রাজনীতি
ঢাকা-৮ আসনকে মদিনার সমাজ বানাতে চাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ঢাকা-৮ আসনকে একটি আদর্শ ও ইনসাফভিত্তিক মদিনার সমাজ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক ও ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহবাগ এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এই অঙ্গীকার করেন।
গণসংযোগের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় নিজ আসনের প্রার্থী এবং আন্দোলনে নিহত শহীদ শরীফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করে নাসীরুদ্দীন তিনি বলেন, ওসমান হাদি বাংলাদেশকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচন প্রসঙ্গে এনসিপির এই নেতা বলেন, জামায়াত চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত একটি দল। এনসিপি ও জামায়াত উভয় দলই দেশ গঠনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে।
জিয়ারত শেষে তিনি শাহবাগ এলাকায় গিয়ে ফুল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের অভাব-অভিযোগ শোনেন।
নাইম
রাজনীতি
সংসদে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের তাগিদ, না হলে বাড়বে হতাশা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেছেন, বর্তমান সংসদে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করা না গেলে তা জাতির জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক হবে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা একটা ইউকে বেসড অর্গানাইজেশনের সাথে বসে ছিলাম, যাদের মূল উদ্দেশ্য হলো যে জাতীয় সংসদকে কিভাবে শক্তিশালী করা যায়। সেই বিষয় নিয়ে তারা আমাদের সাথে আলাপ করেছেন। আমরা তাদের কথা শুনেছি। আমাদের পক্ষ থেকে আমরা বলেছি, আমাদের এই যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ… এই সংসদটা পূর্বের সংসদ থেকে ভিন্ন। কারণ, এই সংসদটা জুলাই আন্দোলনের পরে গঠিত একটি সংসদ। এই সংসদের ব্যাপারে দেশের মানুষের আশা সম্পূর্ণ আলাদা। জুলাই আন্দোলন এসেসটা হলো, সংসদই হোক আমাদের জাতীয় জীবনের সকল আলোচনা এবং সমস্যা সমাধানের কেন্দ্র। সেক্ষেত্রে সরকারি দলের সাথে বিরোধী দল সমানভাবেই ইম্পর্টেন্ট।
তিনি আরও বলেন, সংসদে সরকারি দল এবং বিরোধী দল তারা ইম্পরটেন্ট রোল প্লে করতে পারে, সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অনেকগুলা ডিফিকাল্টিজ আছে। সরকারি দল এখন একটা বড় মেজরিটি নিয়ে আছে। সেক্ষেত্রে কোনো একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে গেলে সকল কিছুই সরকারি দলের উপরে নির্ভর করছে। কাজেই সেক্ষেত্রে আমরা রুলস অফ প্রসিডিউরের ব্যাপারেও অনেক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা সেখানে আলোচনা হয়েছে। সেগুলোর ব্যাপারে আমরা আমাদের সাজেশন দিয়েছি। তারা একটা রিপোর্ট তৈরি করবেন এবং তারাও আমাদের কিছু সাজেশন দিয়েছেন কী করে পার্লামেন্টকে আরও শক্তিশালী করা যায়।
তিনি আরও বলেন, আমাদের এই সংসদে সবচাইতে বড় বিষয় যেটা আমাদের সামনে এসেছে সেটা হলো জুলাই সনদকে বাস্তবায়ন করা। আমরা দেখেছি, প্রথম দিন থেকেই একটা ভিন্ন দিকে সরকারি দল হাঁটা শুরু করেছে। তারা জুলাই সনদের জন্য সংস্কার পরিষদে শপথ নেননি। এখনো বিভিন্ন আলোচনা এবং অলরেডি একটা প্রস্তাব তারা নিয়ে আসতে চাচ্ছেন।
রাজনীতি
মহান স্বাধীনতা দিবসে পল্টন থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়োতে ইসলামী পল্টন থানার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে আয়োজিত এ সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. হেলাল উদ্দিন। পল্টন থানা আমীর অ্যাডভোকেট মারুফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমদ খান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও পল্টন থানা সহকারী সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, পল্টন থানা কর্মপরিষদ সদস্য আ. ফ. ম ইউসুফ, শামীম হাসনাইন, সাইয়েদ মুহাম্মদ জুবায়ের, আব্দুল মতিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড হেলাল উদ্দিন বলেন, যখন শাসক গোষ্ঠী জনগণকে শোষণ করে, জনগণের মতের বিপক্ষে গিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করার চেষ্টা করে তখনই জাতি বিপ্লবের পথ বেছে নেয়, নিতে বাধ্য হয়। তিনি বলেন, স্বাধীনতা মানে কেবল একটি ভূখন্ড নয়, একটি পতাকা নয়, একটি মানচিত্র নয়। কোনো জাতির অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সমস্ত মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হওয়াকেই স্বাধীনতা বলা হয়।
তিনি আরও বলেন, যেই স্বাধীনতার স্বপ্ন বাংলাদেশের জনগণ দেখেছে সেই স্বপ্ন আজও বাস্তবায়ন হয়নি। একাত্তরের চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়ায় চব্বিশের বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। জুলাই চেতনায় জাতি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের শপথ নিয়েছে, স্বপ্ন বুনেছে। জাতির স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। জাতিকে রাজনৈতিক সংকটের দিকে ঠেলে না দিয়ে গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ আদেশ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
রাজনীতি
যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তিপূর্ণ সমাধান খোঁজার আহ্বান জামায়াত আমিরের
এই মুহূর্তে যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তিপূর্ণ পন্থায় সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ইরানে সম্প্রতি আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের কারণে এ অঞ্চলে যে ভয়াবহ অবস্থার উদ্ভব ঘটেছে, তা ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধের এই ভয়াবহতা শুধু সংশ্লিষ্ট অঞ্চলকেই নয়, গোটা বিশ্বকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে। কার্যত এ যুদ্ধাবস্থার কারণে সারা বিশ্বের অর্থনীতি ও জ্বালানিপ্রবাহ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়।’
‘জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই জনজীবনে দারুণ সমস্যা তৈরি হয়েছে। কয়েকদিন ঈদ ও রোজা উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটির পর আগামী ২৯ মার্চ থেকে অফিস-আদালত, কলকারখানাসহ যাবতীয় বিষয় পূর্ণরূপে কার্যকারিতায় আসবে। সেক্ষেত্রে সংকট আরও মারাত্মকভাবে দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জ্বালানি সংগ্রহের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এক বিরক্তিকর ভোগান্তির মুখে পড়েছে জনগণ।’
তিনি লেখেন, ‘জ্বালানি সংকট শুধু যানবাহন চলাচল ও বিদ্যুৎ সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি কলকারখানা, কৃষি ও উৎপাদনমূলক সকল কাজে প্রভাব ফেলবে। এমনকি বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হলে ইন্টারনেটের গতিপ্রকৃতিও ঝুঁকিতে পড়বে।’
‘এ অবস্থায় আমরা যুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল পক্ষকে এই মুহূর্তে যুদ্ধ বন্ধ করে, কোনো সমস্যা থাকলে তা শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানাচ্ছি। মনে রাখবেন, আপনাদের এই যুদ্ধের দাবানল বিশ্বের শতশত কোটি মানুষের যন্ত্রণা ও দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দয়া করে বিশ্ববাসীকে আর কষ্ট দেবেন না।’
রাজনীতি
২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে ‘ডিপ স্টেট’ স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে দিয়েছিল
অন্তর্বর্তী সরকার যেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারে, ‘ডিপ স্টেট’ তেমন একটা স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন অর্ন্তবর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এনসিপি আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা যখন সরকারের দায়িত্বে ছিলাম, শুরুর দিকে আমাদেরকে বিভিন্ন শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন, যাদেরকে আসলে ‘ডিপ স্টেট’ বলা হয়, তাদের কাছ থেকে আমাদের অফার করা হয়েছিল, আপনারা শেখ হাসিনার যে মেয়াদ আছে ২০২৯ সাল পর্যন্ত, সেটি আপনারা শেষ করুন। আপনারা শেষ করুন, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।
তিনি বলেন, তাদের নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ছিল, কিছু কিছু জায়গায় তাদেরকে ফ্যাসিলিটেট করা। তারা রোড ম্যাপও করে নিয়ে এসেছিল যে, বিএনপির নেতাদের তো সাজা আছে, সাজা থাকলে সাধারণভাবে নির্বাচন দিলেও তারা নির্বাচন করতে পারবে না, তাদের সাজাগুলো ইয়ে না করে (বাতিল না করে) আদালতের মাধ্যমে এগুলো দীর্ঘ করে, আপনারা তো জানেন সেটা কীভাবে করা যায়, আদালতের ডেট ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে। তারেক রহমানের নিজের নামে সাজা ছিল। তিনি যদি সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় থাকতেন, নির্বাচন হলেও তিনি বাংলাদেশের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারতেন না। তারা পুরো স্ট্র্যাটেজি আমাদেরকে সাজিয়ে দিয়েছিল, কীভাবে ক্ষমতায় থাকা যায় তাদের সঙ্গে এক ধরনের নেগোসিয়েশন বা সমঝোতার ভিত্তিতে। আমরা কিন্তু সেটাতে সায় দিইনি।
সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, আমরা সবসময় গণতন্ত্রকে সামনে রেখেছি এবং সেটার প্রতি কমিটমেন্ট সরকারের ছিল বলেই নির্বাচনটা হয়েছে। নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেজন্য নিজেরা আগবাড়িয়ে পদত্যাগ করে চলে এসেছি। কিন্তু আমরা দেখলাম, বিগত সরকারের দুজন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি সরকারের মন্ত্রী পদমর্যাদায় আছেন। যদিও এই সরকারি দলই সেই সময় আমাদের পদত্যাগ চেয়েছিল। তখন নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরির এক ধরনের যুক্তি দাঁড় করানো হয়েছিল। কিন্তু তারাই এখন একই কাজ করল। আগের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুজন দায়িত্বশীলকে তাদের সরকারের মন্ত্রী হিসেবে নিলো।
তিনি আরও বলেন, এতে বোঝা যায়, তারা এই নির্বাচনের লেভেল প্লেইং ফিল্ডকে আসলে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের সুবিধা পাওয়ার জন্য এই মানুষগুলোকে, যাদেরকে তারা এখন পুরস্কৃত করেছে, তাদেরকে ব্যবহার করেছে। এই যে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলা হচ্ছে। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার ন্যারেটিভ তখন আমাদের পক্ষে উৎপাদিত হতো। ডিপ স্টেট, এজেন্সি যদি সঙ্গে থাকত, তাহলে তো সবাই বলতে পারত, সংবিধান অনুযায়ী ২৯ সালে নির্বাচন হওয়া উচিত, তাহলে সরকার থাক ২৯ সাল পর্যন্ত। আমরা সেই সমঝোতা করি নাই।
রাজনীতি
স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের শ্রদ্ধা
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহীদদের স্মরণে দোয়া করেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৬টার দিকে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন— জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, জামায়াত সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি।



