ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
এবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন ডাকসু নেত্রী সেই তন্বী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) গবেষণা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বী বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক পোস্টে তিনি এমন তথ্য জানান।
জানা গেছে, পাত্রের নাম জিহাদ আবদুল্লাহ। তিনি পেশায় সাংবাদিকতা, একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে তিনি সাংবাদিকতা করছেন বলে জানা গেছে।
ফেসবুক পোস্টে তন্বী লেখেন, কিছু কিছু বন্ধন এত সহজভাবে তৈরি হয় যে মনে হয় সবটাই যেন আগে থেকে ঠিক করা ছিল। আমাদের প্রথম আড্ডাটার কথা আজও পরিষ্কার মনে পড়ে—বন্ধুদের বোকা বানানোর জন্য সেই অদ্ভুত মজা নিয়ে আমাদের হাসাহাসি, মুহূর্তটার হঠাৎ ওলটপালট হয়ে যাওয়া, একদম ছোট ছোট জিনিসে আমাদের দুজনের একইরকম আনন্দ খুঁজে পাওয়া, আর আমার ভেতরকার ছটফটে রোমাঞ্চপ্রিয় সত্তাটাকে তোমার অবলীলায় আপন করে নেওয়া। সেই সাধারণ মুহূর্তগুলোতেই কখন যে মনের অজান্তে এমন সব স্মৃতি জমিয়ে ফেলেছিলাম, যা আমি বারবার ফিরে দেখতে চাইব।
গত বছরের ১৫ জুলাই বিকেলে ছাত্রলীগের হামলায় আহত হন সানজিদা আহমেদ তন্বী। তার রক্তে মাখা ভীত মুখটি ভাইরাল হয় এবং আন্দোলন বেগবান করতে ছবিটি ব্যাপক অনুপ্রেরণা জোগায়।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে জয় পান সানজিদা আহমেদ তন্বি। তিনি (স্বতন্ত্র) প্রার্থী ছিলেন। ১১ হাজার ৭৭৭টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের সব মাদরাসা
টানা দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের সব মাদরাসা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আর এই ছুটি থেকেই শুরু হবে মাদরাসায় টানা ৪৬ দিনের ছুটি।
গত ২০ জানুয়ারি প্রকাশিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ছুটির তালিকা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তাই মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হবে ২৯ মার্চ।
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ দিন ছুটি থাকবে পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে। এই ছুটি চলবে আগামী ২৪ মে থেকে ১১ জুন।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির (মঙ্গলবার) পূর্বনির্ধারিত সকল অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ নিশ্চিত করতেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্ত্তী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারির স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলোর নতুন সময়সূচি যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য আদিষ্ট হয়ে এতদ্দ্বারা জানানো যাচ্ছে যে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতির সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির (মঙ্গলবার) পূর্বনির্ধারিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সব পরীক্ষা স্থগিত করা হলো।
স্থগিতকৃত পরীক্ষাসমূহের নতুন সময়সূচি সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা ইনস্টিটিউট এর প্রস্তাব মোতাবেক যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে। অধিভুক্ত, উপাদানকল্প কলেজ ও ইনস্টিটিউটের পরীক্ষাসমূহ পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার নামে দুই কলেজের নামকরণ
ঢাকা ও ফেনীর দুটি কলেজের নাম পরিবর্তন করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে টাঙ্গাইল ও রাজশাহীর আরও দুটি কলেজের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শন দপ্তর থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের গত বছরের ২৯ ডিসেম্বরের নির্দেশনার আলোকে অধিভুক্ত চারটি বেসরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকার মিরপুরের পল্লবী মহিলা ডিগ্রি কলেজের নাম পরিবর্তন করে শহীদ জিয়া মহিলা কলেজ রাখা হয়েছে। ফেনীর ফুলগাজী মহিলা কলেজের নতুন নাম হয়েছে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ।
এ ছাড়া, টাঙ্গাইলের বাসাইল ডিগ্রি কলেজের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বাসাইল এমদাদ হামিদা কলেজ এবং রাজশাহীর বাগমারার সালেহা-ইমারত ডিগ্রি কলেজের নতুন নামকরণ করা হয়েছে সাঁকোয়া কলেজ।
প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট সব অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরকে দ্রুত এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ পেলেন ১১ হাজার ৭১৩ জন
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭ম বিশেষ নিয়োগের মাধ্যমে ১১ হাজার ৭১৩ জনকে নিয়োগ সুপারিশ করা হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সুপারিশ প্রকাশ করে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. আমিনুল ইসলাম।
সুপারিশ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ৪ জানুয়ারি প্রকাশিত ৭ম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তির (বিশেষ) আওতায় নিবন্ধনধারী প্রার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রার্থীদের মেধাক্রম, পছন্দক্রম ও প্রতিষ্ঠানের চাহিদার ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত শূন্যপদে প্রথম প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের করা হয়েছে।
নিয়োগ সুপারিশকৃত প্রার্থীদের ফলাফল এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটের (www.ntrca.gov.bd) ৭ম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি (বিশেষ)- ২০২৬ নামক সেবা বক্সে এবং http://ngi.teletalk.com.bd লিংকে পাওয়া যাবে।
নির্বাচিত প্রার্থীগণ স্ব স্ব ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Login করে ফলাফল দেখতে পারবেন।
একইভাবে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ তাদের স্ব স্ব ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে তার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত প্রার্থীগণের তথ্য দেখতে পাবেন।
কোন নির্বাচিত প্রার্থী কিংবা প্রতিষ্ঠানপ্রধান টেকনিক্যাল কারণে SMS না পেলে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটের ৭ম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি (বিশেষ)- ২০২৬ সেবা বক্স থেকে ফলাফল দেখতে পারবেন।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ডাকসু থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত সর্বমিত্র চাকমার
হাটাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সর্বমিত্র চাকমা। একইসঙ্গে কান ধরে ওঠবসের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ৪৪ মিনিটে নিজের ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ সিদ্ধান্ত আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, কারো প্রতি ক্ষুব্ধ বা অভিমানবশত নয়। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীরা যে প্রত্যাশা নিয়ে আমাকে প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছেন। আমি সে প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হইনি। প্রশাসনের অসহযোগিতা ও ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে তিনি লিখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের মাঠটি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। দীর্ঘদিন ধরে বহিরাগতদের অবাধ অনুপ্রবেশ একটি গুরুতর নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিয়েছে। বহিরাগত ব্যক্তিদের দ্বারা প্রায় নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার ঘটনা ঘটে, মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও সাইকেল চুরির মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনা শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও নিরাপদ পরিবেশকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সর্বমিত্র লিখেন, ‘উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই পরিস্থিতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বারবার প্রশাসনকে অবগত করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়নি, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়নি, এমনকি বহিরাগতদের প্রবেশ রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়নি। প্রশাসনের এই দীর্ঘস্থায়ী নীরবতা ও অসহযোগিতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।’
তিনি আরও লিখেন, ‘বহিরাগতরা নিয়মিতভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিপরীত পাশের দেয়াল টপকে প্রবেশ করে। তাদের একাধিকবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা তা অগ্রাহ্য করেছে। নিষেধ করতে গেলে তারা উল্টো স্টাফদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুঁড়ে পালিয়ে যায়— যা একটি চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির ইঙ্গিত বহন করে। এমন বাস্তবতায় শিক্ষার্থীরা বারবার অভিযোগ জানালেও কার্যকর সমাধান না আসায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক ক্রমেই বাড়তে থাকে।’
সর্বমিত্র চাকমা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আমি বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে তাদের কান ধরে ওঠবস করাতে বাধ্য হই। এটি কোনোভাবেই আমার প্রত্যাশিত বা কাম্য আচরণ ছিল না। আমি স্বীকার করছি— এভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়া আমার উচিত হয়নি এবং এই ঘটনার জন্য আমি নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’
এমকে



