জাতীয়
মাঠপর্যায়ে দায়িত্বরত সেনা সদস্যদের ব্যারাকে ফিরবেন ৬ জুন থেকে
বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য মাঠপর্যায়ে মোতায়েন থাকা সেনাসদস্যদের ধাপে ধাপে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ৬ জুন থেকে এ প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং জুন মাসের মধ্যেই তা সম্পূর্ণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে দেশের প্রত্যন্ত জেলা থেকে সেনাসদস্যদের প্রত্যাহার করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় শহর ও বড় জেলাগুলো থেকেও তাদের ফিরিয়ে আনা হবে।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কোর কমিটির প্রথম বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা, বিজিবি প্রধানসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রায় আড়াই ঘণ্টার এই আলোচনায় সেনা প্রত্যাহারের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, চাঁদাবাজি দমন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং পুলিশের কাঠামোগত কিছু পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা হয়।
সরকারি সূত্রে জানা যায়, মাঠপর্যায়ে বর্তমানে প্রায় ১৭ হাজার সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ সময় ধরে মোতায়েন থাকায় তাদের ধীরে ধীরে নিজ নিজ ইউনিটে ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আগেই উদ্যোগ নিয়েছিল।
এ ছাড়া বৈঠকে সাম্প্রতিক সময়ের কিছু আইনি প্রক্রিয়া, সাংবাদিকদের জামিন-সংক্রান্ত বিষয়, অস্ত্র লাইসেন্স বাতিল এবং সিটি করপোরেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
মাদক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করা এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
পুলিশের পোশাক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার প্রসঙ্গও বৈঠকে উঠে আসে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমান নির্ধারিত ইউনিফর্ম অপরিবর্তিত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
জাতীয়
বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় দক্ষ জনবল তৈরি অপরিহার্য
বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা জোরদার করতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানবসম্পদ ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর সমান গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ট্রেড নেগোসিয়েশন, ট্রেড ল, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিধিবিধান এবং আধুনিক বাণিজ্য ব্যবস্থাপনায় দক্ষ জনবল তৈরি অপরিহার্য।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দফতরে বিশ্বব্যাংকের অপারেশনস ম্যানেজার গেইল মার্টিনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের চলমান সহযোগিতা, সক্ষমতা উন্নয়ন, দক্ষ জনবল গড়ে তোলা এবং বাণিজ্য খাতের আধুনিকায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ট্রেড নেগোসিয়েশন দক্ষতা উন্নয়ন, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের জন্য শক্তিশালী রিসোর্স পুল গঠন এবং ট্রেড ল ও ডব্লিউটিও বিষয়ক ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে আরও বিস্তৃত সহায়তা কামনা করেন।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, দেশে বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও সরকারি অর্থায়নে বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও প্রকল্প পরিচালকদের (পিডি) দক্ষতা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে। এ বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কর্মসূচি গ্রহণে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চান তিনি।
বৈঠকে গেইল মার্টিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ইসিফোর প্রকল্পকে সফল উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রকল্প এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কার্যক্রমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং ভ্যালু ক্রিয়েশনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যাতে দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
সাংবাদিকতায় নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা
অনলাইন ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের দ্রুত বিস্তারের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকতার পেশাগত মান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকার নতুন নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের শেষ দিনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে অনলাইনভিত্তিক গণমাধ্যম সহজেই চালু করা গেলেও সেগুলোর জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালার অভাব রয়েছে। জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড ও আচরণবিধি নির্ধারণের প্রস্তাব এসেছে। এ লক্ষ্যে তথ্য মন্ত্রণালয় একটি রেগুলেটরি কাঠামো তৈরির কাজ শুরু হয়েছে এবং তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
সরকারের স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ বলেন, বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর এবং তথ্য গোপনের সংস্কৃতি থেকে সরে আসবে। তিনি জানান, দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা তথ্য কমিশন দ্রুত পুনর্গঠন করা হবে। কমিশনকে এমনভাবে স্বাধীন করা হবে যাতে তথ্যপ্রাপ্তি সংক্রান্ত যে কোনো অভিযোগ ও সমস্যার কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়। তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তি বলে, বর্তমান সরকার তথ্য গোপন করার পথে হাঁটবে না।’
গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা জানান, ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম জোরদার করতে এরইমধ্যে একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ের তথ্য অবকাঠামোকে আধুনিক ও সমন্বিত করা হবে। এ ছাড়া বিদ্যমান তথ্যসেবা কাঠামোর দক্ষতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রশাসন, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ে দেশে একটি উন্মুক্ত ও কার্যকর তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
জাতীয়
সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ইতালির সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ পুলিশ
সাইবার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সক্ষমতা বাড়াতে ইতালির সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। এ বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির ইতালির রাষ্ট্রদূত ড. আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
বুধবার (৬ মে) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
পুলিশ সদরদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে রাষ্ট্রদূত নবনিযুক্ত আইজিপিকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে ইতালি বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার এবং অনিয়মিত অভিবাসন, মানবপাচার, চোরাচালান ও নিরাপত্তা সহায়তা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আইজিপি বৈঠকে সাইবার নিরাপত্তা খাতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ইতালির সহায়তা কামনা করেন। পাশাপাশি, দুই দেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় জোরদার ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
বিনিয়োগে ওয়ান স্টপ সার্ভিস কার্যকর করা হবে
দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ আরও সহজ ও কার্যকর করতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এ লক্ষ্যে বাস্তবভাবে বিনিয়োগে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে তৈরি পোশাক শিল্প বিষয়ক এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রধান লক্ষ্যগুলোর একটি হলো লজিস্টিক ব্যয় কমানো। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের সামনে প্রধান দুটি চ্যালেঞ্জ হলো-সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা হারানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বিদ্যমান বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা কমে যাওয়া। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
অন্যদিকে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
জাতীয়
‘পুশইন’ ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে বিজিবিকে নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি জোরদার করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শেষ দিনে বৈঠকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে ১ মাসের মধ্যে তালিকা প্রস্তুত করতে ডিসিদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া, মাদক ও অনলাইন জুয়া বন্ধে নতুন আইন করার কথা জানান মন্ত্রী।
বুধবার (৬ মে) চারদিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের শেষ দিন বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর সে দেশে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে। এর প্রভাব যাতে বাংলাদেশে না পড়ে, সে জন্য আগাম সতর্কতা হিসেবে সীমান্তে বিজিবিকে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “বিজিবিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আমরা আশা করি পুশইনের মতো কোনো ঘটনা ঘটবে না। তবুও সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শেষ দিনে দুপুরের সেশনে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের তালিকা, লাইসেন্সকৃত অবৈধ হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, জুলাই আন্দোলনের সময়ের মামলা তালিকা করতে ডিসিদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতেও স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা জানানো হয় বৈঠকে। এছাড়া, মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘সড়ক-মহাসড়ক ও রেললাইনের জাল-জালিয়াতিরোধে বডি ক্যামেরা ব্যবহার করবে পুলিশ। এবং জাল টাকা শনাক্তেও মেশিন দেয়া হবে। ৭ দিন আগে থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ফেরিঘাটে বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে বাস ফেরিতে উঠতে হবে; এ বিষয়ে নজরদারি করা হবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। অনলাইন জুয়াসহ প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেসব অপরাধ হচ্ছে, সেগুলো দমনে নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে।’




