পুঁজিবাজার
ডিএসইতে দুই ঘণ্টায় লেনদেন ৩৫৯ কোটি টাকা
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দুই ঘন্টায় টাকা অংকে লেনদেন হয়েছে ৩৫৯ কোটি টাকা।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টা ২ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ সূচক ৩৯ দশমিক ০৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২২৭ পয়েন্টে।
অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ‘ডিএসইএস’ সূচক ৮ দশমিক ৬০ পয়েন্ট বেড়ে এবং ‘ডিএস৩০’ সূচক ৯ দশমিক ০৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০৫১ ও ২০০৬ পয়েন্টে।
এদিনে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪২টি, কমেছে ৭৬টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৮টি কোম্পানির শেয়ারের।
এমএন
পুঁজিবাজার
শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ পাঠিয়েছে ৪ কোম্পানি
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চার কোম্পানি গত ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
কোম্পানিগুলো হচ্ছে- তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি, মাগুরা মাল্টিপ্লেক্স পিএলসি, ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসি এবংরংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিগুলো নগদ লভ্যাংশ বিইএফটিএন সিস্টেমস মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
গত ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশনের ২ শতাংশ, মাগুরা মাল্টিপ্লেক্সের ১১ শতাংশ, ক্রাউন সিমেন্টের ২১ শতাংশ এবং রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিলো।
এমএন
পুঁজিবাজার
অগ্নি সিস্টেমসের লভ্যাংশ বিতরণ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি অগ্নি সিস্টেমস পিএলসি গত ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরে জন্য ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিটি সমাপ্ত হিসাববছরের নগদ লভ্যাংশ বিইএফটিএন সিস্টেমসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের পাঠিয়েছে।
গত ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য অগ্নি সিস্টেমস পিএলসি কোম্পানিটি ২.৫০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিলো।
এমএন
পুঁজিবাজার
ওয়াটা কেমিক্যালসের লভ্যাংশ বিতরণ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড গত ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরে জন্য ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিটি সমাপ্ত হিসাববছরের নগদ লভ্যাংশ বিইএফটিএন সিস্টেমসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের পাঠিয়েছে।
গত ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড কোম্পানিটি ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিলো।
এমএন
পুঁজিবাজার
পর্ষদ সভার তারিখ জানালো এশিয়াটিক ল্যাব
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ০৪ ফেব্রুয়ারী বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রতিবেদনটি পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
এমএন
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে সিএফও হিসেবে যোগ দিলেন আবিদ হোসেন খান
মো. আবিদ হোসেন খান আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) হিসেবে যোগদান করেছেন।
ডিএসইতে যোগদানের আগে তিনি শপআপ গ্রুপে গ্রুপ ডেপুটি চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন্স লিমিটেডে এফপিঅ্যান্ডএ ডিরেক্টর এবং গ্রামীণফোন লিমিটেডে মহাব্যবস্থাপক (ফিন্যান্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৬ বছরেরও বেশি সময়ের পেশাগত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মো. আবিদ হোসেন খান হিসাবরক্ষণ, আর্থিক নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক পরিকল্পনা ও বিশ্লেষণ, ব্যবসায়িক পারফরমেন্স ব্যবস্থাপনা, ট্রেজারি ও কর ব্যবস্থাপনায় সুদক্ষ। বৃহৎ ও বহুমুখী দল পরিচালনা, কার্যকর আর্থিক কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং প্রক্রিয়া আধুনিকায়নে তার উল্লেখযোগ্য দক্ষতা রয়েছে বলে ডিএসই’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আবিদ হোসেন খান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কেপিএমজি বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) থেকে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করে বর্তমানে ফেলো চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে স্বীকৃত। এছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যের ইনস্টিটিউট অব ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট্যান্টস (আইএফএ) এবং ইনস্টিটিউট অব পাবলিক অ্যাকাউন্ট্যান্টস (আইপিএ)-এর ফেলো সদস্য।
কর্মজীবনে তিনি গ্রামীণফোন ও বাংলালিংকে দীর্ঘদিন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি আর্থিক প্রতিবেদন, কর ব্যবস্থাপনা, আইএফআরএস অনুযায়ী হিসাব প্রণয়ন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় এবং বৃহৎ কর্পোরেট অডিট ও মূল্যায়ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে তিনি এসটিএস গ্রুপে হেড অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস এবং বাংলালিংকে এফপিঅ্যান্ডএ ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সবশেষে, শপআপ গ্রুপে গ্রুপ ডেপুটি সিএফও ও ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরভিত্তিক একাধিক প্রতিষ্ঠানের এন্ড-টু-এন্ড ফাইন্যান্স কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করেন। এ সময় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ঋণ ও ইকুইটি ফান্ড সংগ্রহ, বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং কর্পোরেট গভর্ন্যান্স কাঠামো শক্তিশালীকরণে নেতৃত্ব দেন।



