পুঁজিবাজার
এটিবিতে রেনাটার প্রেফারেন্স শেয়ারের লেনদেন শুরু
প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) রেনাটা পিএলসির প্রেফারেন্স বা অগ্রাধিকারমূলক শেয়ার লেনদেন আজ শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় এটিবিতে লেনদেন তালিকায় নাম লিখিয়েছে কোম্পানিটির প্রেফারেন্স শেয়ার।
এ নিয়ে ডিএসইর এই লেনদেন প্ল্যাটফর্মে দুটি সিকিউরিটিজ তালিকাভূক্ত হলো। তবে, লেনদেন তালিকায় নাম লেখালেও প্রথম অর্ধঘন্টায় রেনাটার প্রেফারেন্স শেয়ারে কোনো লেনদেন হয়নি। লেনদেন শুরুর জন্য শেয়ারটির অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৯০০ টাকা।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে রেনাটা পিএলসি সম্প্রতি ৩২৫ কোটি টাকার প্রেফারেন্স বা অগ্রাধিকারমূলক শেয়ার ইস্যু করেছে। এই প্রেফারেন্স শেয়ারের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করবে কোম্পানিটি।
তথ্যানুসারে, রেনাটার ইস্যু করা ৩২৫ কোটি টাকার প্রেফারেন্স শেয়ারের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি নন-কিউমুলেটিভ, মানে কোনো বছর লভ্যাংশ না পেলে সেটি ভবিষ্যতে জমা হবে না এবং নন-পার্টিসিপেটিভ, মানে কোম্পানির মুনাফার ওপর ভিত্তি করে প্রেফারেন্স শেয়ারধারীরা বার্ষিক ১৫ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। এ প্রেফারেন্স শেয়ারের মেয়াদ ছয় বছর এবং তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ বছর পর্যন্ত বার্ষিক ২৫ শতাংশ হারে প্রেফারেন্স শেয়ার থেকে সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর করা হবে। একসময় এ প্রেফারেন্স শেয়ার পুরোপুরি সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর হবে। এক্ষেত্রে রূপান্তর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৭৫ টাকা।
এ বছরের জুলাইয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছ থেকে প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন পায় রেনাটা। এরপর গত ২০ সেপ্টেম্বর বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) এ বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেয় কোম্পানিটি।
পুঁজিবাজারের সার্বিক বিস্তার তথা বাজার পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্য সামনে রেখেই চালু করা হয়েছিল এটিবি। উদ্দেশ্য ছিল– পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানিগুলোর জন্য সহজ ও কম খরচে মালিকানা হস্তান্তরের একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করা। এই প্ল্যাটফর্মকে জনপ্রিয় করার মাধ্যমে পুঁজিবাজারের মূল মার্কেটে ভালো কোম্পানিগুলোকে নিয়ে আসা। পুঁজিবাজারের বাইরে অনেক ভালো কোম্পানি রয়েছে, যেগুলো বিভিন্ন কারণে তালিকাভুক্ত হতে অনাগ্রহ দেখায়। কিছু কিছু কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়াকে প্রক্রিয়াগত ঝামেলার বিষয় মনে করে। ওই সব কোম্পানি এটিবিতে তালিকাভুক্ত হতে চাইলে রাইট শেয়ার কিংবা প্রাইভেট প্লেসমেন্টে শেয়ার ছেড়েও তাদের মূলধন বাড়াতে পারবে।
তবে দুঃখজনক হলেও দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের এটিবি প্ল্যাটফর্মে এটি নিয়ে এখন পর্যন্ত মাত্র ৪টি সিকিউরিটিজ তালিকাভুক্ত হলো। ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি ব্রোকারেজ হাউজ লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের মাধ্যমে ডিএসইতে যাত্রা শুরু হয়েছিল এটিবি বোর্ডের। তখন প্রাণ এগ্রো লিমিটেড আনসিকিউরড গ্যারান্টেড বন্ড (পিএএলইউজিবি ওয়ান) ডেট সিকিউরিটিজ হিসেবে এই বোর্ডে তালিকাভুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে ওই বন্ডের উদ্যোক্তা কর্তৃপক্ষ বন্ডটিকে এটিবিতে তালিকাভুক্ত করতে অনাগ্রহ দেখায়। অন্য স্টক এক্সচেঞ্জ সিএসইতে আইএফআইসি ব্যাংকের দুটি বন্ড তালিকাভুক্ত রয়েছে। অর্থাৎ দুই স্টক এক্সচেঞ্জে মাত্র পচারটি সিকিউরিটিজ তালিকাভুক্ত হলো।
এমকে
পুঁজিবাজার
মাগুরা মাল্টিপ্লেক্সের আয় বেড়েছে ৩ শতাংশ
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মাগুরা মাল্টিপ্লেক্স পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আলোচ্য প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৩ শতাংশ।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭১ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ৬৯ পয়সা আয় হয়েছিল।
সূত্র মতে, হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৫৯ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে আয় ছিল ১ টাকা ৭২ পয়সা।
আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ ছিল ২৩ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ৫৮ পয়সা ছিল। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে মাগুরা মাল্টিপ্লেক্স পিএলসির শেয়ার প্রতি সমন্বিত নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৭৬ টাকা ৩৮ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
সামিট অ্যালায়েন্সের আয় কমেছে ৪৯ শতাংশ
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আলোচ্য প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় কমেছে ৪৯ শতাংশ।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩৭ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ৭২ পয়সা আয় হয়েছিল।
সূত্র মতে, হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৯৬ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে আয় ছিল ১ টাকা ৫২ পয়সা।
আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ ছিল ১ টাকা ৮৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ১ টাকা ৫২ পয়সা ছিল। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডের শেয়ার প্রতি সমন্বিত নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৩৪ টাকা ৪৭ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
গোল্ডেন সনের লোকসান বেড়েছে
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি গোল্ডেন সন লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে ১৩৩ শতাংশ।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৬৩ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ২৭ পয়সা লোকসান হয়েছিল।
সূত্র মতে, হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ০৩ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে লোকসান ছিলো ৩৪ পয়সা।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে গোল্ডেন সন লিমিটেডের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৫ টাকা ০৪ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে এফএএস ফাইন্যান্স
বিদায়ী সপ্তাহে (২৫ জানুয়ারি-২৯ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর সপ্তাহজুড়ে কমেছে ৬২ পয়সা বা ২৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, পতনের শীর্ষ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিনান্স সার্ভিসেস লিমিটেড। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির দর কমেছে ৬২ পয়সা বা ২৮.৭৪ শতাংশ। সপ্তাহের পতনের শীর্ষ তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির দর কমেছে ৬৭ পয়সা বা ১৭ দশমিক ২৮ শতাংশ।
এছাড়া, সাপ্তাহিক পতনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনসের ১১.৫৪ শতাংশ, রানার অটোমোবাইলসের ১০.৯৯ শতাংশ, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশনের ৯.৯৪ শতাংশ, ভিএফএস থ্রেড ডাইংয়ের ৯.৮৪ শতাংশ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়ালের ৯.২৩ শতাংশ, প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সের ৮.০৬ শতাংশ এবং জিকিউ বল পেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ৭.৬২ শতাংশ দর কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক
বিদায়ী সপ্তাহে (২৫ জানুয়ারি-২৯ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির দর বেড়েছে ৩০ দশমিক ৯২ শতাংশ। তালিকার তৃতীয় স্থানে ২৫ দশমিক ৪২ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে অবস্থান করছে জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড।
এছাড়া, সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স ২১.৭৩ শতাংশ, ইসলামী ব্যাংক ১৯.২৩ শতাংশ, আরামিত সিমেন্ট ১৯.১০ শতাংশ, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি ১৭.৬৫ শতাংশ, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ১৬.৫৭ শতাংশ, শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড ১৫.১৬ শতাংশ এবং বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ১৫.১৫ শতাংশ দর বেড়েছে।
এমএন



