ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ঘিরে ইবিতে কড়া নিরাপত্তা
গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম শিক্ষাবর্ষের ‘সি’ ইউনিটের (বাণিজ্য) ভর্তি পরীক্ষা (শুক্রবার ২৭ মার্চ) শুরু হয়েছে। ‘সি’ ইউনিটের ২৫ হাজার ২১৬ জন ভর্তিচ্ছু পরিক্ষার্থীর মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বসবে ১ হাজার ৪৫৬ জন ভর্তিচ্ছু পরিক্ষার্থী। ইতোমধ্যে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
চলতি শিক্ষাবর্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ২১৭৭৪ জন ভর্তিচ্ছু অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ২৭ মার্চ বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য বাণিজ্য শাখার (সি ইউনিট) ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে ১৪৫৬ জন ভর্তিচ্ছু পরিক্ষার্থী।
৩ এপ্রিল বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত মানবিক শাখার (বি ইউনিট) ভর্তি পরীক্ষায় ৯ হাজার ১৩৩ জন এবং ১০ এপ্রিল বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য বিজ্ঞান শাখার (এ ইউনিট) ভর্তি পরীক্ষায় ১১ হাজার ১৮৫ জন ভর্তিচ্ছু বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অংশগ্রহণ করবে। একই দিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এ ইউনিটভুক্ত আর্কিটেকচার বিভাগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইতিমধ্যে এনএসআই, ডিজিএফআই ও ডিএসবি কার্যক্রম শুরু করেছে এবং পুলিশ ও আনসার বাহিনী সারারাত ক্যাম্পাসে টহল দিবে। পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় চার স্তরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যেখানে পুলিশ, র্যাব, আনসার, বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
অভিভাবকদের জন্য ইবি থানার সামনে বিশেষ কর্নার, বসার স্থান ও ওয়াশরুমের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রধান ফটকের উত্তর পাশে তথ্য ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে এবং দুটি মেডিকেল টিম ও অ্যাম্বুলেন্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। অসুস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ যানবাহনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও ব্যাগ ছাড়া কেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিক্ষার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। গতবছরে পরীক্ষা পরিবেশকে সুন্দর রাখার জন্যে ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সারা বাংলাদেশের সকল ছাত্র সংগঠন এবং সাংবাদিক সকলে সহযোগিতা করেছে।
আশা করি এবছরও পরিক্ষার পরিবেশ এই ভাবেই থাকবে এবং বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের কাছেও এই তথ্য আছে। তাদের পক্ষ থেকেও সিকিউরিটির পর্যাপ্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এই পরীক্ষার বিষয়ে একেবারে কেন্দ্রীয় পুলিশ থেকে শুরু করে সারা বাংলাদেশের সিকিউরিটির সবাই এখানে কানেক্টেড আছে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষা প্রস্তুতি সম্পন্ন, পরীক্ষা আজ
গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম শিক্ষাবর্ষের ‘সি’ ইউনিটের (বাণিজ্য) ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার ২৭ মার্চ শুরু হচ্ছে। এবার মোট আবেদন জমা পড়েছে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৪৮০টি যার মধ্যে ‘সি’ ইউনিটের অংশ নিবে ২৫ হাজার ২১৬টি ভর্তিচ্ছু পরিক্ষার্থী।
এছাড়া, ‘বি’ ইউনিটে আবেদন জমা পড়েছে ৯৩ হাজার ১০২টি এবং ‘এ’ ইউনিটের আবেদন জমা পড়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২টি। জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্ব প্রদানকারী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানান।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১ ঘন্টা দেশের ২১টি কেন্দ্রে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৩০। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বিতীয়বার আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আপাতত আমরা আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে গতকালই যেভাবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিভিন্ন জায়গায় কোয়েশ্চেন পাঠায় সেই পদ্ধতিতে আমরা কোশ্চেন সব জায়গায় পাঠিয়ে দিয়েছি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যের সাথে আমরা সবাই প্রচেষ্টা করছি। আমাদের মধ্যে চমৎকার একটি মেলবন্ধনে একটি গ্রুপের মাধ্যমে আমরা এই কাজটিকে সার্থকতার সাথে এবং সুন্দরভাবে আঞ্জাম দিতে পারবো বলে আশা করি।
ইবি উপাচার্য বলেন, ১৯ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্র আছে। তবে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে যেহেতু তাদের কাঠামোগত অসুবিধার কারণে ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল কোনো ক্যাপাসিটি নেই তাই নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
তিনি বলেন, গতবছর পরীক্ষা পরিবেশকে সুন্দর রাখার জন্যে ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সারা বাংলাদেশের সকল ছাত্র সংগঠন এবং সাংবাদিক সকলে সহযোগিতা করেছে। আশা করি এবছরও সেভাবে সহযোগিতা করবে। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষ থেকেও সিকিউরিটির পর্যাপ্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এই পরীক্ষার বিষয়ে একেবারে কেন্দ্রীয় পুলিশ থেকে শুরু করে সারা বাংলাদেশের সিকিউরিটির সবাই এখানে কানেক্টেড আছে।
উল্লেখ্য, ২৭ মার্চ শুক্রবার সি ইউনিট (বাণিজ্য) এর ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। বি ইউনিট (মানবিক) এর পরীক্ষা ৩ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এবং এ ইউনিট (বিজ্ঞান) এর পরীক্ষা ১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে আর্কিটেকচার ব্যবহারিক (ড্রয়িং) পরীক্ষা বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) স্বতন্ত্র ডি-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচিও প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র ডি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১২ এপ্রিল রোববার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশপন্থী জাতি গঠনের আহ্বান ইবি ছাত্রদল আহ্বায়কের
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশপন্থী জাতি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি শক্তিশালী ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি গঠন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ৫৫তম মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাহেদ আহম্মেদ বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা যে স্বপ্ন দেখেছিলাম, তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারিনি। আমরা এমন একটি জাতি গঠনের জন্য যুদ্ধ করেছিলাম, যা সাম্য, ঐক্য ও মর্যাদায় বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও কিছু ভারতপন্থী ও পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন ও ব্যক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমরা কোনো বিদেশপন্থী রাজনীতি দেখতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য হবে কেবল বাংলাদেশপন্থী একটি জাতি গঠন করা।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশ স্বাধীন করে। ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেই আজও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।
স্বাধীনতা দিবসে প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে সাহেদ আহম্মেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭৫ একরের ক্যাম্পাসকে পবিত্র রাখা এবং এর কল্যাণে কাজ করার জন্য সকলকে সচেতন থাকতে হবে।
দিবসটি উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি, শহীদ জিয়াউর রহমান কর্তৃক স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তরে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় সংগঠনের সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুনের, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রঞ্জু আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু দাউদ, আহসান হাবীব, আনারুল ইসলাম, রোকন উদ্দীন, সদস্য সাব্বির, রাফিজ, নুর উদদীন, রনি হোসেন কর্মি, উল্লাস হোসেন সাক্ষর, অংকন, সাবিক, উতস, নয়ন, রিয়াজ, প্রমুখ সহ শতাধিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএন/সাকিব
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
বেগম জিয়ার দেখানো পথই বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পথ: ইবি উপাচার্য
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথই বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতন্ত্রের পথ। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রের এই নেত্রী মৃত্যুর শেষ দিন পর্যন্ত জনগণের পক্ষে কথা বলেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহীদ জিয়াউর রহমান কর্তৃক স্থাপিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, “আমরা যেন ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের আহ্বানে এক হয়ে কাজ করি। বেগম জিয়া তাঁর স্বামীর উত্তরসূরি হিসেবে যে পথ দেখিয়েছেন, সেটিই বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতন্ত্রের পথ।” তিনি তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনাও করেন।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার সবসময় স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে। স্বাধীনতার চেতনা সাম্য, মৈত্রী, সুবিচার ও ন্যায়বিচারের মধ্যে নিহিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারকে যথাযথ সাহায্য করব। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে সকাল ১০টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনের পর উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়, যা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
পরবর্তীতে মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ স্মৃতিসৌধের বেদিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে একে একে বিভিন্ন সমিতি, পরিষদ/ফোরাম, অনুষদ, হল, বিভাগ, ছাত্র সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে শহীদদের স্মরণে ১মিনিট নিরবতা পালন ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এরপর সাবেক রাষ্ট্রপতি ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপাচার্য। এ সময় কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তাঁর সাথে ছিলেন। পরে জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরাম, শাখা ছাত্রদল পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।
এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে যোহর নামাজ শেষে কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আগের রাতে ক্যাম্পাসে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাকআউট পালন করা হয় এবং শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় পবিত্র কুরআনখানি আয়োজন করা হয়।
এমএন/সাকিব
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাল ঢাবি
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জাতীয় স্মৃতিসৌধে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলগুলোর প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬০ দিনের মধ্যে ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ
দেশের সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
বুধবার (২৫ মার্চ) কমিশনের সভাকক্ষে ইউজিসি চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা খাতে ডিজিটাল সুবিধা সম্প্রসারণ, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণায় সহায়তা প্রদান এবং ডিজিটাল বৈষম্য হ্রাসে ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ চালুর যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তারই অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে আগামী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে দেশের প্রতিটি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়ায় ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হবে। আর এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্রদান করবে বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন নেটওয়ার্ক (বিডিরেন)। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসহ অন্যান্য শিক্ষা ও গবেষণা অবকাঠামোতেও এ সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে বলেও সভায় জানানো হয়।
এসময় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম, আইসিটি বিভাগের পরিচালক মো. ওমর ফারুখ, হিট প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান এবং বিডিরেনের সিইও মোহাম্মদ তৌরিতসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।



