খেলাধুলা
শিরোপা ধরে রাখার মিশনে বিকেলে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ
নেপালের পোখারায় আজ দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লড়াই। সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। লিগ পর্বে ভারতের বিপক্ষে জয় তুলে নেয়ায় শিরোপা জিততে আত্মবিশ্বাসী পিটার বাটলারের দল।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সোয়া ৩টায় শুরু হবে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি।
টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত প্রতিপক্ষের জালে ১৮ গোল করেছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ হিসেবে ভুটান দুর্বল হলেও শক্তিশালী ভারত আর নেপালকে গুনে গুনে দিয়েছে ৬ গোল। টুর্নামেন্টে নিজেদের স্পষ্ট ফেবারিট হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে ফাইনালের মঞ্চে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ আবারো পেয়েছে ভারতকে।
দলকে চাপমুক্ত রাখতে ফাইনালের আগের দিনটায় ফুটবলারদের সঙ্গে দেখা করেছেন বাফুফে নারী উইং চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ। নানাভাবে উজ্জীবিত রাখার চেষ্টা করেছেন লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের। তার বিশ্বাস ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়শিপের শিরোপা ধরে রাখবে বাংলাদেশ।
ম্যাচ নিয়ে গণমাধ্যমকে কিরণ বলেন, আমাদের বয়সভিত্তিক ফল কিন্তু নতুন না। আমাদের ধারাবাহিকতা আছে। আমরা ২০২২ ও ২০২৪-এ পরপর দুবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছি এবং আমাদের মেয়েরা ফুটসালেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আমার বিশ্বাস এবারের ফাইনালেও মেয়েরা ভালো খেলবে এবং ভারতের বিপক্ষে ভালোভাবে জিতে আসবে।
পোখারার বাজে মাঠে ব্যাপকভাবে ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে। অনুশীলন করতে গিয়ে চোটে পড়েছেন বেশ কয়েকজন ফুটবলার। ফাইনালে তাদের মাঠে নামা নিয়েও রয়েছে সংশয়। ফুটবলারদের বিশ্রামে রাখতে গেল ম্যাচে ৭-৮ট পরিবর্তন আনেন কোচ। তবে আরও একটা শিরোপা জয়ের আগে কোনো অজুহাতই দাঁড় করাতে চান না ব্রিটিশ জেন্টেলম্যান।
গণমাধ্যমকে পিটার বাটলার বলেন, ভারত কীভাবে খেলবে সে বিষয়ে আমার বেশ ভালো ধারণা আছে। তাদের দলে বেশ কয়েকজন ভালো খেলোয়াড় আছে, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আমাদের সেরা খেলাটাই খেলতে হবে এবং প্রস্তুত থাকতে হবে। যা হয়ে গেছে তা তো হয়েই গেছে, ওসব পেছনে ফেলে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে আমাদের এই ম্যাচে নামতে হবে। তবে এটাও খেলায় রাখতে হবে যাতে আমরা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী না হই।
সাফের এই আসরে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন ভারত-বাংলাদেশ। পারফরম্যান্স দিয়ে এবার ফাইনালের মঞ্চে দু’দল। শিরোপা নিয়ে দুই অধিনায়ক এমন হাস্যোজ্জল ফটোসেশনে অংশ নিলেও এবার আর শিরোপা ভাগ করতে চায় না কেউই।
এমএন
খেলাধুলা
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণার তারিখ জানাল ফিফা
বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার সময়সূচি প্রকাশ করেছে ফিফা।
ফিফা জানিয়েছে, আগামী ২ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে সব দলের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড প্রকাশ করা হবে।
তবে জাতীয় দলগুলো চাইলে এর আগেই নিজেদের স্কোয়াড ঘোষণা করতে পারবে। কিন্তু ফিফার আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের আগে সেটিকে চূড়ান্ত স্কোয়াড হিসেবে ধরা হবে না।
নিয়ম অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলকে প্রথমে ৩৫ থেকে ৫৫ জনের একটি প্রাথমিক স্কোয়াড জমা দিতে হবে। যদিও সেই তালিকা প্রকাশ করবে না ফিফা।
পরবর্তীতে সেই তালিকা থেকে ২৩ থেকে ২৬ জনের চূড়ান্ত দল নির্বাচন করা হবে। এর মধ্যে অন্তত তিনজন গোলরক্ষক রাখা বাধ্যতামূলক।
আগামী ১১ জুন শুরু হবে বিশ্বকাপ। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করবে এবারের বিশ্বকাপ।
খেলাধুলা
টেস্ট ক্যারিয়ারের ৯ম সেঞ্চুরি তুলে নিলেন শান্ত
উইকেটে বেশ জমে গিয়েছিল নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুমিনুল হকের জুটি। ঠিক তখনই ভাঙল ১৭০ রানের জুটিটা। তবে তার আগে শান্ত করে ফেলেছেন নিজের ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি।
আগের দুই সিরিজে যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন। তার মধ্যে গল টেস্টে টানা দুই ইনিংসেই তিন অঙ্ক ছুঁয়েছিলেন শান্ত। এরপর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন তিনি। এবার পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজেও তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেললেন তিনি।
আজ যখন উইকেটে এলেন, পাক পেসাররা রীতিমতো ত্রাস ছড়াচ্ছিলেন। তিনি এসেই প্রতি-আক্রমণে ভেঙেদেন পাক পেসারদের কৌশল। সেঞ্চুরিটাও পেয়ে গেছেন অনেকটা ওয়ানডে মেজাজে খেলেই। ১২৯ বলেই সেঞ্চুরি পেয়ে গিয়েছিলেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে এর আগে ৫ টেস্ট খেলেছেন শান্ত। তবে সেঞ্চুরির দেখা আর পাননি, এবারই প্রথম।
সেঞ্চুরি ছোঁয়ার ঠিক পরের বলেই তাকে বিদায় নিতে হয়। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে চার মেরে সেঞ্চুরি করার ঠিক পরেই তার হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা বলটা প্যাডে লাগে শান্তর। আম্পায়ার সাড়া দেননি, রিভিউ নিয়ে সফল হয় পাকিস্তান। বাংলাদেশ তাদের তৃতীয় উইকেট খোয়ায় ২০১ রানে।
তার বিদায়ের পর মুশফিকুর রহিম এসেছেন ক্রিজে। তবে মোহাম্মদ আব্বাসের সে ওভার শেষ হতেই চা বিরতির ঘোষণা দেন আম্পায়ার।
খেলাধুলা
বিপিএল ফিক্সিংয়ের দায়ে এক ক্রিকেটারসহ ৫ জনকে নিষেধাজ্ঞা বিসিবির
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ঘিরে ফিক্সিং ও দুর্নীতির অভিযোগে এক ক্রিকেটারসহ পাঁচজনকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির অভিযোগ অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে বেটিং (জুয়া), দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ড, তদন্তে অসহযোগিতা এবং তদন্ত কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় বিসিবি। নিষেধাজ্ঞা পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহ-মালিক তৌহিদুল হক তৌহিদ, রংপুর রাইডার্সের সাবেক ক্রিকেটার এবং চলমান ডিপিএলে রূপগঞ্জ টাইগার্সের হয়ে খেলা অমিত মজুমদার, নোয়াখালী ফ্র্যাঞ্চাইজির ম্যানেজার রেজওয়ান কবির ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম ম্যানেজার সামিনুর রহমান।
অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অভিযোগের নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে ১৪ (চৌদ্দ) দিনের মধ্যে তাদের জবাব দিতে হবে। তবে সামিনুর রহমানকে ‘নোটিশ অব ইনটেনডেড এক্সক্লুশন অর্ডার’ দেওয়ায় তার আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো অধিকার নেই। এই পর্যায়ে বিসিবি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না।
বিপিএলে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ৯ মাদ ব্যাপী তদন্তের পর একই বছরের অক্টোবরে বিসিবির কাছে ৯০০ পৃষ্ঠার তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয় তদন্ত কমিটি। তদন্তের মূল বিষয়গুলো ছিল বেটিং সংক্রান্ত কার্যক্রম, দুর্নীতির প্রস্তাব, কোডের ধারা ৪.৩-এর অধীনে ইস্যু করা ডিমান্ড নোটিশ পালনে ব্যর্থতা, সংশ্লিষ্ট তথ্য ও যোগাযোগ গোপন বা মুছে ফেলা এবং নির্ধারিত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তার (ডিএসিও) সাথে তদন্তে সহযোগিতা না করা।
তদন্ত কমিটির সেই রিপোর্ট পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করেন বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল। সেই যাচাই-বাছাইয়ে পাওয়া প্রমাণের ভিত্তিতেই এবার নিষিদ্ধ হলেন এই পাঁচ জন।
খেলাধুলা
সূর্যবংশীকে খেলানোয় রাজস্থানের বিরুদ্ধে শিশুশ্রমের অভিযোগ
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) মানেই চার-ছক্কার রোমাঞ্চ আর নতুন তারাদের উত্থান। তবে এবারের আসরে রাজস্থান রয়্যালসের তরুণ ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশী মাঠের পারফরম্যান্স ছাপিয়ে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারের আইপিএলে অংশগ্রহণকে ‘শিশুশ্রম আইন লঙ্ঘনের’ অভিযোগ এনেছেন কর্ণাটকের এক সমাজকর্মী।
সি এম শিবকুমার নায়েক নামের ওই সমাজকর্মী বৈভব সূর্যবংশীর আইপিএলে খেলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার দাবি, এত অল্প বয়সে একটি বাণিজ্যিক টুর্নামেন্টে খেলা আইনতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং এটি ‘শিশুশ্রম’-এর নামান্তর। এই বিষয়ে তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে শিবকুমার নায়েক স্পষ্ট করে বলেছেন যে, পেশাদার ক্রিকেট ব্যবস্থার মাধ্যমে কিশোর সূর্যবংশীকে ‘শোষণ’ করা হচ্ছে। তিনি শিশু অধিকার ও শিশুশ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
শিবকুমার নায়েক ভিডিওতে আরও বলেন, “রাজস্থান রয়্যালসের এই ১৫ বছর বয়সী কিশোর বৈভব সূর্যবংশীকে শোষণ করা হচ্ছে। সে কেবলই এক শিশু, বয়স মাত্র ১৫। এই বয়সেই তাকে আইপিএলের মতো পেশাদার ক্রিকেটে নিয়ে আসা হয়েছে। এটি শিশুশ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়।”
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এত বড় একটি লিগে তারা একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেকে কীভাবে খেলাতে পারে? এই অল্প বয়সে ক্রিকেট খেলার বদলে তার উচিত পড়াশোনা করা, স্কুলে যাওয়া এবং নিজের শিক্ষা সম্পন্ন করা।”
শিবকুমার মনে করেন, এই ঘটনা দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি ‘খুবই খারাপ নজির’ তৈরি করছে। তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে রাজস্থান রয়্যালস কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিতর্ক যাই থাকুক না কেন, বৈভব সূর্যবংশী ব্যাট হাতে আইপিএলে নিজের জাত চিনিয়েছেন। ২০২৫ সালের এপ্রিলে মাত্র ১৪ বছর ২৩ দিন বয়সে তার আইপিএল অভিষেক হয়। এরপর থেকে তিনি বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে নিয়মিত রেকর্ড বই ওলট-পালট করে দিচ্ছেন। ২০২৫ এবং ২০২৬ আইপিএলের দুই আসর মিলিয়ে ১৭ ম্যাচে তার সংগ্রহ ৬৫৬ রান। এই সময়ে তার গড় ৩৮.৫৯ এবং স্ট্রাইক রেট অবিশ্বাস্য ২২৪.৬৬! এর মধ্যে রয়েছে দুটি সেঞ্চুরি ও তিনটি ফিফটি।
২০২৫ আইপিএলে গুজরাট টাইটানসের বিপক্ষে মাত্র ৩৮ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলে তিনি ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন। মাত্র ৩৫ বলে করা সেই সেঞ্চুরিটি ছিল আইপিএল ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম তিন অঙ্কের ইনিংস।
সাফল্যের এই ধারা তিনি ২০২৬ আইপিএলেও ধরে রেখেছেন, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ৩৭ বলে ১০৩ রানের আরেকটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন এই বাঁহাতি।
আইপিএলের বাইরেও সূর্যবংশী তার প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। চলতি বছর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তিনি আলো ছড়ান, ফাইনালে ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে মাত্র ৮০ বলে ১৭৫ রানের দানবীয় ইনিংস খেলে ভারতকে শিরোপা জেতান। এই টুর্নামেন্টে তিনি সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও অর্জন করেন।
এছাড়াও, ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বয়সে লিস্ট ‘এ’ সেঞ্চুরি এবং বিহারের দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৫০ রানের ইনিংস খেলার রেকর্ডও এখন সূর্যবংশীর দখলে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ২০২০ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের জন্য সর্বনিম্ন বয়সের নিয়ম চালু করে। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, পুরুষ ও নারী ক্রিকেটের পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-১৯ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও অংশ নিতে হলে একজন খেলোয়াড়ের বয়স অন্তত ১৫ বছর হতে হবে। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই নিয়ম চালু করা হয়েছিল।
তবে, এই নিয়ম শুধু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য প্রযোজ্য। ঘরোয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর ক্ষেত্রে আইসিসির এই নীতিমালা বাধ্যতামূলক নয়। ফলে, আইপিএলের মতো ঘরোয়া লিগে ১৫ বছর বয়সী খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে আইসিসির সরাসরি কোনো বিধিনিষেধ নেই। এই বিষয়টিই বর্তমান বিতর্কের মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে নৈতিকতা ও আইনের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
খেলাধুলা
জোড়াতালি দিয়ে বিপিএল আয়োজন করতে চান না তামিম
তামিম ইকবাল বলেছেন, শুধুমাত্র আয়োজনের জন্য জোড়াতালি দিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) করতে চান না তারা। বিশেষ করে গেল ২০২৫ সালে ফিক্সিং ইস্যু এবং পেমেন্ট ইস্যু নিয়ে আলোচনা ছিল বেশি। সর্বশেষ আসরেও ছিল দল নিয়ে সমালোচনাসহ নানা অব্যবস্থাপনার কথা বলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৬ মে) মিরপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি জোড়াতালি দিয়ে বিপিএলের মতো টুর্নামেন্ট করব না। আমরা যদি ফ্র্যাঞ্চাইজি না পাই, তাহলে আমার মনে হয় বিপিএল করা উচিত না। শুধু করার জন্য বিপিএল করার থেকে না করাই ভালো। আমি সবসময় বিশ্বাস করি নিয়মিত বিপিএল হওয়া উচিত। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি।’
তিনি আরও বলেন, নিয়মিত বিপিএল আয়োজন হওয়া প্রয়োজন হলেও সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।
তামিম আরও বলেন, ‘আমি যদি কোনো কিছু করি, যার কারণে বিসিবি ভোগান্তিতে পড়ে তাহলে আমাকে ধরতে হবে। আপনি ভুল করতেই পারেন। তবে জেনেশুনে যখন আপনি ভুল করেন তখন সেটা ক্রাইম।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অ্যাডহক কমিটির সদস্য ফাহিম সিনহা বলেন, ‘দুটি দলের সঙ্গে চুক্তিই হয়নি। একটি আসর খেলে ফেলেছে। (দুই দল সিলেট এবং নোয়াখালী) চট্টগ্রাম রয়্যালসের দায়িত্ব বিসিবি নিয়ে নিয়েছিল। বিসিবির এই ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ভুগতে হচ্ছে। সামনে যেন এমনটা না হয় আমরা এটা নিশ্চিত করব। কোয়াবের প্রেসিডেন্ট মিঠুনের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্লেয়ারদের কীভাবে চুক্তি হয় এটায় বিসিবি দিক নির্দেশনা দেবে। যেন প্লেয়াররা বিপদে না পরে।’




