Connect with us

আন্তর্জাতিক

ইরানের উদ্দেশ্যে যুদ্ধজাহাজের বড় বহর পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

ডিএসই

যুদ্ধজাহাজের বড় বহর ইরানের উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের দাভোস শহরে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলন থেকে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এ সময় তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধজাহাজের বড় বহর ইরানের উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছি। হয়তো এই বহর আমাদের ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়বে না, তবে আমরা তাদের (ইরান) নিবিড় নজরদারির মধ্যে রাখছি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তবে বহরের অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত জানাননি ট্রাম্প।

এদিকে মার্কিন কর্মকর্তারা অসমর্থিত সূত্রে রয়টার্সকে জানান, গত সপ্তাহে এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চল থেকে এই বহর ইরানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বহরটি ইরানে আঘাত হানার সক্ষমতায় পৌঁছে গেছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, যুদ্ধবিমান বহকারী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম এবং বেশ কিছু গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বসী যুদ্ধজাহাজ ইরানের দিকে রওনা হয়েছে এবং আগামী কিছুদিনের মধ্যে ইরানের উপকূলের আশপাশে এই যুদ্ধজাহাজের বহর অবস্থান নেবে। বহরটি অদূর ভবিষ্যতে যে কোনো ইরানি হামলা গোড়াতেই রুখে দিতে সক্ষম।

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পকে পাল্টা হুঁশিয়ারি ইরানের

Published

on

ডিএসই

ইরানের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ এবং পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর ওয়াশিংটন ও তার মিত্রদের সরাসরি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে, তার বাহিনীর ‘আঙুল এখন ট্রিগারে রয়েছে’। যেকোনো ধরনের উসকানি বা সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরান অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রস্তুত বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি বিশাল নৌবহর পারস্য উপসাগরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এএফপি-র এক প্রতিবেদনে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার বিষয়টি উঠে এসেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলন শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চাই না খারাপ কিছু ঘটুক, তবে আমরা ইরানের ওপর অত্যন্ত কড়া নজর রাখছি এবং প্রয়োজনে বড় নৌবহর মোতায়েন করা হচ্ছে।’ ট্রাম্পের মতে, তেহরান এখনো আলোচনার টেবিলে ফেরার আগ্রহ দেখাচ্ছে, তবে সামরিক পদক্ষেপের বিকল্পটিও তিনি পুরোপুরি নাকচ করে দেননি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

উল্লেখ্য, গত বছরের জুন মাসে ইসরায়েলকে সমর্থন জানিয়ে ইরানীয় ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে মার্কিন হামলার পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। সম্প্রতি ট্রাম্প এমন হুমকিও দিয়েছেন, যদি মার্কিন স্বার্থ বা নেতৃত্বের ওপর কোনো আঘাত আসে, তবে ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে দেওয়া হবে’।

ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যায়, গত ডিসেম্বরের শেষে শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের গণবিক্ষোভ দেশটির ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীকে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিল। যদিও বর্তমানে সেই বিক্ষোভ কিছুটা স্তিমিত হয়ে এসেছে, তবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই অস্থিরতার জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে অভিযুক্ত করেছেন।

তার মতে, বাইরের শত্রু পক্ষটি ‘১২ দিনের যুদ্ধে’ হেরে যাওয়ার প্রতিশোধ নিতে ইরানে উসকানি দিচ্ছে। জেনারেল পাকপুর এই ‘১২ দিনের যুদ্ধের’ অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রতিপক্ষকে সতর্ক করেছেন যে, কোনো ভুল হিসাব-নিকাশ করলে তাদের ‘বেদনাদায়ক পরিণতির’ মুখোমুখি হতে হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিক্ষোভ নিস্তেজ হয়ে আসায় এবং উভয় পক্ষ থেকে কূটনৈতিক আলোচনার কিছুটা ইঙ্গিত পাওয়া যাওয়ায় এখনই হয়তো বড় কোনো যুদ্ধের সম্ভাবনা নেই। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া ভাষা এবং পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরীর উপস্থিতি এক ধরনের স্নায়ুযুদ্ধ ও অচলাবস্থার সৃষ্টি করেছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নেতৃত্বে বিপ্লবী গার্ডের এই ‘ট্রিগারে আঙুল’ রাখার ঘোষণা বিশ্ববাসীকে নতুন কোনো সংঘাতের শঙ্কায় ফেলে দিয়েছে। আপাতত উভয় পক্ষই একে অপরের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে এবং চূড়ান্ত কোনো পদক্ষেপের জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষায় রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

জাতিসংঘকে বাদ দিয়ে ‘বোর্ড অব পিস’ চালু করলেন ট্রাম্প

Published

on

ডিএসই

ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক উদ্যোগ চালু করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ এতে যোগ দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান পশ্চিমা মিত্র ও বড় বৈশ্বিক শক্তিগুলো এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এই বোর্ডের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেন ট্রাম্প। তবে এই উদ্যোগের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই বোর্ড জাতিসংঘের কূটনৈতিক কর্তৃত্বকে দুর্বল করে দিতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, বোর্ডটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেন, বোর্ডটি পুরোপুরি গঠিত হলে তারা ‘প্রায় যে কোনো কিছুই করতে সক্ষম হবে’ এবং জাতিসংঘের সঙ্গে সমন্বয় করেই কাজ করবে। ট্রাম্প আরও বলেন, জাতিসংঘের সম্ভাবনা অনেক হলেও তা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গাজার যুদ্ধবিরতি ছাড়াও বৈশ্বিক নানা সংকট মোকাবিলায় এই বোর্ড কাজ করবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে এতে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, বৈশ্বিক কূটনীতি ও সংঘাত নিরসনের প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে জাতিসংঘের ভূমিকা দুর্বল হতে পারে।

তুরস্ক, মিসর, সৌদি আরব ও কাতারের মতো মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক শক্তির পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া ইতোমধ্যে বোর্ডে যোগ দিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যগত পশ্চিমা মিত্র ও বড় বৈশ্বিক শক্তিগুলো এখনো বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, বোর্ডের স্থায়ী সদস্যদের প্রত্যেককে এক বিলিয়ন ডলার করে তহবিলে দিতে হবে। রয়টার্স জানায়, বোর্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্বের প্রধান শক্তি, ইসরাইল কিংবা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, বোর্ডের মূল লক্ষ্য হবে গাজার শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। ভবিষ্যতে এটি বিশ্বের অন্যান্য সংকটেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানান তিনি।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া এখনো কেউ বোর্ডে যোগ দেয়নি। রাশিয়া জানিয়েছে, তারা প্রস্তাবটি বিবেচনা করছে। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রে জব্দ করা রুশ সম্পদ থেকে এক বিলিয়ন ডলার দিতে তারা প্রস্তুত।

তবে ফ্রান্স এই বোর্ডে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ব্রিটেন জানিয়েছে, আপাতত তারা এতে যোগ দিচ্ছে না। চীন এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। জাতিসংঘের এক মুখপাত্র বলেছেন, নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ী গাজা শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বোর্ডের সঙ্গে জাতিসংঘের সম্পৃক্ততা থাকবে।

বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার, গাজা বিষয়ক আলোচক স্টিভ উইটকফ এবং সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। জ্যারেড কুশনার জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপে গাজার পুনর্গঠন ও হামাসের নিরস্ত্রীকরণ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তিনি বলেন, ‘হামাস নিরস্ত্রীকরণ না হলে এই পরিকল্পনা এগোনো কঠিন হয়ে পড়বে।’

এদিকে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে কিছু অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে। ফিলিস্তিনি কমিটির প্রধান আলি শাআথ জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে মিসরের সঙ্গে রাফাহ সীমান্ত পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তবে গত বছরের অক্টোবরে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি একাধিকবার ভেঙে পড়েছে।

ইসরাইল ও হামাস একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে। ইসরাইলের দাবি, হামাস এখনও এক জিম্মির মরদেহ ফেরত দেয়নি। অন্যদিকে হামাসের অভিযোগ, ইসরাইল গাজায় ত্রাণ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের বোর্ড অব পিসে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। ফিলিস্তিনি দলগুলোর পক্ষ থেকেও ট্রাম্পের পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছে এবং গাজা শাসনের জন্য একটি অন্তর্বর্তী কমিটিকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে।

তবে যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, গাজার নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ এবং ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের মতো কঠিন ইস্যুগুলো এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানে তেল-গ্যাসের বিশাল মজুতের সন্ধান

Published

on

ডিএসই

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে তেল ও গ্যাসের বিশাল এক মজুত আবিষ্কারের তথ্য জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস উন্নয়ন কোম্পানি (ওজিডিসিএল)। যা থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ১০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এবং ৮১ লাখ ৫০ হাজার ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন করা যাবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে পাওয়া গেছে এ তথ্য।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জকে দেওয়া এক নোটিশে বলা হয়, ওজিডিসিএল জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাট জেলায় অবস্থিত তাদের অনুসন্ধানী কূপ ‘বারাগজাই এক্স-০১’ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ১০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এবং ৮১ লাখ ৫০ হাজার ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইতোমধ্যে এই এলাকায় আরও দুটি কূপ থেকে তেল ও গ্যাস উত্তোলন করে আসছে ওজিডিসিএল।

ওজিডিসিএল এক বিবৃতিতে বলেছে, নতুন এই আবিষ্কার দেশীয় সম্পদের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ-চাহিদার ব্যবধান কমাতে অবদান রাখবে এবং দেশের হাইড্রোকার্বন রিজার্ভ বেসকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। নতুন মজুদের আবিস্কারে পর থেকে বারাগজাই খনিগুলো থেকে প্রতিদিন আনুমানিক ৯ হাজার ৪৮০ ব্যারেল তেল উত্তোলন করা হচ্ছে, যা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ অপরিশোধিত তেল উৎপাদনের প্রায় ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ।

বর্তমানে পাকিস্তান প্রতিদিন প্রায় ৬৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন করে থাকে।

প্রসঙ্গত, এই তেলের ও গ্যাসের খনি আবিষ্কারের খবর এমন এক সময় এলো, যখন পাকিস্তান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে অভ্যন্তরীণ তেল ও গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ব্যয়বহুল আমদানির ওর নির্ভরতা কমাতে প্রচেষ্টা জোরদার করছে। গত বছর পাকিস্তান সরকার তিনটি অফশোর এবং দুটি অনশোর খনির জন্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর সঙ্গে পাঁচটি তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরানকে ‘পৃথিবী থেকে মুছে ফেলার’ হুমকি ট্রাম্পের

Published

on

ডিএসই

আমার বিরুদ্ধে কোনো হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটলে ইরানকে পৃথিবী থেকে মুছে ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে চলমান হুমকির প্রসঙ্গে বলেন, তাদের এমনটা করা উচিত নয়। কিন্তু আমি আগেই নির্দেশ দিয়ে রেখেছি। যদি আমার সঙ্গে কিছু ঘটে, তাহলে পুরো দেশটাই উড়িয়ে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ইরানকে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ট্রাম্প বলেন, এ ধরনের হুমকি প্রথম যখন দেওয়া হয়েছিল, তখন সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উচিত ছিল বিষয়টি নিয়ে কড়া অবস্থান নেওয়া। ট্রাম্পের অভিযোগ, আগের প্রশাসনগুলো প্রয়োজনীয় কঠোরতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ট্রাম্প বলেন, যদি তারা এমন হুমকি কাউকে দিত, এমনকি কোনো প্রেসিডেন্ট না হলেও, যেমনটা আমার ক্ষেত্রে করেছে, তাহলে আমি তাদের এত কঠোরভাবে আঘাত করতাম যে তারা সামলাতে পারত না। আমার খুবই স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যদি কিছু ঘটে, তাহলে তাদের পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা হবে।

এদিকে গত ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ইরানজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। দেশটির মুদ্রা রিয়ালের বড় ধরনের অবমূল্যায়ন, লাগামহীন মূল্যস্ফীতি এবং খাদ্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এসব আন্দোলন শুরু হয়। রাজধানী তেহরান ছাড়াও বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভ।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সির (এইচআরএএনএ) তথ্যমতে, চলমান অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৪ হাজার ২৯ জন নিহত, ২৬ হাজারের বেশি মানুষ গ্রেপ্তার এবং ৫ হাজার ৮০০–এর বেশি ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

ইরানি কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তথাকথিত ‘সশস্ত্র দাঙ্গাকারীদের’ পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

এর আগে, ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের হত্যার ঘটনায় ‘কঠোর জবাব’ দেওয়ার হুমকি দিলেও পরে তেহরান সরকার শত শত নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করার খবরে তাদের প্রশংসাও করেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ভিক্ষার টাকা সুদে লাগিয়ে কোটিপতি মঙ্গিলাল

Published

on

ডিএসই

ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের ব্যস্ত শরাফা বাজারে মঙ্গিলাল নামে এক ব্যক্তি বেয়ারিং লাগানো একটি লোহার গাড়িতে বসে আছেন। তার কাঁধে ব্যাগ ঝোলানো। দুই হাতে একজোড়া জুতা। হাত দিয়ে গাড়ি ঠেলে বাজারের একপাশ থেকে অন্য পাশে ঘুরছেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে তিনি পথচারী কারও কাছে ভিক্ষা চান না। মানুষ তাকে দেখলে ভেবেই নিতে পারে, অসহায় এই মানুষটির পাশে দাঁড়ানো উচিত।

তিনি একজন কোটিপতি শারীরিক প্রতিবন্ধী। তার তিনটি বাড়ি আছে। এর মধ্যে একটি সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া। আরও আছে একটি মারুতি সুজুকি গাড়ি ও তিনটি অটোরিকশা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সম্প্রতি ইন্দোরে নারী ও শিশু উন্নয়ন বিভাগের ভিক্ষুকবিরোধী অভিযানের সময় মঙ্গিলাল সম্পর্কে এ তথ্য জানা যায়। গত শনিবার গভীর রাতে অভিযানকারী দল মঙ্গিলালকে তুলে নিয়ে যায়। একজন কুষ্ঠরোগী ওই এলাকায় নিয়মিত ভিক্ষা করছেন, এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অভিযানকারী দল মনে করেছিল, এটি অন্যান্য সাধারণ অভিযানের মতো হবে। কিন্তু পরে তারা মঙ্গিলাল সম্পর্কে চমকপ্রদ সব তথ্য জানতে পারে।

দীর্ঘদিন মঙ্গিলাল কোনো কথা না বলেই সাহায্য চাওয়ার কৌশল আয়ত্ত করেন। তিনি কখনো সরাসরি কিছু চাইতেন না। লোহার গাড়িতে বসে থাকতেন। মানুষ তার এ অবস্থা দেখে সহানুভূতিশীল হয়ে যে যা খুশি দান করতেন। প্রতিদিন ভিক্ষা করে ৪০০ থেকে ৫০০ রুপি পেতেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মঙ্গিলালের আসল ‘ব্যবসা’ শুরু হতো সন্ধ্যার পর।

জিজ্ঞাসাবাদে মঙ্গিলাল জানিয়েছেন, ভিক্ষার অর্থ তিনি খরচ করতেন না। বরং ওই অর্থ বিনিয়োগ করতেন। তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের এক দিন বা এক সপ্তাহের জন্য সুদে অর্থ ধার দিতেন। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর নিজেই সুদের অর্থ সংগ্রহ করতেন।

সরকারি কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, তিনি প্রায় চার–পাঁচ লাখ টাকা ঋণ দিয়েছেন। যেখান থেকে তিনি সুদসহ দৈনিক এক থেকে দুই হাজার রুপি আয় করতেন।

ওই ব্যক্তিকে একসময় কপর্দকহীন মনে করা হতো। কিন্তু দেখা গেল, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তিনটি বাড়ির মালিক তিনি, যার মধ্যে একটি তিনতলা ভবন রয়েছে।

এ ছাড়া মঙ্গিলালের তিনটি অটোরিকশা রয়েছে, যা তিনি দৈনিক ভিত্তিতে ভাড়া দেন। শুধু তা–ই নয়, তার মারুতি সুজুকি ব্র্যান্ডের একটি ব্যক্তিগত গাড়ি আছে, যেটিও ভাড়া দেওয়া হয়।

প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রীর আবাস প্রকল্পের আওতায় মঙ্গিলালের একটি বাড়ি রয়েছে। যেখানে একটি শয়নকক্ষ, বসার ঘর ও রান্নাঘর রয়েছে। যদিও আগেই তার একাধিক সম্পত্তি ছিল।

উদ্ধার অভিযানে পরিচালনা করেছেন নারী ও শিশু উন্নয়ন বিভাগের কর্মকর্তা দিনেশ মিশ্র।

তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গিলালকে উজ্জয়নের সেবাধাম আশ্রমে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার ব্যাংক হিসাব ও সম্পত্তি তদন্তের আওতায় রয়েছে। যেসব ব্যবসায়ী তাঁর কাছ থেকে ঋণ নিয়েছেন, তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

দিনেশ মিশ্র বলেন, মঙ্গিলাল ২০২১ সাল থেকে ভিক্ষা করছেন। বর্তমানে তাকে একটি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। তার সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সব তথ্য প্রতিবেদন আকারে প্রস্তুত করে কালেক্টরের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি এক জরিপে উল্লেখ করা হয়, ইন্দোরে প্রায় ৬ হাজার ৫০০ ভিক্ষুক রয়েছেন, যাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৫০০ ভিক্ষুককে বোঝানোর পর তারা ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে দিয়েছেন। এক হাজার ৬০০ জনকে উদ্ধার করে পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ১৭২টি শিশুকে স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার7 minutes ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা

চলতি সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার53 minutes ago

আনলিমা ইয়ার্নের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আনলিমা ইয়ার্ন ডায়িং লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার21 hours ago

ওয়ালটনের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫–ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার23 hours ago

জেএমআই হসপিটালের ক্যাটাগরি অবনতি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের ক্যাটাগরির অবনতি হয়েছে। গত ৩০ জুন,২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশের উপর...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার23 hours ago

আইডিএলসি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট শরীয়াহ ফান্ডের নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

আইডিএলসি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড পরিচালিত বে-মেয়াদি ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড আইডিএলসি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট শরীয়াহ ফান্ড ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৩.৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার23 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো অলিম্পিক এক্সেসরিজ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি অলিম্পিক এক্সেসরিজ লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৮ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার24 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ইফাদ অটোস

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইফাদ অটোস পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৮ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
ডিএসই
পুঁজিবাজার7 minutes ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা

ডিএসই
আবহাওয়া22 minutes ago

তিন জেলার আবহাওয়া নিয়ে যে বার্তা দিল অধিদপ্তর

ডিএসই
পুঁজিবাজার53 minutes ago

আনলিমা ইয়ার্নের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

ডিএসই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

ট্রাম্পকে পাল্টা হুঁশিয়ারি ইরানের

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

আমরা চাইলে জামায়াত প্রার্থীরা ঢাকার রাস্তায় নামতে পারবে না: ইশরাক

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান হলে সবারই একই পরিণতি হবে: সালাহউদ্দিন

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা চালানো হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

প্রতারণা এড়াতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ চালু

ডিএসই
সারাদেশ2 hours ago

শরীয়তপুরের তারাবুনিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ডিএসই
পুঁজিবাজার7 minutes ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা

ডিএসই
আবহাওয়া22 minutes ago

তিন জেলার আবহাওয়া নিয়ে যে বার্তা দিল অধিদপ্তর

ডিএসই
পুঁজিবাজার53 minutes ago

আনলিমা ইয়ার্নের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

ডিএসই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

ট্রাম্পকে পাল্টা হুঁশিয়ারি ইরানের

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

আমরা চাইলে জামায়াত প্রার্থীরা ঢাকার রাস্তায় নামতে পারবে না: ইশরাক

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান হলে সবারই একই পরিণতি হবে: সালাহউদ্দিন

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা চালানো হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

প্রতারণা এড়াতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ চালু

ডিএসই
সারাদেশ2 hours ago

শরীয়তপুরের তারাবুনিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ডিএসই
পুঁজিবাজার7 minutes ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা

ডিএসই
আবহাওয়া22 minutes ago

তিন জেলার আবহাওয়া নিয়ে যে বার্তা দিল অধিদপ্তর

ডিএসই
পুঁজিবাজার53 minutes ago

আনলিমা ইয়ার্নের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

ডিএসই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

ট্রাম্পকে পাল্টা হুঁশিয়ারি ইরানের

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

আমরা চাইলে জামায়াত প্রার্থীরা ঢাকার রাস্তায় নামতে পারবে না: ইশরাক

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান হলে সবারই একই পরিণতি হবে: সালাহউদ্দিন

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা চালানো হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

প্রতারণা এড়াতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ চালু

ডিএসই
সারাদেশ2 hours ago

শরীয়তপুরের তারাবুনিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড