আন্তর্জাতিক
ট্রাম্পের যে ঘোষণায় হঠাৎ কমলো তেলের দাম
ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার হঠাৎ এ ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। খবর আল জাজিরার।
গতকাল বৃহস্পতিবার তেলের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) দাম কিছুটা কমলেও তা আগের দিনের সেই বড় উল্লম্ফনকে পুরোপুরি কমিয়ে আনতে পারেনি। ইরান যুদ্ধ ধারণার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে; এমন ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যেই আজ তেলের বাজারে এ পরিস্থিতি দেখা গেছে।
শুক্রবার রাত আড়াইটায় দেখা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বিক্রি হচ্ছে ৯৩ দশমিক ০৭ ডলারে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ১০৬ দশমিক ১২ ডলারে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। আর এ সময়ে ডব্লিউটিআই তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ।
আন্তর্জাতিক
মধ্যপ্রাচ্যে আরো ১০ হাজার সেনা পাঠাতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন
মধ্যপ্রাচ্যে আরো ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। যদিও তিনি ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার কথা বলছেন।
মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরো সামরিক সহায়তা দেওয়ার জন্য পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে ১০ হাজার পর্যন্ত অতিরিক্ত স্থলসেনা মোতায়েনের কথা বিবেচনা করছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতে, এই পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এই বাহিনীতে সম্ভবত পদাতিক ও সাঁজোয়া যান অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এ বাহিনীকে ওই অঞ্চলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া প্রায় পাঁচ হাজার মেরিন এবং ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় দুই হাজার প্যারাট্রুপারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
সূত্র : আলজাজিরা
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানালেন ব্রিটেনের রাজা চার্লস
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক বার্তায় রাজা চার্লস আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি শুভ কামনা জানান।
বার্তায় তিনি বলেন, আমাদের কমনওয়েলথের অভিন্ন মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের কথা আমি গভীরভাবে স্মরণ করছি। রাজা চার্লস যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও উল্লেখ করেন, যা ব্রিটিশ সমাজকে সমৃদ্ধ করছে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে জোরদার করছে। বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার এ সময়ে, ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে কমনওয়েলথ কাঠামোর মধ্যে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে যৌথ প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন রাজা তৃতীয় চার্লস। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু কার্যক্রমে সহযোগিতা আমাদের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের দৃঢ় নেতৃত্বকে আমি অত্যন্ত মূল্যায়ন করি। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অব্যাহত অগ্রগতি কামনা করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ৫৫ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনে দেশকে পাকিস্তানি হানাদারের কবল থেকে মুক্ত করার ডাক এসেছিল। এদিন আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল বাঙালির সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের। ২৬শে মার্চ বাঙালি জাতির ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রচনার সূচনার দিন। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনে জাতীয় পর্যায়ে নেয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি।
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা পাবে : ইরান
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেও হরমুজ প্রণালি নিয়ে স্বস্তির খবর এসেছে বাংলাদেশের জন্য। ইরান জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশের জাহাজকে নিরাপদে চলাচলের সুযোগ দেয়া হবে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে। খবর এনডিটিভির।
মূলত হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। তবে পুরো প্রণালি বন্ধ না করে বাছাই করা কিছু দেশকে চলাচলের সুযোগ দিচ্ছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। অনেক জাহাজ মালিক বা দেশ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে যাতে তারা নিরাপদে প্রণালি পার হতে পারে। যেসব দেশকে আমরা বন্ধু মনে করি বা বিশেষ কারণে অনুমতি দিই, তাদের জন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করছে।
তিনি আরও বলেন, সংবাদে দেখেছেন চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারত। কয়েক দিন আগে ভারতের দুটি জাহাজ পার হয়েছে। আরও কিছু দেশ, এমনকি বাংলাদেশও যারা আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করেছে। ভবিষ্যতেও, যুদ্ধের পরেও এটি অব্যাহত থাকবে।
তবে আরাগচি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যেসব দেশকে ইরান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে বা চলমান সংঘাতে জড়িত বলে মনে করে তাদের জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যেতে পারবে না। তিনি বলেন, আমরা এখন যুদ্ধের মধ্যে আছি। পুরো অঞ্চলই যুদ্ধক্ষেত্র। আমাদের শত্রু ও তাদের মিত্রদের জাহাজ চলাচলের কোনও কারণ নেই। তবে অন্যদের জন্য এটি খোলা থাকবে।
উল্লেখ্য, ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। ফলে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ কার্যত আটকে গেছে। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিচ্ছে এবং বিমান সংস্থা থেকে সুপারমার্কেট সব খাতেই ব্যয় বেড়ে যাওয়া, চাহিদা কমে যাওয়া এবং সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হওয়ার মতো সমস্যার মুখে পড়ছে।
আন্তর্জাতিক
ইসরায়েলের পরমাণু স্থাপনায় হামলার দাবি ইরানের
ইসরায়েলের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযানের ৮২তম ধাপ শুরু করা করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোরে শুরু হওয়া এই হামলায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরায়েলের সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। পাশাপাশি ডেড সির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত ইসরায়েলের পারমাণবিক সংশ্লিষ্ট শিল্প স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে চলমান সংঘাত নিয়ে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান চুক্তি করতে মরিয়া। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তারা শুধুমাত্র মার্কিন প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে, কিন্তু কোনো সরাসরি আলোচনায় বসার পরিকল্পনা নেই।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরান জানিয়েছে, সরাসরি আলোচনা না হলেও বিভিন্ন ‘মধ্যস্থতাকারী দেশের’ মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে। আরাগচি বলেন, বন্ধু দেশগুলোর মাধ্যমে বার্তা দেওয়া ও অবস্থান জানানোকে আলোচনা বলা যায় না।
অন্যদিকে ওয়াশিংটনে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইরানের নেতারা গোপনে আলোচনা করছে এবং তারা চুক্তি করতে চায়। কিন্তু নিজেদের জনগণ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের ভয়ে তা প্রকাশ করছে না।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা শুরু হয়। এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে দেশটিতে হামলা চালায়। এরপর থেকে ইরান ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সংঘাতের প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এ ঘটনার পর তার স্থলাভিষিক্ত হন তার ছেলে মোজতবা খামেনি।
এদিকে একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের শীর্ষ নেতাদের ওপর হামলা না চালাতে অনুরোধ করেছে। আলোচনার সুযোগ বজায় রাখতে এ অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া ইসলামাবাদে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়টিও এখনো বিবেচনায় রয়েছে।
আন্তর্জাতিক
হরমুজের দায়িত্বে থাকা ইরানি নৌ-কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
হরমুজ প্রণালিতে ইরানি অবরোধ কার্যকর রাখার দায়িত্বে থাকা নৌ-কমান্ডার আলিরেজা তাঙসিরি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। বিভিন্ন ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে এ তথ্য।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার ইরানের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূলীয় শহর বন্দর আব্বাসে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন তিনি।
ইরানের সরকার, প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) থেকে এখনও এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি। তবে এই সংবাদ যদি সঠিক হয়, তাহলে এটি হবে ইরানে ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্তের সর্বশেষ উচ্চপদস্থ কোনো কর্মকর্তার নিহতের ঘটনা।
কমান্ডার তাঙসিরি হলেন ইরানের সেইসব মুষ্টিমেয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন, যাকে এর আগেও একাধিকবার হত্যার চেষ্টা করেছে ইসরায়েল এবং ভাগ্যজোরে প্রতিবারই বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে নৌবাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কমান্ডারের পদে উন্নীত হন তাঙসিরি এবং তার প্রধান দায়িত্ব ছিল হরমুজ প্রণালির দেখভাল করা।
জ্বালানি পণ্য পরিবহনের জন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হিসেবে হরমুজ প্রণালি খুবই গুরুত্বপূর্ন। জ্বালানির বৈশ্বিক বাজারের এক পঞ্চমাংশ পণ্য এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করেছে ইরান। এই প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং এ দুই রাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর বাণিজ্য জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা করা হচ্ছে। ব্রিটেনের সামুদ্রিক জাহাজ চলাচল নিরাপত্তা সংস্থার তথ্য অনুসারে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে এ পর্যন্ত হরমুজে কমপক্ষে ১২টি বিদেশি বাণিজ্য জাহাজ ইরানি হামলার শিকার হয়েছে।
হামলার আশঙ্কার কারণে অনেক জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে চাইছে না; ফলে জ্বালানির আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য সরবরাহ ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও তরল গ্যাসের দাম বাড়ছে এবং বিশ্বের বহু দেশ ইতোমধ্যে ভোগান্তিতে পড়েছে।
সূত্র : এনডিটিভি, টাইমস অব ইসরায়েল



