রাজনীতি
অবশেষে শাপলা কলিতেই রাজি এনসিপি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকের পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, প্রতীক হিসেবে শাপলা কলিতেই রাজি দলটি।
রোববার (২ নভেম্বর) বিকেলে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, শাপলা, সাদা শাপলা ও শাপলা কলিকে দলের প্রতীক হিসেবে চেয়ে ইসিতে চিঠি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।
রোববার (২ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নির্বাচন ভবনে সিইসির দপ্তরে প্রবেশ করে নতুন করে প্রতীকের জন্য আবেদন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এবার তারা শাপলা, সাদা শাপলা এবং শাপলা কলির মধ্যে শাপলা কলিকে প্রতীক হিসেবে বরাদ্দ চেয়েছে।
রাজনীতি
২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে ‘ডিপ স্টেট’ স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে দিয়েছিল
অন্তর্বর্তী সরকার যেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারে, ‘ডিপ স্টেট’ তেমন একটা স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন অর্ন্তবর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এনসিপি আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা যখন সরকারের দায়িত্বে ছিলাম, শুরুর দিকে আমাদেরকে বিভিন্ন শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন, যাদেরকে আসলে ‘ডিপ স্টেট’ বলা হয়, তাদের কাছ থেকে আমাদের অফার করা হয়েছিল, আপনারা শেখ হাসিনার যে মেয়াদ আছে ২০২৯ সাল পর্যন্ত, সেটি আপনারা শেষ করুন। আপনারা শেষ করুন, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।
তিনি বলেন, তাদের নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ছিল, কিছু কিছু জায়গায় তাদেরকে ফ্যাসিলিটেট করা। তারা রোড ম্যাপও করে নিয়ে এসেছিল যে, বিএনপির নেতাদের তো সাজা আছে, সাজা থাকলে সাধারণভাবে নির্বাচন দিলেও তারা নির্বাচন করতে পারবে না, তাদের সাজাগুলো ইয়ে না করে (বাতিল না করে) আদালতের মাধ্যমে এগুলো দীর্ঘ করে, আপনারা তো জানেন সেটা কীভাবে করা যায়, আদালতের ডেট ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে। তারেক রহমানের নিজের নামে সাজা ছিল। তিনি যদি সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় থাকতেন, নির্বাচন হলেও তিনি বাংলাদেশের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারতেন না। তারা পুরো স্ট্র্যাটেজি আমাদেরকে সাজিয়ে দিয়েছিল, কীভাবে ক্ষমতায় থাকা যায় তাদের সঙ্গে এক ধরনের নেগোসিয়েশন বা সমঝোতার ভিত্তিতে। আমরা কিন্তু সেটাতে সায় দিইনি।
সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, আমরা সবসময় গণতন্ত্রকে সামনে রেখেছি এবং সেটার প্রতি কমিটমেন্ট সরকারের ছিল বলেই নির্বাচনটা হয়েছে। নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেজন্য নিজেরা আগবাড়িয়ে পদত্যাগ করে চলে এসেছি। কিন্তু আমরা দেখলাম, বিগত সরকারের দুজন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি সরকারের মন্ত্রী পদমর্যাদায় আছেন। যদিও এই সরকারি দলই সেই সময় আমাদের পদত্যাগ চেয়েছিল। তখন নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরির এক ধরনের যুক্তি দাঁড় করানো হয়েছিল। কিন্তু তারাই এখন একই কাজ করল। আগের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুজন দায়িত্বশীলকে তাদের সরকারের মন্ত্রী হিসেবে নিলো।
তিনি আরও বলেন, এতে বোঝা যায়, তারা এই নির্বাচনের লেভেল প্লেইং ফিল্ডকে আসলে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের সুবিধা পাওয়ার জন্য এই মানুষগুলোকে, যাদেরকে তারা এখন পুরস্কৃত করেছে, তাদেরকে ব্যবহার করেছে। এই যে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলা হচ্ছে। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার ন্যারেটিভ তখন আমাদের পক্ষে উৎপাদিত হতো। ডিপ স্টেট, এজেন্সি যদি সঙ্গে থাকত, তাহলে তো সবাই বলতে পারত, সংবিধান অনুযায়ী ২৯ সালে নির্বাচন হওয়া উচিত, তাহলে সরকার থাক ২৯ সাল পর্যন্ত। আমরা সেই সমঝোতা করি নাই।
রাজনীতি
স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের শ্রদ্ধা
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহীদদের স্মরণে দোয়া করেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৬টার দিকে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন— জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, জামায়াত সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি।
রাজনীতি
স্বাধীনতার ৫০ বছরে বহু প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি : জামায়াত আমির
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামি জনতা দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তৎকালীন শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রত্যাশা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার। ক্ষুধা-দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসন মুক্ত একটি দেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনতা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এবং লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। তবে স্বাধীনতার ৫৫ বছরে দেশের মানুষের বহু প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
বুধবার (২৫ মার্চ) বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেইজে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার জুলাই গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মানুষ মুক্তি লাভ করেছে। দেশে ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। দেশবাসীর প্রত্যাশা, এমন পরিস্থিতিতে কেউ আর নতুন করে ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার দুঃসাহস দেখাবে না।
দেশের মানুষ ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশে চলাফেরা করতে পারবে, কথা বলতে পারবে। মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ ও বৈষম্য থাকবে না। নাগরিকরা জানমাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা ভোগ করবে। দেশে ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত হবে।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছে এবং গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ নাগরিক ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে ম্যান্ডেট দিয়েছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না। অবিলম্বে সরকারকে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ দ্রুত বাস্তবায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা মহান স্বাধীনতা দিবসে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে স্মরণ করছি বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ঐ সমস্ত জনতাকে যাদের ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করেছে। আমরা আরও স্মরণ করছি ২০২৪ এর জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনের সকল শহীদদের এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের। আমরা সকল শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
ড. শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধ চলমান। সারা দুনিয়া এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। মানবতা আজ হুমকির সম্মুখীন। এমন সংকটময় মুহূর্তে আমি মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি এবং মহান আল্লাহর কাছে দেশবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করছি।
রাজনীতি
স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরি: চরমোনাই পীর
স্বাধীনতাকে অর্থবহ ও কার্যকর করতে রাষ্ট্রের নীতিগত ও পদ্ধতিগত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)।
৫৬তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তন না করে কেবল ব্যক্তি ও শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন হলে স্বাধীনতা কেবল কাগুজে স্বাধীনতায় পরিণত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীকালেও দেশে সংবিধান মেনে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দুঃখজনক দৃষ্টান্ত রয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ ও হতাহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সেইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধেরসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।
তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার একটি রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই স্বৈরাচারকে উৎখাত করা হয়েছে। তবে স্বৈরতন্ত্রের চিরস্থায়ী বিলোপ নিশ্চিত করার জন্য রাজনৈতিক দলসমূহের প্রস্তাবিত ও গণভোটের মধ্য দিয়ে অনুমোদিত সংস্কারের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
আজকের এই স্বাধীনতা দিবসে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে গণভোটে অনুমোদিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো দ্রুততার সাথে বাস্তবায়ন করুন।
রাজনীতি
বিএনপি বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে না : মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ ধার্মিক, এ দেশের মানুষ ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা পছন্দ করে না। ধর্মকে বিক্রি করে কিছু করা সম্ভব নয়, ধর্ম মানুষের অন্তরের বিষয়। আমরা অন্যান্য নেতার মতো বেহেশতের টিকিট বিক্রি করি না, আমরা আমাদের কাজের মধ্য দিয়ে ও ইবাদত করে বেহেশতে যাব।’
সোমবার (২৩ মার্চ) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ভাউলার হাট এলাকায় হেনা নদীর পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে বিএনপি যে প্রতিশ্রতি দিয়েছিল তা সব কিছুই পূরণ করা হবে। সরকার গঠনের পর আমরা ধারাবাহিকভাবে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। একটি দল সবার আগে মা-বোনদের বেহেশতের টিকিট দেবে বলে তাদের ভুলিয়ে রাখতে চায়। নামাজ, রোজা ইবাদত ও সৎ কাজ ছাড়া কোনোভাবেই বেহেশতে যাওয়া সম্ভব নয়।
এ জন্য আমাদের সবাইকে সৎ কাজ করতে হবে, সৎভাবে জীবন যাপন করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘কোনোভাবেই মবকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না, মবকে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। বিএনপি কখনোই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়নি, দলীয় কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শৃঙ্খলা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না, তাই আমাদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।
যুদ্ধের কারণে এখন বড় সংকট দেখা দিয়েছে তেলের। সমস্যা থাকলে তার সমাধান আছে, কিন্তু কোনোভাবে মব সৃষ্টি করা যাবে না। গায়ের জোরে আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করা যাবে না। এই সরকার শুধু কয়েক দিন হলো ক্ষমতা গ্রহণ করেছে, আমাদের কাজ করার সময় ও সুযোগ দিতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকার ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
ফ্যামিলি কার্ড, খালখনন প্রকল্পের পাশাপাশি কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকের উন্নয়ন হলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব।’ এ ছাড়া তিনি বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কৃষকসহ বিভিন্ন খাতে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে, যা মোকাবেলায় সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।’
তিনি জানান, দলীয় কোনো নেতা, শ্রমিক বা সরকারি কোনো কর্মকর্তা, ঠিকাদার খাল খনন কাজে কোনো দুর্নীতি করলে বা বিভিন্ন অজুহাতে কাজ ফেলে রাখলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার বেলল হোসেন, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম পর্যায়ে শালিকষা হতে সিন্দুরনা মৌজা পর্যন্ত ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার খাল খনন করতে খরচ হবে প্রায় ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা। প্রকল্প কাজ শেষ হবে ২৫ জুন।



