জাতীয়
ভোটের দিন সচল থাকছে মেট্রোরেল, বাড়বে ট্রেনের সংখ্যা
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের যাতায়াত সহজ করতে চালু থাকবে মেট্রোরেল। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, এদিন ট্রেন চলাচল কেবল স্বাভাবিকই থাকবে না, বরং যাত্রীর চাপ সামলাতে ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
ডিএমটিসিএলের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ভোটের জন্য ছুটির দিনগুলোতেও স্বাভাবিক কর্মদিবসের মতোই মেট্রো ট্রেন চলাচল করবে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে যেসব স্টেশনের গেট ভোটকেন্দ্রের একেবারে পাশে অবস্থিত, সেসব গেট বন্ধ রাখা হবে। অন্য গেটগুলো খোলা থাকবে। এদিকে নির্বাচনকালীন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ডিএমটিসিএল ও সংশ্লিষ্ট সবার ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
অন্যদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারা দেশে যান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে ২ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
তিন দিন মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত অর্থাৎ মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
তবে জরুরি প্রয়োজনে এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজে এই বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শিথিলতা রাখা হয়েছে।
এমএন
জাতীয়
বিটিভিতে আজ তারেক রহমান ও ডা.শফিকুর রহমানের নির্বাচনি ভাষণ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এই ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬ থেকে ৭টার মধ্যে জামায়াত আমির এবং রাত ৭ থেকে ৮টার মধ্যে তারেক রহমানের ভাষণ সম্প্রচার করবে বিটিভি। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের ভাষণও সম্প্রচারের কথা রয়েছে।
এর আগে রোববার এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের (চরমোনাই পীর) ভাষণ বিটিভিতে সম্প্রচার করা হয়।
এদিকে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে সেনাসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এ ছাড়া মঙ্গলবার থেকে নির্বাচনি অপরাধের দ্রুত বিচারে ৬৫৭ বিচারকও মাঠে থাকবেন।
সরকারের দেওয়া তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। এরমধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) প্রায় সাড়ে ৫ লাখ সদস্য ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে। পুলিশের প্রায় দেড় লাখ, সশস্ত্র বাহিনীর ১ লাখ এবং বিজিবির ৩৭ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকবে। ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০টিতে বডি-ওর্ন ক্যামেরার আওতায় থাকবে।
নির্বাচনে প্রায় ৪০০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং প্রায় ৫০ হাজার দেশীয় পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। একইসঙ্গে বিদেশি সাংবাদিকরাও নির্বাচনি তথ্য সংগ্রহ করবেন।
ত্রয়োদশ নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন।
এমএন
জাতীয়
নির্বাচনী অপরাধের দ্রুত বিচারের জন্য ৬৫৭ বিচারক নিয়োগ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কোনো ধরনের অনিয়ম ও অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ৬৫৭ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন তারা নির্বাচনি এলাকায় বিচারিক দায়িত্ব পালন করবেন।
আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের তালিকা ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবের কাছে পাঠিয়েছে।
মনোনয়ন সংক্রান্ত ওই চিঠিতে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনি এলাকায় ভোট গ্রহণের আগের দুই দিন, ভোটের দিন এবং ভোট গ্রহণের পরের দুই দিনসহ মোট পাঁচ দিনের জন্য এই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করবেন। অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা নির্বাচনি অপরাধের বিচারিক দায়িত্বে থাকবেন।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের ৬৫৭ জন বিচারককে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মনোনয়ন দিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীনে ন্যস্ত করা হয়েছে।
মনোনীত জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী নির্বাচনি অপরাধ আমলে নেওয়া এবং সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার সম্পন্ন করবেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তারা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের আওতায় সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
এর আগে, নির্বাচনকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৩ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে এক হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন।
এমএন
জাতীয়
চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট স্থগিত, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আল্টিমেটাম
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’ এক বিজ্ঞপ্তির ধর্মঘট স্থগিতের বিষয়টি জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র রমজানে পণ্য খালাসের স্বার্থে ধর্মঘট কর্মসূচি সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। তবে বন্দর কর্মচারীদের গ্রেপ্তার, হয়রানিমূলক বদলি, সাময়িক বরখাস্তসহ পাঁচটি সমস্যা সমাধান না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি আবার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৩১ জানুয়ারি থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার ভার বিদেশি অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়া বাতিলসহ চার দফা দাবিতে টানা ছয়দিন কর্মবিরতি পালন করেন শ্রমিক-কর্মচারিরা। এরপর শুক্র ও শনিবার স্থগিত ছিল কর্মসূচি।
এর মধ্যে ১৫ কর্মচারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পর আবারও কর্মসূচিতে ফিরে আন্দোলনকারীরা। দুদিনের বিরতির পর গতকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে আবারও লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দেয় বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। এদিন বন্ধ ছিল বহির্নোঙরের কার্যক্রমও। এতে পুরো বন্দর অচল হয়ে পড়ে।
তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে- এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে লিজ না দেয়ার বিষয়ে সরকার কর্তৃক ঘোষণা দেয়া, বন্দর চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহার করে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা, আন্দোলনরত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত গৃহীত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নেয়া।
এমএন
জাতীয়
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিতে পারবেন না ভোটাররা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ফোন নিয়ে যাওয়া যাবে না।
শুধু দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার, সাধারণ আনসার বা ভিডিপির ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ এপ্লিকেশন ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য ফোন রাখতে পারবেন।
এর আগে নির্বাচনের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ও বাহিনী মোতায়েন কার্যক্রম নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বরাতে শনিবার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, দেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশের জন্য ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে। বৈঠকে এসব ক্যামেরার কার্যক্রমের একটি সরাসরি প্রদর্শনীও দেখানো হয়।
নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ পুরোপুরি চালু হওয়ার কথা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অ্যাপটি কেবল নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ব্যবহার করবেন।
কোনো ভোটকেন্দ্র বা আশপাশে সহিংসতা বা গোলযোগ হলে অ্যাপের মাধ্যমে দ্রুত সংশ্লিষ্ট বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার এবং কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে বার্তা পৌঁছে যাবে। এতে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।
জাতীয়
নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটিতে সংশোধনী, নতুন প্রজ্ঞাপন জারি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঘোষিত ছুটিতে সংশোধনী এনেছে সরকার। আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন সহকারী সচিব এ বি এম আবু বাকার ছিদ্দিক।
সংশোধনী প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য চলতি মাসে ১০ তারিখের বিশেষ ছুটি বহাল থাকবে।
এদিকে রমজান মাসে সাহরি ও ইফতারের সময় বিবেচনায় দেশের সব সরকারি ও আধাসরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে অফিস সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাসে সাহরি ও ইফতারের সময় বিবেচনায় দেশের সব সরকারি ও আধাসরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য অফিস সময়সূচি নির্ধারণ করা হলো। সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস চলবে। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে বলেও এতে জানানো হয়েছে।



