জাতীয়
সেনা অভিযানে ৭ দিনে গ্রেফতার ১৪৯
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে সাত দিনে ১৪৯ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে দেশব্যাপী পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে চলেছে সেনাবাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায়, গত ২৩ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীনস্থ ইউনিট কর্তৃক অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও মাদকাসক্তসহ মোট ১৪৯ জন অপরাধীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১৯টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ১৮টি ম্যাগাজিন, ২৬ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, ১৭টি কার্তুজ, ৪.৬২ কেজি বিস্ফোরক, দেশি-বিদেশি মাদকদ্রব্য, দেশি-বিদেশি ধারালো অস্ত্র, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়। আটকদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আইএসপিআর আরও জানায়, দেশব্যাপী জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়াও, বিভিন্ন জায়গায় অগ্নিনির্বাপনে সহায়তার পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে।
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সাধারণ জনগণকে যেকোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিষয়ে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে তথ্য প্রদান করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে আইএসপিআর।
জাতীয়
নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নারীর সমঅধিকার ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নারীর অবস্থা বিষয়ক কমিশনের ৭০তম অধিবেশন (সিএসডব্লিউ৭০)-এ বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।
বেইজিং ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনা এবং ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন সূচকের লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের পূর্ণ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।
তিনি উল্লেখ করেন, পরিচয় বা আর্থ-সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সব নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচার উন্মুক্ত হতে হবে, যাতে তারা নির্ভয়ে ও কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই আইনি সুরক্ষা লাভ করতে পারে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা অভিযানগুলোতে বাংলাদেশি নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
ড. রহমান আরও উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত এবং ডিজিটাল বিভাজন নতুন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, যা বিশেষভাবে গ্রামীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের নারীদের উপর প্রভাব ফেলে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করণ এবং মানবপাচার প্রতিরোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করছে।
উল্লেখ্য, নারীর অবস্থা বিষয়ক জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশন ২০২৬ সালের ৯-১৯ মার্চ নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা সব নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার।
এমএন
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সংসদে দায়িত্বে থাকবেন দুই মন্ত্রী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংসদ বিষয়ক কার্যাবলি কীভাবে সম্পাদিত হবে- তা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রধানমন্ত্রী, ২৫ জন মন্ত্রী এবং দুইজন প্রতিমন্ত্রীর বিকল্প হিসেবে সংসদে কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করবেন- তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এবং তাদের বিকল্প হিসেবে যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে- কোনো কারণে উভয়েই সংসদে অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্পর্কিত কার্যক্রম কীভাবে সম্পাদিত হবে তা-ও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং বিকল্প দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর যুগপৎ অনুপস্থিতিতে অর্থ মন্ত্রণালয় এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং তার অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রশ্নোত্তর প্রদান এবং সংসদ সম্পর্কিত কার্যাবলি সম্পাদন করবেন।’
জাতীয়
ধর্ষণ রোধে সব মন্ত্রণালয়কে সমন্বিত অ্যাকশনে যাওয়ার নির্দেশ
ধর্ষণ রোধে সব মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রী সমন্বিত ড্রাইভ দেওয়ার (পদক্ষেপ) নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গনি। তিনি বলেন, ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার মামলাগুলো দ্রুত নিস্পত্তি জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সচিব।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার মামলাগুলো দ্রুত নিস্পত্তির নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সমন্বয় জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার বিচার।’
মন্ত্রিপরিষদ সভায় পাচঁটি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। চলতি বছরের বাজেট যেটা হয়েছে সম্পূরক বাজেটে যে পরিবর্তন হয়েছে তা মন্ত্রিপরিষদ অনুমোদন করেছে, সেটি সংসদে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন নাসিমুল গনি।
এমএন
জাতীয়
পহেলা বৈশাখে প্রথম ধাপে ২১ হাজার ৫০০ কৃষক পাচ্ছেন কৃষক কার্ড
পহেলা বৈশাখের দিন ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় কৃষকদের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করবেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রি-পাইলটিং প্রকল্পের আওতায় এই কার্ড বিতরণ করতে যাচ্ছে সরকার।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কৃষক কার্ড প্রণয়ন সংক্রান্ত সেলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান।
আতিকুর রহমান রুমন জানান, পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদরসহ মোট ১১ উপজেলায় একযোগে এই কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ধাপে এসব উপজেলার ২১ হাজার ৫০০ কৃষকের কাছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ সহায়তা পৌঁছে যাবে।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, এই কার্ড কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চাষি ও খামারিদের দেওয়া হবে। এটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড হিসেবে কাজ করবে। শুধু ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র শ্রেণির কৃষককে কৃষি উপকরণ ক্রয়ের জন্য প্রণোদনা হিসেবে বছরে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা সার, বীজ, কীটনাশক ও পশু খাদ্য ক্রয় করতে পারবেন।
টাঙ্গাইল ছাড়া অন্য উপজেলাগুলো হল- পঞ্চগড়ের কমলাপুর ও বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকূপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সাবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ও মৌলভীবাজারের জুড়ী।
বৈঠক সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রস্তাবিত কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য পরিচিতি নিশ্চিত করা যাবে। পাশাপাশি কৃষি ভর্তুকি, ঋণ সুবিধা, বীজ ও সার বিতরণসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে দেওয়া সম্ভব হবে।
বৈঠকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষকদের তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াসিন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপিস্থত ছিলেন।
এমএন
জাতীয়
সংসদ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত, নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা
আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) সকাল ৮টায় (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে সংসদ সদস্য, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আশপাশের এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করবেন। এ বছর নারীদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক (গণসংযোগ) মো. এমাদুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের ঈদ জামাতে সদস্যরাসহ সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এবং এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ অংশগ্রহণ করবেন। এ বছর মহিলাদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে জামাতে শরিক হওয়ার জন্য সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
এছাড়া নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে জায়নামাজ, মোবাইল ফোন এবং প্রয়োজনে ছাতা ছাড়া অন্যকোনো ব্যাগ বা বস্তু সঙ্গে না আনার জন্যও বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এমএন




