অর্থনীতি
দেশের বাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম, কত দামে বিক্রি হচ্ছে আজ
আন্তর্জাতিক বাজারে দরপতন এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য কমে যাওয়ায় বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ১৯ মার্চের পর বুধবার (২৫ মার্চ) আবারও দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে।
নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে ভালোমানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমেছে। এর ফলে বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে পাকা স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় ভোক্তা পর্যায়ে এই সুবিধা নিশ্চিত করতে দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ১০ দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় ২২ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পাওয়ার প্রভাব দেশের বাজারেও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
সদ্য কার্যকর হওয়া দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ১৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪৯০ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকায়। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৬১৬ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০৫ টাকা।
এর আগে গত ১৯ মার্চ দুই দফায় স্বর্ণের দাম মোট ১৫ হাজার ৩৩৮ টাকা কমানো হয়েছিল। সেই সময় ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায় নেমে এসেছিল, যা বুধবার সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত কার্যকর ছিল। তবে স্বর্ণের বাজারে এই বড় ধস নামলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। আগের নির্ধারিত দাম অনুযায়ীই ২২ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৩২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সনাতন পদ্ধতির রুপার দামও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩ হাজার ৩২৪ টাকায়।
অর্থনীতি
ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন শিল্প পার্ক, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আরও বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি শিল্পমন্ত্রীর
ঠাকুরগাঁওয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করতে নতুন শিল্প পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। শনিবার সকালে ঠাকুরগাঁও বিসিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পনগরী পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শিল্পমন্ত্রী জানান, প্রায় ৫০ একর জায়গাজুড়ে নির্মাণাধীন ঠাকুরগাঁও শিল্প পার্কে ২৫১টি প্লট থাকবে, যেখানে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তা প্লট নিয়ে নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এই প্রকল্প সফল হলে ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তিনি।
বেকারত্ব প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য জনগোষ্ঠীকে জনশক্তিতে রূপান্তর করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা। সে লক্ষ্যে নতুন কলকারখানা স্থাপন ও বিনিয়োগ বাড়ানো হচ্ছে।
এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে রপ্তানিযোগ্য ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। বিশেষ করে আলুভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে এবং রপ্তানিযোগ্য আলুর নতুন জাত উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, বিসিক শিল্পনগরীর উদ্যোক্তা এবং জেলা বিএনপির নেতারা। পরে শিল্পমন্ত্রী পুরাতন বিসিক শিল্পনগরীর বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন শেষে পঞ্চগড়ের উদ্দেশে রওনা দেন।
অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে জমে উঠছে মসলার বাজার
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দিনাজপুরের হিলি বন্দরবাজারে জমতে শুরু করেছে মসলার বেচাকেনা। ভারত থেকে পর্যাপ্ত মসলা আমদানি হওয়ায় গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় সব ধরনের মসলার দাম কমেছে। ফলে স্বস্তি নিয়ে কেনাকাটা করছেন ক্রেতারা।
শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় হিলির মসলাবাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ক্রেতারা ইতোমধ্যে বন্দরবাজারে আসতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে এলাচ, জিরা, গোলমরিচ ও লবঙ্গসহ বিভিন্ন মসলার চাহিদা কয়েক গুণ বেড়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত কোরবানির ঈদে সাদা এলাচ প্রতি কেজি পাঁচ হাজার ৫০০ থেকে পাঁচ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হলেও এবার তা চার হাজার ২০০ থেকে চার হাজার ৫০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। কালো এলাচ আগে তিন হাজার টাকা কেজি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৪০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায়। লবঙ্গ এক হাজার ৮০০ টাকা থেকে কমে এক হাজার ৪০০ টাকায়, গোলমরিচ এক হাজার ২০০ টাকায় এবং জিরার দাম ৬৩০ টাকা থেকে নেমে ৫৬০ টাকায় এসেছে।
জয়পুরহাট থেকে আসা ক্রেতা নাজমুল হক বলেন, হিলি বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সব ধরনের মসলা আমদানি হওয়ায় এখানকার বাজারে দাম তুলনামূলক কম। প্রতি কোরবানির ঈদেই তারা এখান থেকে মসলা কিনে নিয়ে যান।
হিলি বিসমিল্লাহ মসলা ঘরের স্বত্বাধিকারী শাওন আহমেদ জানান, ভারত থেকে নিয়মিত মসলা আমদানি হওয়ায় বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি তত বাড়বে বলে তিনি আশাবাদী।
অর্থনীতি
দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?
দেশের বাজারে গত বৃহস্পতিবার আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা, যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
এরপর আর বাড়েনি বা কমেনি স্বর্ণের দাম। ফলে আজ শনিবারও ওই দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
অর্থনীতি
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সুখবর দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও শক্ত অবস্থানে ফিরতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশের ব্যবহারযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বৃহস্পতিবার (৭ মে) পর্যন্ত দেশের মোট বা গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার। আর আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দেশের রিজার্ভ এখন ৩১ বিলিয়ন ডলারের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে।
অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স-প্রবাহ বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় স্থিতিশীল থাকা এবং আমদানি ব্যয়ে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আসার কারণে রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এর ফলে বৈদেশিক লেনদেনের ওপর চাপ কমছে এবং ডলারের বাজারেও ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে রিজার্ভ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে প্রবাসী আয়।
ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহও বেড়েছে। একই সঙ্গে রপ্তানি আয়ও ইতিবাচক ধারায় রয়েছে।
অন্যদিকে, অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসপণ্যের আমদানি কমে যাওয়ায় ডলারের ওপর চাপও আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। ফলে বাজারে অতিরিক্ত ডলার বিক্রি করতে হচ্ছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংককে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। তবে বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, উচ্চ আমদানি ব্যয় এবং ডলারের অস্বাভাবিক চাহিদার কারণে পরবর্তী সময়ে রিজার্ভ দ্রুত কমতে থাকে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন সময়ে ডলার বিক্রি করে বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে আমদানি নিয়ন্ত্রণ, বৈধ পথে রেমিট্যান্স বাড়ানো এবং বৈদেশিক ঋণ সহায়তা নিশ্চিত করার নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়।
গ্রস ও বিপিএম-৬ রিজার্ভের পার্থক্য–
বাংলাদেশ ব্যাংক সাধারণত দুটি ধরনের রিজার্ভ হিসাব প্রকাশ করে। গ্রস রিজার্ভ হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট বৈদেশিক মুদ্রা ও সম্পদের হিসাব। এতে বিভিন্ন তহবিল ও স্বল্পমেয়াদি দায়ও অন্তর্ভুক্ত থাকে।
অন্যদিকে, বিপিএম-৬ রিজার্ভ হচ্ছে আইএমএফের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ। এতে এমন অর্থ বাদ দেওয়া হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব নয়।
বর্তমানে আন্তর্জাতিকভাবে বিপিএম-৬ হিসাবকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেই হিসাবে বাংলাদেশের রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছানোকে অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
অর্থনীতি
দুই দিনের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা এবং সুদের হার কমার আশায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। দুই দিনের ব্যবধানে মূল্যবান ধাতুটির দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা গেছে।
শুক্রবার (৮ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭০৯ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের দাম সামগ্রিকভাবে প্রায় ২ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এদিকে জুনে সরবরাহের জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ০ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭১৬ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছেছে।
যদিও গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের ওপর গোলাবর্ষণ করে মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে, তবে তেহরান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কথা জানিয়েছে এবং ওয়াশিংটনও উত্তেজনা বাড়াতে অনিচ্ছুক বলে ইঙ্গিত দিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের ইতিবাচক মন্তব্য এবং শান্তি চুক্তি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিরাজমান আশাবাদ স্বর্ণের বাজারকে শক্তিশালী করছে।
গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় স্বর্ণের দাম প্রায় ১০ শতাংশ পড়ে গিয়েছিল; কারণ উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কায় সুদের হার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল।
বর্তমানে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন কর্মসংস্থান রিপোর্টের দিকে নজর রাখছেন, যা ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী মুদ্রানীতি নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রূপার দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৯ দশমিক ৬৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্ল্যাটিনাম ১ দশমিক ২ শতাংশ এবং প্যালেডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা কমার ফলেই মূল্যবান এই ধাতব পণ্যগুলোর দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।
এর আগে বুধবার (০৬ মে) মার্কিন ডলারের দরপতন এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা ঘিরে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ে ২ শতাংশের বেশি। রয়টার্সের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৬৪৭.০৯ ডলারে পৌঁছায়।




