কর্পোরেট সংবাদ
জাতিসংঘের ‘প্রিন্সিপালস ফর রেসপনসিবল ব্যাংকিং’-এ যোগ দিল সিটি ব্যাংক
বাংলাদেশের শীর্ষ টেকসই ও দায়িত্বশীল ব্যাংকিংয়ের বৈশ্বিক অঙ্গীকার নিয়ে জাতিসংঘের প্রিন্সিপালস ফর রেসপনসিবল ব্যাংকিং (পিআরবি) -এ স্বাক্ষর করেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি। এর মাধ্যমে ব্যাংকটি ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম ফাইন্যান্স ইনিশিয়েটিভ (ইউএনইপি এফআই)-এর সদস্য হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিটি ব্যাংক এই মাইলফলকের কথা জানায়। পিআরবি-তে স্বাক্ষরের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক এখন থেকে বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের ব্যবসায়িক কৌশল ও টেকসই অর্থায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
ইউএনইপি এফআই এর উদ্যোগে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ব্যাংকের সহযোগিতায় প্রণীত পিআরবি ব্যাংকসমূহকে তাদের ব্যবসায়িক কৌশল, পোর্টফোলিও এবং কার্যক্রমকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্যারিস চুক্তির উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য একটি বৈশ্বিক কাঠামো প্রদান করে।
১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএনইপি এফআই সারা বিশ্বের ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ককে একত্রিত করে, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সঙ্গে জাতিসংঘের সংযোগ স্থাপন করে টেকসই অর্থায়ন সংক্রান্ত এজেন্ডা প্রণয়নে কাজ করে। এর জেনেভাভিত্তিক সেক্রেটারিয়েট বিশ্বব্যাপী ৫৫০ টিরও বেশি ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছে।
পিআরবির স্বাক্ষরকারী হিসেবে সিটি ব্যাংক পিএলসি এখন একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের অংশ, যেখানে সদস্য ব্যাংকসমূহ সম্মিলিতভাবে আরও টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। এই নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে সিটি ব্যাংক এখন থেকে তাদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাবগুলো আরও নিবিড়ভাবে মূল্যায়ন করবে। ব্যাংকটি আন্তর্জাতিক চর্চার সঙ্গে মিল রেখে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করবে।
পিআরবিতে যোগদান সম্পর্কে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন বলেন, প্রিন্সিপালস ফর রেসপনসিবল ব্যাংকিংয়ে যোগদান আমাদের টেকসই ব্যাংকিং যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়তা, জলবায়ু অর্থায়ন জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে আমাদের ভূমিকা বৈশ্বিক পরিসরে তুলে ধরতে পারব।
তিনি আরও বলেন, এই সদস্যপদ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সফল ব্যাংকের অভিজ্ঞতা থেকে উদীয়মান টেকসই উন্নয়ন-সম্পর্কিত বিষয়গুলো সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি করবে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডসে একাধিক স্বীকৃতি পেল ‘স্বপ্ন’
দেশের শীর্ষস্থানীয় রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’ বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছে। এই অর্জনের মাধ্যমে দেশের আধুনিক খুচরা বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত এবং বাংলাদেশ রিটেইল ফোরামের সহযোগিতায় অ্যাওয়ার্ডটির তৃতীয় আসর রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মাধ্যমে খুচরা খাতে পরিবর্তন আনছে, এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানটির টাইটেল স্পন্সর হিসেবেও ‘স্বপ্ন’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৫৩টি প্রতিষ্ঠানের ৩৪৭টি মনোনয়নের মধ্যে ১৬ সদস্যের বিচারক প্যানেলের কঠোর মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বপ্ন চারটি
গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায়:
* বেস্ট রিটেইল অর্গানাইজেশন অব দ্য ইয়ার-স্বপ্ন: রিডিফাইনিং রিটেইল ইন বাংলাদেশ
* বেস্ট ইউজ অব টেকনোলজি ইন রিটেইল-স্বপ্ন ভিডিও অ্যানালিটিক্স প্রজেক্ট
* মোস্ট সাসটেইনেবল রিটেইল ইনিশিয়েটিভ-ফার্ম টু শেল্ফ: ট্রেসেবল, এথিক্যাল ও ইনক্লুসিভ ফ্রেশ প্রোডিউস সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলা
* মোস্ট ইনোভেটিভ রিটেইল ব্র্যান্ড অব দ্য ইয়ার ২০২৫-স্বপ্ন ১৬০ টাকা বিফ কম্বো
এছাড়া, ‘ট্রলি রান’ ক্যাম্পেইনের জন্য বেস্ট রিটেইল ক্যাম্পেইন ক্যাটাগরিতে স্বপ্ন ‘অনরেবল মেনশন’ অর্জন করে।
এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে এমন রিটেইলারদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়, যারা পরিবর্তিত গ্রাহক আচরণের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে, অফলাইন ও অনলাইন অভিজ্ঞতার সমন্বয় করছে এবং নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
‘স্বপ্ন’-এর এই অর্জন প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম, গ্রাহকদের জন্য মূল্য সৃষ্টি এবং একটি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রিটেইল পরিবেশ গড়ে তোলার ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।
এই সাফল্যের মাধ্যমে ‘স্বপ্ন’ দেশের বিকাশমান রিটেইল খাতে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করে চলেছে এবং আধুনিক খুচরা বাণিজ্যে পথপ্রদর্শক হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে।
কর্পোরেট সংবাদ
বাংলাদেশ ফাইন্যান্স ও সেভেন টন এক্সপ্রেসের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসি সম্প্রতি সেভেন টন এক্সপ্রেস লিমিটেডের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এর মাধ্যমে সেভেন টন এক্সপ্রেসকে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের অফিসিয়াল ডেলিভারি পার্টনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এই কৌশলগত চুক্তির আওতায় সেভেন টন এক্সপ্রেস লিমিটেড বাংলাদেশ ফাইন্যান্সকে সারাদেশে ডকুমেন্ট, প্যাকেজ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অপারেশনাল উপকরণ দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকরভাবে সরবরাহের জন্য পূর্ণাঙ্গ ডেলিভারি ও লজিস্টিকস সেবা প্রদান করবে। এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের অপারেশনাল উৎকর্ষতা ও গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত করার অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।
সহযোগিতার মাধ্যমে সেভেন টন এক্সপ্রেসের দক্ষতা ও দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স তাদের লজিস্টিকস সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে পারবে। ফলে অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে, সেবাদানের সময় কমবে এবং সামগ্রিক গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নত হবে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কায়সার হামিদ এবং সেভেন টন এক্সপ্রেস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম।
এ ছাড়া উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তারা এই অংশীদারিত্বের দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্স জানায়, প্রযুক্তিনির্ভর ও কার্যকর সমাধান গ্রহণের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ, যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি নির্ভরযোগ্য অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে তাদের গ্রাহকদের জন্য আরও সহজ, দ্রুত এবং নিরবচ্ছিন্ন আর্থিক সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
রিহ্যাব নির্বাচন আজ, ২৯ পদের বিপরীতে ৭৭ প্রার্থী
রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। এবারের নির্বাচনে ২৯টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭৭ জন প্রার্থী; যা সংগঠনটির ইতিহাসে অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নির্বাচনে মোট ভোটার ৬.৭৪ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৬১৩ জন এবং চট্টগ্রামের ৬১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
এবার প্রথমবারের মতো সভাপতি, ছয় সহ-সভাপতি এবং ১৯ পরিচালক পদে সরাসরি ভোটগ্রহণ হচ্ছে। ফলে নির্বাচনকে ঘিরে আবাসন খাতজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও বাড়তি আগ্রহ।
খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, এবারের নির্বাচন কেবল নেতৃত্ব বাছাই নয়; বরং রিহ্যাবের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শক্তিশালী ও কার্যকর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলে আবাসন খাত আরও গতিশীল হবে এবং সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণে নতুন গতি আসবে।
নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে তিনটি প্যানেলকে কেন্দ্র করে— আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ, প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ এবং জাগরণ প্যানেল।
ঐক্য পরিষদে অভিজ্ঞদের প্রাধান্য
বর্তমান সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে ‘আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ’ প্যানেলটি তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিজ্ঞ ও পরিচিত ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে গঠিত এই প্যানেল ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন, নীতিগত সহায়তা বৃদ্ধি এবং সদস্যদের স্বার্থ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। নির্বাচিত হলে রিহ্যাব ভবন নির্মাণকেও অগ্রাধিকার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা।
প্রগতিশীল প্যানেলে নতুন সমীকরণ
‘প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ’ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গ্লোরিয়াস ল্যান্ডস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টসের চেয়ারম্যান মো. আলী আফজাল। এ প্যানেলে গত নির্বাচনে বিজয়ী চার সদস্যের অংশগ্রহণ নির্বাচনি সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
জাগরণ প্যানেলের চ্যালেঞ্জ
অন্যদিকে জাগরণ প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন রিহ্যাবের সাবেক সভাপতি মোকাররম হোসেন খান। আংশিক প্যানেল নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া এই প্যানেলও ভোটারদের কাছে নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকার চেষ্টা করছে।
এক দশক পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট
রিহ্যাবের ইতিহাসে একসময় নির্বাচন ছিল নিয়মিত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তবে ২০১৪ সালে বিনা ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর দীর্ঘ সময় সমঝোতার ভিত্তিতে কমিটি গঠিত হয়। প্রায় এক দশক পর ২০২৪ সালে আবার সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন ফিরে আসে। সে নির্বাচনে জয়ী হয় ঐক্য পরিষদ প্যানেল।
বর্তমান পর্ষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এবারের ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রথমে ভোটের তারিখ নির্ধারিত ছিল ১৭ ফেব্রুয়ারি; জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে তা পিছিয়ে আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সব মিলিয়ে দীর্ঘদিন পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনকে ঘিরে আবাসন খাতে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এখন সবার দৃষ্টি ভোটের ফলাফলের দিকে।
কর্পোরেট সংবাদ
দি প্রিমিয়ার ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজুর মফিজ
দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনের ভিত্তিতে মো. মনজুর মফিজকে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আগামী তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার এই নিয়োগ ১৬ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে।
এর আগে তিনি ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের চলতি দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এ বিষয়ে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান বলেন, মো. মনজুর মফিজ ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ।
আমরা বিশ্বাস করি, তার দক্ষ নেতৃত্ব ব্যাংকের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিন দশকেরও বেশি সময়ের সমৃদ্ধ ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা নিয়ে মো. মনজুর মফিজ ১৯৯৩ সালে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ডাচ-বাংলা ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, এবি ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন।
তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে ফাইন্যান্সে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। করপোরেট ব্যাংকিং, ফান্ড ম্যানেজমেন্ট, রিটেইল ও এসএমই ডিপোজিট বৃদ্ধি এবং এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে তার উল্লেখযোগ্য দক্ষতা রয়েছে।
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের ত্রৈমাসিক ব্যবসায় পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৯টি জোন ও ৪টি কর্পোরেট শাখার ত্রৈমাসিক ব্যবসায় পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ের ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।
ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আলতাফ হুসাইন সভায় সভাপতিত্ব করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম।
এছাড়া ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টরবৃন্দ, প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা, ৯টি জোনের জোনপ্রধান এবং ৪টি কর্পোরেট শাখার প্রধানরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রগতি, লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ভবিষ্যৎ কার্যপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।



