আন্তর্জাতিক
সবার আগে একটি দেশের ঈদের তারিখ ঘোষণা
অস্ট্রেলিয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির শীর্ষ ইসলামি সংগঠন অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ায় ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। দিনটি হবে ১৪৪৭ হিজরি সালের ১ শাওয়াল।
এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এবং চাঁদ দেখার দায়িত্বে থাকা বিশেষায়িত বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে শুধু অস্ট্রেলিয়ার পর্যবেক্ষণই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের তথ্য বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর চাঁদ দেখার সম্ভাবনাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় আগামী বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পবিত্র রমজান মাসের শেষ দিন হবে। এর পরদিনই অস্ট্রেলিয়ার মুসলিমরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল আরো জানায়, রমজান মাসের শুরু ও শেষ নির্ধারণ, শাওয়াল মাসের সূচনা এবং ঈদুল ফিতরের দিন ঠিক করতে অস্ট্রেলিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি ও অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল নির্দিষ্ট কিছু বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড অনুসরণ করে।
এর মধ্যে রয়েছে সূর্যাস্তের আগে নতুন চাঁদের আবির্ভাব, সূর্যাস্তের পর আকাশে চাঁদ কতক্ষণ দৃশ্যমান থাকতে পারে এবং অস্ট্রেলিয়া ও আশপাশের অঞ্চলে চাঁদ দেখা সম্ভব কিনা এসব বিষয়।
কাউন্সিলের মতে, এই পদ্ধতি কেবল অস্ট্রেলিয়াতেই নয়, বিশ্বের অনেক স্বনামধন্য বৈজ্ঞানিক ও ইসলামি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং ফিকহভিত্তিক সংগঠনও অনুসরণ করে থাকে। এর মাধ্যমে চাঁদ দেখার বিষয়ে একটি সুসংগঠিত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।
সূত্র : খালিজ টাইমস
আন্তর্জাতিক
ওপেক ও ওপেক প্লাস ছাড়ল আরব আমিরাত, টালমাটাল বিশ্ব তেলের বাজার
বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে নিজেদের সদস্যপদ প্রত্যাহারের করে নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, সিদ্ধান্তটি ১ মে ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
মঙ্গলবার দেশটির পক্ষ থেকে এই ঐতিহাসিক ও প্রভাবশালী সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আমিরাতের এই পদক্ষেপ জোটের অলিখিত প্রধান সৌদি আরবের জন্য একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমন এক সময়ে আমিরাত এই সিদ্ধান্ত নিল যখন ইরান সংকটের কারণে বিশ্ব তেলের বাজার এবং অর্থনীতি চরম অস্থিতিশীলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ভূ-রাজনীতিতে নানা মতভেদ থাকলেও এতকাল ওপেকের সদস্য দেশগুলো তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐক্য বজায় রেখে আসছিল। আমিরাতের এই বিদায়ে জোটটি দুর্বল হয়ে পড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আমিরাতের এই সিদ্ধান্তকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছেন যে, ওপেকভুক্ত দেশগুলো কৃত্রিমভাবে তেলের দাম বাড়িয়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে সংকট তৈরি করছে। তিনি বারবার দাবি করে আসছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যখন উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর নিরাপত্তার জন্য লড়ছে, তখন তারা উচ্চমূল্যে তেল বিক্রি করে সুবিধা নিচ্ছে।
জোট ত্যাগের পেছনে আরব দেশগুলোর মধ্যেকার অভ্যন্তরীণ ফাটল বড় ভূমিকা পালন করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমিরাতের অভিযোগ, ইরান সংকটের সময় তাদের ওপর হামলা হলেও প্রতিবেশী আরব দেশগুলো আশানুরূপ সহায়তা করেনি।
সোমবার এক সম্মেলনে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাস আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রকাশ্য সমালোচনা করে বলেন, রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে আরব দেশগুলোর বর্তমান অবস্থান ইতিহাসের সবচেয়ে নিম্নস্তরে রয়েছে। গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল বা জিসিসি ভুক্ত দেশগুলোর এমন দুর্বল ও নিস্পৃহ আচরণে আমিরাত চরমভাবে হতাশ।
তেল উৎপাদন ও সরবরাহ নিয়ে ওপেক প্লাসের কঠোর নীতি থেকে বেরিয়ে আমিরাত এখন স্বাধীনভাবে তেল উত্তোলনের সুযোগ পাবে। তবে এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্য এবং বৈশ্বিক তেলের রাজনীতির সমীকরণ পুরোপুরি বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক
ফের বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্ববাজারে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা অচলাবস্থায় থাকায় এই ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়ায় অপরিশোধিত তেলের বাজারে দাম বাড়ার ধারা অব্যাহত রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) গ্রিনিচ মান সময় ১২টা ৫১ মিনিটে অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় ৬টা ৫১ মিনিটে জুন মাসে সরবরাহযোগ্য ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৪৫ সেন্ট (০.৪ শতাংশ) বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৮.৬৮ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে এর দাম ২.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল, যা টানা সপ্তম দিনের মতো ঊর্ধ্বগতির রেকর্ড।
অন্যদিকে, জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৫৮ সেন্ট (০.৬ শতাংশ) বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৬.৯৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগের ট্রেডিং সেশনে এটি ২.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
এদিকে হোয়াইট হাউস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা তারা গণমাধ্যমের মাধ্যমে চালিয়ে যেতে আগ্রহী নয়।
সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের সহকারী প্রেস সেক্রেটারি অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, এগুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর কূটনৈতিক বিষয়, তাই যুক্তরাষ্ট্র সংবাদমাধ্যমের মধ্য দিয়ে কোনো দরকষাকষি করবে না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার—যুক্তরাষ্ট্র এই আলোচনার নাটাই নিজের হাতে রেখেছে। আমেরিকান জনগণের স্বার্থকে সবার আগে রেখে এবং ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করেই কেবল কোনো চুক্তিতে পৌঁছাবে ওয়াশিংটন। সূত্র: আল জাজিরা।
আন্তর্জাতিক
ইন্দোনেশিয়ায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৪
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার উপকণ্ঠে দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন যাত্রী, যাদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকালে জাকার্তার নিকটবর্তী বেকাসি তিমুর স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি-সহ বিভিন্ন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, একটি কমিউটার ট্রেন আগে থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় একই লাইনে প্রবেশ করা একটি দূরপাল্লার ট্রেন পেছন থেকে এসে সেটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে দুটি ট্রেনই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটকে পড়া যাত্রীদের বের করে আনতে তৎপরতা শুরু করেন। আহতদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে শুরুতে হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
পরে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রেল পরিচালনাকারী সংস্থা কেএআই-এর মুখপাত্র অ্যান পুরবা জানান, এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আহত অন্তত ৩৮ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে ইন্দোনেশিয়ার প্রতিনিধি পরিষদ-এর ডেপুটি স্পিকার সুফমি দাসকো আহমাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তিনি দুর্ঘটনার কারণ দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ঘটনাটি রাজধানী জাকার্তা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে ঘটেছে বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
আন্তর্জাতিক
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহত ১৪
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় দুই শিশু ও দুই নারীসহ মোট ১৪ জন নিহত এবং ৩৭ জন আহত হয়েছেন। দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় এই হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।
এর আগে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) এক মুখপাত্র দক্ষিণ লেবাননের একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের দ্রুত এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, সেখানে অবস্থান করলে প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। এ তথ্য বিবিসি জানিয়েছে।
পরে আইডিএফ দাবি করে, তারা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর যোদ্ধা ও বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে কামান ও বিমান হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে তারা জানায়, হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ১৯ বছর বয়সী এক ইসরায়েলি সৈন্য নিহত হয়েছেন এবং আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।
আইডিএফ আরও দাবি করে, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে তিনটি ড্রোন পাঠিয়েছিল, যেগুলো সীমান্ত অতিক্রম করার আগেই ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রতিহত করে।
গত ১৬ এপ্রিল ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা পরে আরও তিন সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ইসরায়েল আত্মরক্ষার প্রয়োজনে যেকোনো সময় ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, লেবাননে ইসরায়েলি সেনারা সক্রিয়ভাবে অভিযান চালাচ্ছে এবং শক্তি প্রয়োগ করছে। তাঁর দাবি, হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ড যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও লেবাননের সঙ্গে হওয়া নিয়ম অনুযায়ী তারা কাজ করছে, যার মধ্যে রয়েছে তাৎক্ষণিক হুমকি প্রতিহত করা এবং উদীয়মান হুমকি নিষ্ক্রিয় করা।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা ও চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে। এর আগে শনিবার নেতানিয়াহু হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের হামলার নির্দেশ দেন, যার পর দক্ষিণ লেবাননে হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হন।
আন্তর্জাতিক
৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান
জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ হোক্কাইডোতে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। আজ সোমবার জাপানের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে (বাংলাদশে সময় রাত রোববার রাত ৩টা ২৩ মিনিট) এই ভূমিকম্প ঘটেছে বলে জানিয়েছে জাপানের আবহাওয়া দপ্তর এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)।
জাপানের আবহাওয়া দপ্তর (জেএমএ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার ছিল হোক্কাইডো দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলী শহর সাপ্পোরো-এর ২০০ কিলোমিটার পূর্বে, ভূপৃষ্ঠের ৮৩ কিলোমিটার গভীরে।
জেএমএ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহত, আহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, সুনামির আশঙ্কাও নেই; তবে শক্তিশঅলী ঝাঁকুনির কারণে হোক্কাইডোর পাহাড়গুলো থেকে বড় পাথরের পতন ও ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে ভূমিকম্প। ৬ দশমিক ২ মাত্রার এই ভূমিকম্পের এক ঘণ্টা আগে হোক্কাইডোর দক্ষিণাঞ্চলে ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়ে গেছে বলেও জানিয়েছে জেএমএ।
জেএমএর বিবৃতি বলা হয়েছে, এই ভূমিকম্পে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই। তবে সামনের সপ্তাহে এমন শক্তিশালী ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
গত সপ্তাহের সোমবার হোক্কাইডোর আইওয়াত জেলায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। এপিসেন্টার থেকে শত শত মাইল দূরে রাজধানী টোকিওতেও অনুভূত হয়েছিল সেই ভূমিকম্পের শক্তিশালী কম্পন।
গত সপ্তাহের ভূমিকম্পে ৬ জন আহত হয়েছিলেন।
ভৌগলিক ভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের ‘আগ্নেয় মেখলা’ অঞ্চলের ওপর অবস্থানের কারণে জাপানে ভূমিকম্প একটি নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ১২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অধ্যুষিত এই দেশটিতে প্রতি বছর গড়ে ১ হাজার ৫০০টি ভূমিকম্প হয়। শতকরা হিসেবে বলা যায়, প্রতিবছর বিশ্বে যত ভূমিকম্প হয়, তার ১৮ শতাংশই ঘটে জাপানে।
সূত্র : এএফপি, এনডিটিভি অনলাইন



