আন্তর্জাতিক
ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ
ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। সৌদি যুবরাজ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে যুক্তি দিচ্ছেন, মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যকে পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক সুযোগ সুযোগ এনে দিয়েছে।
গত সপ্তাহে বেশ কয়েকবার ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে সৌদি যুবরাজের। এসব আলোচনার বিষয়ে জানেন এমন সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এ কথা জানিয়েছে। সৌদি যুবরাজ যুক্তি দিয়েছেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী হুমকির মুখে রেখেছে, যা ইরান সরকারকে নির্মূল করার মাধ্যমে দূর করা যেতে পারে।
তবে সৌদি কর্মকর্তারা যুবরাজের এমন অবস্থানের কথা অস্বীকার করেছেন।
এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও ইরানকে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত হুমকি হিসেবে দেখেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের দৃষ্টিতে এমন একটি পরিস্থিতি গ্রহণযোগ্য, যেখানে ইরান অভ্যন্তরীণ সংকটে জড়িয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে সৌদি আরবের দৃষ্টিভঙ্গি কিছুটা ভিন্ন; তাদের আশঙ্কা, ইরান যদি সম্পূর্ণভাবে অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে, তাহলে তা উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য সরাসরি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা ঘিরে উদ্বেগও বাড়ছে। সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে ইরান সৌদি তেল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে আরও বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে।
আন্তর্জাতিক
৯৭ বছর বয়সি মাখন লালের পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন মোদি, কে এই নেতা?
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানে ৯৭ বছর বয়সি প্রবীণ বিজেপি নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে তার পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নেন এবং তাকে জড়িয়ে ধরেন মোদি।
কিন্তু কে এই নেতা? তার নাম মাখন লাল সরকার। কলকাতায় আয়োজিত এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মাখন লাল সরকারের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পায়।
শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতা বিজেপির প্রাথমিক সময়ের অন্যতম সংগঠক হিসেবে পরিচিত। দলীয় সূত্র জানায়, তিনি জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ঘনিষ্ঠ সহযাত্রী ছিলেন এবং তার শেষ কাশ্মীর সফরেও সঙ্গে ছিলেন।
পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার কারণে একসময় কংগ্রেস সরকারের আমলে মাখন লাল সরকারকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। পরে আদালতে তাকে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি তাতে রাজি হননি।
তিনি বলেন, আদালতে বিচারকের অনুরোধে মাখন লাল সরকার সেই গান আবার গেয়ে শোনান। তার সাহসিকতায় মুগ্ধ হয়ে বিচারক পুলিশকে তাকে সম্মানের সঙ্গে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং যাত্রার খরচও দেওয়ার কথা বলেন।
মাখন লাল সরকার শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার প্রথম বিজেপি জেলা সভাপতি ছিলেন। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে বিজেপি গঠনের পর উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠন বিস্তারে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৯৮১ সাল থেকে টানা সাত বছর জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি, যা সে সময়ের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি তৃণমূল পর্যায়ের একজন নিবেদিত সংগঠক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
আন্তর্জাতিক
শুভেন্দুর শপথ গ্রহণের দিন পাল্টা কর্মসূচি মমতার
পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শনিবার (৯ মে) ব্রিগেডে শপথগ্রহণ করবেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় একই সময়ে কালীঘাটের বাড়ির চত্বরে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করবেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।
এ কর্মসূচিতে দলের নেতৃত্বস্থানীয়দের ডাকা হয়েছে। উপস্থিত থাকার কথা আছে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জীরও। বিধানসভা নির্বাচনে হারের পরে এটাই তৃণমূলনেত্রী মমতা ব্যানার্জীর প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি।
শনিবার মমতার বাড়ির অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করার কথা সদ্যসাবেক মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়ের।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, তিনটি জায়গায় অরাজনৈতিক সংগঠন রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের অনুমতি চেয়েছিল পুলিশের কাছে, কিন্তু তা দেয়া হয়নি।
তৃণমূলের পক্ষে সংগঠনের সর্বস্তরে বার্তা দেয়া হয়েছে যে, যেখানে সম্ভব সেখানে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করতে হবে। তবে ক্ষমতায় থাকার সময়ে রাখি পূর্ণিমা ও রবীন্দ্রজয়ন্তী যেভাবে পালন করত তৃণমূল, এবার যে তেমন কিছু করার পরিস্থিতি নেই তা দলের সর্বোচ্চ নেতারাও জানেন। সেই মতোই বার্তা দেয়া হয়েছে।
তবে দলের পক্ষ থেকে এই মুহূর্তে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে ‘আক্রান্ত’ কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোকে।
রবীন্দ্রজয়ন্তী হলেও শনিবারের কর্মসূচি থেকে মমতা দলকে কোনো রাজনৈতিক এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচির বার্তা দেন কি-না, সে দিকে নজর থাকবে। Politics
দু’দিন আগে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে কালীঘাটের বাড়িতেই বৈঠক করেছিলেন মমতা। তারপরে জেলা নেতৃত্বকে ‘বিজেপির হামলার প্রতিবাদে’ এলাকায় মিছিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী
কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ব্রিগেড ময়দানে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টার পর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। হুডখোলা গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ব্রিগেড ময়দানে প্রবেশ করেন শুভেন্দু।
শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাডনবীশ, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাসহ কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতারা।
এর আগে গতকাল কলকাতায় বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠকে পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহ। বৈঠকে বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতা দিলিপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম প্রস্তাব করলে বিধায়করা তাতে সম্মতি দেন। পরে অমিত শাহ আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। এক সময়ের মমতার ঘনিষ্ঠ সহযোগী এই নেতা ২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতাকে পরাজিত করে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনায় আসেন। সর্বশেষ নির্বাচনে মমতার ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটি ভবানীপুর আসনে ১৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয় পান তিনি।
আন্তর্জাতিক
শুভেন্দুর শপথ আজ, উপস্থিত থাকবেন মোদিসহ ২০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী
কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড আজ সাজছে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্বাগত জানাতে। শনিবার (৯ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি হতে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
এর আগে গতকাল শুক্রবার (৮ মে) বিজেপির নির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। ওই বৈঠকে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিও উপস্থিত ছিলেন।
আজকের শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীনসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি দেশের অন্তত ২০টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।
শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মাঠকে ৩৫টি সেক্টরে ভাগ করে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ৪ হাজার পুলিশ সদস্য।
আন্তর্জাতিক
রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে তিন দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধে তিন দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে যাচ্ছে।
শুক্রবার (৮ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, এই যুদ্ধবিরতি শনিবার (৯ মে) থেকে সোমবার (১১ মে) পর্যন্ত স্থায়ী হবে।
ট্রাম্প পোস্টে লেখেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধে তিন দিনের (৯, ১০ ও ১১ মে) একটি যুদ্ধবিরতি হতে যাচ্ছে।’
এর কিছুক্ষণ পরই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ক্রেমলিন– উভয়পক্ষ তিন দিনের এই যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই সমঝোতা হয়েছে।
রাশিয়া এর আগে শনিবার তাদের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ‘বিজয় দিবস’ (৯ মে) উপলক্ষ্যে এককভাবে দুই দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল।
অন্যদিকে, ইউক্রেন আগে জানিয়েছিল যে তারাও যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু মস্কো তা উপেক্ষা করেছে।
‘এই অনুরোধটি আমি সরাসরি করেছি,’ এমনটি জানিয়ে শুক্রবার ট্রাম্প তার প্রস্তাব মেনে নেওয়ার জন্য রুশ ও ইউক্রেনীয় সমকক্ষদের ধন্যবাদ দেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘রাশিয়ার এই উদযাপন বিজয় দিবসের জন্য, তবে একইভাবে এটি ইউক্রেনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারাও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি বড় অংশ এবং চালিকাশক্তি ছিল। এই যুদ্ধবিরতির সময়ে সব ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে এবং উভয় দেশ থেকে ১ হাজার করে মোট ২ হাজার বন্দি বিনিময় করা হবে।’
যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে ‘আলোচনা অব্যাহত রয়েছে’ উল্লেখ করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা প্রতিদিন সমাধানের খুব কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছি।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আশা করি, এটি একটি দীর্ঘ, প্রাণঘাতী এবং কঠিন যুদ্ধের সমাপ্তির শুরু।’
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করা ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণার অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। এমনকি তিনি এমন দাবিও করেছিলেন, ক্ষমতায় ফেরার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি এ সংঘাত মিটিয়ে দেবেন।
তবে প্রায় দেড় বছর কেটে গেলেও ওয়াশিংটন এক্ষেত্রে বড় সাফল্য পেতে হিমশিম খাচ্ছে। রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধ বন্ধে তেমন কোনো আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এই সংঘাত এখন একটি ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে পরিণত হয়েছে, যেখানে পুতিন বিশ্বাস করেন যে, বিশাল সামরিক বাহিনীর কারণে শেষ পর্যন্ত রাশিয়াই জয়ী হবে।
স্থবির হয়ে পড়া শান্তি আলোচনার সর্বশেষ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউক্রেনের পূর্ব দনেতস্ক অঞ্চল। এই অঞ্চলের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে।
মস্কো দাবি করেছে, দনেতস্কের যেসব অংশ রুশ বাহিনী এখনও দখল করতে পারেনি, সেখান থেকে ইউক্রেনীয় সেনাদের সরিয়ে নিতে হবে। তবে ইউক্রেন এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা কোনো ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে রাজি নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।
জেলেনস্কি বারবার যেকোনো শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইউক্রেনের ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার ধারণা প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। তবে ট্রাম্প ও কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে হলে ইউক্রেনের সামনে হয়ত শেষ পর্যন্ত অন্য কোনো পথ খোলা থাকবে না।




