পুঁজিবাজার
মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বিডি থাই ফুডের
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের শেয়ারদর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার কারণ জানে না বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) জানিয়েছে কোম্পানিটি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিটির শেয়ারদর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে আজ বৃহস্পতিবার (০৪ ডিসেম্বর) নোটিশ পাঠিয়েছে ডিএসই। এর জবাবে কোম্পানিটি জানায় কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ার দর বাড়ছে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ নভেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিলো ৮ টাকা ৯০ পয়সায়। আর আজ বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বাজার শেষে শেয়ারটির দর বেড়ে ১৬ টাকা ৭০ পয়সায় দাড়িয়েছে। এসময়ের মধ্যে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৭ টাকা ৮০ পয়সা।
এই দর বৃদ্ধিকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই।
এসএম
পুঁজিবাজার
রেনাটার পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রেনাটা পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, আলোচিত সভায় কোম্পানিটির গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২০২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।
এমকে
পুঁজিবাজার
নাভানা ফার্মার পর্ষদ সভা ২৮ জানুয়ারি
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৮ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, আলোচিত সভায় কোম্পানিটির গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২০২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।
এমকে
পুঁজিবাজার
ই-জেনারেশনের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ই-জেনারেশন পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৮ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, আলোচিত সভায় কোম্পানিটির গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২০২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।
এমকে
পুঁজিবাজার
গোপনে গ্রামীণ ক্যাপিটালের সাবেক এমডির শাস্তি প্রত্যাহার করলো মাকসুদ কমিশন
ড. মুহম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে তাঁরই প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির এক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার করে নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে শাস্তি প্রত্যাহার করলেও তা গোপন রেখেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বিএসইসির মুখপাত্র মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, “সাধারণত রিভিউ বা রিভিশন গ্রহণের নজির কমিশনের ইতিহাসে খুব একটা নেই। হয়তো দু-একটা হতে পারে। এজন্য এটি প্রকাশ করা কিংবা ওয়েবসাইটে দেওয়ার রেওয়াজও ছিল না। তবে এখন থেকে রিভিউতে এরকম উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আসে, তাহলে তা প্রকাশ করা হবে।”
বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল মুহম্মদ ইউনূসের কোম্পানি গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের এমডি চৌধুরী খালেদ সাইফুল্লাহকে এক কোটি টাকা জরিমানা ও তিন বছরের জন্য পুঁজিবাজারে নিষিদ্ধ করেছিল বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের কমিশন। এরপরই গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট থেকে খালেদ সাইফুল্লাহকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যিনি একই সঙ্গে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের (এনসিআরএল) পরিচালক হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।
বিভিন্ন অনিয়ম ও সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২৩ সালের ১ মার্চ মার্চেন্ট ব্যাংক গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট ও এর এমডি চৌধুরী খালেদ সাইফুল্লাহর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিএসইসি। এরপর ১৬ এপ্রিল কমিটি একটি পরিদর্শন প্রতিবেদন দাখিল করে কমিশনে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চৌধুরী খালেদ সাইফুল্লাহর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে কমিশন। একই সঙ্গে গ্রামীণ ক্যাপিটালের পরিচালনা পর্ষদকেও সতর্ক করে বিএসইসি।
বিএসইসির ইতিহাসে বর্তমান কমিশন দেড় বছরেরও কম সময়ে সবচেয়ে বেশি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যাতে হাজার হাজার কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার চেয়ে অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রিভিউ বা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানালেও বর্তমান কমিশন তা গ্রহণ করেনি। এক্ষেত্রে গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের সাবেক এমডি চৌধুরী খালেদ সাইফুল্লাহ একমাত্র উদাহরণ, যার রিভিউ আবেদন গ্রহণ করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা পুরোপুরি প্রত্যাহার করে বর্তমান কমিশন।
চৌধুরী খালেদ সাইফুল্লাহর বিরুদ্ধে গুরুতর যেসব অভিযোগ কমিশনের প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, গ্রামীণ ক্যাপিটালের এমডি পদে অনুমোদন নেওয়ার সময় খালেদ সাইফুল্লাহ নিজের গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য কমিশনকে জানাননি। তিনি অনুমোদন গ্রহণের সময় ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের (এনসিআরএল) পরিচালক হিসেবে তার অবস্থান গোপন করেন। অথচ এনসিআরএলের পরিচালক হওয়া অবস্থায় তিনি কোনো মার্চেন্ট ব্যাংকের এমডি পদে দায়িত্ব পালন করলে তা সরাসরি স্বার্থের সংঘাত সৃষ্টি করে।
তথ্য গোপন করার বিষয়টি সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার) বিধিমালা, ১৯৯৬–এর ৩৫(১)(খ) বিধি এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এর ধারা ১৮–এর স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করে তৎকালীন কমিশন। সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী, মার্চেন্ট ব্যাংকের শীর্ষ পদে নিয়োগ পেতে হলে প্রার্থীকে তার সকল সম্পর্ক, সংযুক্তি এবং সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত স্পষ্টভাবে জানাতে হয়।
বিএসইসির পর্যবেক্ষণে আরও দেখা যায়, এনসিআরএল এইচ.আর. টেক্সটাইল লিমিটেডের বন্ড অনুমোদনের জন্য ক্রেডিট রেটিং প্রদান করেছে। এর কিছুদিন পর গ্রামীণ ক্যাপিটালের বোর্ডে ওই প্রতিষ্ঠানের বন্ডে বিনিয়োগের প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। বিএসইসি মনে করছে, এনসিআরএলের পরিচালক হিসেবে খালেদ সাইফুল্লাহর ভূমিকা এবং গ্রামীণ ক্যাপিটালের এমডি হিসেবে প্রস্তাবিত বিনিয়োগের বিষয়টি ‘স্বার্থের সংঘাত’। একদিকে তিনি একটি কোম্পানির রেটিং অনুমোদনে জড়িত, অন্যদিকে সেই কোম্পানির বন্ডে গ্রামীণ ক্যাপিটালের বিনিয়োগ নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছেন—এটি পেশাগত দায়িত্বহীনতা ও স্বার্থের সংঘাতের পরিষ্কার উদাহরণ। এটি মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার বিধিমালা, ১৯৯৬ এর ৩৫(১)(খ) বিধির আরও একটি লঙ্ঘন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।
গ্রামীণ ক্যাপিটাল কর্তৃক জমা দেওয়া নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে ৮২২ জন বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে প্রাপ্ত নিট ৯৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার সঠিক ও ন্যায্য চিত্র প্রতিফলিত হয়নি। বড় সংখ্যক ক্লায়েন্টের বিনিয়োগ পোর্টফোলিও পরিচালনা করা সত্ত্বেও, কর্তৃপক্ষের দ্বারা অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠিত বিনিয়োগ নীতি/স্কিম/গাইডলাইন ছিল না।
মুনাফায় শ্রমিকদের অংশীদারিত্ব (ডব্লিউপিপিএফ) সংক্রান্ত বিএসইসির নিয়ামাবলি বিষয়ে পরিদর্শকদের কাছে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেছেন গ্রামীণ ক্যাপিটালের এমডি। এছাড়া তিনি ৮৭তম এবং ৮৮তম পর্ষদ সভার নির্দেশনার সঙ্গে সংগতি রেখে পোর্টফোলিও সংক্রান্ত সকল তথ্য ও সারসংক্ষেপসহ প্রতিবেদন উপস্থাপনে ব্যর্থ হন—বিএসইসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিএসইসির পরিদর্শন চলাকালীন, গ্রামীণ ক্যাপিটাল এবং এর এমডি খালেদ সাইফুল্লাহ পরিদর্শকদের প্রয়োজনীয় নথি, তথ্য, এবং ব্যাখ্যা প্রদানে বা সহযোগিতায় ব্যর্থ হন।
এ বিষয়ে বিএসইসির মুখপাত্র মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, “কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি তা কমিয়ে দেওয়া কিংবা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারেন। আবার কমিশন যদি মনে করে, আগের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঠিক হয়নি, সেক্ষেত্রে কমিশন নিজেও ‘অন মোশনে’ তা রিভিউ করতে পারে। এখন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির রিভিউয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে বর্তমান কমিশন মনে করেছে যে, তার বিরুদ্ধে নেওয়া আগের কমিশনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঠিক হয়নি। তাই ওই শাস্তি প্রত্যাহার করা হয়েছে।” সূত্র: ঢাকা স্ট্রিট জার্নাল
পুঁজিবাজার
বিআইসিএম রিসার্চ সেমিনার অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম)-এর ৫১তম রিসার্চ সেমিনার আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ইন্সটিটিউটের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে ‘প্রক্সি কনটেস্ট, ইন্টারলকিং ডিরেক্টরস এবং ইনসাইডার ট্রেডিং’ সংক্রান্ত মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড-এর সিনিয়র প্রভাষক ড. দেওয়ান রহমান।
ইন্সটিটিউটের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট জনাব ওয়াজিদ হাসান শাহ-এর সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনায় আয়োজিত উক্ত সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসই ব্রোকার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)-এর সভাপতি জনাব সাইফুল ইসলাম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাদিয়া নূর খান।
আলোচকগণ অনলাইনে যুক্ত থেকে রিসার্চ সেমিনারে উপস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খু আলোচনা করেন।
ইন্সটিটিউটের অভ্যন্তরীণ গবেষকদের গবেষণার উৎকর্ষতা সাধনের লক্ষ্যে বিআইসিএম নিয়মিতভাবে রিসার্চ সেমিনার আয়োজন করে থাকে। এরই অংশ হিসেবে রিসার্চ সেমিনার-৫১ তম আয়োজন করা হয়। উক্ত রিসার্চ সেমিনারে ইন্সটিটিউটের সকল অনুষদ সদস্য ও কর্মকর্তাসহ আমন্ত্রিত অতিথিগণ উপস্থিত ছিলেন।



