আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে ৯২ শতাংশ মার্কিন নাগরিক
ইরানের ওপর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথভাবে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল। এই হামলায় দেশটির সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ খামেনিসহ শীর্ষ পর্যায়ের অনেকে নিহত হন। এর পর থেকেই পালটাপালটি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
ইরান যুদ্ধ যত দ্রুত সম্ভব শেষ করার পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ৯২ শতাংশ নাগরিক। শুধু সমর্থনই নয়, তারা বিষয়টি জরুরি মনে করেন।
সিবিএস নিউজ ও ইউগভের নতুন জরিপ থেকে এই মতামত জানা গেছে। গত ১৭ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত অনলাইনে জরিপটি পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ৩ হাজার ৩৩৫ প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক মতামত দিয়েছেন।
জরিপে অংশ নেওয়াদের ৮০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানের জনগণের নিরাপত্তা, ৭৩ শতাংশ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ এবং ৬৮ শতাংশ অন্য দেশের বিরুদ্ধে ইরানের হুমকি বন্ধের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
অপরদিকে ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন নিয়ে মার্কিন জনমত বিভক্ত। ৪৯ শতাংশ মানুষ ইরানপন্থি নেতৃত্ব চান, অন্যদিকে ৫১ শতাংশ এর প্রয়োজনীয়তা দেখছেন না।
দুই-তৃতীয়াংশ নাগরিক মনে করেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ যতটা না প্রয়োজন ছিল, তার চেয়ে বেশি ইচ্ছাকৃত।
এ ছাড়া জরিপে অংশগ্রহণকারী ৬০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছেন, যা চলতি মাসের শুরুতে ছিল ৫৬ শতাংশ। প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন, ট্রাম্প প্রশাসন এই যুদ্ধের লক্ষ্য স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেনি। এ ছাড়া ৫৭ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, যুদ্ধ আমেরিকার জন্য খারাপ দিকে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে ৬৬ শতাংশ মানুষ এটাকে ‘ইচ্ছাকৃত যুদ্ধ’ এবং ৩৪ শতাংশ ‘প্রয়োজনীয় যুদ্ধ’ বলে মনে করেন।
আন্তর্জাতিক
পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হলো, মমতাকে অব্যাহতি
মমতা ব্যানার্জি নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভেঙে দিয়েছেন গভর্নর আরএন রবি। বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মমতা ব্যানার্জি পদত্যাগ না করায় তৈরি হওয়া সাংবিধানিক জটিলতার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) মধ্যরাতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন সরকার গঠনের আগে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ না করায় রাজ্যে অন্তর্বর্তী প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, নতুন মুখ্যমন্ত্রী আগামী ৯ মে শপথ নেবেন।
ফলে প্রশ্ন ওঠে, ৮ মে মধ্যরাত থেকে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ পর্যন্ত বাংলা চালাবেন কে? এক অভূতপূর্ব সাংবিধানিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা জোড়াল হচ্ছিল।
এই অবস্থায় সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে মমতা ব্যানার্জি নেতৃত্বাধীন সরকার ভেঙে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন গভর্নর আরএন রবি। বিবৃতি জারি করে এই পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা।
উল্লেখ্য, সংবিধানে ১৭২ ধারা অনুযায়ী, রাজ্য বিধানসভার মেয়াদ তার প্রথম অধিবেশনের তারিখ থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত থাকে। পাঁচ বছর শেষে বিধানসভাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এর জন্য গভর্নরের কোনো পৃথক আদেশের প্রয়োজন হয় না।
ভারতীয় সংবিধানের ১৭৪ নম্বর অনুচ্ছেদের (২) নম্বর দফার (খ) উপ-দফা অনুযায়ী প্রাপ্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে রাজ্যপাল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে আগামী দুদিন রাজ্যের দায়িত্বভার সামলাবেন রাজ্যপাল রবি। গভর্নরের এ পদক্ষেপের ফলে ১৮তম বিধানসভা গঠনের পথ মসৃণ হলো।
সূত্র : এনডিটিভি
আন্তর্জাতিক
ইসরায়েলকে হুমকি দিলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে : নেতানিয়াহু
ইসরায়েলকে কেউ হুমকি দিলে তার জীবন ঝুঁকিতে পড়বে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ হুমকি দিয়েছেন। খবর আল জাজিরার।
বুধবার এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, আমি আমাদের শত্রুদের স্পষ্ট করে বলতে চাই, কোনো সন্ত্রাসীর দায়মুক্তি নেই। যারা ইসরায়েলকে হুমকি দেবে, তারা নিজেদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলবে।
লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে হামলায় হিজবুল্লাহর এলিট রাদওয়ান ইউনিটের কমান্ডার আহমদ বালুত নিহত হওয়ার ঘটনায় মন্তব্য করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সে হয়তো সংবাদমাধ্যমে পড়েছিল যে বৈরুতে তার দায়মুক্তি আছে। কিন্তু এখন আর তা হবে না।’
নেতানিয়াহু অভিযোগ করেন, আহমদ বালুত বৈরুতে গোপন ঘাঁটি থেকে ইসরায়েলি বাহিনী ও বসতিগুলোর বিরুদ্ধে হামলা পরিচালনা করে যাচ্ছিলেন।
নেতানিয়াহু আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজায় হামাসের সদস্যদের লক্ষ্য করে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এ ক্ষেত্রে বেসামরিক কেউ হতাহত হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক
দুর্নীতির দায়ে চীনের সাবেক দুই মন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড
ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে চীনের সাবেক দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংহে ও লি শাংফুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি সামরিক আদালত। তবে দুই বছরের স্থগিতাদেশ থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কোনো অপরাধে জড়িত না হলে তাদের সাজা পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপ নেবে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি ও সিনহুয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। আদালত জানিয়েছে, দুই সাবেক মন্ত্রীই বড় অঙ্কের ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে গুরুতর বলে উল্লেখ করে সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে।
রায়ের বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী, ওয়েই ফেংহে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। অন্যদিকে লি শাংফুর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের পাশাপাশি ঘুষ প্রদানেও জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে আদালত জানায়। দুজনই চীনের কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের সাবেক সদস্য এবং স্টেট কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
আদালতের নির্দেশে তাদের রাজনৈতিক সব অধিকার আজীবনের জন্য বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিগত সব সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ওয়েই ফেংহে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৩ সালের মার্চে তাকে সরিয়ে লি শাংফুকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী করা হয়। তবে লি শাংফুর মেয়াদ ছিল স্বল্পস্থায়ী। দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তাকে বরখাস্ত করা হয়। এর আগেই তিনি হঠাৎ জনসমক্ষে অনুপস্থিত হয়ে পড়েন, যা নিয়ে তখন থেকেই নানা জল্পনা শুরু হয়।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে সিনহুয়া জানায়, তদন্তে লি শাংফুর বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ ঘুষ গ্রহণ এবং অন্যদের ঘুষ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে বলা হয়, তিনি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জনের চেষ্টা করেছেন।
অন্যদিকে ওয়েই ফেংহের বিরুদ্ধে তদন্তে উঠে আসে, দায়িত্বে থাকাকালে তিনি বিপুল অর্থ ও মূল্যবান সম্পদ ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন নিয়োগ ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় অবৈধ সুবিধা দিতে সহায়তা করেছেন বলেও প্রমাণ পাওয়া যায়।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সাম্প্রতিক সময়ে সেনাবাহিনীতে চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে ‘বিপ্লবী শুদ্ধি অভিযান’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে পুনর্গঠনের পথে এগোচ্ছে।
আন্তর্জাতিক
‘অবৈধ বাংলাদেশি’ ফেরত পাঠাতে ঢাকার সহযোগিতা চাইল দিল্লি
ভারতে ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ রয়েছে দাবি করে তাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ঢাকার সহযোগিতা চেয়েছে ভারত। বৃহস্পতিবার (৬ মে) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
তিনি বলেন, ‘ভারত থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসনের মূল বিষয়ের প্রেক্ষাপট দেখতে হবে। এর জন্য বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রয়োজন।’
বাংলাদেশে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ২৮৬২টিরও বেশি মামলা বিচারাধীন বলে জানান জয়সওয়াল। তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে কয়েকটি পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে আটকে আছে।’
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ভারতের পররাষ্ট্র মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের দ্বারা বাংলাদেশে কিছু ব্যক্তিকে ‘পুশ ব্যাক’ করানোর অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে যা যা প্রয়োজন, আমরা সেই সব ব্যবস্থা নেব।’
আন্তর্জাতিক
মার্কিন ঘাঁটিগুলোর অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনের জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর অন্তত ২২৮টি প্রতিরক্ষা স্থাপনা বা সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।
বুধবার (৬ মে) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মূলত ড্রোন হামলার মাধ্যমে ইরান মার্কিন ঘাঁটির হ্যাঙ্গার, ব্যারাক, জ্বালানি ডিপো, সামরিক বিমান এবং গুরুত্বপূর্ণ রাডার, যোগাযোগ ও বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে আঘাত হেনেছে। এই সময়ে ইরান অনেকগুলো সফল বিমান হামলাও চালিয়েছিল।
ওয়াশিংটন পোস্টের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এর আগে প্রকাশিত তথ্যের তুলনায় মার্কিন সামরিক সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত সেন্টকম অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সম্পদের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন প্রকাশ করেনি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেসি-১৩৫ স্টার্টোট্যাঙ্কার বিমান হরমুজ প্রণালির ওপর দিয়ে উড়ার সময় রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। প্রায় ৪০ থেকে ৫২ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই বিমানটি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পদ হিসেবে পরিচিত।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি ফ্লাইটরাডার২৪–এর তথ্য উদ্ধৃত করে বিমানটির নিখোঁজ হওয়ার খবর প্রকাশ জানিয়েছিল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন একই ধরনের এক প্রতিবেদনে এই অঞ্চলের অন্তত ১৬টি মার্কিন ঘাঁটিতে ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির’ কথা জানিয়েছিল। যা শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র অস্বিকার করে আসছে।
প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টিডব্লিউজেডের অভ্যন্তরীণ তথ্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ৩৯টি সামরিক বিমান হারিয়েছে, যার মধ্যে চারটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান রয়েছে। এছাড়া আরও ১০টি বিমান বিভিন্ন মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ওয়াশিংটন পোস্ট লিখছে, কর্মকর্তাদের মতে বিমান হামলার হুমকি ‘অঞ্চলের কিছু মার্কিন ঘাঁটিকে স্বাভাবিকভাবে সেনা মোতায়েনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক করে তুলেছে এবং কমান্ডাররা যুদ্ধ শুরুর সময় থেকেই তাদের বাহিনীর একটি বড় অংশকে ইরানি হামলার আওতার বাইরে সরিয়ে নিয়েছেন।
তবে এক সামরিক মুখপাত্র ওয়াশিংটন পোস্টকে জানান, ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ‘বিশেষজ্ঞদের বর্ণনাকে ব্যাপক ধ্বংস বা ব্যর্থতার লক্ষণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়।’ কারণ ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ জটিল এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুল ধারণা সৃষ্টি করতে পারে।
সামরিক মুখপাত্র ওয়াশিংটন পোস্টকে আরও বলেন, যুদ্ধ শেষ হলে সামরিক কমান্ডাররা ইরানের হামলা সম্পর্কে আরও পূর্ণাঙ্গ চিত্র দিতে পারবেন।
গত সপ্তাহে মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথ কংগ্রেসে ঘোষণা দেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ব্যয় হবে ২৫ বিলিয়ন বা ২৫০০ কোটি ডলার। তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন এই যুদ্ধে ব্যবহৃত গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পুনরায় সংগ্রহ করতে মাস বা বছর লেগে যেতে পারে।
এদিকে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর পেন্টাগন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের কাছে ২০২৭ অর্থবছরের জন্য ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি বাজেট চেয়েছে। যা আগের তুলনায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। এসব কিছুই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে ব্যাপক প্রভাবিত করেছে।




