জাতীয়
পে স্কেলের সুপারিশ জমা আজ, যেসব সুখবর পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা
সচিবালয়ে পে স্কেলের সুপারিশ সংক্রান্ত পূর্ণ কমিশনের সভা হবে আজ বুধবার। এদিন বেলা ১২টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরোনো ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপরই বিকেলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করা হবে। তার সঙ্গে বিকেল ৫টায় দেখা করার সময় নির্ধারণ হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান উপদেষ্টা।
কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ প্রতিবেদন হস্তান্তর করবেন। এ সময় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত থাকবেন।
পে কমিশনের এক সদস্য বলেন, ‘নবম পে-স্কেলের সবকিছুই মোটামুটি চূড়ান্ত। বিষয়গুলো আরেকবার রিভাইজ করা হবে। কমিশনের সভায় খসড়া সুপারিশ পর্যালোচনা শেষে তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হবে।’
সুপারিশ প্রকাশ করা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ওই সদস্য আরও বলেন, ‘কমিশনের সুপারিশের কপি কোনো সদস্যের কাছেই থাকবে না। এটি কেবল প্রধান উপদেষ্টার কাছে থাকবে। পরবর্তীতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সময় আরও কয়েক কপি প্রিন্ট করা হতে পারে।’
সূত্র বলছে, বেতন কমিশন ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিক বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। এটি পুরো মাত্রায় কার্যকর হবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে।
অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিবেদনের নানা দিক তুলে ধরবেন বেতন কমিশনের প্রধান জাকির আহমেদ খান।
সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা, নতুন স্কেলে এটা দ্বিগুণের বেশি বাড়তে পারে। আর সর্বোচ্চ ধাপে নির্ধারিত বেতন ৭৮ হাজার টাকা। এটা বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করা হচ্ছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত থাকছে ১:৮।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পে স্কেলের জন্য পরিচালন ব্যয় ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন বেতনকাঠামো আংশিক কার্যকর করার অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপ নিয়ে রেখেছে সরকার।
বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, বেতনকাঠামো পুরো মাত্রায় বাস্তবায়ন করতে গেলে বাড়তি ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা লাগবে।
প্রস্তাবিত বেতনকাঠামোয় নিচের দিকে বেতন–ভাতা বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে কমিশনের সুপারিশগুলোর সবকটি হুবহু বাস্তবায়ন করা নাও হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের তৈরি করা প্রস্তাবে সরকারি চাকরিজীবীরা সন্তুষ্ট হবেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো নির্ধারণের জন্য বেতন কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনের প্রধান সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান।
২১ সদস্যের এ কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখন ২০১৫ সালের বেতনকাঠামো অনুসারে বেতন-ভাতা পান। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংখ্যা এখন প্রায় ১৫ লাখ।
এমকে
জাতীয়
ছুটির দিনেও কার্যালয়ে ব্যস্ত সময় পার করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছুটির দিনেও অফিস করেছেন। সেখানে ব্যস্ত সময় পার করেন তিনি।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে কার্যালয়ে অফিস করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর টানা তিন শনিবার অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি।
জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং শিক্ষা ও প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা মাহদী আমিন কার্যালয়ে অফিস করেছেন।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ কার্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জানান, ছুটির দিনেও ব্যস্ত সময় পার করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুপুর ১২টায় কার্যালয়ে আসেন তিনি। এরপর পাটজাত পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার বাড়ানো ও বাজার সম্প্রসারণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড. নার্গীস আক্তার।
এরপর দুপুর আড়াইটায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যয় কমানো ও কার্যকর জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এদিকে দেশের ওলামা-মাশায়েখ এবং এতিমদের সম্মানে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইফতারের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কার্যালয় থেকে তিনি সেখানে যাবেন বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি।
জাতীয়
জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই: জ্বালানি মন্ত্রী
জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ৪ নম্বর গেটে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নাই। আগামী ৯ তারিখ আরও ২টি ভেসেল আসছে। আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ মোবাইল কোর্ট কাজ শুরু করবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে পেনিক কাজ করছে, যার কোনো যুক্তি নাই।
তিনি বলেন, তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই, বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছে সরকার।
জাতীয়
জ্বালানি তেল পাচার রোধে সীমান্তজুড়ে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য পাচার প্রতিরোধে বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্তে টহল, তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অতিরিক্ত টহল জোরদারসহজনবল মোতায়েন করা হয়েছে।
৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি সূত্র জানায়, সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল রাত থেকে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বেনাপোল স্থলবন্দরসহ শার্শা ও চৌগাছা সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার রোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে সন্দেহভাজন যানবাহন ও মালামাল তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্তজুড়ে টহল কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
বিশেষ করে অতীতে যেসব সীমান্ত রুট দিয়ে ডিজেল ও পেট্রোল পাচারের চেষ্টা হয়েছে, সেসব এলাকায় অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া বেনাপোল স্থলবন্দর গেটে দেশীয় ও ভারতীয় ট্রাক মালামাল পরিবহনের সময় ভারতে প্রবেশের আগে অধিক সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, ‘যশোর সীমান্তবর্তী এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার রোধে বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সন্দেহজনক যেকোনো যানবাহন বা চলাচলের ওপর কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, দেশের জ্বালানি সম্পদ সুরক্ষায় বিজিবি সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছে।
এদিকে পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান বিজিবি ব্যাটালিয়নের এই অধিনায়ক।
জাতীয়
দুই আসনের উপনির্বাচন: ১৬ মার্চ থেকে শুরু প্রচারণা
আসন্ন শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণার জন্য মোট ২৩ দিন সময় পাচ্ছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর ১৬ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামবেন প্রার্থীরা। শনিবার (৭ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইসির কর্মকর্তারা জানান, শেরপুর-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর মো. মিজানুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ইতিমধ্যে এই আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে আপিল আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের এক বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল। পরে নির্বাচন কমিশন নতুন তফসিল ঘোষণা করে।
বগুড়া-৬ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ইতিমধ্যে তাদের মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন।
এই আসনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হয়েছিলেন। তবে আইন অনুযায়ী একই সঙ্গে দুটি আসনের সদস্য থাকা সম্ভব না হওয়ায় তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ফলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন তফসিল দেয় নির্বাচন কমিশন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি ১১ মার্চ, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৪ মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ ১৫ মার্চ, প্রচারণা শুরু ১৬ মার্চ এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৯ এপ্রিল।
প্রার্থীরা ১৬ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ভোটারদের কাছে গিয়ে প্রচারণা চালানোর সুযোগ পাবেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
জাতীয়
সব প্রস্তুতি সম্পন্ন, সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সংসদীয় ব্যবস্থা অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেবেন। এ ব্যাপারে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
আজ শনিবার গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিনের কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা জানান।
প্রশিক্ষণের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে বিকেলে চতুর্থ সেশনের মধ্য দিয়েই আমাদের এই কর্মশালা সমাপ্ত হবে।’
তিনি বলেন, ‘জনগণকে সেবা দেওয়ার পাশাপাশি, আমরা আমাদের এই আইন বিভাগকে, বিশেষ করে জাতীয় সংসদকে পরিপূর্ণ মাত্রায় কিভাবে কাজে লাগাতে পারি, এবং সরকারি দল হিসেবে সংসদ নেতার পক্ষ থেকে সংসদকে সব সময় জীবন্ত রাখার যে দায়িত্বগুলো আমাদের আছে, সেটা আমরা কিভাবে করতে পারি—সেগুলো নিয়ে কাজ করছি।’




