জাতীয়
নিকার গঠন করে প্রজ্ঞাপন, আছেন যারা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) গঠন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
নিকার নতুন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও পরিদপ্তর স্থাপন, পুনর্গঠন এবং নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব বিবেচনা করবে। পাশাপাশি নতুন বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও থানা গঠন বা স্থাপন এবং এসব এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ সংক্রান্ত প্রস্তাবও কমিটিতে উপস্থাপন করা হবে।
স্থানীয় সরকার, অর্থ, স্বরাষ্ট্র, শিল্প এবং আইনমন্ত্রী; জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবকে নিকারে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। এর বাইরে জনপ্রশাসন, ভূমি, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, সমন্বয় ও সংস্কার, আইন ও বিচার বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিবকে নিকারের সদস্য করা হয়েছে।
এমএন
জাতীয়
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কেবল মৌখিক আহ্বানই নয়, তিনি নিজেও বিদ্যুৎ ব্যবহারকে সাশ্রয়ী করতে সচিবালয়ে নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সকল মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, আজ সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজের দফতরে আসেন। তিনি অফিসে এসে নিজের কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইটের সুইচ অফ করে দেন এবং এসির বিদ্যুৎ প্রবাহ ২৫ দশমিক ১ মাত্রায় নিয়ে আসেন। এই মাত্রা নিলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়।
শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রবেশ করেই কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করে দিতে এবং এসির মাত্রা কমিয়ে দিতে বলেন।
সচিবালয়ের ১ নং ভবনটি প্রধানমন্ত্রীর দফতর। এই দফতরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ প্রধানমন্ত্রীর অধীনস্থ বিভিন্ন বিভাগ রয়েছে।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরো জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যক্তিক্রমী উদ্যোগের পরে তাঁর দফতরের সব কক্ষে তাৎক্ষনিকভাবে অর্ধেক লাইট বন্ধ এবং এসির মাত্রা কমানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের সকল মন্ত্রণালয়, সারাদেশে সরকারি অফিস-আদালত, বেসরকারি ভবন, শপিংমল, বিপনী বিতানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
একইসঙ্গে তিনি লাইট কম ব্যবহার করে দিনের বেলা অফিস বা বাড়ি-ঘরের জানালার পর্দা সরিয়ে সূর্যের আলো ব্যবহারের জন্যও সকলকে পরামর্শ দেন।
এমএন
জাতীয়
ঈদের ছুটি বাড়ল একদিন
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি আরও একদিন বাড়িয়ে সাত দিন করেছে সরকার। মূলত মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ছুটি বাড়ানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঈদে সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঈদের আগে ১৮ মার্চ আরও একদিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে আগামী ১৬ মার্চ অফিস করেই সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদের ছুটি শুরু হচ্ছে। কারণ ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের ছুটি রয়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। সম্ভাব্য এই তারিখ ধরে আগেই পাঁচ দিনের ছুটির তারিখ নির্ধারণ করে রেখেছে সরকার। সে অনুযায়ী ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছিল ছুটি। তবে, নতুন করে একদিন বাড়ানোয় ১৮ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি কাটাতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবী। এরসঙ্গে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের ছুটি যোগ হওয়ায় টানা সাতদিন ছুটি ভোগ করতে পারবেন তারা।
এমএন
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি উন্নয়ন প্রকল্পের গতি ত্বরান্বিত করতে এবং জনসেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সব স্তরে স্বচ্ছতা বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দেন।
বিশেষ করে রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
এমএন
জাতীয়
ঈদের ছুটি বাড়বে কি না, সিদ্ধান্ত আজ
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটি বাড়তে পারে। এ বিষয়ে আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৮ মার্চ অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণার একটি প্রস্তাব তোলা হবে। প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে ঈদে মোট সাত দিনের ছুটি মিলতে পারে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য এ তারিখ ধরে আগেই পাঁচ দিনের ছুটির সময়সূচি নির্ধারণ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
সে অনুযায়ী ১৯ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি।
এ ছাড়া ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পরে ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি রাখা হয়েছে।
এদিকে ১৮ মার্চও ছুটি ঘোষণা করা হলে ঈদের আগের ছুটি চার দিনে দাঁড়াবে। কারণ ১৭ মার্চ পবিত্র শবেকদরের ছুটি রয়েছে। ফলে ঈদের দিন এবং পরবর্তী দুই দিনের ছুটিসহ মোট সাত দিনের ছুটি হতে পারে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ১৮ মার্চ ছুটির প্রস্তাবটি আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। তবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
এমএন
জাতীয়
‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন পরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের নীতি হচ্ছে চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবনসমূহ চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, শুধুমাত্র এলজিইডি’র পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে ১৭০টি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি ও এর অধীনস্থ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যে পরিত্যক্ত ভবনগুলো রয়েছে, সেগুলো ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
সভায় দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রতি বছর প্রায় ৩৪ লাখ নবজাতক জন্ম নেয়। অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, নবজাতক জন্মের এই পরিসংখ্যানে বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়কে আরও তৎপর হতে বলা হয়েছে।
বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী (যার মধ্যে ৮০ শতাংশ নারী ও ২০ শতাংশ পুরুষ) নিয়োগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
এ ছাড়া দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে যেন চিকিৎসকরা নিয়মিত উপস্থিত থাকেন, সেজন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে তাগাদা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এমএন




