আন্তর্জাতিক
মধ্যপ্রাচ্যে আরো ১০ হাজার সেনা পাঠাতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন
মধ্যপ্রাচ্যে আরো ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। যদিও তিনি ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার কথা বলছেন।
মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরো সামরিক সহায়তা দেওয়ার জন্য পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে ১০ হাজার পর্যন্ত অতিরিক্ত স্থলসেনা মোতায়েনের কথা বিবেচনা করছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতে, এই পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এই বাহিনীতে সম্ভবত পদাতিক ও সাঁজোয়া যান অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এ বাহিনীকে ওই অঞ্চলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া প্রায় পাঁচ হাজার মেরিন এবং ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় দুই হাজার প্যারাট্রুপারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
সূত্র : আলজাজিরা
আন্তর্জাতিক
৬ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় পতনের পথে বিশ্ব তেলের বাজার
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। ছয় মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতনের দিকেই যাচ্ছে বাজার। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা এগোচ্ছে এমন খবর এবং দেশটির জ্বালানি স্থাপনায় হামলা ১০ দিনের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা এ পরিস্থিতির প্রধান কারণ।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৭.১৭ ডলারে নেমেছে, যা আগের চেয়ে ০.৮ শতাংশ কম।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ১.১ শতাংশ কমে ৯৩.৪৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
যদিও আগের দিন যুদ্ধ বাড়ার আশঙ্কায় দাম বেড়েছিল, পুরো সপ্তাহের হিসেবে তেলের দাম কমতির দিকেই রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এখন বাজার নির্ভর করছে যুদ্ধ কতদিন চলবে তার ওপর। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে দাম আবার বাড়তে পারে, আর দ্রুত শেষ হলে দাম আরও কমতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র হামলা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখলেও মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েন করেছে। অন্যদিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবকে একতরফা বলে মন্তব্য করেছে। এই সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে প্রতিদিন প্রায় ১১ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের সরবরাহ কমে গেছে, যা বাজারে চাপ তৈরি করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তেলের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত হলে আগামী মাসগুলোতে দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
সূত্র : রয়টার্স
এমএন
আন্তর্জাতিক
সংঘাতের মাঝেও ইরানের দৈনিক আয় ১৪ কোটি ডলার
চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সংঘাতের মধ্যেও থেমে নেই ইরানের বৈদেশিক মুদ্রার উপার্জন। ইরান দৈনিক গড়ে ১৪ কোটি ডলার আয় করছে, যা মূলত জ্বালানি রপ্তানি ও অন্যান্য কৌশলগত খাত থেকে আসছে।
গোয়েন্দা তথ্য ও জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষক বিভিন্ন সংস্থার বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করেছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আরব সাগর এবং পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করা হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ রুট, কারণ প্রতিদিন বিশ্বে যত তেল ও তরল গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে, সেসবের ২০ শতাংশই এই রুট ব্যবহার করে।
হরমুজ প্রণালীকে ‘জ্বালানির বৈশ্বিক দরজা’-ও বলা হয়, কারণ মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো এই পথ ব্যবহার করেই তাদের তেল রপ্তানি করে। হরমুজ না থাকলে মধ্যপ্রাচ্যের তেল অতি সহজে পশ্চিমা বিশ্বে সরবরাহ করা যেতো না।
হরমুজে অবরোধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানিকারী দেশগুলোকে তাদের পণ্য পাঠানোর জন্য বিকল্প পথ খুঁজতে হচ্ছে, বেশিরভাগ দেশ তেলের দৈনিক উত্তোলন অনেকাংশে হ্রাসও করেছে।
আর এই সংকটের পুরো সদ্ব্যবহার করছে ইরান। হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধে বহির্বিশ্বে যাচ্ছে ইরানের ফ্ল্যাগশিপ জ্বালানি তেল ইরানিয়ান লাইট। গোয়েন্দা সূত্র ও আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য অনুসারে, ইরান থেকে প্রতিদিন গড়ে ১০ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল তেল বহির্বিশ্বে যাচ্ছে। ইরানের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রথমে এই তেল খার্গ দ্বীপের টার্মিনালে নিয়ে যাওয়া হয়, তারপর সেখান থেকে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য সাগর দিয়ে বহির্বিশ্বে যায় ইরানি তেল।
বাজার পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য অনুসারে, যুদ্ধের কারণে ইরানের তেল উত্তোলন বাধাগ্রস্ত হয়নি। বর্তমানে প্রতিদিন দেশটি যে পরিমাণ তেল উত্তোলন করছে, যুদ্ধের আগেও গড়ে প্রায় একই পরিমাণ তেল উত্তোলন করত দেশটি।
বরং যুদ্ধের কারণে তেল থেকে ইরানের আয় বেড়েছে। তেলের যোগান অনিয়মিত হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বাজার পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য থেকে জানা গেছে, এখন যে পরিমাণ তেল বিক্রি করে প্রতিদিন ১৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার উপার্জন করছে ইরান, গত ফেব্রুয়ারি মাসে একই পরিমাণ তেল বিক্রি করে দেশটি দৈনিক আয় করত ১১ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
নিজেদের তেলখাত থেকে আয়ের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী থেকেও আয় করছে ইরান। গত কিছুদিন ধরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেসব জাহাজ চলাচল করছে, তাদের কাছ থেকে টোল আদায় করা হচ্ছে। এই টোল থেকে প্রতিদিন দেশটির উপার্জন হচ্ছে ২০ লাখ ডলার।
আন্তর্জাতিক থিঙ্কট্যাংক সংস্থা গ্লোবাল এনার্জি পলিসির জ্যেষ্ঠ গবেষক ও কর্মকর্তা রিচার্ড নেফিউ রয়টার্সকে এ প্রসঙ্গে বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ইরানের তেল খাত দখল করা, কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন কার্যত ইরানের সামনে মুনাফার নতুন সুযোগ নিয়ে হাজির হয়েছে।”
সূত্র : ব্লুমবার্গ, এনডিটিভি
এমএন
আন্তর্জাতিক
ট্রাম্পের যে ঘোষণায় হঠাৎ কমলো তেলের দাম
ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার হঠাৎ এ ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। খবর আল জাজিরার।
গতকাল বৃহস্পতিবার তেলের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) দাম কিছুটা কমলেও তা আগের দিনের সেই বড় উল্লম্ফনকে পুরোপুরি কমিয়ে আনতে পারেনি। ইরান যুদ্ধ ধারণার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে; এমন ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যেই আজ তেলের বাজারে এ পরিস্থিতি দেখা গেছে।
শুক্রবার রাত আড়াইটায় দেখা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বিক্রি হচ্ছে ৯৩ দশমিক ০৭ ডলারে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ১০৬ দশমিক ১২ ডলারে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। আর এ সময়ে ডব্লিউটিআই তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ।
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানালেন ব্রিটেনের রাজা চার্লস
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক বার্তায় রাজা চার্লস আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি শুভ কামনা জানান।
বার্তায় তিনি বলেন, আমাদের কমনওয়েলথের অভিন্ন মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের কথা আমি গভীরভাবে স্মরণ করছি। রাজা চার্লস যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও উল্লেখ করেন, যা ব্রিটিশ সমাজকে সমৃদ্ধ করছে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে জোরদার করছে। বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার এ সময়ে, ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে কমনওয়েলথ কাঠামোর মধ্যে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে যৌথ প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন রাজা তৃতীয় চার্লস। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু কার্যক্রমে সহযোগিতা আমাদের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের দৃঢ় নেতৃত্বকে আমি অত্যন্ত মূল্যায়ন করি। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অব্যাহত অগ্রগতি কামনা করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ৫৫ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনে দেশকে পাকিস্তানি হানাদারের কবল থেকে মুক্ত করার ডাক এসেছিল। এদিন আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল বাঙালির সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের। ২৬শে মার্চ বাঙালি জাতির ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রচনার সূচনার দিন। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনে জাতীয় পর্যায়ে নেয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি।
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা পাবে : ইরান
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেও হরমুজ প্রণালি নিয়ে স্বস্তির খবর এসেছে বাংলাদেশের জন্য। ইরান জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশের জাহাজকে নিরাপদে চলাচলের সুযোগ দেয়া হবে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে। খবর এনডিটিভির।
মূলত হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। তবে পুরো প্রণালি বন্ধ না করে বাছাই করা কিছু দেশকে চলাচলের সুযোগ দিচ্ছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। অনেক জাহাজ মালিক বা দেশ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে যাতে তারা নিরাপদে প্রণালি পার হতে পারে। যেসব দেশকে আমরা বন্ধু মনে করি বা বিশেষ কারণে অনুমতি দিই, তাদের জন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করছে।
তিনি আরও বলেন, সংবাদে দেখেছেন চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারত। কয়েক দিন আগে ভারতের দুটি জাহাজ পার হয়েছে। আরও কিছু দেশ, এমনকি বাংলাদেশও যারা আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করেছে। ভবিষ্যতেও, যুদ্ধের পরেও এটি অব্যাহত থাকবে।
তবে আরাগচি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যেসব দেশকে ইরান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে বা চলমান সংঘাতে জড়িত বলে মনে করে তাদের জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যেতে পারবে না। তিনি বলেন, আমরা এখন যুদ্ধের মধ্যে আছি। পুরো অঞ্চলই যুদ্ধক্ষেত্র। আমাদের শত্রু ও তাদের মিত্রদের জাহাজ চলাচলের কোনও কারণ নেই। তবে অন্যদের জন্য এটি খোলা থাকবে।
উল্লেখ্য, ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। ফলে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ কার্যত আটকে গেছে। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিচ্ছে এবং বিমান সংস্থা থেকে সুপারমার্কেট সব খাতেই ব্যয় বেড়ে যাওয়া, চাহিদা কমে যাওয়া এবং সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হওয়ার মতো সমস্যার মুখে পড়ছে।



