পুঁজিবাজার
ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজসহ ৪ কর্মকর্তাকে ৬৬ লাখ টাকা জরিমানা
পুঁজিবাজারে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড এবং প্রতিষ্ঠানটির চার কর্মকর্তাকে মোট ৬৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বিনিয়োগকারী মো. আইয়ুব আলীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শেষে তথ্য পরিবর্তন, ভুয়া পোর্টফোলিও বিবরণী প্রদান এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষণে ব্যর্থতার মতো অভিযোগে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সূত্রে মতে, বিনিয়োগকারী আইয়ুব আলীর অজান্তেই তার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য পরিবর্তন, ভুয়া হিসাব বিবরণী তৈরি এবং প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণে চরম গাফিলতির মতো একাধিক গুরুতর অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। বিনিয়োগকারীর অনুমতি ছাড়াই তার মোবাইল নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা পরিবর্তন করে অন্য নম্বর সংযুক্ত করা হয়, যা সরাসরি সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন। এই অপরাধে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রহমত পাশা, কর্মকর্তা মো. শহীদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম ও আব্দুল আহাদ শেখকে পৃথকভাবে অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়।
এছাড়া বিনিয়োগকারীকে বিভ্রান্ত করতে ভুয়া ও বানোয়াট পোর্টফোলিও স্টেটমেন্ট সরবরাহের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এবং বিনিয়োগকারীর বিও হিসাব খোলার মূল ফরম সংরক্ষণে ব্যর্থতার জন্য সংশ্লিষ্টদের অতিরিক্ত জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।
কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডকে মোট ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া এমডি ও সিইও মোহাম্মদ রহমত পাশা এবং কর্মকর্তা মো. শহীদুজ্জামানকে ১৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অপরদিকে কমপ্লায়েন্স অফিসার রফিকুল ইসলাম ও কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ শেখকে ৩ লাখ টাকা করে জরিমানা গুনতে হবে।
জালিয়াতির ধরন ও জরিমানার বিবরণ
তথ্য পরিবর্তন ও বিধি লঙ্ঘন: বিনিয়োগকারীর যথাযথ অনুমোদন ব্যতিরেকে তার মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল ঠিকানা পরিবর্তন করে অন্য মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল (যা বিনিয়োগকারীর নয়) অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০ এর বিধি ১১ ও দ্বিতীয় তফসিলের আচরণ বিধি ১ এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩ এর ধারা ১৮ লঙ্ঘন হয়েছে। এই অপরাধে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজকে ১০ লাখ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রহমত পাশাকে ৫ লাখ, অফিসার মো. শহীদুজ্জামানকে ৫ লাখ এবং কমপ্লায়েন্স অফিসার রফিকুল ইসলাম ও অফিসার আব্দুল আহাদ শেখকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
ভুয়া পোর্টফোলিও বিবরণী প্রদান: বিনিয়োগকারীকে অসত্য ও বানোয়াট পোর্টফোলিও বিবরণী প্রদানের মাধ্যমে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অর্ডিনেন্স, ১৯৬৯ এর ধারা ১৮ ও ২২ লঙ্ঘন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ধারা ১৮ এবং সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০ এর বিধি ১১ ও দ্বিতীয় তফসিলের আচরণ বিধি ১ লঙ্ঘন হয়েছে। এই অপরাধেও ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজকে ১০ লাখ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রহমত পাশাকে ৫ লাখ, অফিসার মো. শহীদুজ্জামানকে ৫ লাখ এবং কমপ্লায়েন্স অফিসার রফিকুল ইসলাম ও অফিসার আব্দুল আহাদ শেখকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
নথিপত্র গায়েব ও তথ্য গোপন: বিনিয়োগকারীর বিও হিসাব খোলার ফরম সংরক্ষণ না করা তথা হারানো এবং বিষয়টি গোপন করে ও গ্রাহকের সম্মতি ছাড়াই বিও হিসাব ফরমে অসত্য তথ্যের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ২০২০ এর রুল ৫(২)(ই); সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০ এর বিধি ১১ ও দ্বিতীয় তফসিলের আচরণ বিধি ১: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ধারা ১৮ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অর্ডিনেন্স, ১৯৬৯ এর ধারা ১৮ ও ২২ লঙ্ঘন হয়েছে। একই অপরাধে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজকে ১০ লাখ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রহমত পাশাকে ৫ লাখ, অফিসার মো. শহীদুজ্জামানকে ৫ লাখ এবং কমপ্লায়েন্স অফিসার রফিকুল ইসলাম ও অফিসার আব্দুল আহাদ শেখকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, বিনিয়োগকারীর তথ্যের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাহকের তথ্য জালিয়াতি বা প্রতারণার ঘটনা প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি আরোপ করার বিকল্প নেই। বিএসইসির এই পদক্ষেপ বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ড বন্ধে এ ধরনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ ব্যাপারে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রহমত বলেন, বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন এবং একটি চলমান মামলা হওয়ায় এখনো চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়নি। আমার জানা মতে, বিষয়টি সাবজুডিস অবস্থায় রয়েছে। বিএসইসি থেকে আমরা অবগত হয়েছি যে, পিবিআই-এর তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পরই কমিশন তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
পুঁজিবাজার
এনবিএল সিকিউরিটিজ ও সাবেক এমডি জোবায়েদ মামুনকে জরিমানা
গ্রাহকের অনুমতি ছাড়াই শেয়ার লেনদেন এবং সিকিউরিটিজ আইনের বিভিন্ন বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্রোকারেজ হাউস এনবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং এর দুই সাবেক কর্মকর্তাকে জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, এনফোর্সমেন্ট বিভাগের তদন্তে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের ক্রয়-বিক্রয় আদেশ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করেনি এবং বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতেও ব্যর্থ হয়েছে।
এসব অনিয়মের দায়ে এনবিএল সিকিউরিটিজকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জোবায়েদ আল-মামুন হাসানকে ৫ লাখ টাকা এবং সাবেক প্রধান অ্যান্টি মানি লন্ডারিং পরিপালন কর্মকর্তা ও এভিপি ফারজানা ফেরদৌসীকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বিএসইসির আদেশে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা রক্ষার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আদেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে বলা হয়েছে, অন্যথায় সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুঁজিবাজার
তৃতীয় প্রান্তিকে আয় কমেছে আরএফএলের
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেড (আরএফএল) ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয় বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মার্চ ২০২৬ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯৯ পয়সা।
চলতি হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই ২০২৫–মার্চ ২০২৬) ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ১৪ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৩ টাকা ১৭ পয়সা।
এছাড়া, ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩৫ টাকা ৯৪ পয়সা।
পুঁজিবাজার
মুনাফা বেড়েছে এপেক্স ফুটওয়্যারের
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয় বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মার্চ ২০২৬ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪৯ পয়সা।
চলতি হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই ২০২৫–মার্চ ২০২৬) ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৫৪ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৩ টাকা ৫৬ পয়সা।
এছাড়া, ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫১ টাকা ৮৯ পয়সা।
পুঁজিবাজার
এনসিসি ব্যাংকের ২১% লভ্যাংশ ঘোষণা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান এনসিসি ব্যাংক পিএলসি ২০২৫ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২১ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে ১৭ শতাংশ নগদ এবং ৪ শতাংশ বোনাস শেয়ার রয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের পর এই লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয় বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ২৯ পয়সা, যা আগের বছরের ৩ টাকা ৯৪ পয়সা থেকে বেড়েছে।
এদিকে, শেয়ার প্রতি নগদ প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ১৫ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ২ টাকা ৮৩ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৭ টাকা ২০ পয়সা।
ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৪ জুন বেলা ১২টায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। আর লভ্যাংশ প্রাপ্তির যোগ্যতা নির্ধারণে ২১ মে নির্ধারণ করা হয়েছে রেকর্ড তারিখ।
পুঁজিবাজার
৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ আয় বেড়েছে সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারী লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আলোচ্য প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১২ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ৬৩ পয়সা আয় হয়েছিল।
অন্যদিকে হিসাববছরের তিন প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৯ মাসে (জুলাই,২৫-মার্চ,২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৮ পয়সা। গতবছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ২ টাকা ৩৫ পয়সা আয় হয়েছিল।
গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৩১ টাকা ৯০ পয়সা।
এমএন



