স্বাস্থ্য
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ছিল এক হাজার ২১২ জন। আর গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ৭১০ জনে।
শুক্রবার (৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৮২ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ছয় হাজার ৪৯০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২ হাজার ৮৬২ জন। এ সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৫২ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আর ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫৮ জনের।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮৫ জনে।
স্বাস্থ্য
গত ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫২৪ জনের মধ্যে হামের লক্ষণ বা উপসর্গ শনাক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত একদিনে শুধু ঢাকা বিভাগেই হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ২ জন এবং বরিশাল, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে একজন করে মোট ৪ জন মারা গেছেন। একই সময়ে ঢাকা বিভাগে আরও একজনের হামে মৃত্যু হয়েছে।
নতুন সংক্রমণের তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ২৮৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি আরও ১ হাজার ২৩৮ জনের মধ্যে এই রোগের উপসর্গ পাওয়া গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৪৫ হাজার ৪৯৮ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ২০৮ জনের।
এই সময়ের মধ্যে ৩১ হাজার ৯১২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৮ হাজার ২৩৮ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
স্বাস্থ্য
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে নিশ্চিত হাম (নিশ্চিতভাবে শনাক্ত) রোগে, আর বাকি ৫ জন মারা গেছে হামের উপসর্গে।
বুধবার (৬ মে) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বিজ্ঞপ্তি জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী মৃত্যুর ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় সারাদেশে নতুন করে ১ হাজার ৬৫৪ জন রোগী হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬৮ জনে।
এই সময়সীমায় নিশ্চিত হাম রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৯৯ জন। পাশাপাশি হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪ হাজার ২৬০ জনে।
এ পর্যন্ত মোট ৩০ হাজার ৮৮৫ জন রোগী হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৭ হাজার ২২৩ জন।
স্বাস্থ্য
দেশে পৌঁছেছে হাম-রুবেলার ১৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন টিকা চালান গ্রহণের পর স্বাস্থ্য খাতের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি জানিয়েছেন, হাম-রুবেলার ১৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছেছে।
বুধবার (৬ মে) ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় দ্রুততার সঙ্গে টিকার বড় মজুত তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। সর্বশেষ চালানে ইউনিসেফের মাধ্যমে হাম-রুবেলা টিকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডোজ দেশে এসেছে।
তিনি জানান, নিয়মিত ভিত্তিতে টিকা সরবরাহ অব্যাহত থাকবে এবং প্রতি সপ্তাহেই নতুন চালান দেশে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আসন্ন দিনগুলোতে আরও বড় একটি টিকা চালান আসবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে টিকা সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এবং অতীতের মতো ঘাটতির কোনো পরিস্থিতি নেই। সরকারের লক্ষ্য হলো একটি স্থায়ী বাফার স্টক গড়ে তোলা, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সংকট তৈরি না হয়।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি চলমান টিকাদান কর্মসূচিতে লক্ষ্য অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুরো লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে টিকা কার্যক্রমে সময় লাগে, তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতির জন্য অস্থায়ী চিকিৎসা সুবিধাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়।
মন্ত্রী আন্তর্জাতিক অংশীদার ও গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, সহযোগিতা ও জনসচেতনতার কারণে টিকাদান কার্যক্রম আরও সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর প্রাণহানি
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম এবং হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬টি শিশু মারা গেছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪ শত পঁয়তাল্লিশটি শিশু এ রোগ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
এর ফলে গত ৫১ দিনে দেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট শিশুমৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ শত সতেরোতে।
এর আগের দিন, অর্থাৎ সোমবারের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ের মধ্যে সতেরোটি শিশুর মৃত্যু হয়েছিল, যা দেশে প্রথমবার হাম শনাক্ত হওয়ার পর থেকে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমএন
স্বাস্থ্য
হামের ভয়াবহ রূপ: একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিশুর মৃত্যু
দেশে হামের পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে মোট ১৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ১৫ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে এত সংখ্যক শিশুর মৃত্যু এর আগে ঘটেনি।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১৪৫৬ জন রোগী।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা ১৩০২ জন। আর গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৭৯৩ জনে।
একই সময়ে নিশ্চিত হামের রোগীর সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৪ জন। আর ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত মোট নিশ্চিত রোগী ৫ হাজার ৪৬৭ জন।
হাসপাতালে ভর্তি রোগীর তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৪২ জন এবং একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৫ হাজার ১৫১ জন।
মৃত্যুর তথ্যে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের এবং ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৫২ জনে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৫৯ জনের।




