সন্তানের ভবিষ্যৎ আলোকিত করেন।

আজকের পৃথিবীতে যখন মানুষ পরিচয় খুঁজে ফেরে ক্ষমতায়, সম্পদে, বাহ্যিক সাফল্যে, তখন আমি গর্ব করে বলতে চাই, আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি একজন বাংলার মায়ের সন্তান।

পৃথিবী জানুক, বাংলার মায়েরা শুধু সন্তান জন্ম দেন না, তাঁরা ইতিহাসও গড়েন। আমার মায়ের জীবনই ছিল তার এক নীরব প্রমাণ। আর পৃথিবীর বহু অজানা সাফল্যের পেছনে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন একজন বাংলার মা।

হয়তো কাঁচা মাটির ঘরে বসে সন্তানের জন্য ভাত তুলে দিচ্ছেন,হয়তো গভীর রাতে অন্ধকারের মধ্যে হাত তুলে দোয়া করছেন, হয়তো নিজের স্বপ্নগুলো নিঃশব্দে সরিয়ে রেখে সন্তানের ভবিষ্যৎ আলোকিত করছেন।

পৃথিবী অনেক মহান মানুষের নাম মনে রাখে,কিন্তু তাদের পেছনে থাকা মায়ের নীরব ত্যাগের ইতিহাস খুব কম মানুষই লিখে রাখে।

রহমান মৃধা, গবেষক ও লেখক, সাবেক পরিচালক, ফাইজার, সুইডেন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনী সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

কর্ণফুলি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৬ মে চাঁদপুর এবং ২৫ মে ফেনী জেলা সফর করবেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বুধবার (৬ মে) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বৈঠকের পর পানিসম্পদ মন্ত্রী মো: শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এক প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদ মন্ত্রী জানান, খাল-খনন কর্মসূচি চলমান রয়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে চাঁদপুর ও ফেনীতে খাল-খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, ‘আগামী ১৬ মে প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরে যাচ্ছেন। সেখানে অনেকগুলো কর্মসূচি রয়েছে এবং তিনি সেখানে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। সারা বাংলাদেশে ইতোমধ্যে যেসব জেলায় তিনি যাচ্ছেন খাল খনন কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।’

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘আপনারা জানেন যে, আমরা আগামী পাঁচ বছরব্যাপী সারা বাংলাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। সে অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলায় গিয়ে খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন। আমাদের মন্ত্রী এমপিরা সবাই যার যার এলাকায় এই কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন। যেহেতু বর্ষাকাল প্রায় চলে এসেছে। হয়তোবা আমরা এই মে মাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি কন্টিনিউ (চলমান) রাখতে পারব। বর্ষা শেষে আবার আগামী নভেম্বর ডিসেম্বর জানুয়ারির দিকে আমরা এই খাল খনন কর্মসূচি কন্টিনিউ করব।’

এ সময় তিনি বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমের আগে মে মাসে প্রধানমন্ত্রী দু’টি জেলায় যাচ্ছেন সেটা হলো চাঁদপুর এবং ফেনী। ফেনীতে যাবেন ২৫ মে এবং চাঁদপুর যাচ্ছেন ১৬ মে।’

সকাল ১০টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পানিসম্পদ ব্যবস্থার এ সভা হয়। বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভ্যবতা জরিপ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে, সরকার শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলেও জানান পানিসম্পদ মন্ত্রী।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ভাষার দায়: উত্তেজনা নয়, দায়িত্বশীলতার সীমারেখা

Published

on

কর্ণফুলি

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি আজ এক সংবেদনশীল মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং জনমানসের আবেগ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে গেছে। ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক কেবল কূটনৈতিক বা প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি এবং মানুষের পারস্পরিক নির্ভরতার দীর্ঘ বাস্তবতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এই বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে কেবল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভাষায় অঞ্চলটিকে ব্যাখ্যা করা বাস্তবতার একটি বড় অংশকে অদৃশ্য করে দেয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিসরে যে ধরনের বক্তব্য ও স্লোগান ঘুরে বেড়াচ্ছে, তা এই বাস্তবতাকে নতুনভাবে আলোচনায় এনেছে। ক্ষমতার পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে উচ্চারিত কিছু বক্তব্য, যেখানে শাসন পরিবর্তনকে তীব্র প্রতীকী ভাষায় উপস্থাপন করা হচ্ছে, তা কেবল নির্বাচনী প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং এই ভাষা জনপরিসরে এক ধরনের রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অনিশ্চয়তার বোধ তৈরি করছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ভারতের কেন্দ্রীয় রাজনীতি এবং রাজ্য রাজনীতির সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েনপূর্ণ। একদিকে কেন্দ্রীয় শক্তির দাবি শক্তিশালী রাষ্ট্র কাঠামো এবং উন্নয়ন, অন্যদিকে আঞ্চলিক রাজনৈতিক শক্তিগুলোর অভিযোগ ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ এবং ভিন্নমতের পরিসর সংকুচিত হওয়া। এই দ্বন্দ্ব গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অংশ হলেও, সমস্যা শুরু হয় তখনই যখন রাজনৈতিক ভাষা সহনশীলতার সীমা অতিক্রম করে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রাজনৈতিক বক্তব্যে যখন নির্যাতন, ধ্বংস বা সম্পূর্ণ উচ্ছেদের মতো শব্দ ব্যবহৃত হয়, তখন তা কেবল মতবিরোধের প্রকাশ থাকে না। বরং তা জনমানসে ভয়, বিভাজন এবং অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি করে। গণতন্ত্রের শক্তি কেবল নির্বাচন বা ক্ষমতার পালাবদলে নয়, বরং মতপার্থক্যকে স্থিতিশীল সামাজিক কাঠামোর মধ্যে রাখার সক্ষমতায় নিহিত।

এই প্রেক্ষাপটে পশ্চিমবঙ্গের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই রাজ্যটি ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ভাষা, সাহিত্য, ইতিহাস এবং পারিবারিক সম্পর্ক দুই পাশের মানুষের মধ্যে এক ধরনের অবিচ্ছিন্ন সামাজিক সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। ফলে এখানকার রাজনৈতিক ভাষা কেবল অভ্যন্তরীণ বিষয় থাকে না, এটি সীমান্তের ওপারেও প্রতিফলিত হয় এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক মনস্তত্ত্বকে প্রভাবিত করে।

ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক রাষ্ট্রীয়ভাবে বহুস্তরীয় এবং বাস্তবভিত্তিক। সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, নদী ব্যবস্থাপনা এবং শ্রম অভিবাসন এই সম্পর্ককে প্রতিনিয়ত প্রভাবিত করে। একই সঙ্গে দুই দেশের জনগণের মধ্যে রয়েছে পারস্পরিক নির্ভরতা, জীবিকা এবং সাংস্কৃতিক অভিন্নতা। এই বাস্তবতায় রাজনৈতিক বক্তব্যকে দায়িত্বহীনভাবে উত্তেজনার দিকে ঠেলে দিলে তা বাস্তব সমস্যার সমাধান না করে বরং নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করে।

একইভাবে সংখ্যালঘু এবং সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর বিষয়টি মানবাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় আইনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এই জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং অধিকার রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ হওয়া উচিত, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার হাতিয়ার নয়। কারণ এই ধরনের ব্যবহার সামাজিক আস্থার ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়।

বর্তমান বাস্তবতায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাজনৈতিক ভাষার দায়িত্বশীলতা। গণতন্ত্র কেবল ক্ষমতার লড়াই নয়, এটি সহাবস্থানের একটি নৈতিক কাঠামো। যেখানে ভিন্ন মত থাকবে, তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেন সমাজে শত্রুতা, ভয় বা বিভাজনের স্থায়ী সংস্কৃতি তৈরি না করে।

দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা নির্ভর করছে রাজনৈতিক নেতৃত্ব কতটা দায়িত্বশীলভাবে তাদের ভাষা এবং অবস্থান নির্ধারণ করতে পারে তার ওপর। সংঘাতমুখী বয়ান নয়, বরং সংলাপ, বাস্তবতা এবং পারস্পরিক স্বীকৃতিই একটি টেকসই আঞ্চলিক সম্পর্কের ভিত্তি হতে পারে।

শেষ পর্যন্ত এই প্রশ্নটি কেবল রাজনীতির নয়, এটি একটি সভ্যতার প্রশ্ন। আমরা কি এমন একটি দক্ষিণ এশিয়া নির্মাণ করছি যেখানে ভিন্নতা মানেই শত্রুতা, নাকি এমন একটি পরিসর তৈরি করছি যেখানে ভিন্নতা সত্ত্বেও সহাবস্থান সম্ভব, সেটিই নির্ধারণ করবে আগামী দিনের আঞ্চলিক ভবিষ্যৎ।

রহমান মৃধা, গবেষক ও লেখক, সাবেক পরিচালক, ফাইজার, সুইডেন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

সখিপুরের তারাবুনিয়ায় বিষধর সাপের কামড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

Published

on

কর্ণফুলি

শরীয়তপুরের সখিপুর থানার উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াব আলী সরকারের গ্রামে বিষধর সাপের কামড়ে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ফজিলতুন নেছা (৬০) মহর আলী গাজীর স্ত্রী এবং মাস্টার ওমর আলী গাজীর মা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে নিজ বাড়ির আঙিনায় কাজ করার সময় হঠাৎ ইঁদুরের গর্ত থেকে বের হওয়া একটি বিষধর সাপ তাকে কামড় দেয়। পরে স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এ ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

Published

on

কর্ণফুলি

ঢাকা আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সবুজ প্যানেলের সমর্থনে বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল ঢাকা জজকোর্ট শাখার দায়িত্বশীল সমাবেশ শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর, ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এডভোকেট ডক্টর হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট মো. জসীম উদ্দীন সরকার।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশেষ অতিথি ছিলেন এডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাকের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সবুজ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী এডভোকেট এস এম কামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি পদপ্রার্থী এডভোকেট আবু বক্করসহ প্যানেলের সকল পদের প্রার্থীগণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বক্তরা বলেন, ঢাকা আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচন নিয়ে বিএনপি ষড়যন্ত্র করছে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন আগামী ২৯ ও ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপক্ষে ও গ্রহনযোগ্য হবে কি-না। বক্তরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেখানে নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিশন দুই প্যানেলের সমান সংখ্যক সদস্য দিয়ে গঠন করার নিয়ম সেখানে বিএনপি শুধুমাত্র তাদের প্যানেলের এবং তাদের দলীয় আইনজীবীদের দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। ফলে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হচ্ছে না। পাশাপাশি পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে। বক্তরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না করলে এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্ব মূলক ভূমিকা বন্ধ না হলে আইনজীবীরা আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করতে বাধ্য হবে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

কর্ণফুলি কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার38 minutes ago

কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি পিএলসি ২০২৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কোম্পানির পরিচালনা...

কর্ণফুলি কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার53 minutes ago

১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ...

কর্ণফুলি কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার3 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ১৭ কোটি টাকার

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৬টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ১৭ কোটি...

কর্ণফুলি কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার4 hours ago

দরপতনের শীর্ষে সিএপিএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সি এ পি...

কর্ণফুলি কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার4 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে এপেক্স ট্যানারি

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯২টি কোম্পানির মধ্যে ১৪৬টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

কর্ণফুলি কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার4 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে মুন্নু সিরামিক

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ...

কর্ণফুলি কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার4 hours ago

সূচকের পতনে লেনদেন ছাড়ালো ৭১৪ কোটি টাকা

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের পতনে লেনদেন শেষে হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  
কর্ণফুলি
জাতীয়6 minutes ago

বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতারে ভয় পায় না: হুমায়ুন কবির

কর্ণফুলি
অর্থনীতি17 minutes ago

গ্রামীণ শিল্পে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০০০ কোটি টাকার তহবিল, ৫% সুদে মিলবে ঋণ

কর্ণফুলি
অর্থনীতি28 minutes ago

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিজিএমইএ-বিকেএমইএ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার38 minutes ago

কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ

কর্ণফুলি
কর্পোরেট সংবাদ46 minutes ago

বিকাশের মাধ্যমে খোলা হয়েছে ৬০ লাখের বেশি ডিপিএস, ৩৪ শতাংশই নারী

কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার53 minutes ago

১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স

কর্ণফুলি
অর্থনীতি1 hour ago

ভিসা বন্ডের অর্থ পাঠানোর অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

কর্ণফুলি
ধর্ম ও জীবন1 hour ago

মনে মনে খারাপ কোনো চিন্তা করলে কি গোনাহ হয়?

কর্ণফুলি
আন্তর্জাতিক2 hours ago

বিশ্ববাজারে কমল সোনার দাম

কর্ণফুলি
রাজনীতি2 hours ago

২২৭৬ নেতাকর্মীকে গুম-খুনের তদন্তের দাবিতে ট্রাইব্যুনালে বিএনপি

কর্ণফুলি
জাতীয়6 minutes ago

বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতারে ভয় পায় না: হুমায়ুন কবির

কর্ণফুলি
অর্থনীতি17 minutes ago

গ্রামীণ শিল্পে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০০০ কোটি টাকার তহবিল, ৫% সুদে মিলবে ঋণ

কর্ণফুলি
অর্থনীতি28 minutes ago

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিজিএমইএ-বিকেএমইএ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার38 minutes ago

কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ

কর্ণফুলি
কর্পোরেট সংবাদ46 minutes ago

বিকাশের মাধ্যমে খোলা হয়েছে ৬০ লাখের বেশি ডিপিএস, ৩৪ শতাংশই নারী

কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার53 minutes ago

১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স

কর্ণফুলি
অর্থনীতি1 hour ago

ভিসা বন্ডের অর্থ পাঠানোর অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

কর্ণফুলি
ধর্ম ও জীবন1 hour ago

মনে মনে খারাপ কোনো চিন্তা করলে কি গোনাহ হয়?

কর্ণফুলি
আন্তর্জাতিক2 hours ago

বিশ্ববাজারে কমল সোনার দাম

কর্ণফুলি
রাজনীতি2 hours ago

২২৭৬ নেতাকর্মীকে গুম-খুনের তদন্তের দাবিতে ট্রাইব্যুনালে বিএনপি

কর্ণফুলি
জাতীয়6 minutes ago

বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতারে ভয় পায় না: হুমায়ুন কবির

কর্ণফুলি
অর্থনীতি17 minutes ago

গ্রামীণ শিল্পে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০০০ কোটি টাকার তহবিল, ৫% সুদে মিলবে ঋণ

কর্ণফুলি
অর্থনীতি28 minutes ago

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিজিএমইএ-বিকেএমইএ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার38 minutes ago

কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ

কর্ণফুলি
কর্পোরেট সংবাদ46 minutes ago

বিকাশের মাধ্যমে খোলা হয়েছে ৬০ লাখের বেশি ডিপিএস, ৩৪ শতাংশই নারী

কর্ণফুলি
পুঁজিবাজার53 minutes ago

১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স

কর্ণফুলি
অর্থনীতি1 hour ago

ভিসা বন্ডের অর্থ পাঠানোর অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

কর্ণফুলি
ধর্ম ও জীবন1 hour ago

মনে মনে খারাপ কোনো চিন্তা করলে কি গোনাহ হয়?

কর্ণফুলি
আন্তর্জাতিক2 hours ago

বিশ্ববাজারে কমল সোনার দাম

কর্ণফুলি
রাজনীতি2 hours ago

২২৭৬ নেতাকর্মীকে গুম-খুনের তদন্তের দাবিতে ট্রাইব্যুনালে বিএনপি