বিনোদন
লাইসেন্স ছাড়াই চলছে স্টার সিনেপ্লেক্স
রাজধানীর পান্থপথের বসুন্ধরা শপিং মলে অবস্থিত দেশের জনপ্রিয় মাল্টিপ্লেক্স ‘স্টার সিনেপ্লেক্স’ দীর্ঘ ২০ বছর ধরে কোনো বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করলেও এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের কোনো লাইসেন্স নেয়নি প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক অভিযানে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি এনওসি (অনাপত্তি পত্র) দিয়ে তাদের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। ভ্রাম্যমাণ আদালত বলেন, ‘আজকের অভিযানটা দিলেন প্রত্যেকেই দেখলেন আসলে উনাদের যে জিনিসটা হচ্ছে উনারা একটা প্রেক্ষাগৃহ চালাচ্ছে কিন্তু এটাকে আপনার যদি আপনি কোন প্রেক্ষাগৃহ চালান সেক্ষেত্রে আপনাকে লাইসেন্স নিতে হয় জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে বা ডেপুটি কমিশনারের কাছ থেকে।’
‘কিন্তু উনাদের এনওসি নেওয়া আছে তাও ২০০৪ সালে কিন্তু উনারা কোন লাইসেন্স দেন নাই। এক দিক থেকে চিন্তা করলে উনারা একটা লাইসেন্স গৃহীন একটা ব্যবসা চালাচ্ছেন। আর উনাদের মাদার যে কোম্পানি সেটা হচ্ছে শোমোশন লিমিটেড। কিন্তু উনারা যে স্টার সিনিপ্লেক্স চালাচ্ছেন এটার কোন জায়গাতে মেনশন নাই যে সোমোশন লিমিটেড।’
লাইসেন্স জটিলতার পাশাপাশি গ্রাহকদের টিকিট কেনা নিয়ে ভোগান্তির বিষয়টিও আদালতের নজরে আসে। অনলাইনে টিকিট কাটতে গিয়ে অনেকের টাকা কেটে নিলেও টিকিট প্রিন্ট হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালত জানান, ‘আরেকটা সমস্যা হচ্ছে কি যে আপনারা জেনে থাকবেন কি যে অনেক মানুষ টিকিট কাটতেছে কিন্তু উনাদের এসে এখানে টিকিট প্রিন্ট দিতে পারতেছে না এবং তাদের টাকা একাউন্ট থেকে কেটে নিচ্ছে। সেক্ষেত্রে উনাদের সাথে আমরা কথা বলেছি। উনাদের জানিয়েছে কি যে সাত কর্মদিবসের ভিতরে এই টাকা আবার রিফান্ড হবে।’
সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি তাদের কারিগরি বা সফটওয়্যারজনিত সমস্যা। আদালত এ বিষয়ে আরও বলেন, ‘এটা তাদের সফটওয়ারের একটা সমস্যা। এটা আমরা যখন অন্যান্য জায়গাতেও পোস্ট দিয়ে কোন কিছু পারচেস করতে যাই তখন টাকা কেটে নেয় কিন্তু পেমেন্ট হয় না। এই জিনিসটা হয়। উনারা এটা ইনসিওর করছে কিন্তু সাত কর্মদিবসের ভিতরে যারা এই প্রবলেম ফেস করতেছেন তারা তাদের টাকা রিফান্ড হয়ে যাবে এবং উনাদের আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে কি যে ভোক্তাদের যে এই যে একটা সমস্যা যারা অনেক দূর থেকে আসতেছেন কিন্তু মুভি দেখতে পারতেছেন না।’
‘এ ব্যাপারে আমরা উনাদের সতর্ক করছি কি যে উনারা যত দ্রুত সম্ভব এই যে উনাদের যে সফটওয়ারের যে সমস্যা এটা যেন সলিউশনের দিকে নিয়ে যায় ধন্যবাদ সবাইকে না আমরা আর্থিক জরিমানা আজকে করি নাই আমরা অভিযানে আসছিলাম আমরা ওনাদের সাথে কথা বলছি এবং উনাদের যে সিচুয়েশন সে অনুযায়ী উনাদের একটা সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, দীর্ঘ সময় ধরে সরকারের যথাযথ লাইসেন্স ছাড়া ও ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করায় স্টার সিনেপ্লেক্সের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার পাশাপাশি বড় অঙ্কের জরিমানার ইঙ্গিত দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিনোদন
শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়তে পারেন বাপ্পারাজ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ। একই প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হতে পারেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি।
এবারের নির্বাচনে অন্তত দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। একটি প্যানেলে থাকছেন বাপ্পারাজ ও মুক্তি। অন্য প্যানেলে সভাপতি পদে লড়বেন শিবা সানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন জয় চৌধুরী।
তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেননি বাপ্পারাজ। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন রুমানা ইসলাম মুক্তি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতৃত্বে রয়েছেন মিশা সওদাগর ও ডিপজল। এই কমিটির মেয়াদ গত ২৪ এপ্রিল শেষ হয়েছে।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। সেই হিসেবে আগামী জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
বিনোদন
জেলে থাকার অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে অভিনেতা সিদ্দিকের জীবন
এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান—অভিনয়ের পাশাপাশি যিনি যুক্ত ছিলেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেও। টাঙ্গাইল ও ঢাকা থেকে একাধিকবার নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করলেও শেষ পর্যন্ত তা পাননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক মামলায় জড়িয়ে পড়েন এই অভিনেতা। এমনকি মারধরের শিকার হয়ে ২০২৫ সালের ২৯ এপ্রিল গ্রেপ্তারও হন তিনি। প্রায় ১১ মাস কারাবন্দি থাকার পর অবশেষে গত ১৮ মার্চ মুক্তি পান।
দীর্ঘ এই জেলজীবনই তাকে ভেতর থেকে বদলে দিয়েছে—এমনটাই জানালেন সিদ্দিকুর রহমান। শুক্রবার বিকেলে তিনি বলেন, “জেলে ১০ মাস ২২ দিন ছিলাম। সময়টা সঠিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। ভাবছিলাম, আমি তো একজন শিল্পী—এই সময়টাকেও অর্থবহ করে তুলতে পারি। আল্লাহই আমাকে পরিবর্তন করিয়েছেন।”
কারাগারের অভিজ্ঞতা তার জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন এনেছে বলেও জানান সিদ্দিকুর রহমান। “জেলে গিয়ে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া শুরু করি। ধীরে ধীরে নিজের ভেতরে পরিবর্তন অনুভব করি। সেখানে প্রচুর সময় পাওয়া যায় ভাবার—আগের সব রুটিন বদলে যায়,” বলেন তিনি।
কারাগারের একটি দেয়ালে লেখা একটি লাইন—‘রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ’ তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “ওরা আমাকে নিরাপদে রাখবে—এই ভাবনা থেকেই আমি নিজের ভেতরে আলোর পথ খুঁজে নিয়েছি।”
এই সময়টাকে সৃজনশীল কাজেও ব্যবহার করেছেন সিদ্দিকুর রহমান। কারাগারে বসেই লিখেছেন ১৫টি নাটক ও ৩টি সিনেমার গল্প। পাশাপাশি নিজের জীবন ও পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বইও লিখেছেন। তবে মুক্তির পরও সেই সময়ের মানসিক প্রভাব পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেননি বলে জানান তিনি।
সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “এখনও ট্রমা পুরোপুরি কাটেনি। শারীরিক ও মানসিকভাবে আগের রুটিনে ফিরতে সময় লাগছে,” ।
বর্তমানে পরিবারকেই বেশি সময় দিচ্ছেন এই অভিনেতা। তবে খুব শিগগিরই কাজে ফেরার পরিকল্পনাও রয়েছে তার। “জেলে লেখা গল্পগুলো নিয়ে কাজ শুরু করবো। আর নিজের জীবন, জেলজীবন ও পরিবর্তনের গল্প নিয়ে যে বই লিখেছি, সেটাও গুছিয়ে নিচ্ছি,”—বললেন সিদ্দিকুর রহমান।
বিনোদন
বিশ্বমঞ্চে সঞ্চালকের ভূমিকায় রাশমিকা মান্দানা
জাপানের টোকিওতে আয়োজিত হতে যাচ্ছে বিনোদন বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক আসর ‘১০ম গ্লোবাল অ্যানিমে অ্যাওয়ার্ডস’। এই বিশ্বমঞ্চে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন ‘পুষ্পা’ খ্যাত জনপ্রিয় তারকা রাশমিকা মান্দানা। গত বছর প্রথম ভারতীয় তারকা হিসেবে এই আয়োজনে অংশ নিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন তিনি। তবে এবার তিনি সেখানে উপস্থিত হচ্ছেন সঞ্চালক হিসেবে।
এবারের আসরের অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে যাচ্ছে রাশমিকা মান্দানা ও বিশ্বখ্যাত সংগীতশিল্পী আবেল টেসফায়ে (দ্য উইকেন্ড)-এর উপস্থিতি। গ্লোবাল অ্যানিমে অ্যাওয়ার্ডসের এই মাইলফলক আসরে রাশমিকা সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করবেন।
সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বেশ আলোচনায় রয়েছেন এই অভিনেত্রী। অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর মধুচন্দ্রিমা শেষ করে কর্মব্যস্ততায় ফিরেছেন তিনি। রাশমিকাকে সর্বশেষ ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’ সিনেমায় অভিনয় করতে দেখা গেছে।
বর্তমানে রাশমিকার হাতে রয়েছে বেশ কিছু বড় প্রজেক্ট। আগামী ১৯ জুন মুক্তি পেতে যাচ্ছে তাঁর নতুন হিন্দি সিনেমা ‘ককটেল টু’। এই সিনেমায় তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন শাহিদ কাপুর এবং আরও রয়েছেন কৃতি শ্যানন।
বিনোদন
স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত
জনপ্রিয় টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ গ্রহণ করেছেন। শিল্প ও সংস্কৃতিতে অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সংস্কৃতি অঙ্গন থেকে এ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পান তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে হানিফ সংকেত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ গ্রহণ করেন।
গত ৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করা হয়, চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম। তালিকায় সংস্কৃতি অঙ্গন থেকে পুরস্কার পান হানিফ সংকেত। মনোনীত তালিকায় সাত নম্বরে ছিল এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত)-এর নাম।
‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে নিজের অনুভূতি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন বরেণ্য এই ব্যক্তিত্ব।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, সুহৃদ, আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এ বছর আমাকে সংস্কৃতিতে ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করেছেন। এই অর্জন আমার একার নয়- যাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আমার এই দীর্ঘ যাত্রা সম্ভব হয়েছে এই অর্জন তাদের সবার।
পুরস্কার প্রাপ্তি প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, অতীতেও আমি যেমন দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও দায়িত্ব নিয়ে কাজ করে যাব। এই পুরস্কার আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে আরও উৎসাহিত করবে। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।
প্রসঙ্গত, হানিফ সংকেত বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব। তিনি একাধারে উপস্থাপক, পরিচালক, লেখক, প্রযোজক, গায়ক, সুরকার,গীতিকার ও অভিনেতা। শুধু তাই নয়, তিনি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র মাধ্যমে সমাজের নানা অসংগতি, দেশীয় সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সুনিপুণভাবে দর্শকদের কাছে তুলে ধরছেন।
এমএন
বিনোদন
মারা গেছেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে
ভারতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে মারা গেছেন। আজ রবিবার মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল উপমহাদেশের এই প্রখ্যাত শিল্পীকে।
এর আগে কিছু প্রতিবেদনে হৃদরোগের পাশাপাশি ফুসফুসজনিত জটিলতার কথা বলা হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মূলত সংক্রমণ ও ক্লান্তিজনিত সমস্যার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
১৯৪০-এর দশকে প্লেব্যাক গানের জগতে পথচলা শুরু করেন আশা ভোঁসলে। প্রথমদিকে ছোট প্রযোজনার ছবিতে গান করলেও ১৯৫০ ও ৬০-এর দশকে তিনি খ্যাতির শিখরে পৌঁছান। ১৯৫৭ সালের ‘নয়া দৌর’ ছবির মাধ্যমে বড় ধরনের সাফল্য পান তিনি।
পরবর্তীতে ও. পি. নাইয়ার, এস. ডি. বর্মন, আর. ডি. বর্মন এবং খৈয়ামের মতো খ্যাতিমান সংগীত পরিচালকদের সঙ্গে তার যুগলবন্দি সাড়া ফেলে।
অসাধারণ কণ্ঠসামর্থ্যের জন্য তিনি চলচ্চিত্রের গান, গজল, পপ, শাস্ত্রীয়, ভজন থেকে শুরু করে ক্যাবারে পর্যন্ত বিভিন্ন ধারার গানে সমান পারদর্শিতা দেখিয়েছেন। বিশেষ করে নৃত্যশিল্পী হেলেনের পর্দার উপস্থিতির সঙ্গে তার কণ্ঠ হয়ে উঠেছিল অবিচ্ছেদ্য।
১৯৮১ সালের ‘উমরাও জান’ এবং ১৯৮৭ সালের ‘ইজাজত’ চলচ্চিত্রে গানের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন, যা তার গজল ও আধা-শাস্ত্রীয় সংগীতে দক্ষতার স্বীকৃতি দেয়। পরবর্তী সময়েও ‘রঙ্গীলা’ ও ‘লগান’-এর মতো চলচ্চিত্রে গান গেয়ে তিনি সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ছিলেন।
দীর্ঘ সংগীতজীবনে ২০টিরও বেশি ভাষায় হাজার হাজার গান রেকর্ড করেছেন আশা ভোঁসলে। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার ও পদ্ম বিভূষণ-সহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন।




