জাতীয়
২৬ মার্চ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৫টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ রবিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী জানান, স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন ২৫ মার্চ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আলোচনায় বক্তব্য দেবেন দলের শীর্ষ নেতারা। এ ছাড়া ২৬ মার্চ কেন্দ্রীয় ও সারা দেশের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করবে বিএনপি।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ঢাকায় ফিরে মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এরপর ফাতিহা পাঠসহ দোয়া করবেন দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়ার আয়োজন করা হবে।
এর আগে ২৫ মার্চ দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।
এতে দলের কেন্দ্রীয় নেতাসহ দেশবরেণ্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেবেন। দিবসটি উপলক্ষে এরই মধ্যে পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে এবং বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
জাতীয়
পরিবহনব্যবস্থা নিরাপদ করতে জরুরি ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
কুমিল্লায় লেভেলক্রসিংয়ে বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রবিবার এক বিবৃতিতে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনায় নিহতের প্রতি শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এসব দুঘটনার পেছনের কারণ ও পরিবহনব্যবস্থা নিরাপদ করতে দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে জরুরিভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
বগুড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনার পর শনিবার দিবাগত রাতে কুমিল্লায় লেভেলক্রসিংয়ে বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষে ১২ জনের প্রাণহানি হয়।
তদন্তের মাধ্যমে এসব দুর্ঘটনার নেপথ্য কারণ অবিলম্বে খুঁজে বের করতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ইতোমধ্যে তিনি দুর্ঘটনার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতেও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি এসব দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতার জন্য দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দেন তিনি।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনী, হবিগঞ্জ, জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেন। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
কুমিল্লায় রেল দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে ইতোমধ্যেই তিনটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
অপর কমিটি গঠন করেছে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিটি তদন্ত কমিটিকে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার জন্য ইতোমধ্যেই কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে আরো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘পবিত্র ঈদ উদযাপনের এই আনন্দঘন মুহূর্তে এসব দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং উদ্বেগজনক।
প্রতিটি জীবন মূল্যবান। প্রতিটি মৃত্যুই অপূরণীয় ক্ষতি। আমি মহান আল্লাহর দরবারে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। হতাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।’
তিনি আরো বলেন, ‘জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। এ বিষয়ে কোনো শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না।’
লেভেলক্রসিং ব্যবস্থাপনা, সেতুর নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবহনব্যবস্থা নিরাপদ করতে দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে জরুরিভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ আছে।
জাতীয়
ফোনে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন এমপি মনিরুল হক
কুমিল্লায় পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহতের ঘটনায় শোকাহত, মর্মাহত কুমিল্লা-৬ আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরী। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে অবস্থান করায় তিনি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানান তিনি। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষ হলে দ্রুতই দেশে ফিরবেন এই এমপি।
রোববার (২২ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে হোয়াটসঅ্যাপে রেলমন্ত্রীকে ফোন করেন মনিরুল হক। তাদের কথোপকথনের একটি ভিডিও পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন এই এমপি। ভিডিওতে দেখা যায়, পুরো সময়জুড়েই আবেগাপ্লুত ছিলেন তিনি।
রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে কথা বলার সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে এমপি বলেন, গত ১০০ বছর ধরে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে, কিন্তু কোনো বিচার হচ্ছে না। আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি, কিন্তু কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ের ব্যারিকেড নির্মাণে বরাদ্দ অর্থ অতীতে অপচয় হয়েছে।
এ সময় রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
মনিরুল হক বলেন, এই লাশ দেখতে দেখতে আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি। আপনি একটু গিয়ে দেখেন, আমি দেশে ফিরে দ্রুত সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করব।
শনিবার (২১ মার্চ) রাত ৩টার দিকে পদুয়ার বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি মেইল ট্রেন যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দিলে ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজন মারা যান। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ জনে।
জাতীয়
বিয়ের গহনা বহনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেবে পুলিশ: ডিবি প্রধান
ঈদের পর বিয়ের গহনা বহনে প্রয়োজনে থানা পুলিশ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
রবিবার (২২ মার্চ) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
ডিবি প্রধান বলেন, ঈদের পর বিভিন্ন জায়গায় বিয়ে হচ্ছে। কেউ যদি মনে করে হোটেল বা কমিউনিটি সেন্টার থেকে বাসা পর্যন্ত গহনা নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রয়োজন, তাহলে নিকটবর্তী থানায় জানালে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া হবে।
ঈদে বাড়ি যাওয়া কেউ থানায় স্বর্ণালঙ্কার রেখেছেন কি না জানতে চাইলে ডিবিপ্রধান বলেন, এটা আমরা জানি না। আমরা জনগণকে আহ্বান জানিয়েছিলাম, ঈদের সময় থানায় স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান জিনিস রাখতে পারবেন। আবার ব্যাংকের ভোল্টেও রাখতে পারেন। আমরা টাকা বা কোনো মূল্যবান গহনা পরিবহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা দেব।
ঈদে ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি। আমাদের কিছু সংখ্যক সদস্য ঈদের ছুটিতে গেছে। তারপরও নিরাপত্তার জন্য যেটুকু দরকার সেটুকু নিয়েছি। আমরা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি।
ঢাকার প্রতিটি পয়েন্ট পরিদর্শন করেছি। ঈদের দিন কোথাও বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। সামনের দিনগুলো ভালোভাবে পার করবো আশা করি।
ডিবির টহল বাড়ানো হবে কি না জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, দিনে আমাদের ৮০টি এবং রাতে ৪০টি টিম টহলে থাকে। স্ট্যান্ডবাই দুটি টিম আছে।
কেউ যদি আমাদের কাছে কখনো কোনো সাহায্য চায় আমরা তাৎক্ষণিকভাবে রেসপন্স করি।
জাতীয়
ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পাবে ১ লাখ টাকা
কুমিল্লায় লেভেলক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য রেল কর্তৃপক্ষ এক লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেবে বলে জানিয়েছেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। রবিবার (২২ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ারবাজার বিশ্বরোড এলাকায় দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বাস-ট্রেন দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রেলওয়ের কোনো ধরনের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলা সহ্য করা হবে না। দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
আহতদর চিকিৎসার বিষয়ে রেল প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি, আহতদের মধ্যে যদি কাউকে ঢাকায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করানোর প্রয়োজন হয় আমরা সেই ব্যবস্থাও করব। এ ছাড়া যারা আহত হয়েছেন তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী খোঁজখবর রাখছেন।’
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচাল (ডিজি) মো. আফজাল হোসেন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রেজা হাসান, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ জেলা ও রেল মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
জাতীয়
সরকার উন্নত বাংলাদেশ গড়তে কাজ শুরু করেছে : কৃষিমন্ত্রী
খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বল্প সময় পার হলেও একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি দেশবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে শনিবার (২১ মার্চ) সকালে কুমিল্লার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও টেকসই দেশ গড়ে তুলতে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকারের পরিকল্পনা সফল হবে।’
এদিন জেলার প্রধান জামাত শান্তিপূর্ণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
প্রধান জামাতে জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়াসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।



