অন্যান্য
‘আমার পে’ গেটওয়ে ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন-অর্থপাচার
অবৈধ অনলাইন জুয়ার লেনদেন প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনা ও সতর্কতা জারি করার পরেও তা বন্ধ হচ্ছে না। দেশি পেমেন্ট গেটওয়েগুলো ব্যবহার করে অবৈধ পর্ন ও জুয়ার অ্যাপ গুলোতে অর্থ লেনদেন ও বিদেশে অর্থ পাচার হচ্ছে। এরমধ্যে অন্যতম একদিন অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ‘আমার পে’। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির গেটওয়ে ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র জানায়, জুয়া ও বিভিন্ন ডেটিং অ্যাপসের মাধ্যেমে অনলাইনে অবৈধ লেনদেন হয়। এজন্য ব্যবহার করা হয় দেশি গেটওয়ে। সম্প্রতি অনলাইন ডেটিং অ্যাপস ও পর্নোগ্রাফির অবৈধ লেনদেন করা হয় ‘আমার পে’ গেটওয়ের মাধ্যেমে। অবৈধ অনলাইন জুয়া ও পর্নোগ্রাফির লেনদেন প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নির্দেশ থাকা শর্তেও এ গেটওয়ে ব্যবহার করে লেনদেন ও পাচার হচ্ছে দেশের অর্থ। তবে পেমেন্ট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানটির দাবি এসব অ্যাপস তাদের মাধ্যমে শুধুই লেনদেন করে এর বেশি কি জানে না।
এবিষয়ে জানতে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে অর্থসংবাদ থেকে ‘আমার পে’র এমডি এ.এম. ইশতিয়াক সারোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এবিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জানা গেছে, ডেটিং অ্যাপসের নামে অবৈধ পর্নোগ্রাফি অনুসন্ধানে নামে একটি মিডিয়া টিম। অনুসন্ধানে উঠে আসে ডেটিং অ্যাপসের নামে পর্নোগ্রাফি ও অবৈধ লেনেদেন। এসব অ্যাপসের লেনদেন হয়ে থাকে দেশি পেমেন্ট গেটওয়ে সফট টেক ইনোভেশন ‘আমার পে’র মাধ্যমে। এ গেটওয়ে ব্যবহার করে অবৈধ কাজের সঙ্গে জড়িত এসব অ্যাপেস সহজেই লেনদেন সম্পন্ন করছে। যা বেআইনি ও অবৈধ।
তবে সফট টেক ইনোভেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ.এম. ইশতিয়াক সারোয়ার ডেটিং অ্যাপসের কথা অস্বীকার করেন। তিনি জানান, লেনদেন তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে হলেও ডেটিং অ্যাপসের সঙ্গে তাদের প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো মার্চেন্ট এমনটা করতে পারে।
পর্নোগ্রাফি ও জুয়ার মতো অবৈধ কাজের সঙ্গে জড়িত অ্যাপসকে কেনো তার পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কোনো মার্চেন্ট যদি এমন সার্ভিস দিয়ে থাকে তাহলে সেখানে আমার কিছু করার নেই। আমার কোন মার্চেন্ট এমন কাজে জড়িত সেটা আমি জানি না, এটা দেখে বলতে পারবো।
এবিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞরা। মতামত তাদের, দেশি এসব পেমেন্ট গেটওয়েগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় এনে এই চক্র শনাক্ত ও অর্থপাচার বন্ধ করা সম্ভব।
এসএম
অন্যান্য
জুনের শেষেই চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সরকারের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী জুন মাসের শেষ নাগাদ সারাদেশে কৃষক কার্ড এবং পাইলট প্রকল্পের আওতায় ‘হেলথ কার্ড’ বিতরণ শুরু হতে যাচ্ছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে নরসিংদীর বেলাবো উপজেলা মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল এ তথ্য জানান।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে দুঃস্থ ও গরিবদের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে প্রতিটি ইউনিয়নের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা প্রদান কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারা দেশের ন্যায় বেলাবো ও মনোহরদী উপজেলাকে মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করেছেন; পর্যায়ক্রমে দেশের সব যোগ্য পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ব্যতীত দেশের সব নাগরিক সরকারের সব সুযোগ-সুবিধার অংশীদার হবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে মোট ১৯৩ জন দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে নগদ ২ হাজার টাকা করে মোট ৩ লাখ ৮৬ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।
বেলাবো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাফসা নাদিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন— উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজিজ সারতাজ জায়েদ, বেলাবো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস.এম আমান উল্লাহ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবিব বিপ্লব, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন ভূঞা এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।
এমএন
অন্যান্য
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১১৮৬ মামলা
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১ হাজার ১৮৬টি মামলা করেছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রবিবার (১৫ মার্চ) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়।
ডিএমপির ট্রাফিক সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৮ টি বাস, ৭ টি সিএনজি ও ১৯ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৭২ টি মামলা হয়েছে।
ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৩ টি বাস, ২২ টি ট্রাক, ২টি কাভার্ডভ্যান, ৬ টি সিএনজি ও ৩৩ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮২ টি মামলা হয়েছে।
ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১৬ টি বাস, ২ টি ট্রাক, ৭ টি কাভার্ডভ্যান, ২২ টি সিএনজি ও ১৩৪ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৮ টি মামলা হয়েছে।
ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ২৯ টি বাস, ১৯ টি ট্রাক, ১৪ টি কাভার্ডভ্যান, ৯ টি সিএনজি ও ১১ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১০০ টি মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৩ টি বাস, ৭ টি কাভার্ডভ্যান, ৩ টি সিএনজি ও ৫১ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮১ টি মামলা হয়েছে।
ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৫ টি বাস, ৮ টি ট্রাক, ১২ টি কাভার্ডভ্যান, ৯ টি সিএনজি ও ৪৬ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১১২ টি মামলা হয়েছে।
ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৬ টি বাস, ৫ টি ট্রাক, ৯ টি কাভার্ডভ্যান, ২১ সিএনজি ও ৬৬ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯৪ টি মামলা হয়েছে।
ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ১৭ টি বাস, ৪ টি ট্রাক, ১১ টি কাভার্ডভ্যান, ২৬ টি সিএনজি ও ১০৫ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩০৭ টি মামলা হয়েছে।
এছাড়াও অভিযানকালে মোট ২৬৬ টি গাড়ি ডাম্পিং ও ১৯৭ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।
এমএন
অন্যান্য
ঝিনাইদহে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত একাধিক
ঝিনাইদহে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ৮ জন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মাধবপুর গ্রামে শুক্রবার জামায়াতের মহিলা শাখার পক্ষ থেকে ইফতারের আয়োজন করা হয়। দুপুরে ইফতারের আয়োজন নিয়ে নারী কর্মীদের সাথে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাগবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে মহিলা কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সাথে বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামছুল আরেফিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এমএন
অন্যান্য
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা দেখে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর ক্ষোভ
কাউকে না জানিয়ে হঠাৎ জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত। পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিছানায় ছারপোকা, নিম্ন মানের খাবার পরিবেশন ও বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
রোববার (৮ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আকস্মিকভাবে হাসপাতালটিতে যান। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আক্ষেপ করে বললেন, কতজন ডাক্তার অনুপস্থিত তা সরেজমিনে এসেও তিনি জানতে পারলেন না।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, কতজন ডাক্তার অনুপস্থিত তা এখন পর্যন্ত জানতে পারলাম না। আমি নিজে এসেও তা জানত পারছি না। হাসপাতালের পরিচালকের অদক্ষতা এসব অব্যবস্থাপনার জন্য দায়ী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, হাসপাতালের বিছানাপত্র নিয়ে সমস্যা পাওয়া গেছে। সেখানে ছারপোকার সমস্যা মারাত্মক। খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ পেয়েছি। ডাক্তার সময় মতো আসছেন না।
এই হাসপাতালের সবচেয়ে নেতৃত্বের সংকট বড় সমস্যা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বড় সমস্যা হলো দেশের সর্বোচ্চ মানসিক হাসপাতাল হওয়ার পরও লিডারশিপ সঙ্কট আছে এখানে। অব্যবস্থাপনা আছে। দ্রুত সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য বলেছি।
বেশিরভাগ অভিযোগ মেনে নিয়ে দোষ স্বীকার করলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুর রহমান।
কয়েক দিনের মধ্যে আবারও হাসপাতালটি পরিদর্শনের কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তখন কোনো অনিয়ম পেলে কঠোর ব্যবস্তা নেয়া হবে।
এমএন
অন্যান্য
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ১২টি জরুরি নির্দেশনা দিলো সরকার
বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাকে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি জরুরি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
উপসচিব তানিয়া আফরোজের সই করা এই নির্দেশনায় কর্মকর্তাদের জন্য ১২টি বিশেষ করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হলো:
১. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং জানালা ও দরজা কিংবা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
২. বিদ্যমান ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইটের ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
৩. অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে।
৪. এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা অবশ্যই ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখতে হবে।
৫. অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
৬. অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
৭. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হবে।
৮. অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন: লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
৯. যাবতীয় আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে।
১০. সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে।
১১. জ্বালানি তেল ও গ্যাস ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী ও মিতব্যয়ী হতে হবে।
১২. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, বৈশ্বিক এই পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এমএন




