খেলাধুলা
নেপালকে উড়িয়ে অপরাজিত ফাইনালে বাংলাদেশ: প্রতিপক্ষ ভারত
সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে দাপুটে জয়রথ অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ। আজ শেষ ম্যাচে স্বাগতিক নেপালকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে অপরাজিত থেকেই ফাইনালে পা রাখল পিটার বাটলারের শিষ্যরা। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শিরোপার লড়াইয়ে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত।
সাফ অ-১৯ নারী টুর্নামেন্টে স্বাগতিক নেপাল, বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটান অংশগ্রহণ করছে। চার দলই একে অন্যের সঙ্গে একবার করে খেলেছে। তিন ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ নয় পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে। ভারত ছয় পয়েন্টে দ্বিতীয়, নেপাল তিন ও ভুটান শূন্য পয়েন্টে যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ। টুর্নামেন্টের বাইলজ অনুযায়ী শীর্ষ দুই পয়েন্টধারী দল বাংলাদেশ ও ভারত শিরোপার জন্য লড়বে।
আজ দিনের প্রথম ম্যাচে ভারত ৮-০ গোলে ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে। বাংলাদেশের ফাইনাল প্রায় নিশ্চিত হওয়ায় কোচ পিটার বাটলার একাদশে পরিবর্তন আনেন। তবে স্বাগতিক নেপালের বিপক্ষে গোল পেতে সময় লাগেনি। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে মামনি চাকমার কর্ণার নেপালের গোলরক্ষক পোস্ট থেকে বেরিয়ে এসে গ্রিপে নিতে পারেননি। বক্সের উপর থাকা প্রতিমা মুন্ডা প্লেসিং করে গোল করেন।
পিছিয়ে পড়ার পর নেপাল খেলায় ফেরার চেষ্টা করে। বাংলাদেশকে চাপে ফেলে কয়েকটি আক্রমণ করে। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময় কোচ শান্তি মারডি ও আলপি আক্তারকে নামান। আলপি নামার পর আবার খেলায় পরিবর্তন আসে। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে আলপির গোলে বাংলাদেশ ২-০ লিড নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরে।
নেপাল দ্বিতীয়ার্ধে আর খেলায় ফিরতে পারেনি। আলপি কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দারুণ দক্ষতায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ব্যবধান বাড়ান। এরপর বাংলাদেশ আরেক গোল করলে ব্যবধান ৪-০ হয়। ম্যাচের অন্তিম মুহুর্তে নেপাল দশ জনের দলে পরিণত হয়। বক্সের একটু সামনে আলপির নেয়া ফ্রি কিক নেপাল গোলরক্ষক দারুণভাবে সেভ করায় হ্যাটট্রিক মিস হয়।
বাংলাদেশ অ-১৯ দল তিন ম্যাচে ১৮ গোল করেছে। পক্ষান্তরে কোনো গোল হজম করেনি। ৭ ফেব্রুয়ারি ফাইনালের প্রতিপক্ষ ভারতকে রাউন্ডর রবিন লিগে ২-০ গোলে হারানোর অভিজ্ঞতা থাকায় মানসিকভাবে অর্পিতারা এগিয়ে থাকবেন।
এমএন
খেলাধুলা
বিদায় বেলায় বাংলাদেশকে নিয়ে ক্যাবরেরার আবেগঘন বার্তা
গত ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) তার সঙ্গে আর চুক্তি নবায়ন না করায় আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয় তার অধ্যায়। বাংলাদেশ অধ্যায় শেষ হওয়ার পর এবার ক্যাবরেরা আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন।
২০২২ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়া এই স্প্যানিশ কোচের অধীনে বাংলাদেশ ৩৯টি ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে জয় ও ড্র ১০টি করে এবং হার ১৯টি। তার অধীনে দলটি ভুটান ও মালদ্বীপের বিপক্ষে তিনটি করে জয়, কম্বোডিয়ার বিপক্ষে দুটি এবং সিশেলস ও ভারতের বিপক্ষে একটি করে জয় পায়।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর এবার বিদায়ী পোস্টে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করলেন। বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে লম্বা সময় ধরে থাকা প্রধান কোচ তিনি। তার অধীনে ১৪ বছরে প্রথমবার সাফের সেমিফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ। দুই দশকেরও বেশি সময় পর ভারতকে হারানোর মতো সাফল্যও আছে তাদের, যা গর্বিত করেছে স্প্যানিশ কোচকে।
ক্যাবরেরা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে আমার পথচলা শেষ হলো। চার বছর ও চার মাস পর, জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘতম, আমি এমন অবিস্মরণীয় স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি, যার প্রতিটি মুহূর্ত সার্থক ছিল।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমরা মাঠে ও মাঠের বাইরে অনেক লম্বা পথ চলেছি। হাজারো ভক্তের সামনে খেলা থেকে শুরু করে দর্শকে ঠাসা স্টেডিয়ামগুলোতে অবিস্মরণীয় রাত, এমন সব মুহূর্ত তৈরি হয়েছে যেগুলো সবসময় বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।’
লম্বা পোস্টে তার আরও কথা, ‘একসঙ্গে আমরা দৃঢ় পরিচিতি ও প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা তৈরি করেছি, যার মাধ্যমে আমরা মহাদেশের শক্তিশালী জাতীয় দলগুলোর বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। ১৪ বছর পর সাফ সেমিফাইনালে ওঠা, ২২ বছরে প্রথমবার ভারতকে হারানো এবং ২০১৬ সালের পর ফিফার সর্বোচ্চ র্যাংকিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু মাইলফলক আমরা ছুঁয়েছি।’
ক্যাবরেরার দাবি, তার অধীনেই বাংলাদেশের ফুটবলের শক্ত ভিত তৈরি হয়েছে। তিনি বললেন, ‘বিশেষ করে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমরা যে পথ তৈরি করেছি, তার জন্য আমি গর্বিত। এই সময়ে ২১ জন অনূর্ধ্ব-২৩ খেলোয়াড়ের অভিষেক হয়েছে, যারা এশিয়ার অন্যতম তরুণ জাতীয় দল প্রতিষ্ঠা করেছে এবং ভবিষ্যতের জন্য শক্ত ভিত তৈরি করেছে।’
খেলাধুলা
শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে খেলাধুলার ওপর জোর ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
জয়-পরাজয় নয়, খেলাধুলার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখা। ডিভাইস-আসক্তি থেকে তরুণদের দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
তিনি বলেন, পাবলিক ও প্রাইভেট, সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রীড়া বিভাগ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগের মাধ্যমে ক্রীড়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আগামী বছর থেকে প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের দেওয়া হবে। আগামীর বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ করে গড়ে তোলার অন্যতম মাধ্যম হোক খেলাধুলা।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) তিন দিনব্যাপী আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিকস (ছাত্র-ছাত্রী) ও বাস্কেটবল (ছাত্র) প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল পর্যায় থেকে খেলোয়াড় তৈরি করতে সরকার ইতোমধ্যে ৩০০-এর বেশি ক্রীড়া কার্ড প্রদান করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে এ কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করা সম্ভব।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের গেস্ট অব অনার ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আব্দুল মজিদ এবং কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রতিমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “বর্তমান সরকারের ক্রীড়া উন্নয়নের যে উদ্যোগ, তা সত্যিই ক্রীড়া ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি জিমনেসিয়াম থাকলেও ভেতরে অডিটোরিয়াম নেই, সুইমিং পুল নেই, হোস্টেল নেই। স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ প্রতিষ্ঠার স্মারকলিপিসহ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক ক্রীড়া উন্নয়নে আপনার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।”
উল্লেখ্য, এবারের প্রতিযোগিতায় দেশের ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। মোট ৩০টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা ৪ মে থেকে ৬ মে পর্যন্ত চলবে।
এমএন
খেলাধুলা
ইসরায়েলি কর্মকর্তার সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি ফিলিস্তিনের
ফিফার ৭৬তম কংগ্রেসে ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (পিএফএ) সভাপতি জিবরিল রাজুব এবং ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএফএ) সহ-সভাপতি বাসিম শেখ সুলাইমানের মধ্যে এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো দুই পক্ষকেই মঞ্চে ডেকে নেন এবং একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে ঐক্যের বার্তা দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিশুদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিতে উভয় পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করা উচিত।
তবে ইনফান্তিনোর অনুরোধ সত্ত্বেও জিবরিল রাজুব ইসরায়েলি প্রতিনিধির কাছাকাছি দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানান, যা মঞ্চে কিছুটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করে।
সেখানে উপস্থিত পিএফএ’র সহ-সভাপতি সুসান শালাবি পরে সংবাদমাধ্যমকে জানান, ইসরায়েলি প্রতিনিধির সঙ্গে হাত মেলানো সম্ভব নয় বলে ফিলিস্তিনি পক্ষ মনে করে, কারণ তাদের মতে চলমান পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি জনগণ ব্যাপক কষ্টের মধ্যে রয়েছে।
পরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে জিবরিল রাজুব বলেন, তিনি আন্তর্জাতিক নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে সম্মান করেন, তবে তার মতে ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি এখন গুরুত্ব দিয়ে ভাবা উচিত। তার দাবি, ফিফার নীতিতে দ্বৈত মানদণ্ড রয়েছে এবং তা বন্ধ হওয়া দরকার।
তিনি আরও বলেন, তিনি হাত মেলাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন কারণ তার মতে প্রতিপক্ষ পক্ষ ইসরায়েলের নেতৃত্বকে ঘিরে যে রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে, তা তিনি গ্রহণযোগ্য মনে করেন না। একই সঙ্গে তিনি ফিফা সভাপতির উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিলেও বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের বাস্তব কষ্ট পুরোপুরি বোঝা সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনার পর ফিফা কংগ্রেসে দুই ফুটবল সংস্থার সম্পর্ক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
খেলাধুলা
হৃদয়-শামীমের ব্যাটিং ঝড়ে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে বাংলাদেশের দাপুটে জয়
চট্টগ্রামে বড় লক্ষ্য তাড়া করে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ১৮২ রানের লক্ষ্য ১২ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের ব্যবধানে পেরিয়ে গেছে টাইগাররা।
শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড দ্রুত একটি উইকেট হারালেও কাটেনে ক্লার্ক ও ড্যান ক্লেভারের জুটিতে ম্যাচে ফেরে। দুজনেই অর্ধশতক তুলে দলকে শক্ত ভিত এনে দেন। ক্লার্ক ৩৭ বলে ৫১ এবং ক্লেভার ২৮ বলে ৫১ রান করেন। তবে মাঝের ওভারে বাংলাদেশি স্পিনারদের চাপে রানের গতি কমে যায়।
শেষ দিকে নিক কেলির ৩৯ ও জেমস ক্লার্কসনের ঝড়ো ২৭ রানে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রান তোলে কিউইরা। বাংলাদেশের হয়ে রিশাদ হোসেন ২টি এবং শেখ মেহেদী ১টি উইকেট নেন।
জবাবে শুরু থেকেই ইতিবাচক ব্যাটিং করে বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম দ্রুত রান তুললেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে দল। সাইফ ১৭, লিটন দাস ২১ এবং তানজিদ তামিম ২০ রান করে ফিরলে স্কোর দাঁড়ায় ৭৭/৩।
এরপর ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ ইমন। দুজন মিলে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ইমন ২৮ রান করে আউট হলেও হৃদয় দায়িত্ব নিয়ে খেলতে থাকেন।
শেষ দিকে শামীম হোসেনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ম্যাচটি বাংলাদেশের দিকে নিয়ে আসে। তার ঝড়ো ইনিংসেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে স্বাগতিকরা।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে বড় রান তাড়া করার আত্মবিশ্বাসও ফিরে পেল বাংলাদেশ, যা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে দলটির জন্য বড় ইতিবাচক দিক।
খেলাধুলা
জুনে ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন
আগামী জুন মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এমনটি জানিয়েছেন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
গত ৭ এপ্রিল আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীণ বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে তামিম ইকবালকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। সেদিনই জানিয়ে দেওয়া হয় আগামী তিন মাসের মধ্যে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন আয়োজন করা হবে।
এব্যাপা আজ বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল প্রেসবক্সে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, জুনের প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন।
আগামী ৭ জুলাই পূর্ণ হবে অ্যাডহক কমিটির তিন মাস মেয়াদ, এর আগেই নির্বাচন দিতে চান তামিম। গত বছরের অক্টোবরে বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন হয়েছিল। তখন তামিমের নেতৃত্বে একটি পক্ষ পরিচালক পদে মনোনয়ন তুললেও পরে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায়। আমিনুলের নেতৃত্বে নির্বাচিত হন ২৫ পরিচালক।




