বিনোদন
লাইসেন্স ছাড়াই চলছে স্টার সিনেপ্লেক্স
রাজধানীর পান্থপথের বসুন্ধরা শপিং মলে অবস্থিত দেশের জনপ্রিয় মাল্টিপ্লেক্স ‘স্টার সিনেপ্লেক্স’ দীর্ঘ ২০ বছর ধরে কোনো বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করলেও এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের কোনো লাইসেন্স নেয়নি প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক অভিযানে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি এনওসি (অনাপত্তি পত্র) দিয়ে তাদের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। ভ্রাম্যমাণ আদালত বলেন, ‘আজকের অভিযানটা দিলেন প্রত্যেকেই দেখলেন আসলে উনাদের যে জিনিসটা হচ্ছে উনারা একটা প্রেক্ষাগৃহ চালাচ্ছে কিন্তু এটাকে আপনার যদি আপনি কোন প্রেক্ষাগৃহ চালান সেক্ষেত্রে আপনাকে লাইসেন্স নিতে হয় জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে বা ডেপুটি কমিশনারের কাছ থেকে।’
‘কিন্তু উনাদের এনওসি নেওয়া আছে তাও ২০০৪ সালে কিন্তু উনারা কোন লাইসেন্স দেন নাই। এক দিক থেকে চিন্তা করলে উনারা একটা লাইসেন্স গৃহীন একটা ব্যবসা চালাচ্ছেন। আর উনাদের মাদার যে কোম্পানি সেটা হচ্ছে শোমোশন লিমিটেড। কিন্তু উনারা যে স্টার সিনিপ্লেক্স চালাচ্ছেন এটার কোন জায়গাতে মেনশন নাই যে সোমোশন লিমিটেড।’
লাইসেন্স জটিলতার পাশাপাশি গ্রাহকদের টিকিট কেনা নিয়ে ভোগান্তির বিষয়টিও আদালতের নজরে আসে। অনলাইনে টিকিট কাটতে গিয়ে অনেকের টাকা কেটে নিলেও টিকিট প্রিন্ট হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালত জানান, ‘আরেকটা সমস্যা হচ্ছে কি যে আপনারা জেনে থাকবেন কি যে অনেক মানুষ টিকিট কাটতেছে কিন্তু উনাদের এসে এখানে টিকিট প্রিন্ট দিতে পারতেছে না এবং তাদের টাকা একাউন্ট থেকে কেটে নিচ্ছে। সেক্ষেত্রে উনাদের সাথে আমরা কথা বলেছি। উনাদের জানিয়েছে কি যে সাত কর্মদিবসের ভিতরে এই টাকা আবার রিফান্ড হবে।’
সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি তাদের কারিগরি বা সফটওয়্যারজনিত সমস্যা। আদালত এ বিষয়ে আরও বলেন, ‘এটা তাদের সফটওয়ারের একটা সমস্যা। এটা আমরা যখন অন্যান্য জায়গাতেও পোস্ট দিয়ে কোন কিছু পারচেস করতে যাই তখন টাকা কেটে নেয় কিন্তু পেমেন্ট হয় না। এই জিনিসটা হয়। উনারা এটা ইনসিওর করছে কিন্তু সাত কর্মদিবসের ভিতরে যারা এই প্রবলেম ফেস করতেছেন তারা তাদের টাকা রিফান্ড হয়ে যাবে এবং উনাদের আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে কি যে ভোক্তাদের যে এই যে একটা সমস্যা যারা অনেক দূর থেকে আসতেছেন কিন্তু মুভি দেখতে পারতেছেন না।’
‘এ ব্যাপারে আমরা উনাদের সতর্ক করছি কি যে উনারা যত দ্রুত সম্ভব এই যে উনাদের যে সফটওয়ারের যে সমস্যা এটা যেন সলিউশনের দিকে নিয়ে যায় ধন্যবাদ সবাইকে না আমরা আর্থিক জরিমানা আজকে করি নাই আমরা অভিযানে আসছিলাম আমরা ওনাদের সাথে কথা বলছি এবং উনাদের যে সিচুয়েশন সে অনুযায়ী উনাদের একটা সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, দীর্ঘ সময় ধরে সরকারের যথাযথ লাইসেন্স ছাড়া ও ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করায় স্টার সিনেপ্লেক্সের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার পাশাপাশি বড় অঙ্কের জরিমানার ইঙ্গিত দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিনোদন
আমি কোরআনের ভুল ধরতে গিয়ে এর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছি: গাজী রাকায়েত
অভিনয়, নির্মাণ আর লেখনী— তিন অঙ্গনেই নিজের স্বাক্ষর রেখে যিনি হয়ে উঠেছেন অনন্য, তিনি গাজী রাকায়েত। স্বল্পদৈর্ঘ্য থেকে পূর্ণদৈর্ঘ্য, অল্প কাজেই যার ঝুলিতে উঠেছে ২৮টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, তার সাফল্যের গল্প যেন রূপকথাকেও হার মানায়। কিন্তু এই উজ্জ্বল সাফল্যের আড়ালে ছিল এক ভিন্ন বাস্তবতা, বিশ্বাসের ভাঙাগড়া, প্রশ্ন আর দ্বন্দ্বে ভরা এক অন্তর্দহন।
এক সময় নিজের ধর্ম নিয়েই সংশয়ে পড়ে যাওয়া, এমনকি ধর্মবিরাগী হয়ে ওঠা এই মানুষটিই আজ সম্পূর্ণ বদলে গেছেন। সংশয়ের অন্ধকার পেরিয়ে নতুন এক বিশ্বাসের আলোয় দাঁড়ানো গাজী রাকায়েতের এই রূপান্তর এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে ধর্ম বিশ্বাসের উপর কথা বলেছেন এই অভিনেতা। তিনি শোনান কীভাবে নিজের ধর্ম বিশ্বাসকে ফিরে পেয়েছেন তিনি। গাজী রাকায়েতের ভাষায়, আমি কোরআনের সায়েন্টিফিক ‘ভুল’ ধরতে গিয়ে এর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছি।
তিনি বলেন, ‘আমি টিচার হতে চেয়েছিলাম। বুয়েটে আমার অনার্স-মাস্টার্সে ভালো মার্কস ছিল। কিন্তু আমি ছিটকে পড়ে যাই।
গাজী রাকায়েত বলেন, ‘আমার একটি ক্ষোভ জন্মে সৃষ্টিকর্তার ওপর, ধর্মের ওপর। সেই ক্ষোভ থেকে আমি জায়নামাজ ফেলে দিই। এটা হয়েছিল একটা মৃত্যু-যন্ত্রণা থেকে। ডেথ থটস বা চিন্তা থেকে। আমার একটা ভাগ্নে মারা গিয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহ তুমি আমাকে সৃষ্টি করছো। আমি কেন মৃত্যুর মধ্য দিয়ে যাব? আমি তোমাকে বলেছি সৃষ্টি করতে?’
সে সময়ের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, তখন আমার আইনস্টাইনের বই ‘থিওরি অব রিলেটিভিটি’ পড়া হয়েছে। স্টিফেন হকিং পড়ে আমি একজন এথিস্ট হয়ে গেলাম।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বাবা মুসলিম। আমার এনভায়রনমেন্ট মুসলিম। আমার দাদি নামাজ পড়ে, আমার নানা নামাজ পড়ে— তারপরও আমি ইসলাম পালন করি না। মুসলমান হয়ে! কী অধিকার আমার? কিন্তু আমি তো কিছুই জানি না। আমি চাইলে তো তোমাকে আল্লাহকে দেখাতে পারব না যে আল্লাহ আছেন। এই কারণে আল্লাহ নেই— এটা কীভাবে বলি? তুমি কোন জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে বলো আল্লাহ নেই? কত জ্ঞানী তুমি?’
বিশিষ্ট এই পরিচালক বলেন, তুমি যতই পণ্ডিত হও, তুমি ৯৯ পর্যন্ত যেতে পারবা, কিন্তু ১০০ হতে পারবা না। বিশ্বাস করুন, এই ‘এক’ হচ্ছে আল্লাহ। এই ‘এক’ আমাকে ১০০ দেবে। যেদিন থেকে এই ‘এক’কে আমি স্বীকার করেছি, সেদিন থেকে আল্লাহ সুবহানা ওয়াতায়ালা আমাকে সব দিয়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘মানুষের জন্য ইসলাম এসেছে, শুধু মুসলমানদের জন্য নয়। আমাদের কোরআনে যে ২৮টি আলফাবেট আছে, প্রত্যেকটির একটি রিপ্লেসিং নাম্বার আছে, যেটাকে প্রফেসি নাম্বার বলে। যদি কোরআনের মতো একটি বই আনার জন্য মানুষ ও জিন একযোগে চেষ্টা করে, তবুও তারা এর মতো বই আনতে পারবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহ বলেন— তুই কত বড় ম্যাথমেটিশিয়ান, তুই আমার ভুল ধরবি? ১৫ দিন নিজে মাতব্বরি করে নিজে বানাতে চেয়েছিলাম। ১৫তম দিনে আমি অসুস্থ হয়ে গেছি। এটা মানুষের পক্ষে করা সম্ভব না।’
আল্লাহর প্রশংসা করে গাজী রাকায়েত বলেন, ‘সূর্যের কক্ষপথ আছে কিনা, সেটা মাত্র আবিষ্কার হয়েছে হাবল টেলিস্কোপ আবিষ্কারের পর। তাহলে ১৪০০ বছর আগে কোরআনে কীভাবে বলা হয়েছে— আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি-দিন ও সূর্য-চন্দ্রকে, যা প্রত্যেকে নিজ নিজ কক্ষপথে বিচরণ করে।’
আল্লাহ একটি জায়গায় বলেছেন, ‘পৃথিবীতে বা ব্যক্তিগত জীবনে তোমাদের যে বিপদ-আপদ ঘটে, তা ঘটার আগেই লেখা থাকে। যাতে তোমরা যা হারিয়েছ তার জন্য বিমর্ষ না হও এবং যা পেয়েছ তার জন্য উল্লসিত না হও। আল্লাহ উদ্ধত অহংকারীকে ভালোবাসেন না।’
তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর এমন কোনো বই আছে, যে বই এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে নম্বর বা অক্ষরগুলো এদিক-ওদিক করার কোনো সম্ভাবনা নেই? এটা কোনো মানুষের কাজ না। আমি চ্যালেঞ্জ করছি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ম্যাথমেটিশিয়ানদের— ইউ কাম টু মি। আমি তোমাদের সঙ্গে ম্যাথমেটিক্যালি বসতে চাই। কীভাবে একটি কোরআন এত সুন্দরভাবে ম্যাথমেটিক্যালি তৈরি করা সম্ভব— আমি সেই চ্যালেঞ্জ দিলাম।’
এমএন
বিনোদন
সসাস-এর ‘সেরাদের সেরা সিজন-৬’ সম্পন্ন: তরুণ প্রতিভার উজ্জ্বল মঞ্চ
দেশের তরুণ প্রজন্মের প্রতিভা বিকাশ ও সাংস্কৃতিক ঐক্য গড়ার প্রত্যয়ে সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদ (সসাস) প্রতি বছরের মতো এবারও আয়োজন করেছে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা “সেরাদের সেরা”। এরই ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ষষ্ঠ আসর “সেরাদের সেরা সিজন-৬”।
গান, অভিনয় ও আবৃত্তি—এই তিনটি বিভাগে প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দেশের ১২ হাজারের বেশি প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছে। প্রতিযোগিতাটি থানা, উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি বিভাগ থেকে নির্বাচিত সেরা ১০ জন প্রতিযোগী নিয়ে রমজান মাস জুড়ে Channel9-এর পর্দায় সম্প্রচারিত হয়েছে বিশেষ ধারাবাহিক অনুষ্ঠান। দর্শকরা প্রতিদিন দুপুর ২:৩০ মিনিট থেকে ৩:১০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেছেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন জনপ্রিয় আরজে টুটুল এবং টেলিভিশন পর্ব পরিচালনা করেছেন আব্দুল্লাহিল কাফী।
‘সেরাদের সেরা সিজন-৬’-এর নির্বাহী পরিচালক ছিলেন এইচ এম আবু মুসা, পরিচালক জাকির হোসাইন এবং ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ইসরাইল হোসেন শান্ত। এছাড়া সহায়তায় ছিলেন আলিফ নুর, ইবনে বাশার আরাফ, হাদিউজ্জামান বুলবুল, মিনার উদ্দিন, তানভির আহমেদ শিবলী, আহমদ শরীফ, হুজ্জাতুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, মাহাদিউজ্জামান, ইব্রাহিম আলী ও আবু বকর।
প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে দুটি গ্রুপে:
- ক গ্রুপ: ১ম থেকে ৮ম শ্রেণি
- খ গ্রুপ: ৯ম শ্রেণি থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত।
অংশগ্রহণকারীরা অনলাইনে সসাসের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন। এবারের আয়োজনে বিজয়ীদের মধ্যে মোট ২০ লক্ষ টাকা পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন পেয়েছেন ১ লক্ষ টাকা, প্রথম রানারআপ ৭৫ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় রানারআপ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া বিজয়ীদের ক্রেস্ট, সনদপত্র এবং সেরা ১০ জনকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান সসাস-এর মতে, “সংস্কৃতি কোনো বিলাস নয়—সংস্কৃতি একটি জাতির আত্মার প্রতিচ্ছবি।” ‘সেরাদের সেরা’ কেবল একটি প্রতিযোগিতাই নয়; বরং এটি একটি বৃহৎ সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে একত্রিত হচ্ছে প্রতিভা, নৈতিকতা ও শুদ্ধ শিল্পচর্চা। এখান থেকেই উঠে আসবে আগামী দিনের সেই মুখগুলো, যারা দেশের সংস্কৃতির মঞ্চকে আলোকিত করবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে। রমজানের পবিত্র আবহে চ্যানেল ৯-এর পর্দায় এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দর্শকদের জন্য হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণা, বিনোদন ও প্রতিভা আবিষ্কারের এক অনন্য উৎসব।
এমএন
বিনোদন
কয়েদি হ্যাকারকে কেন দরকার সরকারের? উত্তর দেবে ক্যাকটাস
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে আসছে নতুন অরিজিনাল সিরিজ ‘ক্যাকটাস’। সোমবার (৯ মার্চ) সকালে চরকির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে সিরিজটির অফিসিয়াল পোস্টার।
পোস্টার প্রকাশের পর তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই। থ্রিলার ঘরানার এই সিরিজটি নির্মাণ করেছেন জনপ্রিয় নির্মাতা শিহাব শাহীন।
প্রকাশিত পোস্টারে দেখা যায়, অভিনেতা প্রীতম হাসান ও মেহজাবীন চৌধুরীকে এক চরম অ্যাকশন মুহূর্তে। বিপদের মুখে থাকা ‘অনুরা’ চরিত্রের মেহজাবীনকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন ‘মানসিভ’ রূপী প্রীতম হাসান। পোস্টারের এই দৃশ্য থেকেই সিরিজটির গল্পে রহস্য ও উত্তেজনার আভাস পাচ্ছেন দর্শকেরা।
নির্মাতা জানিয়েছেন, ‘ক্যাকটাস’ একটি থ্রিলার ঘরানার গল্প, যার কেন্দ্রীয় চরিত্র মানসিভ। এ চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রীতম হাসান। গল্পে তাঁকে দেখা যাবে এক দক্ষ হ্যাকার হিসেবে। টিজারে দেখা গেছে, মানসিভ কারাগারে বন্দী, তবে সাইবারজগতে তাঁর অসাধারণ দক্ষতা রয়েছে। একপর্যায়ে রাষ্ট্রীয় সংকটের মুহূর্তে সরকারের সহায়তায় কারাগার থেকেই তাঁকে আবার নামতে হয় হ্যাকিংয়ের ময়দানে। তখন তাঁর মেধাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
এরই মধ্যে সিরিজটির টিজারও প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে মেহজাবীন চৌধুরীকে দেখা গেছে এক ভিন্ন রূপে—অ্যাকশনধর্মী, শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী চরিত্রে। রহস্যময় উপস্থিতি ও দৃঢ় মনোভাবের মাধ্যমে তিনি গল্পে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন বলেই মনে করছেন দর্শকেরা।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুক্তির জন্য প্রস্তুত সিরিজটি চরকির ঈদ আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চরকি অরিজিনাল সিরিজ ‘ক্যাকটাস’-এর টাইটেল স্পনসর ‘নোরিক্স-১’, পাওয়ার্ড বাই ‘মিনিসো’ এবং অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ‘সিটি ব্যাংক’।
এমএন
বিনোদন
নিখোঁজ প্রিয়জনের অপেক্ষা, আসছে ‘প্রেমাতাল’
প্রেম, অভিমান, নাটকীয়তা আর নৃশংসতার এক সংমিশ্রণ নিয়ে নির্মিত হয়েছে বিশেষ নাটক ‘প্রেমাতাল’। তবে এই গল্পটি শুধু প্রেমের নয়, বরং এক অনন্ত অপেক্ষার।
গল্পের মূল চরিত্র নিখোঁজ হওয়ার পর তার মা এবং সদ্যবিবাহিত স্ত্রী এক অনিশ্চিত সময়ের মুখোমুখি হন। প্রিয় মানুষটি বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে, সেটিও তাদের জানা নেই। এমন এক হৃদয়স্পর্শী প্রেক্ষাপটে সাজানো হয়েছে এবারের ঈদে সিএমভি’র বিশেষ এই নির্মাণ।
নাটকটির প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন তৌসিফ মাহবুব ও নাজনীন নীহা। নির্মাতা হাসিব হোসাইন রাখি পরিচালিত এই নাটকটির শুটিং সম্প্রতি শেষ হয়েছে। এর চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে ছিলেন সুমন হোসাইন।
নাটকটির গল্প নিয়ে আগাম কোনো আভাস দিতে না চাইলেও নির্মাতা রাখি জানিয়েছেন, এটি একই সাথে এক মায়ের ছেলের জন্য এবং এক স্ত্রীর স্বামীর জন্য অপেক্ষার গল্প। এই অপেক্ষার আবহে মিশে আছে অনেক গভীর আবেগ ও নাটকীয়তা।
প্রযোজক এস কে সাহেদ আলী পাপ্পু নাটকটি নিয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে জানান, বর্তমান সময়ে এমন গভীর গল্পের চিত্রনাট্য পাওয়া বেশ কঠিন। তাই ‘প্রেমাতাল’ হতে যাচ্ছে এই ঈদে তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আসন্ন ঈদে সিএমভি’র অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে নাটকটি মুক্তি পাবে।
এমএন
বিনোদন
ববিতার হাতে একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এবার এই সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন গুনী অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই পদক তুলে দেন।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর দেশের ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক’ দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি মন্ত্রিসভার সদস্য, উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, অভিনয় বিভাগে মনোনীত হয়েছেন ফরিদা আক্তার ববিতা। চারুকলায় নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার। স্থাপত্যে মনোনয়ন পেয়েছেন প্রখ্যাত স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম। সংগীতে (মরণোত্তর) সম্মাননা পাচ্ছেন কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু।
নৃত্যে স্বীকৃতি পেয়েছেন অর্থী আহমেদ এবং পালাগানে সম্মানিত হয়েছেন ইসলাম উদ্দিন পালাকার।
সাংবাদিকতায় সম্মাননা পেয়েছেন শফিক রেহমান। শিক্ষাক্ষেত্রে পেয়েছেন অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্যে স্বীকৃতি পেয়েছেন তেজস হালদার জস।
এ ছাড়া সংগীতাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ-কে ‘একুশে পদক-২০২৬’-এ ভূষিত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এমএন



