খেলাধুলা
ভারতকে উড়িয়ে যুব এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান
ভারতকে ১৯১ রানের বিশাল ব্যবধানে বিধ্বস্ত করে যুব এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাকিস্তান। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৪৭ রানের বিশাল পুঁজি গড়ে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল। জবাবে ভারত গুটিয়ে গেছে ১৫৬ রানে। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের শ্রেষ্ঠত্ব পেল পাকিস্তান। এর আগে ২০১২ সালে ভারতের সঙ্গে আসরের শিরোপা ভাগাভাগি করেছিল তারা।
দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমি মাঠে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। ৩১ রানে হারিয়ে ফেলে তারা ওপেনার হামজা জহুরের উইকেট। তবে অন্য ওপেনার সামির মিনহাস ক্রিজের এক প্রান্ত আগলে রেখে দাপুটে ব্যাটিং করতে থাকেন। ১১৩ বলে উপহার দেন ১৭২ রানের চমৎকার এক ইনিংস। ১৭ বাউন্ডারি ও ৯ ছক্কায় সাজান অসাধারণ ইনিংসটি।
দ্বিতীয় উইকেটে উসমান খানের সঙ্গে ৯২ আর তৃতীয় উইকেটে আহমেদ হোসেনের সঙ্গে ১৩৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন সামির। আহমেদ হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ৫৬ রানের দারুণ এক ইনিংস। তাতে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৪৭ রানের হিমালয়সম সংগ্রহ গড়ে পাকিস্তান।
ভারতের হয়ে ৮৩ রান খরচ করে ৩ উইকেট শিকার করেন দীপেশ দেবেন্দ্রন। হেনিল প্যাটেল ৬২ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। সমান দুই উইকেট পান খিলান প্যাটেলও। তবে খরচ করেন ৪৪ রান।
বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে যায় ভারত। ৬৮ রান তুলতেই হারিয়ে ফেলে তারা ৫ উইকেট। ৯৪ রান সংগ্রহ করতেই নাই হয়ে যায় ভারতের ৭ উইকেট। ভারতের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৩৬ রানের ইনিংস খেলেন দীপেশ দেবেন্দ্রন। আর ২৬ রান এনে দেন ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী। আর খিলান প্যাটেল যোগ করেন ১৯ রান। তাতে মাত্র ২৬.২ ওভারে ১৫৬ রানেই গুটিয়ে গেছে ভারতীয়রা।
পাকিস্তানের হয়ে ৪ উইকেট নেন আলি রাজা। দুটি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ সায়েম, আব্দুল সুবহান ও হুজাইফা আহসান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯: ৩৪৭/৮, ৫০ ওভার (সামির ১৭২, আহমেদ ৫৬, উসমান ৩৫; দেবেন্দ্রন ৩/৮৩, খিলান ২/৪৪, হেনিল ২/৬২)।
ভারত অনূর্ধ্ব-১৯: ১৫৬/১০, ২৬.২ ওভার (দেবেন্দ্রন ৩৬, সূর্যবংশী ২৬; রাজা ৪/৪২, হুজাইফা ২/১২, সুবহান ২/২৯ ও সাইয়াম ২/৩৮)।
ফল: পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল ১৯১ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: সামির মিনহাস।
সিরিজ সেরা: সামির মিনহাস।
এমকে
খেলাধুলা
জাইমা রহমানের ক্রীড়া প্রতিভা নিয়ে শৈশবের কোচের স্মৃতিচারণ
বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে এক আলোচিত নাম ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একমাত্র মেয়ে হিসেবে পরিচিতি থাকলেও সম্প্রতি তার শৈশবের এক অনন্য ক্রীড়া প্রতিভা আলোচনায় এসেছে।
জাইমা রহমানের ফুটবল প্রেম এবং যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত ক্লাব চেলসির বয়সভিত্তিক দলে তার সুযোগ পাওয়ার প্রসঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
এই ব্যাপারে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। এবার জাইমা রহমানের ক্রীড়া প্রতিভা নিয়ে তার শৈশবের কোচ মোহাম্মদ হাকিম স্মৃতি রোমন্থন করলেন। সোমবার (২৩ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই স্মৃতিচারণ করেন।
স্ট্যাটাসে মোহাম্মদ হাকিম লেখেন, জাইমা রহমানকে নিয়ে আমার বিশ্বাস আজকের নয়-এটি অনেক দিনের পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতার ফল। ঢাকা আইএসডিতে পড়ার সময় সে আমার তত্ত্বাবধানে ফুটবল, সাঁতার এবং দৌড়-সব ক্ষেত্রেই অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছিল।
সে ছিল স্বাভাবিক প্রতিভাবান, দুর্দান্ত অ্যাথলেটিক এবং নিজের সীমা অতিক্রম করার এক অদম্য মানসিকতাসম্পন্ন একজন ক্রীড়াবিদ জানিয়ে কোচ আরও লেখেন, আমি আজও স্পষ্টভাবে মনে করতে পারি-সে সাঁতারে ছিল সেরা, আর দৌড়ে ছেলেদেরও পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেত।
তার সেই আত্মবিশ্বাস, পরিশ্রম এবং জয়ের মানসিকতা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছিল মন্তব্য করে তিনি আরও লেখেন, তাই সে যদি বলে থাকে যে সে সত্যিই চেলসি উইমেন টিমে খেলার আমন্ত্রণ পেয়েছিল-তাতে আমি একদমই অবাক হবো না। তার প্রতিভা ও সামর্থ্য সেই পর্যায়েরই।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান একজন সফল ব্যারিস্টার। তিনি বর্তমানে নারীর ক্ষমতায়ন, সাইবার নিরাপত্তা, পরিবেশ রক্ষা এবং শিশু-কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ সংরক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও নাগরিক ইস্যুগুলো নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
খেলাধুলা
চেলসি দলে জাইমা রহমানের সুযোগ; বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন আমিনুল হক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের লন্ডনের ক্লাব চেলসিতে খেলার সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলা বিতর্কের বিষয়ে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তার দেওয়া বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।’
সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে এক এডমিন পোস্টে পূর্বের বক্তব্যের ব্যাখ্যা তুলে ধরেন তিনি।
আমিনুল হক জানান, জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে থাকাকালীন ফুটবল খেলতেন।
সেই সূত্র ধরেই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে তার খেলার সুযোগ এসেছিল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাইমা রহমানের স্কুলে গোলকিপিং করার কথা তিনি খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই শুনেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্কুলে থাকাকালীন চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ এলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান মেয়েকে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে বলেছিলেন।
নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, জাইমা রহমান যখন মিরপুরে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়েছিলেন, তখন গোলকিপিং নিয়ে তাদের মধ্যে স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়।
সেদিনের স্মৃতি টেনে আমিনুল হক বলেন, “জাইমা রহমান তাকে বলেছিলেন, ‘আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।’ মূলত জাইমা স্কুল পর্যায়ে কিপিং করতেন এবং লম্বা হওয়ায় এই পজিশনে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল।”
আমিনুল হক জোর দিয়ে বলেন, ‘ইউরোপে স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার অংশ। জাইমা রহমানেরও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা ছিল, তবে পরিবারের ইচ্ছায় তিনি শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন।’
মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই তথ্যটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন।
খেলাধুলা
জাইমা চেলসির নারী দলে গোলকিপার হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবল প্রতিভা ও ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সাবেক এই তারকা ফুটবলার জাইমা রহমানের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ এবং তার ফুটবল ক্যারিয়ারের অজানা কিছু তথ্য সামনে এনেছেন।
সম্প্রতি বেসরকারি চ্যানেল যমুনা টেলিভিশনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আমিনুল হক বলেন, আমাদের জাইমা রহমান লন্ডনের বিখ্যাত ক্লাব চেলসির নারী দলে গোলকিপার হিসেবে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে কোনও কারণে পরবর্তী সময়ে হয়তো প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান) তাকে সেই পেশাদার ফুটবলে যাওয়ার সুযোগটি তৈরি করে দেননি।
সাবেক জাতীয় দলের গোলরক্ষক আমিনুল হক নিজের সঙ্গে জাইমা রহমানের মিল খুঁজে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি জানান, “জাইমা রহমান লন্ডনে ফুটবল খেলেছেন এবং মজার ব্যাপার হলো তিনি আমার পজিশনেই (গোলকিপার হিসেবে) খেলতেন। যতটুকু জানি, তিনি আমার মতোই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ভক্ত।”
জিয়া পরিবারের ক্রীড়াপ্রেমের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। জিয়া পরিবার সবসময়ই একটি ক্রীড়াবান্ধব পরিবার। বর্তমানে আমি তাদের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ নিয়েই দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।
খেলাধুলা
ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সাকিব-মাশরাফি-লিটনরা
মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও উদযাপিত হচ্ছে ঈদ। সারা দেশে বইছে উৎসবের আমেজ। এমন দিনে ভক্ত-সমর্থকদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের তারকা ক্রিকেটাররা।
বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ৫ আগস্টের পর থেকে আড়ালেই ছিলেন। মাঝে মধ্যে ক্রিকেট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখলেও খুব বেশি সরব ছিলেন না। এবার ঈদের দিন কিছুটা আক্ষেপ নিয়েই ফেসবুকে লিখেছেন, ‘মনে রাখা এবং ভুলে যাওয়া সবাইকে জানাই, ঈদ মোবারক।’
সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালও ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
তিনি লিখেছেন, ‘ঈদ মোবারক। এই পবিত্র ঈদে সবার জীবনে বয়ে আসুক শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি। সবার জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।’
যুক্তরাষ্ট্রে ঈদ উদযাপন করছেন সাকিব আল হাসান।
শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আপনার দিনটি আনন্দ, ভালোবাসা আর সুস্বাদু খাবারের প্রাচুর্যে ভরে উঠুক। এই বিশেষ দিনটি হোক আপনার মতোই সুন্দর ও উজ্জ্বল।’
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিলেও মুশফিকুর রহিম এখনো টেস্ট দলের সদস্য। ঈদের জামাতে ছেলের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিননা ওয়া মিনকুম (تقبل الله منا ومنكم)। আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের (সবার) নেক আমল কবুল করুন। ঈদ মোবারক।’
মাহমুদউল্লাহ তার বার্তায় বলেন, ‘ঈদের খুশি ছড়িয়ে পড়ুক হৃদয় থেকে হৃদয়ে। ঈদ মোবারক!’
পারভেজ হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘ঈদ মোবারক—প্রার্থনা করি সুখ, সমৃদ্ধি আর হাসিতে ভরে থাকুক প্রতিটি ঘর।’
টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় সংক্ষিপ্ত বার্তায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, ‘ঈদ মোবারক।’
আফিফ হোসেন লিখেছেন, ‘ঈদুল ফিতর মোবারক। কৃতজ্ঞতা, আত্মসমালোচনা ও আনন্দ উদ্যাপনের এক পবিত্র দিন। সর্বদা আপনার মঙ্গল ও কল্যাণ কামনা করি।’
তরুণ পেসার নাহিদ রানা লিখেছেন, ‘ঈদুল ফিতর মোবারক। এই ঈদ আপনার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, আনন্দ ও সাফল্য। তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।’
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক আকবর আলীও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, ‘সবার প্রতি ঈদ মোবারক। এই আনন্দঘন মুহূর্তগুলোকে আগলে রাখুন। ভালোবাসা ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে।’
খেলাধুলা
ফুটবলে নারী কোচ বাধ্যতামূলক করল ফিফা
নারী ফুটবলে কোচিং ও নেতৃত্বের ভূমিকায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করেছে ফিফা। এখন থেকে ফিফার আয়োজিত যে কোনো নারী টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হলে প্রতিটি দলের কোচিং স্টাফে অন্তত একজন নারী হেড কোচ বা সহকারী কোচ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যুব ও সিনিয়র থেকে সব ধরনের জাতীয় দল ও ক্লাব প্রতিযোগিতায় এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। প্রথমবারের মতো এটি কার্যকর হবে আগামী সেপ্টেম্বরে পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপে। এর পাশাপাশি দ্বিতীয় নারী চ্যাম্পিয়ন্স কাপ, ২০২৭ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিতব্য নারী বিশ্বকাপ এবং দুই বছর পর শুরু হতে যাওয়া নারী ক্লাব বিশ্বকাপেও এই নিয়ম বাস্তবায়ন করা হবে।
ফিফা জানিয়েছে, নারী ফুটবলের দ্রুত প্রসারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কোচিং ও নেতৃত্বের জায়গায় নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নারী ফুটবলের দ্রুত বিকাশের সঙ্গে যেন প্রযুক্তিগত ও নেতৃত্বের ভূমিকায় নারীদের উপস্থিতিও বাড়ে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ তবে বাস্তবতা হলো, নারী ফুটবলে কোচিংয়ের অধিকাংশ জায়গাই এখনো পুরুষদের দখলে। ২০২৩ নারী বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৩২ দলের মধ্যে মাত্র ১২ দলের প্রধান কোচ ছিলেন নারী।
ফিফার প্রধান ফুটবল কর্মকর্তা ও যুক্তরাষ্ট্র নারী দলের সাবেক কোচ জিল এলিস বলেন, ‘বর্তমানে কোচিংয়ে নারীর সংখ্যা খুবই কম।’ তিনি আরও বলেন, ‘পরিবর্তন ত্বরান্বিত করতে আমাদের আরও কাজ করতে হবে। স্পষ্ট পথ তৈরি করা, সুযোগ বাড়ানো এবং সাইডলাইনে নারীদের দৃশ্যমানতা বাড়ানো জরুরি।’ নতুন এই নিয়মকে ভবিষ্যতের বিনিয়োগ হিসেবেও দেখছেন এলিস। তার ভাষায়, ‘ফিফার নতুন বিধান এবং লক্ষ্যভিত্তিক উন্নয়ন কর্মসূচি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নারী কোচদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।’



