পুঁজিবাজার
সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ১৯৯ শেয়ারদর
ঈদ পরবর্তী সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দেড় ঘণ্টায় লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৯৯টির শেয়ারদর বেড়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (২৫ মার্চ) বেলা ১১টা ৩২মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ সূচক ১১ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৯৬ পয়েন্টে।
অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ‘ডিএসইএস’ সূচক দশমিক ৪৯ পয়েন্ট বেড়ে এবং ‘ডিএস৩০’ সূচক দশমিক ৯৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০৭৩ ও ২০১২ পয়েন্টে।
এসময় টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ২৪১ কোটি ৩৪ লাখ ১৬ হাজার টাকা।
এসময়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯৯টি, কমেছে ১৩৯টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫০টি কোম্পানির শেয়ার দর।
এমএন
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে মুন্নু সিরামিক
গত সপ্তাহে (০৩-০৭ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে মুন্নু সিরামিক। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৩২.৩৫ শতাংশ।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সপ্তাহের দর বৃদ্ধির তালিকায় মুন্নু সিরামিকের পরেই রয়েছে সিকদার ইন্স্যুরেন্স, যার শেয়ার দর বেড়েছে ৩১.০১ শতাংশ। এছাড়া মোজাফ্ফর হোসেন স্পিনিংয়ের ২৭.২৭ শতাংশ, কপারটেকের ১৯.২৮ শতাংশ, রিজেন্ট টেক্সটাইলের ১৫.৩৮ শতাংশ, ন্যাশনাল ফিড মিলসের ১৫.১১ শতাংশ, এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্সের ১৪.৮১ শতাংশ, অলটেক্সের ১৪.০০ শতাংশ, টেকনো ড্রাগসের ১২.৯৯ শতাংশ এবং ড্যাফেডিল কম্পিউটার্সের শেয়ার দর বেড়েছে ১২.৮২ শতাংশ।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে মার্কেন্টাইল ব্যাংক
গত সপ্তাহে (০৩-০৭ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ দর পতনের তালিকায় শীর্ষ স্থান দখল করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার দর কমেছে ২০.৪৫ শতাংশ। একই সঙ্গে টপটেন লুজার তালিকার ৮০ শতাংশ জুড়েই রয়েছে ব্যাংক খাতের কোম্পানি।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সপ্তাহের দর পতনের তালিকায় মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরে রয়েছে সিটি ব্যাংক, যার শেয়ার দর কমেছে ১৮.১৮ শতাংশ। এছাড়া এবি ব্যাংকের ১৩.২১ শতাংশ, ইস্টার্ণ ব্যাংকের ১২.৭৭ শতাংশ, আইএফআইসি ব্যাংকের ১২.২৪ শতাংশ, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ১১.১১ শতাংশ, ট্রাস্ট ব্যাংকের ১০.১১ শতাংশ এবং আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার দর কমেছে ১০.০৭ শতাংশ।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ডমিনেজ
বিদায়ী সপ্তাহে (০৩-০৭ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট ৪ হাজার ১৫১ কোটি ২৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে কেবল ১০টি কোম্পানির শেয়ারেই লেনদেন হয়েছে মোট লেনদেনের ২৩.৯২ শতাংশ।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে মোট ৩৯২টি কোম্পানির সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শীর্ষ ১০ কোম্পানি মিলে সপ্তাহের মোট লেনদেনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ দখলে রেখেছে।
সপ্তাহজুড়ে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ডমিনেজের শেয়ারে। কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ৩১ কোটি ২৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৩.৭৭ শতাংশ।
শীর্ষ ১০ কোম্পানির বাকিগুলোর মধ্যে এনসিসি ব্যাংক ৩.১০ শতাংশ, লাভেলো আইসক্রীম ২.৭৩ শতাংশ, মুন্নু সিরামিক ২.৪৯ শতাংশ, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ ২.৪৭ শতাংশ, সিটি ব্যাংক ২.০৭ শতাংশ, মীর আখতার ১.৯৩ শতাংশ, বেক্সিমকো ফার্মা ১.৮৪ শতাংশ, জিকিউ বলপেন ১.৮৩ শতাংশ এবং রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স ১.৬৯ শতাংশ লেনদেন করেছে।
পুঁজিবাজার
বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইর পিই রেশিও কমেছে ০.৯৭ শতাংশ
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (০৩-০৭ মে) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও কমেছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর পিই রেশিও হ্রাস পেয়েছে ০.৯৭ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ৯.২২ পয়েন্টে। সপ্তাহ শেষে তা নেমে দাঁড়িয়েছে ৯.১৩ পয়েন্টে। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে পিই রেশিও ০.০৯ পয়েন্ট বা ০.৯৭ শতাংশ কমেছে।
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন কমলো ৫ হাজার ১২৪ কোটি টাকা
বিদায়ী সপ্তাহে (৩ মে থেকে ৬ মে) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৫ হাজার ১২৪ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ বা ৫ হাজার ১২৪ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৯৯৪ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৫ হাজার ১১৮ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে একটি বাদে কমেছে বাকি সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৫২.৭৭ পয়েন্ট বা ১ শতাংশ। ডিএস-৩০ সূচক কমেছে ১৫.৪০ পয়েন্ট বা ০.৭৬ শতাংশ। তবে ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ৫.৩৭ পয়েন্ট বা ০.৫১ শতাংশ।
ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ১৫১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ৪ হাজার ৭১৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ৫৬৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।
প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ১১৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা বা ১১.৯৯ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৮৩০ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৯৪৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪১টি কোম্পানির, কমেছে ২২২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ০.৬৯ শতাংশ ও ০.৫০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৭০২.৭৩ পয়েন্টে ও ৯০৪৮.০২ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৩০ সূচক ০.৭৩ শতাংশ ও সিএসই-৫০ ১.০৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১২৯৬২.৭৯ পয়েন্টে ও ১১০০.৬৩ পয়েন্টে। তবে সিএসআই সূচক বেড়েছে ০.৪৯ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ৮৯৩.০৮ পয়েন্টে।
চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১০৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ১৪৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ৩৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩০৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৩টির, কমেছে ১৫১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির কোম্পানির শেয়ার দর।




