পুঁজিবাজার
সূচকের পতনে লেনদেন ছাড়ালো ৭৬৭ কোটি টাকা
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের পতনে লেনদেন শেষে হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২১৬ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। অন্যদিকে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান ৭৬৭ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (৬ মে) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ১৮ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৪৮ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ১ দশমিক ৯২ পয়েন্ট কমে ১০৫৮ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৮ দশমিক ০৭ পয়েন্ট কমে ২০০৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
আজ ডিএসইতে ৭৬৭ কোটি ৬৮ লাখ ৩২ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৮৩২ কোটি ২৯ লাখ ৩৯ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৮টি কোম্পানির, বিপরীতে ২১৬ কোম্পানির দর কমেছে। আর ৬৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে ফারইস্ট ফাইন্যান্স
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (৬ মে) ডিএসইতে সর্বোচ্চ ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শেয়ার দর ২ পয়সা বা ৮ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। এর ফলে কোম্পানিটি দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৮ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেডের শেয়ার দর ৮ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের ৭.৪২ শতাংশ, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্সের ৬.৫২ শতাংশ, হাক্কানি পাল্পের ৫.৯৭ শতাংশ, প্রাইম ফাইন্যান্সের ৫.৫৬ শতাংশ, বিডি ওয়েল্ডিংয়ের ৪.৭৯ শতাংশ, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের ৪.৫৬ শতাংশ এবং খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের ৪.৪০ শতাংশ দর কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধি শীর্ষে মুন্নু সিরামিক
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯১টি কোম্পানির মধ্যে ১০৮টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে মুন্নু সিরামিক লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (৬ মে) ডিএসইতে সর্বোচ্চ মুন্নু সিরামিক লিমিটেডের শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৯ টাকা ২ পয়সা বা ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা সিলকো ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের দর বেড়েছে ৮ দশমিক ১১ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- সিকদার ইন্স্যুরেন্সের ৭.৪৬ শতাংশ, এপেক্স স্পিনিংয়ের ৭.২৯ শতাংশ, সায়হাম টেক্সটাইলের ৬.৪৫ শতাংশ, টেকনো ড্রাগডসের ৫.৭৯ শতাংশ, মালেক স্পিনিংয়ের ৫.৭২ শতাংশ, এপক্স ট্যানারীর ৪.৭২ শতাংশ ও জেএমআই হসপিটালের ৪.৩০ শতাংশ দর বেড়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
লেনদেনের শীর্ষে মুন্নু সিরামিক
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (৬ মে) ডিএসইতে সবোর্চ্চ মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ৩৮ কোটি ৯৭ লাখ ৫২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড। কোম্পানিটির ৩২ কোটি ৭২ লাখ ৩৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ২১ কোটি ৯৬ লাখ ১৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে মালেক স্পিনিং মিলস পিএলসি।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- টেকনো ড্রাগ, জি কিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ, তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম , সিটি ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, উত্তরা ব্যাংক পিএলসি এবং মীর আক্তার হোসেন লিমিটেড।
এমএন
পুঁজিবাজার
স্টক লভ্যাংশ ঘোষণায় বিএসইসির অনুমোদন লাগবে না উত্তরা ব্যাংকের
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি উত্তরা ব্যাংক পিএলসির স্টক লভ্যাংশ ঘোষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পূর্বানুমতি নেওয়ার অনুমোদন আর লাগবে না। পরিচালনা পর্ষদে ন্যূনতম ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের শর্ত পূরণ হওয়ায় ব্যাংকটি এই সুবিধা পাচ্ছে।
বুধবার (৬ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, গত ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৮৫৬তম সভায় আসিফ রহমানকে শেয়ারহোল্ডার পরিচালক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি ব্যাংকের ২ দশমিক ৪২ শতাংশ শেয়ারের মালিক। ফলে পরিচালনা পর্ষদের সম্মিলিত শেয়ারহোল্ডিং দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৫৩১ শতাংশে।
সূত্র মতে, আসিফ রহমানের পরিচালক পদটি ২৯ জুলাই ২০২৫ থেকে ২৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য শূন্য ছিল এবং তিনি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরই পরিচালনা পর্ষদ ২০২৫ অর্থবছরের জন্য স্টক লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আসিফ রহমানের ব্যক্তিগত ২ দশমিক ৪২ শতাংশ শেয়ার এখনও সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) ব্লক মডিউলে সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়া তার অন্তর্ভুক্তির পর ২৯ এপ্রিল ব্যাংকটির মোট পরিচালনা পর্ষদের শেয়ার ধারণের পরিমাণ পুনরায় ৩০ দশমিক ৫৩১ শতাংশে পৌঁছায়।
এই প্রেক্ষাপটে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিচালনা পর্ষদের ন্যূনতম সম্মিলিত শেয়ার ধারণের শর্ত পূরণ হওয়ায় স্টক লভ্যাংশ (বোনাস শেয়ার) ঘোষণার জন্য ব্যাংকটিকে এখন আর বিএসইসির পূর্বানুমতি নিতে হবে না।
ব্যাংকটির দেওয়া তথ্যমতে, এখন থেকে ব্যাংকটি বিএসইসির পূর্বানুমতি ছাড়াই স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে এবং শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি নেওয়ার পর বিএসইসির চূড়ান্ত অনুমোদন সাপেক্ষে ঘোষিত লভ্যাংশ বিতরণ করার সুযোগ পাবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ব্যাংকটি ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পাশাপাশি ২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
সোনালী সিকিউরিটিজের সদস্যপদ বাতিল
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সোনালী সিকিউরিটিজ লিমিটেডের নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) বা পুঁজিবাজারে লেনদেনের সদস্যপদ বাতিল করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের বিধিমালা লঙ্ঘনের কারণে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট) বিধিমালা, ২০২০-এর বিধি ৩(২)(গ) লঙ্ঘন করায় প্রতিষ্ঠানটির ট্রেক (নম্বর-২৬১) বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বিধি ৭(৩) অনুযায়ী এ পদক্ষেপ নিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ।
বিনিয়োগকারীদের ডিএসইর বিশেষ নির্দেশনা
সোনালী সিকিউরিটিজের মাধ্যমে লেনদেন করা বিনিয়োগকারী ও গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় ডিএসই বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ হিসাবে থাকা নগদ অর্থ ও শেয়ারের ব্যালান্স পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে অমীমাংসিত লেনদেন থাকলে তা দ্রুত নিষ্পত্তি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডিএসই জানিয়েছে, সোনালী সিকিউরিটিজের কাছে কোনো বিনিয়োগকারী বা ব্যক্তির পাওনা বা অভিযোগ থাকলে তা ২১ মের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে।
বিনিয়োগকারীরা প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ ডিএসইর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (সিআরও) বরাবর আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া বিএসইসির কাস্টমার কমপ্লেন মডিউলের মাধ্যমেও অভিযোগ জমা দেওয়া যাবে।




