Connect with us

ধর্ম ও জীবন

হিজরি প্রথম শতকের দুর্লভ ইসলামী শিলালিপির সন্ধান

Published

on

বেগম

সৌদি আরবের হাইল অঞ্চলে প্রাচীন হজ রুটের পাশে হিজরি প্রথম শতকের একটি বিরল ইসলামী শিলালিপির সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এই আবিষ্কার ইসলামের সূচনালগ্নে হজযাত্রা ও তীর্থপথের ইতিহাস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নতুন তথ্য দিচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বুধবার (৬ মে) সৌদি হেরিটেজ কমিশন এই ঐতিহাসিক আবিষ্কারের তথ্য নিশ্চিত করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কমিশন জানায়, হাইল অঞ্চলের সামিরা গভর্নরেটের দক্ষিণে জালি আল-নিস এলাকায় শিলালিপিটি পাওয়া গেছে। স্থানটি ঐতিহাসিক দরবে জুবাইদা হজ রুটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা প্রাচীনকালে কুফা থেকে মক্কা যাওয়ার পথে তীর্থযাত্রীদের প্রধান যাতায়াতপথ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

একটি সমতল গ্রানাইট পাথরের ওপর খোদাই করা এই শিলালিপিতে ইব্রাহিম ইবনে জিয়াদ নামের এক ব্যক্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে দোয়ার কথা লেখা রয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র কোরআনের সূরা বাকারার শেষ অংশের একটি আয়াতের উদ্ধৃতিও সেখানে পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোয়ার্টজ শিরাযুক্ত পাথরের ওপর চমৎকারভাবে খোদাই করা এই লিপিটি সে সময়ের মানুষের গভীর ধর্মীয় বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ। এই আবিষ্কার প্রমাণ করে যে, ইসলামের প্রাথমিক যুগে হজ রুটগুলো শুধুমাত্র যাতায়াতের পথ ছিল না, বরং এগুলো ছিল তৎকালীন সংস্কৃতির এক অনন্য মাধ্যম।

হেরিটেজ কমিশন জানিয়েছে, সৌদি আরবজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো নথিভুক্ত ও সংরক্ষণের যে বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে, এই আবিষ্কার তারই অংশ। দেশটির সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের ঐতিহাসিক স্থানগুলো রক্ষায় কমিশন ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত জরিপ ও গবেষণার পরিকল্পনা করছে। মূলত মানব সভ্যতার জীবন্ত দলিল হিসেবে এসব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণে কঠোর জোর দিচ্ছে দেশটির সরকার।

শেয়ার করুন:-

ধর্ম ও জীবন

সাঈদ ইবনে জায়েদ (রা.)-এর জীবনবৃত্তান্ত

Published

on

বেগম

ইসলামের ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যাদের অবদান নীরব হলেও অনস্বীকার্য। তেমনই একজন মহান সাহাবি হলেন সাঈদ ইবনে জায়েদ (রা.)। তিনি জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত মহান দশ সাহাবিদের অন্যতম। তিনি ইসলামের একেবারে সূচনালগ্নে ইসলাম গ্রহণকারীদেরও একজন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

যে সময় সত্যকে গ্রহণ করা মানেই ছিল কঠিন পরীক্ষা ও নির্যাতনের সম্মুখীন হওয়া। ঠিক সেই সময়েই তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। তখনও মহানবী (সা.) দাওয়াতের কেন্দ্র-দারুল আরকাম-প্রতিষ্ঠা করেননি। তবে তার এই ইসলাম গ্রহণ এত সহজ ছিল না। কিন্তু সত্যের পথে অটল থাকার দৃঢ়তা তাকে কখনো বিচলিত করতে পারেনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

যদিও তিনি বদরের যুদ্ধে অংশ নিতে পারেননি, তবে এর বাইরে প্রায় সকল গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে তিনি উপস্থিত ছিলেন। উহুদ, খন্দকসহ অন্যান্য অভিযানে তিনি নবীজীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছেন। শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, জ্ঞানচর্চাতেও তিনি ছিলেন অগ্রগণ্য।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মহানবী (সা.) থেকে প্রায় ৪৮টি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যা ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডারে মূল্যবান সংযোজন। তিনি কুরাইশ গোত্রের প্রসিদ্ধ বংশ কাব ইবনে লুআই বংশোদ্ভূত। পারিবারিকভাবেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত মর্যাদাবান। তিনি ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর চাচাতো ভাই এবং একই সঙ্গে তার ভগ্নিপতি। তিনি বিবাহ করেছিলেন ফাতিমা বিনতে খাত্তাব (রা.)-কে, যিনি ওমর (রা.)-এর বোন।

আবার ওমর (রা.) বিবাহ করেছিলেন তার বোন আতিকা বিনতে জায়েদকে-এভাবে তাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। আর ওমর (রা.) তাঁর এই ভগ্নিপতির কোরআন তিলাওয়াতে প্রভাবিত হয়েই ইসলাম গ্রহন করেছিলেন। যে ঘটনা ইতিহাসে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

তার পিতা জায়েদ ইবনে আমর ইবনে নুফায়েল ছিলেন জাহেলিয়াত যুগের সেই বিরল মানুষদের একজন, যারা একত্ববাদে বিশ্বাসী ছিলেন। ইবরাহিম (আ.)-এর ধর্ম অনুসরণ করতেন এবং মূর্তিপূজাকে ঘৃণা করতেন। তিনি কখনো মূর্তির উদ্দেশ্যে উৎসর্গকৃত খাবার গ্রহণ করতেন না। নিজের সম্প্রদায়কে তিনি বলতেন, ‘হে কুরাইশ! আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে উৎসর্গ করা কিছু আমি খাব না। আমি ইবরাহিমের ধর্মে আছি।’ পিতার এই সত্যনিষ্ঠতাই সাঈদ (রা.)-এর জীবনেও গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

তবে বিশিষ্ট এই সাহাবির ইন্তিকালের বছর নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে কিছু মতভেদ আছে। কেউ বলেন ৫০ হিজরি, কেউ বলেন ৫২, আবার কেউ বলেন ৫৮ হিজরি। তবে এ বিষয়ে সকলেই একমত যে তিনি সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে জীবন অতিবাহিত করে দুনিয়া ত্যাগ করেন। তবে তাঁর জীবন আমাদের শেখায়, সত্যকে গ্রহণ করতে হলে সাহস লাগে, আর সেই সাহসই একজন মানুষকে ইতিহাসে অমর করে তোলে।(তারিখে তবারি, সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং : ৩৭৪৮)

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

শতভাগ ভিসা ইস্যু, সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৪৩ হাজার ১৯ হজযাত্রী

Published

on

বেগম

চলতি বছরে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ১০৮টি ফ্লাইটে মোট ৪৩ হাজার ১৯ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ভিসা ইস্যু শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রোববার (৩ মে) সকালে হজ কার্যক্রম-সংক্রান্ত সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। এ তথ্য হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট সূত্রে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৭ জন হজযাত্রীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন মক্কায় এবং ২ জন মদিনায় মারা যান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এতে আরও বলা হয়, সৌদি মেডিকেল টিম ৯ হাজার ১৭৫ জন হজযাত্রীকে সরাসরি চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। এছাড়া আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ৯ হাজার ৭৩০ জন স্বাস্থ্যসেবা পেয়েছেন।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। মোট ৬৬০টি এজেন্সি এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে ৩০টি প্রধান এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।

বিমান সংস্থাভিত্তিক তথ্যে বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৫০টি ফ্লাইটে ২০ হাজার ৪৮৩ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৩৯টি ফ্লাইটে ১৪ হাজার ৬৪৬ জন এবং ফ্লাইনাসের ১৯টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ৮৯০ জন যাত্রী সৌদি আরবে গেছেন।

গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মোট হজযাত্রীর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।

ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস শতভাগ ভিসা মোট ৭৮ হাজার ৫০০টি ভিসা ইস্যু করেছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪,৪৪৩টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩,৯০৩টি ভিসা রয়েছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে, আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হজ পালন শেষে আগামী ৩০ মে জেদ্দা থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। আগামী ৩০ জুন শেষ ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের ডামাডোল পেরিয়ে হজে যাচ্ছেন ৩০ হাজার ইরানি

Published

on

বেগম

চলতি বছর প্রায় ৩০ হাজার ইরানি নাগরিক হজে অংশ নেবেন। আগামী সপ্তাহ থেকে তাদের যাত্রা শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির হজ ও তীর্থযাত্রা বিষয়ক সংস্থা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের হজ ও তীর্থযাত্রা সংস্থার একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি সৌদি আরবে পৌঁছায়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তারা জানায়, প্রথম দফায় ইরানি হজযাত্রীরা ২৫ এপ্রিল মদিনায় পৌঁছাবেন। সেখান থেকে তারা নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে মক্কায় গিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। তবে তারা স্থলপথে না আকাশপথে সৌদি আরবে যাবেন সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানের হজ ও তীর্থযাত্রা সংস্থার একজন প্রতিনিধি বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ একাধিকবার ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের, বিশেষ করে ইরানি হজযাত্রীদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।

সৌদি আরব জানিয়েছে, আসন্ন হজ মৌসুমকে সামনে রেখে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। তারা ইরানি হজযাত্রীদের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে। হজের সব আনুষ্ঠানিকতা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সৌদি কর্মকর্তারা আরও জানান, হজে আসা মেহমানদের আন্তরিকতা ও উষ্ণ আতিথেয়তার মাধ্যমে স্বাগত জানাতে তারা প্রস্তুত।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

সুরা কাহাফের ১০ আয়াতের ফজিলত

Published

on

বেগম

মানুষকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য মহান আল্লাহ যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রসুল পাঠিয়েছেন। এসব নবী-রসুলের গাইডবুক হিসেবে দিয়েছেন কিতাব। এসব কিতাবের মধ্যে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব হচ্ছে আল-কোরআন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সুরা কাহাফ কোরআনের ১৫তম পারার ১৮ নম্বর সুরা। কাহাফ মানে গুহা। এ সুরায় ১১০টি আয়াত রয়েছে, আর রুকুর সংখ্যা ১২। সুরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

হাদিসের বর্ণনা অনুসারে সুরা কাহাফ তেলাওয়াতের অন্যতম ফজিলত হলো — এ সুরা পাঠ করলে মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত বর্ষিত হয়। এক সাহাবি সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করছিলেন। তার বাড়িতে একটি ঘোড়া বাঁধা ছিল। ঘোড়াটি তখন লাফালাফি করতে লাগল। তখন ওই সাহাবি শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন। তখন তিনি দেখলেন, একখণ্ড মেঘ এসে তাকে ঢেকে দিয়েছে। তিনি নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলেন। তখন তিনি বললেন, হে অমুক! তুমি এভাবে তেলাওয়াত করবে। এটাতে প্রশান্তি ছিল, যা কোরআন তেলাওয়াতের কারণে নাজিল হয়েছিল। (বুখারি: ৩৬১৪)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কিয়ামতের দিন এ সুরা তার পাঠকারীকে আলোকিত করবে। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে, তার পায়ের নিচ থেকে আসমান পর্যন্ত নুর প্রজ্বলিত হবে এবং কিয়ামতের দিন তার জন্য উজ্জ্বল হবে। আর দুই জুমার মধ্যবর্তী সব গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (তাফসিরে ইবনে কাসির: ৬/৩৯৮)

প্রতি জুমায় এ সুরা তেলাওয়াত করলে এক জুমা থেকে অন্য জুমার মধ্যবর্তী সময়ের জন্য নুর প্রজ্বলিত করে রাখা হয়। আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে, তার জন্য দুই জুমা পর্যন্ত নুর প্রজ্বলিত হবে। (সুনানে দারিমি ৩৪০৭)

মুসলমান হিসেবে সবারই পবিত্র কোরআন পড়া জরুরি। আর শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত শেখা ফরজ। কেউ যদি পুরো সুরা পাঠ করতে না পারে, সে অন্তত এ সুরার প্রথম ১০ আয়াত তেলাওয়াত করতে পারে।

হযরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকবে। (মুসলিম: ৮০৯, আবু দাউদ: ৪৩২৩)

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিদ্যমান

Published

on

বেগম

প্রখ্যাত আলেম মিজানুর রহমান আজহারি সম্প্রতি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘ইসলামে সম্প্রীতির অনন্য বার্তা’ শিরোনামে নিজের একটি আলোচনার ভিডিও শেয়ার করেছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ওই আলোচনায় তিনি বলেন, ‘আমরা মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, পাহাড়ি, নৃগোষ্ঠী—সবাই মিলেমিশে একাকার। আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশ। আমাদের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভালোবাসা, সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ ও বোঝাপড়া বেশ দৃঢ়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তবে মাঝে মাঝে কিছু মানুষ এই সম্প্রীতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করে। আমরা যে শান্তিতে ও সুখে আছি, তা অনেকের সহ্য হয় না। তাই এসব দুর্বৃত্তের বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আমাদের দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিদ্যমান।

হিন্দুদের পূজার দিনে আমরা তাফসির মাহফিল করি না, আবার আমাদের তাফসিরুল কোরআনের প্রোগ্রামের দিন হিন্দু ভাইয়েরাও কোনো বিঘ্ন ঘটায় না। এমনকি হিন্দুদের পূজায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি মাদরাসার শিক্ষার্থীরাও নিরাপত্তা দিতে এগিয়ে আসে। সারা বিশ্বে এমন উদাহরণ খুব কমই দেখা যায়।’

রাব্বুল আলামিন বলেছেন, ‘হে ঈমানদার বান্দারা! তারা আল্লাহ ছাড়া যেসব দেব-দেবীর উপাসনা করে, তোমরা তাদের গালি দিও না।

কারণ এতে তারা শত্রুতাবশত আল্লাহকে গালি দিতে পারে।’ তাই কোনো ধর্মকে ছোট করা যাবে না। অন্য ধর্মকে অবমাননা করা মানে ইসলামকেই ছোট করা। এতে মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে বরং দূরে সরে যেতে পারে।
আজহারি আরো বলেন, ‘আমরা নিজেরাই অনেক সময় মুসলিম হয়েও ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি না।

অথচ বিশ্বনবী (সা.) মুশরিকদের সঙ্গে হুদাইবিয়ার সন্ধি করেছিলেন। মদিনায় হিজরতের পর তিনি সব ধর্মাবলম্বীকে নিয়ে মদিনা সনদ প্রণয়ন করেন। ইসলাম অন্য ধর্মের প্রতি সহনশীলতার শিক্ষা দেয়, আর এর উত্তম উদাহরণ বিশ্বনবীর জীবনেই পাওয়া যায়।’

সংখ্যালঘুদের অধিকার প্রসঙ্গে বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো সংখ্যালঘুর ওপর জুলুম করবে, তার অধিকার হরণ করবে বা সম্পদ ছিনিয়ে নেবে, কিয়ামতের দিন আমি তার বিপক্ষে দাঁড়াব।’ অর্থাৎ সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় ইসলাম অত্যন্ত কঠোর।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘আপনি নামাজি, হাজি—কিন্তু পাশের হিন্দু প্রতিবেশীর জমি দখল করতে চান—এটা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। কিয়ামতের দিন সেই নির্যাতিত ব্যক্তির পক্ষেই বিশ্বনবী (সা.) অবস্থান নেবেন।’

ইসলাম অমুসলিম প্রতিবেশীর সঙ্গে উত্তম আচরণের নির্দেশ দেয়। প্রতিবেশী হিন্দু বা অন্য ধর্মের হলেও তাকে কষ্ট দেওয়া যাবে না। বরং অসুস্থ হলে খোঁজ নেওয়া, ফলমূল নিয়ে যাওয়া—এসবের মাধ্যমে সুন্দর আচরণ প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে। এতে ইসলামের সৌন্দর্য ফুটে ওঠে।

এ ছাড়া ইসলাম অমুসলিম মা-বাবার প্রতিও সদাচরণের নির্দেশ দেয়। কেউ ইসলাম গ্রহণ করলেও তার অমুসলিম মা-বাবাকে অবহেলা করা যাবে না। বরং তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণই ইসলামের শিক্ষা।

তিনি বলেন, ‘ইসলাম সংকীর্ণ নয়, বরং উদার। বিশ্বনবী (সা.) অমুসলিমদের উপহার গ্রহণ করেছেন এবং তাদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনও করেছেন। প্রয়োজনে অমুসলিমদের কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়াও বৈধ।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, তায়েফ থেকে ফিরে আসার সময় বিশ্বনবী (সা.) মক্কায় প্রবেশের জন্য মুতইম ইবনে আদির সাহায্য নিয়েছিলেন, যদিও তিনি মুসলিম ছিলেন না। তবু তার সেই সহযোগিতা বিশ্বনবী (সা.) কখনো ভোলেননি।

সর্বশেষে তিনি বলেন, ‘অমুসলিম মানেই শত্রু নয়। আমাদের মূল শক্তি হলো ভালোবাসা। এই ভালোবাসা দিয়েই আমরা পৃথিবী জয় করতে চাই।’

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

বেগম বেগম
পুঁজিবাজার3 hours ago

বেগম বদরুন্নেসা কলেজে বিআইসিএমের বিনিয়োগ শিক্ষা প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনভেস্টমেন্ট ইন ক্যাপিটাল মার্কেট’ শীর্ষক বিনিয়োগ শিক্ষা প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব...

বেগম বেগম
পুঁজিবাজার4 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৩১ কোটি টাকার

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩১টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৩১ কোটি...

বেগম বেগম
পুঁজিবাজার4 hours ago

দরপতনের শীর্ষে ফারইস্ট ফাইন্যান্স

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড...

বেগম বেগম
পুঁজিবাজার4 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে মুন্নু সিরামিক

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯১টি কোম্পানির মধ্যে ১০৮টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

বেগম বেগম
পুঁজিবাজার4 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে মুন্নু সিরামিক

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ...

বেগম বেগম
পুঁজিবাজার5 hours ago

সূচকের পতনে লেনদেন ছাড়ালো ৭৬৭ কোটি টাকা

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের পতনে লেনদেন শেষে হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ...

বেগম বেগম
পুঁজিবাজার6 hours ago

স্টক লভ্যাংশ ঘোষণায় বিএসইসির অনুমোদন লাগবে না উত্তরা ব্যাংকের

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি উত্তরা ব্যাংক পিএলসির স্টক লভ্যাংশ ঘোষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পূর্বানুমতি নেওয়ার...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  
বেগম
আন্তর্জাতিক7 minutes ago

পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু

বেগম
জাতীয়13 minutes ago

বাসের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কার্যকর হচ্ছে নতুন হার

বেগম
অর্থনীতি20 minutes ago

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে সম্পর্ক আরও উচ্চতায় নিতে চায় বাংলাদেশ: তিতুমীর

বেগম
আন্তর্জাতিক34 minutes ago

হরমুজ প্রণালীতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত, ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানালেন শাহবাজ

বেগম
অন্যান্য46 minutes ago

১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনী সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

বেগম
আন্তর্জাতিক52 minutes ago

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ অবৈধ

বেগম
জাতীয়1 hour ago

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় দক্ষ জনবল তৈরি অপরিহার্য

বেগম
অর্থনীতি1 hour ago

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

বেগম
জাতীয়2 hours ago

সাংবাদিকতায় নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা

বেগম
জাতীয়2 hours ago

সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ইতালির সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ পুলিশ

বেগম
আন্তর্জাতিক7 minutes ago

পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু

বেগম
জাতীয়13 minutes ago

বাসের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কার্যকর হচ্ছে নতুন হার

বেগম
অর্থনীতি20 minutes ago

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে সম্পর্ক আরও উচ্চতায় নিতে চায় বাংলাদেশ: তিতুমীর

বেগম
আন্তর্জাতিক34 minutes ago

হরমুজ প্রণালীতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত, ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানালেন শাহবাজ

বেগম
অন্যান্য46 minutes ago

১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনী সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

বেগম
আন্তর্জাতিক52 minutes ago

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ অবৈধ

বেগম
জাতীয়1 hour ago

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় দক্ষ জনবল তৈরি অপরিহার্য

বেগম
অর্থনীতি1 hour ago

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

বেগম
জাতীয়2 hours ago

সাংবাদিকতায় নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা

বেগম
জাতীয়2 hours ago

সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ইতালির সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ পুলিশ

বেগম
আন্তর্জাতিক7 minutes ago

পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু

বেগম
জাতীয়13 minutes ago

বাসের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কার্যকর হচ্ছে নতুন হার

বেগম
অর্থনীতি20 minutes ago

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে সম্পর্ক আরও উচ্চতায় নিতে চায় বাংলাদেশ: তিতুমীর

বেগম
আন্তর্জাতিক34 minutes ago

হরমুজ প্রণালীতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত, ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানালেন শাহবাজ

বেগম
অন্যান্য46 minutes ago

১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনী সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

বেগম
আন্তর্জাতিক52 minutes ago

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ অবৈধ

বেগম
জাতীয়1 hour ago

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় দক্ষ জনবল তৈরি অপরিহার্য

বেগম
অর্থনীতি1 hour ago

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

বেগম
জাতীয়2 hours ago

সাংবাদিকতায় নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা

বেগম
জাতীয়2 hours ago

সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ইতালির সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ পুলিশ