Connect with us

ধর্ম ও জীবন

রোজার আগে যে ৭ জিনিস সংগ্রহে রাখতে পারেন

Published

on

দুই

বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাসের প্রস্তুতি। ১৯ ফেব্রুয়ারি পবিত্র এই মাস শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রমজানে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে ইবাদত করতে এখন থেকেই ধর্মীয় বইপুস্তক ও বিভিন্ন জিনিসপত্র কেনার চাহিদা বেড়েছে। অনেকেই তসবি, ডিজিটাল জিকির রিং, কোরআন শরিফ, জায়নামাজসহ ধর্মীয় প্রায় সব পণ্য কিনে রাখছেন এখন থেকে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রমজান মাস শুরুর পর তাড়াহুড়ো না করে প্রস্তুতি হিসেবে এখনি কিনে রাখতে পারেন এমন ৬টি পণ্যের তালিকা তুলে ধরা হলো—

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

১. তসবি

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রমজানে ইবাদতের জন্য সহায়ক ধর্মীয় জিনিসগুলোর মধ্যে তসবি অন্যতম। রমজান এলেই মানুষ প্রথমে তসবি খোঁজে। কেউ সাধারণ কাঠের তসবি ব্যবহার করতে পছন্দ করেন, কেউ পাথর বা ক্রিস্টালের তসবি পছন্দ করেন। রমজানে বেশি বেশি জিকির করার জন্য তসবি গুরুত্বপূর্ণ। এখনই সংগ্রহ করে রাখতে পারেন তসবি।

২. ডিজিটাল জিকির রিং ও ইলেকট্রনিক কাউন্টার

তসবি পাশাপাশি ডিজিটাল জিকির রিং পছন্দ করেন অনেকে। তরুণদের মধ্যে এসব জিকির রিং বেশ জনপ্রিয়। এই জিকির রিংগুলো ছোট, ব্যবহার করা সহজ এবং যেকোনো জায়গায় নীরবে জিকির ও তাসিবের সংখ্যা গণনা করা যায়। এখনই সংগ্রহ করে রাখতে পারেন ডিজিটাল জিকির রিং ।

৩. কোরআন শরিফ ও অনুবাদগ্রন্থ

রমজান মাস কোরআন নাজিলের মাস। এই মাসে বছরের অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় কোরআন তিলাওয়াত করা হয় সবচেয়ে বেশি। কোরআনের কপি পুরোনো হয়ে গেলে অথবা কারো বাড়িতে কোরআনের কপি বা অনুবাদ ও তাফসিরগ্রন্থ না থাকলে রমজানের আগে কোরআনের কপি ও এর বাংলা অনুবাদ ও গ্রহণযোগ্য তাফসিরগ্রন্থ কিনে রাখতে পারেন। নিজের জন্য অথবা কাউকে উপহার দেওয়ার জন্যও কিনতে পারেন।

৪. জায়নামাজ

রমজানে যেকোনো নফল ইবাদত ও নামাজের গুরুত্ব অন্য সময়ের তুলনায় বেশি। সুন্দরভাবে নামাজ আদায়ের জন্য জায়নামাজ গুরুত্বপূর্ণ। রমজান শুরুর আগে জায়নামাজ কিনে রাখতে পারেন অগ্রিম।

৫. টুপি ও নামাজের পোশাক

রমজানের ইবাদতে নিজেকে পরিপাটি ও সতেজ রাখতে পোশাক গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ। পুরোনো কাপড় পরিচ্ছন করে রাখতে পারেন অথবা নতুন করে টুপি টুপি ও পাঞ্জাবি কিনে রাখতে পারেন। নারীরাও নামাজের আবায়া ও স্কার্ফ কিনে রাখতে পারেন।

৬. খেজুর

ইফতারের অবিচ্ছেদ্য অংশ খেজুর। খেজুর প্রোটিন সমৃদ্ধ। রাসুল (সা.) খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। তাই ইফতারে মুসলমানদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে খেজুর।

৭. আতর

সুগন্ধি মানুষের মনকে সতেজ রাখে। সুগন্ধির মধ্যে অন্যতম সেরা আতর। নবীজি (সা.) নিজেও সুগন্ধি ব্যবহার করতেন এবং পছন্দ করতেন। এক হাদিসে সুগন্ধি ব্যবহারকে আল্লাহর রাসুল সব নবীদের সুন্নত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ বিষয়ে হজরত আবু আইয়ুব আনসারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘চারটি বস্তু সব নবীর সুন্নত-আতর, বিয়ে, মিসওয়াক ও লজ্জাস্থান ঢেকে রাখা’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২২৪৭৮)।

এমএন

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

বিশ্বব্যাপী একই দিনে ঈদ পালনের দাবি দলীলভিত্তিক নয়: বায়তুল মোকাররমের খতিব

Published

on

দুই

বিশ্বব্যাপী একই তারিখে রোজা ও ঈদ পালনের দাবি দলীলভিত্তিক নয় এবং কার্যক্ষেত্রে এর বাস্তবায়নও অসম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। শনিবার (৯ মে) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে দাওয়াতুস সুন্নাহ বাংলাদেশ আয়োজিত জাতীয় সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মুফতি আবদুল মালেক বলেন, ইসলামি শরিয়তে চন্দ্রমাস শুরুর মানদণ্ড হলো হেলাল দেখা বা হেলালের সাক্ষ্য, অন্যথায় মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করা। এ মানদণ্ড বাদ দিয়ে অমাবস্যা থেকে মাস শুরু করা শরিয়ত পরিবর্তনের শামিল। একইভাবে জ্যোতির্বিজ্ঞানভিত্তিক আগাম প্রস্তুতকৃত ক্যালেন্ডারকে মানদণ্ড বানানোও স্পষ্ট নাজায়েজ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, মুসলমানদের ঈদ নিছক আনন্দ-উৎসব নয়, বরং এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তাই একে অন্যদের উৎসবের আদলে উদযাপনের চিন্তা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। হেলাল দেখাকে একমাত্র ভিত্তি ধরে পুরো বিশ্বে একই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া উম্মতের ইজমা পরিপন্থী এবং নির্দিষ্ট কোনো শহরের চাঁদ দেখার ভিত্তিতে অন্য অঞ্চলের সিদ্ধান্ত নেওয়াও শরিয়তসম্মত নয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

খতিব আরও বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে যে পদ্ধতিতে রোজা ও ঈদ পালিত হয়ে আসছে, দেশের অধিকাংশ আলেম-মাশায়েখ সে বিষয়ে একমত। তাই এই ধারা পরিবর্তনের কোনো শরয়ি কারণ নেই, বরং পরিবর্তন করলে সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে। শরিয়তের দৃষ্টিতে কোনো আপত্তি না থাকলে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে চলা মুসলিম নাগরিকদের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মুফতি মাহমুদুল হাসান। দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদরা এতে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

বদনজর থেকে সাবধান, এটি কোনো কুসংস্কার নয়

Published

on

দুই

বদনজর কোনো কুসংস্কার নয়, বরং এটি একটি বাস্তব সত্য। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পবিত্র কোরআনে সুরা ইউসুফের ৬৭ নম্বর আয়াতে দেখা যায়, হজরত ইয়াকুব (আ.) তাঁর সুদর্শন পুত্রদের বদনজর থেকে রক্ষা করতে মিসরে প্রবেশের সময় ভিন্ন ভিন্ন দরজা ব্যবহার করতে বলেছিলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

হাদিস শরিফেও বদনজরের ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘অশুভ দৃষ্টির প্রভাব সত্য। যদি কোনো কিছু ভাগ্যের লিখনকে অতিক্রম করত, তাহলে অশুভ দৃষ্টিই তা করতে পারত।’ (মুসলিম শরিফ)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তাই কারো সম্পদ বা সৌন্দর্য দেখলে ‘মাশাআল্লাহ’ বা ‘বারাকাল্লাহ’ বলা উচিত। আর নিজেকে ও পরিবারকে বদনজর থেকে রক্ষা করতে সর্বদা মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা কর্তব্য।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

আকিকার পরিবর্তে টাকা দান করলে কি আকিকা আদায় হবে?

Published

on

দুই

সন্তান জন্ম নেওয়ার পর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় ও সন্তানের কল্যাণ কামনায় ইসলাম যে সুন্দর আমলগুলোর শিক্ষা দিয়েছে, তার অন্যতম হলো আকিকা। এটি মুসলিম সমাজে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি সুন্নত আমল। তবে বর্তমান সময়ে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে- আকিকার জন্য পশু জবাই না করে যদি সেই অর্থ কোনো দরিদ্র ব্যক্তি, মাদরাসা বা জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে দান করে দেওয়া হয়, তাহলে কি আকিকার সওয়াব পাওয়া যাবে?

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি হলো— আকিকা কোনো ফরজ বা ওয়াজিব ইবাদত নয়; বরং এটি মুস্তাহাব বা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। তবে এই ইবাদতের নির্ধারিত পদ্ধতি রয়েছে, আর সেই পদ্ধতি অনুসরণ করেই আকিকার পূর্ণ সওয়াব অর্জিত হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আলেমদের মতে, আকিকার মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু জবাই করা এবং তার রক্ত প্রবাহিত করা। তাই পশু কুরবানি না করে সমপরিমাণ অর্থ দান করে দিলে সাধারণ সদকা বা দানের সওয়াব পাওয়া যাবে বটে, কিন্তু তা আকিকা হিসেবে গণ্য হবে না। অর্থাৎ, আকিকার বিশেষ ফজিলত ও বরকত কেবল শরিয়ত নির্ধারিত পদ্ধতিতে পশু জবাই করার মাধ্যমেই অর্জিত হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশেষজ্ঞ আলেমরা আরও বলেন, ইবাদতের ধরন মানুষের ইচ্ছামতো পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। ইসলামে যে ইবাদত যেভাবে আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা সেভাবেই পালন করতে হয়। তাই সন্তানের কল্যাণ ও আকিকার সুন্নত আদায়ের উদ্দেশ্যে পশু জবাই করাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। আর দান-সদকা চাইলে অতিরিক্ত নেক আমল হিসেবে আলাদাভাবে করা যেতে পারে।

আকিকা করার উত্তম সময়

সন্তান জন্মের সপ্তম দিনে আকিকা করা উত্তম। এ বিষয়ে একাধিক হাদিসে নির্দেশনা এসেছে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) তার দৌহিত্রদ্বয় হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর আকিকা সপ্তম দিনে করেছেন। হাদিসে এসেছে—

عَقَّ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَنِ الْحَسَنِ وَالْحُسَيْنِ يَوْمَ السَّابِعِ

‘রাসুলুল্লাহ (সা.) হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর পক্ষ থেকে সপ্তম দিনে আকিকা করেছেন।’ (আবু দাউদ ২৮৩৪)

তাই সম্ভব হলে সন্তানের জন্মের সপ্তম দিনেই আকিকা করা উত্তম। তবে কোনো কারণে সপ্তম দিনে সম্ভব না হলে ১৪তম দিন বা ২১তম দিনে করাও ভালো। হাদিসে হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত—

الْعَقِيقَةُ تُذْبَحُ لِسَبْعٍ أَوْ لِأَرْبَعَ عَشْرَةَ أَوْ لِإِحْدَى وَعِشْرِينَ

‘আকিকা সপ্তম দিনে করা হবে। তা সম্ভব না হলে চৌদ্দতম দিনে, আর তাও সম্ভব না হলে একুশতম দিনে।’ (মুসতাদরাকে হাকেম ৭৬৬৯)

আকিকা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও ফজিলতপূর্ণ আমল, যার মাধ্যমে সন্তানের জন্য দোয়া, কল্যাণ ও আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করা হয়। যদিও দান-সদকা অত্যন্ত মহৎ কাজ, তবুও তা আকিকার বিকল্প হতে পারে না। কারণ শরিয়তে আকিকার জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি হলো পশু জবাই করা। তাই সামর্থ্য থাকলে সন্তানের জন্মের পর সুন্নত অনুযায়ী আকিকা আদায় করা উচিত। পাশাপাশি দরিদ্রদের সহযোগিতা ও দান-সদকার আমলও অব্যাহত রাখা একজন মুমিনের উত্তম গুণ।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

কী পরিমাণ সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব

Published

on

দুই

ইসলামে কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। হাদিস শরিফে এ ইবাদতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজরত ফাতেমা (রা.)-কে তাঁর কোরবানির নিকট উপস্থিত থাকতে বলেন এবং ইরশাদ করেন, এই কোরবানির প্রথম রক্তবিন্দু প্রবাহিত হওয়ার সাথে সাথে আল্লাহ তায়ালা তোমার গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুল (সা.)! এটা কি শুধু আহলে বায়তের জন্য, নাকি সকল মুসলিমের জন্য? উত্তরে রাসুল (সা.) বললেন, এই ফজিলত সকল মুসলিমের জন্য।’ (মুসনাদে বাজযার-আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৪)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন,‘অতএব তুমি তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো।’ (সুরা কাওসার: ২)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এদিকে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যারা কোরবানি দেয় না, তাদের ব্যাপারে হাদিস শরিফে কঠোর বার্তা এসেছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যার কোরবানির সামর্থ্য আছে তবুও সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।’ (মুসনাদে আহমদ: ২/৩২১, মুস্তাদরাকে হাকেম: ৭৬৩৯, আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৫)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কোরবানি কখন, কার ওপর ওয়াজিব?

জনপ্রিয় ইসলামি স্কলার মুফতি রেজাউল করীম আবরার বলেন, প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন-অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, বর্তমানে বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

কোরবানির জন্য নেসাব পরিমাণ সম্পদ কতটুকু?

ইসলামি গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারে বলা হয়েছে, নেসাব হলো স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রুপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো, এর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহীতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)

নেসাবের মেয়াদ

কোরবানির নেসাব পুরো বছর থাকা জরুরি নয়; বরং কোরবানির দিনগুলোতে থাকলেই কোরবানি ওয়াজিব হবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/১৯৬, রদ্দুল মুহতার: ৬/৩১২)

উল্লেখ্য, কেউ যদি কোরবানির দিনগুলোতে ওয়াজিব কোরবানি দিতে না পারে তাহলে কোরবানির পশু ক্রয় না করে থাকলে তার ওপর কোরবানির উপযুক্ত একটি ছাগলের মূল্য সদকা করা ওয়াজিব। আর যদি পশু ক্রয় করে থাকে কিন্তু কোনো কারণে কোরবানি দেওয়া হয়নি, তাহলে ওই পশু জীবিত সদকা করে দেবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৪, ফাতাওয়া কাযীখান: ৩/৩৪৫)

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

হিজরি প্রথম শতকের দুর্লভ ইসলামী শিলালিপির সন্ধান

Published

on

দুই

সৌদি আরবের হাইল অঞ্চলে প্রাচীন হজ রুটের পাশে হিজরি প্রথম শতকের একটি বিরল ইসলামী শিলালিপির সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এই আবিষ্কার ইসলামের সূচনালগ্নে হজযাত্রা ও তীর্থপথের ইতিহাস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নতুন তথ্য দিচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বুধবার (৬ মে) সৌদি হেরিটেজ কমিশন এই ঐতিহাসিক আবিষ্কারের তথ্য নিশ্চিত করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কমিশন জানায়, হাইল অঞ্চলের সামিরা গভর্নরেটের দক্ষিণে জালি আল-নিস এলাকায় শিলালিপিটি পাওয়া গেছে। স্থানটি ঐতিহাসিক দরবে জুবাইদা হজ রুটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা প্রাচীনকালে কুফা থেকে মক্কা যাওয়ার পথে তীর্থযাত্রীদের প্রধান যাতায়াতপথ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

একটি সমতল গ্রানাইট পাথরের ওপর খোদাই করা এই শিলালিপিতে ইব্রাহিম ইবনে জিয়াদ নামের এক ব্যক্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে দোয়ার কথা লেখা রয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র কোরআনের সূরা বাকারার শেষ অংশের একটি আয়াতের উদ্ধৃতিও সেখানে পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোয়ার্টজ শিরাযুক্ত পাথরের ওপর চমৎকারভাবে খোদাই করা এই লিপিটি সে সময়ের মানুষের গভীর ধর্মীয় বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ। এই আবিষ্কার প্রমাণ করে যে, ইসলামের প্রাথমিক যুগে হজ রুটগুলো শুধুমাত্র যাতায়াতের পথ ছিল না, বরং এগুলো ছিল তৎকালীন সংস্কৃতির এক অনন্য মাধ্যম।

হেরিটেজ কমিশন জানিয়েছে, সৌদি আরবজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো নথিভুক্ত ও সংরক্ষণের যে বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে, এই আবিষ্কার তারই অংশ। দেশটির সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের ঐতিহাসিক স্থানগুলো রক্ষায় কমিশন ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত জরিপ ও গবেষণার পরিকল্পনা করছে। মূলত মানব সভ্যতার জীবন্ত দলিল হিসেবে এসব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণে কঠোর জোর দিচ্ছে দেশটির সরকার।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

দুই দুই
পুঁজিবাজার7 minutes ago

ডিএসইতে দুই ঘণ্টায় লেনদেন ৩৭৬ কোটি টাকা

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দুই ঘন্টায়...

দুই দুই
পুঁজিবাজার54 minutes ago

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।...

দুই দুই
পুঁজিবাজার1 hour ago

সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি আলোচিত...

দুই দুই
পুঁজিবাজার1 day ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে মুন্নু সিরামিক

গত সপ্তাহে (০৩-০৭ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে মুন্নু...

দুই দুই
পুঁজিবাজার1 day ago

সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

গত সপ্তাহে (০৩-০৭ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ দর পতনের তালিকায় শীর্ষ স্থান দখল করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির...

দুই দুই
পুঁজিবাজার1 day ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ডমিনেজ

বিদায়ী সপ্তাহে (০৩-০৭ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট ৪ হাজার ১৫১ কোটি ২৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন...

দুই দুই
পুঁজিবাজার1 day ago

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইর পিই রেশিও কমেছে ০.৯৭ শতাংশ

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (০৩-০৭ মে) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও কমেছে। সপ্তাহজুড়ে...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  
দুই
পুঁজিবাজার7 minutes ago

ডিএসইতে দুই ঘণ্টায় লেনদেন ৩৭৬ কোটি টাকা

দুই
সারাদেশ17 minutes ago

সিগারেটের আগুন থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, একই পরিবারের দগ্ধ ৫

দুই
আন্তর্জাতিক38 minutes ago

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়

দুই
পুঁজিবাজার54 minutes ago

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

দুই
পুঁজিবাজার1 hour ago

সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

দুই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

আড়ালে থেকেই ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ করছেন মোজতবা

দুই
জাতীয়1 hour ago

জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

দুই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সংরক্ষণ করবে রাশিয়া

দুই
আবহাওয়া2 hours ago

সন্ধ্যার মধ্যে ৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

দুই
জাতীয়19 hours ago

হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু

দুই
পুঁজিবাজার7 minutes ago

ডিএসইতে দুই ঘণ্টায় লেনদেন ৩৭৬ কোটি টাকা

দুই
সারাদেশ17 minutes ago

সিগারেটের আগুন থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, একই পরিবারের দগ্ধ ৫

দুই
আন্তর্জাতিক38 minutes ago

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়

দুই
পুঁজিবাজার54 minutes ago

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

দুই
পুঁজিবাজার1 hour ago

সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

দুই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

আড়ালে থেকেই ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ করছেন মোজতবা

দুই
জাতীয়1 hour ago

জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

দুই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সংরক্ষণ করবে রাশিয়া

দুই
আবহাওয়া2 hours ago

সন্ধ্যার মধ্যে ৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

দুই
জাতীয়19 hours ago

হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু

দুই
পুঁজিবাজার7 minutes ago

ডিএসইতে দুই ঘণ্টায় লেনদেন ৩৭৬ কোটি টাকা

দুই
সারাদেশ17 minutes ago

সিগারেটের আগুন থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, একই পরিবারের দগ্ধ ৫

দুই
আন্তর্জাতিক38 minutes ago

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়

দুই
পুঁজিবাজার54 minutes ago

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

দুই
পুঁজিবাজার1 hour ago

সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

দুই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

আড়ালে থেকেই ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ করছেন মোজতবা

দুই
জাতীয়1 hour ago

জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

দুই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সংরক্ষণ করবে রাশিয়া

দুই
আবহাওয়া2 hours ago

সন্ধ্যার মধ্যে ৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

দুই
জাতীয়19 hours ago

হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু