পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ২২ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৩টি কোম্পানির ২২ কোটি ৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিগুলোর মোট ৫৩ লাখ ৬৯ হাজার ৩৫০টি শেয়ার ৭৩ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ২২ কোটি ৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৬ কোটি ৩১ লাখ ৭৮ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে যমুনা ব্যাংকের ২ কোটি ৭১ লাখ ৭০ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে সিটি ইন্স্যুরেন্সের ২ কোটি ২৭ লাখ ৮৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
পুঁজিবাজার
এনভয় টেক্সটাইলসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এনভয় টেক্সটাইলস পিএলসি গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৪ পয়সা । গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ২ টাকা ৪৪ পয়সা আয় হয়েছিল।
অন্যদিকে হিসাববছরের তিন প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৯ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৮৯ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ৬ টাকা ৩ পয়সা আয় হয়েছিল।
গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৬১ টাকা ২১ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ১৮৮ শেয়ারদর
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দেড় ঘণ্টায় লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৮৮টির শেয়ারদর বেড়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১১টা ২৮ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ সূচক ১৫ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৩৩১ পয়েন্টে।
অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ‘ডিএসইএস’ সূচক ০ দশমিক ৯৪ পয়েন্ট বেড়ে এবং ‘ডিএস৩০’ সূচক ১ দশমিক ১৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০৬৬ ও ২০২৭ পয়েন্টে।
এসময় টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৩৩২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।
এসময়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৮টি, কমেছে ১১৮টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮৩টি কোম্পানির শেয়ারের।
এমএন
পুঁজিবাজার
স্যালভো কেমিক্যালের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি স্যালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৯ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ১৭ পয়সা আয় হয়েছিল।
চলতি হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৯ মাসে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৪ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ৩৯ পয়সা আয় হয়েছিল।
গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৬ টাকা ৭২ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
ইনটেকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইনটেক লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ১১ পয়সা লোকসান হয়েছে। গত বছরও একই সময়ে শেয়ার প্রতি ১১ পয়সা লোকসান হয়েছিল।
চলতি হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৯ মাসে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৮ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ২৯ পয়সা লোকসান হয়েছিল।
গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৭২ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজসহ ৪ কর্মকর্তাকে ৬৬ লাখ টাকা জরিমানা
পুঁজিবাজারে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড এবং প্রতিষ্ঠানটির চার কর্মকর্তাকে মোট ৬৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বিনিয়োগকারী মো. আইয়ুব আলীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শেষে তথ্য পরিবর্তন, ভুয়া পোর্টফোলিও বিবরণী প্রদান এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষণে ব্যর্থতার মতো অভিযোগে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সূত্রে মতে, বিনিয়োগকারী আইয়ুব আলীর অজান্তেই তার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য পরিবর্তন, ভুয়া হিসাব বিবরণী তৈরি এবং প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণে চরম গাফিলতির মতো একাধিক গুরুতর অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। বিনিয়োগকারীর অনুমতি ছাড়াই তার মোবাইল নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা পরিবর্তন করে অন্য নম্বর সংযুক্ত করা হয়, যা সরাসরি সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন। এই অপরাধে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রহমত পাশা, কর্মকর্তা মো. শহীদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম ও আব্দুল আহাদ শেখকে পৃথকভাবে অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়।
এছাড়া বিনিয়োগকারীকে বিভ্রান্ত করতে ভুয়া ও বানোয়াট পোর্টফোলিও স্টেটমেন্ট সরবরাহের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এবং বিনিয়োগকারীর বিও হিসাব খোলার মূল ফরম সংরক্ষণে ব্যর্থতার জন্য সংশ্লিষ্টদের অতিরিক্ত জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।
কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডকে মোট ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া এমডি ও সিইও মোহাম্মদ রহমত পাশা এবং কর্মকর্তা মো. শহীদুজ্জামানকে ১৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অপরদিকে কমপ্লায়েন্স অফিসার রফিকুল ইসলাম ও কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ শেখকে ৩ লাখ টাকা করে জরিমানা গুনতে হবে।
জালিয়াতির ধরন ও জরিমানার বিবরণ
তথ্য পরিবর্তন ও বিধি লঙ্ঘন: বিনিয়োগকারীর যথাযথ অনুমোদন ব্যতিরেকে তার মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল ঠিকানা পরিবর্তন করে অন্য মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল (যা বিনিয়োগকারীর নয়) অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০ এর বিধি ১১ ও দ্বিতীয় তফসিলের আচরণ বিধি ১ এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩ এর ধারা ১৮ লঙ্ঘন হয়েছে। এই অপরাধে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজকে ১০ লাখ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রহমত পাশাকে ৫ লাখ, অফিসার মো. শহীদুজ্জামানকে ৫ লাখ এবং কমপ্লায়েন্স অফিসার রফিকুল ইসলাম ও অফিসার আব্দুল আহাদ শেখকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
ভুয়া পোর্টফোলিও বিবরণী প্রদান: বিনিয়োগকারীকে অসত্য ও বানোয়াট পোর্টফোলিও বিবরণী প্রদানের মাধ্যমে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অর্ডিনেন্স, ১৯৬৯ এর ধারা ১৮ ও ২২ লঙ্ঘন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ধারা ১৮ এবং সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০ এর বিধি ১১ ও দ্বিতীয় তফসিলের আচরণ বিধি ১ লঙ্ঘন হয়েছে। এই অপরাধেও ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজকে ১০ লাখ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রহমত পাশাকে ৫ লাখ, অফিসার মো. শহীদুজ্জামানকে ৫ লাখ এবং কমপ্লায়েন্স অফিসার রফিকুল ইসলাম ও অফিসার আব্দুল আহাদ শেখকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
নথিপত্র গায়েব ও তথ্য গোপন: বিনিয়োগকারীর বিও হিসাব খোলার ফরম সংরক্ষণ না করা তথা হারানো এবং বিষয়টি গোপন করে ও গ্রাহকের সম্মতি ছাড়াই বিও হিসাব ফরমে অসত্য তথ্যের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ২০২০ এর রুল ৫(২)(ই); সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০ এর বিধি ১১ ও দ্বিতীয় তফসিলের আচরণ বিধি ১: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ধারা ১৮ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অর্ডিনেন্স, ১৯৬৯ এর ধারা ১৮ ও ২২ লঙ্ঘন হয়েছে। একই অপরাধে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজকে ১০ লাখ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রহমত পাশাকে ৫ লাখ, অফিসার মো. শহীদুজ্জামানকে ৫ লাখ এবং কমপ্লায়েন্স অফিসার রফিকুল ইসলাম ও অফিসার আব্দুল আহাদ শেখকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, বিনিয়োগকারীর তথ্যের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাহকের তথ্য জালিয়াতি বা প্রতারণার ঘটনা প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি আরোপ করার বিকল্প নেই। বিএসইসির এই পদক্ষেপ বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ড বন্ধে এ ধরনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ ব্যাপারে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রহমত বলেন, বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন এবং একটি চলমান মামলা হওয়ায় এখনো চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়নি। আমার জানা মতে, বিষয়টি সাবজুডিস অবস্থায় রয়েছে। বিএসইসি থেকে আমরা অবগত হয়েছি যে, পিবিআই-এর তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পরই কমিশন তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।



