আইন-আদালত
ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ
ঢাকার উত্তরা এলাকায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে দায়েরের আবেদন করা মামলা গ্রহণ করেননি আদালত।
বৃহস্পতিবার (৬ মে) বিকেলে ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলাম মামলাটি খারিজ করে দেন। আদালতের প্রসেস সার্ভার শাহাদাত হোসেন জানান, মামলা গ্রহণের মতো পর্যাপ্ত উপাদান না পাওয়ায় এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সকালে নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা আদালতে মামলার আবেদন করেন। শুনানিতে আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে বিকেলে মামলাটি খারিজের আদেশ দেওয়া হয়।
মামলার আবেদনে অভিযুক্ত হিসেবে আরও যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল, তারা হলেন-সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, সাবেক পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক শিক্ষা সচিব সিদ্দিক জুবায়ের, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, এয়ার ভাইস মার্শাল মোরশেদ মোহাম্মদ খায়ের উল আফসার, গ্রুপ ক্যাপ্টেন রিফাত আক্তার জিকু, গভর্নিং বডির উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরনবী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, প্রশাসনিক প্রধান মাসুদ আলম, স্কুল শাখার প্রধান রিফাত নবী, রাজউক চেয়ারম্যান এবং রাজউকের উত্তরা অঞ্চলের ফিল্ড সুপারভাইজার।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ২১ জুলাই শিক্ষার্থীরা প্রতিদিনের মতো শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত ছিল। দুপুর ১টা ১৮ মিনিটের দিকে অভিযুক্তদের দায়িত্ব ও তত্ত্বাবধানে থাকা এফ-৭ বিজিআই প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়নের অনুমতি দেওয়া হয়। পরে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বিমানটি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয় বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।
মামলার আবেদনে আরও বলা হয়, দুর্ঘটনায় ২৮ জন শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষিকা, তিনজন অভিভাবক এবং একজন পরিচালকসহ মোট ৩৫ জন নিহত হন। এছাড়া দগ্ধ হয়ে আহত হন আরও ১৭২ জন, যাদের অনেকেই স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকা এবং ভবন নির্মাণে বিধিমালা অনুসরণ না করায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়েছিল বলেও আবেদনে দাবি করা হয়। এতে আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি এবং অনেক শিক্ষার্থী চিকিৎসার আগেই মারা যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
আইন-আদালত
৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে গ্রেপ্তার ইমি কারামুক্ত
রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি অবশেষে জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ মে) দীর্ঘ প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুহা. নোমান হোসাইন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, কারামুক্ত ইমি। পাশে থাকা সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।”
জানা গেছে, গত কয়েক মাস আগে রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে আটক করা হয়। পরে এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করলে বৃহস্পতিবার তিনি কারামুক্ত হন। কারামুক্তির পর তার পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ইমির মুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ এটিকে আইনি লড়াইয়ের ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন, আবার কেউ তার মুক্তিকে স্বস্তিদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন।
আইন-আদালত
শাপলা চত্বর ঘটনায় ২ সাংবাদিকের নামে তথ্য গোপনের অভিযোগ
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে মৃত্যুর তথ্য আড়াল করতে সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ওই ঘটনার তথ্য পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং এতে ওই দুই সাংবাদিকের সম্পৃক্ততা ছিল।
তিনি আরও বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনায় ইন্টারনেট বন্ধ করা, দুটি টেলিভিশন চ্যানেল বন্ধসহ বিভিন্ন পদক্ষেপে যারা জড়িত ছিলেন, তারাও মামলার আসামি হবেন।
আগামী ১৪ মে শাপলা চত্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ নির্দেশ দেন। প্যানেলের নেতৃত্ব দেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অপর সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন ট্রাইব্যুনালে সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্টের আবেদন জানায় প্রসিকিউশন।
প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চলাকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন দীপু মনি। তিনি ঘটনাকে আন্তর্জাতিকভাবে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
একই সঙ্গে একাত্তর টেলিভিশনের মাধ্যমে হেফাজতের সমাবেশকে উসকানিমূলক হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আসামিদের হাজির করার নির্দেশ দেন এবং পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৪ মে তারিখ নির্ধারণ করেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আগামী ৭ জুন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে আছেন ছয়জন আসামি। তারা হলেন— সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক উপমহাপরিদর্শক আবদুল জলিল মণ্ডল।
২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনার তদন্ত ও বিচার দাবি করে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, যার ভিত্তিতে মোট ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
আইন-আদালত
জাবির সাবেক ভিসি ফারজানার আয়কর নথি জব্দ
নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের (দুর্নীতি দমন কমিশন) করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলামের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান। এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম আয়কর নথি চেয়ে আবেদন করেন।
দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযোগ রয়েছে যে ফারজানা ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে বিপুল অর্থের নিয়োগ বাণিজ্য হয়েছে এবং সেই আয়ের সঠিক তথ্য গোপন করা হতে পারে। এজন্য তার ও তার স্বামীর আয়কর নথির মূল কপি বা সংশ্লিষ্ট রেকর্ড জব্দ ও সংগ্রহ করা প্রয়োজন বলে আদালতে আবেদন করা হয়।
আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে আয়কর নথি জব্দের অনুমতি দেয়, যাতে চলমান অনুসন্ধান আরও কার্যকরভাবে করা যায়।
আপনি চাইলে আমি এই মামলার পটভূমি বা দুদকের তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পর্কেও সহজভাবে ব্যাখ্যা করতে পারি।
আইন-আদালত
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মার্মার বাবা উসাইমং মারমা এ আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশের জন্য আবেদনটি অপেক্ষমাণ রেখেছেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবী এ কে এম শারিফ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বাদীর আবেদনে যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, এয়ার কমান্ডিং অফিসার মোরশেদ মোহাম্মদ খায়ের উল আফসার, অফিসার কমান্ডিং ম্যানটেইনেন্স গ্রুপ ক্যাপ্টেন রিফাত আক্তার জিকু, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভার্নিং বডি উপদেষ্টা নুরনবী (অব. কর্নেল), মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, প্রিন্সিপাল (প্রশাসন) মো. মাসুদ আলম, স্কুল শাখার প্রিন্সিপাল রিফাত নবী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ফিল্ড সুপার ভাইজার (উত্তরা), শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব সিদ্দিক জুবায়ের, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান ও অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২১ জুলাই উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ৩৬ জন নিহত হন, এরমধ্যে ২৮ জনই শিক্ষার্থী। ওই ঘটনায় বিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামও নিহত হন।
আইন-আদালত
শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড: রাজসাক্ষী হতে চান সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল
রাজধানীর শাপলা চত্বরের ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী হতে চেয়েছেন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।
বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি হয়।
এদিন তার জামিন চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার। তবে তার জামিন নামঞ্জুর করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে ট্রাইব্যুনালে আবদুল জলিল মণ্ডল রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদন জানান। স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তার পক্ষে ট্রাইব্যুনালে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী আলী হায়দার।
আইনজীবী ট্রাইব্যুনালকে জানান, ২০২০ সাল থেকে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত এবং তার হার্টে সাতটি ব্লক রয়েছে। জেল কর্তৃপক্ষও তার এ রিপোর্ট ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছে। পরে এ রিপোর্ট দেখে ট্রাইব্যুনাল তার শারীরিক অবস্থাকে খুব বেশি গুরুতর নয় বলে তার জামিন আবেদন খারিজ করেন।
এদিকে রাজধানীর কল্যাণপুরের ‘জাহাজ বাড়িতে’ কথিত জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের নামে ৯ জনকে হত্যার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ৭ জুন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-১। এছাড়া লে. কর্নেল হাসিনুর রহমানের আদালত অবমাননার অভিযোগ শুনানি হবে ১৪ মে।




