পুঁজিবাজার
আরএকে সিরামিকসের লভ্যাংশ বিতরণ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরে জন্য ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিটি সমাপ্ত হিসাববছরের নগদ লভ্যাংশ বিইএফটিএন সিস্টেমসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের পাঠিয়েছে।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ) লিমিটেড কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিলো।
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধি শীর্ষে এ বি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৪টি কোম্পানির মধ্যে ১৬১টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে এ বি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রবিবার (১০ মে) ডিএসইতে সর্বোচ্চ এ বি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। কোম্পানিটির শেয়ার দর ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডের দর বেড়েছে ১০ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- আইএফআইএল ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের ১০.০০ শতাংশ, পিএইচপি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের ১০.০০ শতাংশ, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ১০.০০ শতাংশ, এপেক্স ট্যানারির ৯.৯১ শতাংশ, এনসিসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের ৯.৭৬ শতাংশ, ইবিএল এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৯.৬৮ শতাংশ এবং এলআর গ্লোবাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের ৯.৬৮ শতাংশ ইউনিট দর বেড়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
লেনদেনের শীর্ষে মুন্নু সিরামিক
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রবিবার (১০ মে) ডিএসইতে সবোর্চ্চ মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ৩৭ কোটি ৮০ লাখ ৯২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড। কোম্পানিটির ৩৩ কোটি ৫৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ১৫ কোটি ৩৯ লাখ ৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- সামিট এলায়েন্স পোর্ট, এপেক্স স্পিনিং ও নিটিং মিলস, টেকনো ড্রাগ, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম, সিটি ব্যাংক পিএলসি ও অগ্নি সিস্টেমস পিএলসি।
এমএন
পুঁজিবাজার
সূচকের পতনে লেনদেন ছাড়ালো ৭২৭ কোটি টাকা
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের পতনে লেনদেন শেষে হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৯৪ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। অন্যদিকে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান ৭২৭ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রবিবার (১০ মে) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ১৩ দশমিক ১৫ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ২২০ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ১ দশমিক ৯৪ পয়েন্ট কমে ১০৫৬ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ১১ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট কমে ১৯৯০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
আজ ডিএসইতে ৭২৭ কোটি ৪৫ লাখ ৬ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৮৪৪ কোটি ৯২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৬১টি কোম্পানির, বিপরীতে ১৯৪ কোম্পানির দর কমেছে। আর ৩৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
সমন্বয়হীনতায় দেশে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুতে দেরি হচ্ছে: সিএসই এমডি
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে সমন্বয়হীনতাসহ বিভিন্ন কারণে দেশে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু হতে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান মজুমদার।
তিনি বলেন, সিএসইর প্রস্তুতি অনুযায়ী কমোডিটি এক্সচেঞ্জ দেড় থেকে দুই বছর আগেই চালু করা সম্ভব ছিল। তবে সরকার পরিবর্তন এবং বারবার নীতির পরিবর্তনের কারণে এটি বাস্তবায়নে বিলম্ব হচ্ছে।
রোববার (১০ মে) সকালে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) আয়োজিত ‘কমোডিটি এক্সচেঞ্জ : সম্ভাবনা, কাঠামো ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
সিএমজেএফ ও সিএসইর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির কমিশনার ফারজানা লালারুখ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিএসই চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিএমজেএফ সভাপতি মনির হোসেন।
সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ বা ডেরিভেটিভস বিশ্বব্যাপী ক্যাপিটাল মার্কেটের পণ্য। বাংলাদেশে এটি ২০২৩ সালে চালুর পরিকল্পনা থাকলেও যথাযথ প্রস্তুতির অভাবে তা সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, “এটি আমাদের দেশে নতুন ধারণা। তাই অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সচেতনতা তৈরির প্রয়োজন হয়েছে। যদিও আমাদের প্রস্তুতি অনুযায়ী দেড়-দুই বছর আগেই এটি চালু করা যেত।”
তিনি আরও জানান, ২০০৫-২০০৬ সাল থেকে পাকিস্তানে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু আছে। ভারতে তারও আগে থেকে চালু আছে। আমাদের দেশে দেরিতে চালু হওয়ার কারণ হলো, এটি নিয়ে অনেক সচেতনতা বাড়ানোর বিষয় ছিল, যেটি আমরা করছি। তবে বাংলাদেশে রেগুলেটরি বডির সঙ্গে সমন্বয়হীনতা ও প্রযুক্তিগত নির্ভরতার কারণে দেরি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জের টেকনোলজির সক্ষমতা এখনো ৬০ শতাংশের বেশি বহির্বিশ্বনির্ভর। আমাদের কমোডিটিজের জন্য প্রয়োজনীয় টেকনোলজিসও দেশের বাইরে থেকে আনতে হয়েছে। এতে কিছুটা দেরি হয়েছে। রুলস অনুযায়ী কমোডিটিজ মার্কেটের জন্য আলাদা ব্রোকার তৈরি করতে হয়েছে। এজন্যও দেরি হয়েছে। সব শেষ করেও এটি দেড়-দুই বছর আগে চালু করা সম্ভব ছিল, যেটি সমন্বয়হীনতার কারণে সম্ভব হয়নি।
অনুষ্ঠানে সিএসই চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান বলেন, কমপ্লায়েন্সসংক্রান্ত কিছু নীতিগত কারণে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুতে বিলম্ব হয়েছে। তবে প্রস্তুতি এখন অনেক দূর এগিয়েছে এবং চলতি বছরের মধ্যেই এটি চালু করা সম্ভব হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু করতে এখন পর্যন্ত আমাদের ১০০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ করতে হয়েছে। এটিকে শুরু করতে আরও কিছু টাকা ব্যয় হবে। আমাদের প্রস্তুতি শেষের দিকে রয়েছে। আমাদের টিমও বিদেশ থেকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছেন এবং টেকনোলজিসও প্রস্তুত রয়েছে।
সিএসই চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের কমোডিটি এক্সচেঞ্জ কোনো পণ্য বেচাবিক্রির প্ল্যাটফর্ম নয়। এটি ফিউচার কন্ট্রাক্ট সেটেলমেন্ট প্ল্যাটফর্ম হবে। প্রথম পর্যায়ে আমরা ক্যাশ সেটেলমেন্ট দিয়ে শুরু করব। ফিজিক্যাল ডেলিভারি আপাতত শুরু করব না। এটির জন্য আমাদের আরও প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। যেটি দ্বিতীয় ধাপে চালু করার সুযোগ থাকবে।
পুঁজিবাজার
সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে আলোচিত প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৬ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৪৪ পয়সা।
গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২০ টাকা ২৮ পয়সা।
এমএন




