আইন-আদালত
আপিল বিভাগে সুখবর পেলেন বিএনপির ২ প্রার্থী
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম ২ আসনে সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে পারবেন বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তবে চলমান আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসনের ফলাফলের চূড়ান্ত প্রকাশ স্থগিত থাকবে বলে আদেশে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
গত ১ ফেব্রুয়ারি বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর বিরুদ্ধে আপিল করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। পরে তাদের আপিল আবেদনের ওপর দীর্ঘ শুনানি শেষে হাইকোর্ট রিট খারিজ করে দেয়। এরপর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সময় আপিল বিভাগে আবেদন জানায়। পরে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
আদালতে আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান, ব্যারিস্টার কাজী আক্তার হোসেন। অপরপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু, অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
এদিকে, ঋণ খেলাপের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বহাল রেখে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার নির্বাচনেও বাধা নেই। তবে ফলাফলটা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উইথহেল্ড থাকবে। রেজাল্ট পাবলিশড হবে না। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে নির্বাচনে সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর বিরুদ্ধে জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিন আপিল বিভাগে আবেদন জানান। গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে প্রার্থিতা বাতিলের রায় দেয় ইসি।
সারোয়ার আলমগীর রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বৈধ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপের অভিযোগে আপিল করা হয়েছিল। জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমীন অভিযোগটি করেছিলেন।
এমএন
আইন-আদালত
বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে নাহিদের রিট শুনানি হতে পারে আজ
দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এমএ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের রিট শুনানি আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) হতে পারে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেন রিটকারীর আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা।
হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে রিটটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত রয়েছে। আবেদনটি কার্যতালিকার ৮২ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। রিটে এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিতের আবেদন জানানো হয়েছে।
জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এমএ কাইয়ুম ভানুয়াতু নামের একটি দেশের নাগরিক। তবে তিনি নির্বাচনী হলফনামায় এ তথ্য গোপন করেছেন, যা পরবর্তীতে প্রকাশ পায়।
আইনজীবী জানান, সংবিধান অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকত্বধারীরা জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে অনুপযুক্ত। এ কারণে দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি এবং হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ সামনে রেখে রিটটি করা হয়েছে। রিটটি শিগগিরই উপযুক্ত বেঞ্চে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১১ আসনটি গুলশান এলাকার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২১, ২২, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড এবং সবুজবাগ এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন।
এমএন
আইন-আদালত
সাবেক প্রধান বিচারপতিসহ ৮ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদেশে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকসহ আট ব্যক্তির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দুদকের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এ আদেশ দেন আদালত।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা অন্য সাতজন হলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল হুদা, সদস্য (অর্থ ও এস্টেট) আইম গোলাম কিবরিয়া, সদস্য মো. আবু বক্কার সিকদার, সদস্য (পরিকল্পনা) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সিকদার, সদস্য (এস্টেট) আখতার হোসেন ভূঁইয়া, সাবেক যুগ্ম সচিব ও সদস্য (উন্নয়ন) এম মাহবুবুল আলম এবং সদস্য (প্রশাসন ও ভূমি) নাজমুল হাই।
এর আগে, গত বছরের ৬ আগস্ট মিথ্যা তথ্য দিয়ে ১০ কাঠার প্লট নেওয়ার অভিযোগে খায়রুল হকসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক প্লট বরাদ্দের শর্ত ভঙ্গ করে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। রাজউকের কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় সুদ মওকুফের কোনো বিধান না থাকা সত্ত্বেও প্লট বরাদ্দের জন্য সাময়িক বরাদ্দপত্রে শর্ত ভঙ্গ করেন।
এ ছাড়া তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুদসহ কিস্তির টাকা জমা না দিয়ে অবসরের পর অর্থাৎ বরাদ্দের পাঁচ বছর পর সুদবিহীনভাবে টাকা জমা দেন। এ ক্ষেত্রে রাজউকের প্রচলিত নীতিমালা ভঙ্গ করে বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করে সুদ বাবদ ৪ লাখ ৭৪ হাজার ২৪০ টাকা পরিশোধ না করে সরকারের ক্ষতিসাধন ও আত্মসাৎ করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
এমএন
আইন-আদালত
পদত্যাগ করলেন হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুন রহমান
দীর্ঘ এক বছর ধরে বিচার কাজের বাইরে থাকা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিচারপতি মামনুন রহমান বিদেশে পাড়ি জমান। বিদেশে থেকে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করেন।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি), রাষ্ট্রপতি বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রটি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের ই-মেইলে এসেছে। বিচারপতি মামনুন রহমান কানাডা থেকে এই পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
জানা গেছে, বিনা ছুটিতে দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত তিনি। তার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে রাষ্ট্রপতিকে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল।
সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি এর আগে হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে অপসারণ করেছেন।
২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়। এর মধ্যে বর্তমানে ৯ জন বিচারপতি আর দায়িত্বে নেই। কেউ বাধ্যতামূলক অবসরে গেছেন, কেউ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন, কেউ আবার অবসরে গেছেন।
বাকি তিনজন বিচারপতি এখনও পদে থাকলেও বেঞ্চের দায়িত্বে নেই। এছাড়া চলতি মাসে অভিযোগের ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এম আর হাসানকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। মোট ১৩ জন বিচারপতির বাইরে আরও দুইজন স্বেচ্ছায় কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন—বিচারপতি মামনুন রহমান ও আশরাফুল কামাল। আজ পদত্যাগ করলেন মামনুন রহমান।
এমএন
আইন-আদালত
প্লট দুর্নীতির মামলায় হাসিনার ১০, টিউলিপের ৪ বছর কারাদণ্ড
পূর্বাচল প্লট দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১০ এবং তার ভাগ্নি টিউলিপ টিউলিপ সিদ্দিককে ৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া শেখ হাসিনার ভাগিনা রাদওয়ান সিদ্দিক ও ভাগ্নি আজমিনা সিদ্দিককে ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করা হয়।
রায়ে দুই মামলায় শেখ হাসিনাকে ৫ বছর করে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে ৬ মাস করে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিককে ২ বছর করে ৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে ৬ মাস করে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান সিদ্দিককে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
শেখ রেহানার মেয়ে আজমিনা সিদ্দিককে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
আর আদালতে আত্মসমর্পণ করায় সাবেক রাজউক কর্মকর্তা খুরশিদ আলমকে মানবিক ও অসুস্থতা বিবেচনায় ১ বছর কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
দুদকের অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে শেখ রেহানার মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক ও তার ছেলে রাদওয়ান সিদ্দিক ববির নামে পূর্বাচলে ২০ কাঠা জমি বরাদ্দের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। রাজধানীতে স্থাবর সম্পত্তির তথ্য হলফনামায় গোপন করেন তারা।
এছাড়া ভাই-বোনের নামে প্লট বরাদ্দের জন্য ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক শেখ হাসিনাকে প্রভাবিত করেন বলেও উঠে আসে তদন্তে।
পরে দুই মামলায় ২২ জনকে অভিযুক্ত করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর আগে একই অভিযোগের চার মামলায় শেখ হাসিনা ও তার পরিবারকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন আদালত।
এমএন
আইন-আদালত
পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনা-টিউলিপসহ ১৮ জনের রায় আজ
রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে আজ রায় ঘোষণা করা হবে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এ এই রায় ঘোষণা করবেন বিচারক রবিউল আলম।
এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। শুনানিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী হাফিজুর রহমান যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেন।
অন্যদিকে কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি রাজউকের সাবেক সদস্য খুরশীদ আলমের পক্ষে তার আইনজীবী দাবি করেন, দুদক তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে তিনি খুরশীদের খালাস চান। বাকি ১৭ আসামি পলাতক থাকায় তারা আত্মপক্ষ সমর্থন বা আইনজীবীর মাধ্যমে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সুযোগ পাননি।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, শেখ হাসিনার সাবেক সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিয়া, সাবেক পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, তন্ময় দাস, সাবেক সহকারী পরিচালক ফারিয়া সুলতানা ও মাজহারুল ইসলাম এবং সাবেক উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ।
উল্লেখ্য, জুলাই অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতার পটপরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ আমলের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। এরই প্রেক্ষাপটে রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ছয়টি মামলা করে দুদক।
এর মধ্যে শেখ হাসিনা পরিবারের বিরুদ্ধে করা তিনটি মামলার রায় ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। চার মামলায় শেখ হাসিনাকে মোট ২৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল পাঁচ বছর করে, বোন শেখ রেহানা সাত বছর এবং ভাগ্নী টিউলিপ সিদ্দিক দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।
ববি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে চলমান এই মামলায় মোট ২৮ জন সাক্ষ্য দেন। গত ১৩ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। একই দিনে খুরশীদ আলম আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
এমএন



