পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারের ৭৩ কোম্পানির শেয়ারে বেড়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ
দেশের পুঁজিবাজার দীর্ঘদিন ধরে মন্দাভাবের মধ্যে রয়েছে। প্রতিনিয়ত পুঁজি হারাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা। এতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর অধিকাংশ শেয়ারে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীর সংখ্যা কমেছে। বিপরীতে বেড়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ। গত অক্টোবর শেষে শেয়ার ধারণের তথ্য প্রকাশ করা ১৪০টি কোম্পানির মধ্যে ৭৩ টিরই প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার ধারণ বেড়েছে। এসব শেয়ারের দরবৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার ধারণ ভূমিকা থাকতে পারে বলে মনে করছেন শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্টরা।
গত আগস্ট থেকে অক্টোবর শেষে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ার ধারণের হার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বেশির ভাগ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার ধারণের হার বেড়েছে। তালিকাভুক্ত ৩৬০ কোম্পানির মধ্যে ১৪০টি শেয়ার ধারণের তথ্য প্রকাশ করেছে। বাকি কোম্পানি এখনও এ তথ্য প্রকাশ করেনি। গত অক্টোবরে ৭৩ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার ধারণের হার বেড়েছে। তবে একই সময়ে কমেছে ৫৫টিতে। আর ১২টিতে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার ধারণের হার অপরিবর্তত রয়েছে।
যেসব কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে
অক্টোবর শেষে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার ধারণের হার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং লিমিটেডে। আগস্টে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিলো ১৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর অক্টোবরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ শতাংশে। প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার ধারণ বৃদ্ধি পাওয়া অপর কোম্পানিগুলো হচ্ছে- মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ড, সিটি ইন্স্যুরেন্স, এবি ব্যাংক, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, এনআরবিসি ব্যাংক, অগ্নি সিস্টেমস, নিটল ইন্স্যুরেন্স, ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান, বিডিকম অনলাইন, মিডল্যান্ড ব্যাংক, পেনিনসুলা চিটাগং, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, এনসিসি ব্যাংক, এমজেএল বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, রানার অটোমোবাইলস, এসইএমএল এফবিএলএসএল গ্রোথ ফান্ড, পূরবী জেনারেল ইন্যুরেন্স, এশিয়া প্যাসিফিক, গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, উত্তরা ব্যাংক, ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড,একমি ল্যাবরেটরিজ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, শমরিতা হসপিটাল, ইবনে সিনা, ক্রাউন সিমেন্ট, ফার্স্ট সিকিউরিটিজ ইসিলামী ব্যাংক, মিথুন নিটিং, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, রেকিট বেনকিজার, বিএসআরএম স্টিল, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স, কোহিনূর কেমিক্যালস, আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, বাংলাদেশ ল্যাম্পস, লাফার্জহোলসিম, উসমানিয়া গ্লাস শিট, ইসলামিক ফাইন্যান্স, এসইএমএল আইবিবিএল শরীয়াহ ফান্ড, ইসলামিক ইন্স্যুরেন্স, এক্সিম ব্যাংক, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, ইস্টার্ণ ক্যাবলস, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড, মার্কেন্টাইল ইসলামি ইন্স্যুরেন্স, আনলিমা ইয়ার্ন, মেঘনা সিমেন্টস, লুব-রেফ বিডি, আল আরাফাহ ইসালামি ব্যাংক, গ্রীণডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, বিএসআরএম লিমিটেড, ডিবিএইচ, ম্যারিকো, গ্রামীণফোন, মাইডাস ফাইন্যান্স, ওয়ালটন, বাটা সু, বার্জার পেইন্টস, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সামিট পাওয়ার, হা-ওয়েল টেক্সটাইল এবং পদ্মা ওয়েল কোম্পানি লিমিটেড।
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে যেসব কোম্পানিতে
বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, স্কয়ার ফার্মা, ইস্টার্ণ লুব্রিকেন্টস, ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, ব্যাংক এশিয়া, যমুনা অয়েল, এসবিএসি ব্যাংক, এপেক্স ট্যানারি, এমারেল্ড অয়েল, শাইনপুকুর সিবামিকস, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড, ন্যাশনাল ব্যাংক, রবি আজিয়াটা, ওরিয়ন ইনফিউশন, ফার্মা এইডস, বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, মুন্নু সিরামিকস, ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স, মতিন স্পিনিং, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, উত্তরা ফাইন্যান্স, ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্স ফান্ড, জনতা ইন্স্যুরেন্স, তাল্লু স্পিনিং, ট্রার্স্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ওয়ান ব্যাংক, বঙ্গজ, ন্যাশনাল পলিমার, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, বেক্সিমকো ফার্মা এবং হাইডেলবার্গ মেটারিয়ালস বাংলাদেশ পিএলসি।
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ অপরিবর্তীত রয়েছে যেসব কোম্পানিতে
বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, আইসিবি, জুট স্পিনার্স, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, মেঘনা পেট, পাওয়ার গ্রিড, প্রিমিয়ার লিজিং, প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ইয়াকিন পলিমার, জাহিনটেক্স এবং ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড।
এসএম
পুঁজিবাজার
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক পুঁজিবাজারে অস্থিরতা
ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা এবং পাল্টা হিসেবে ইরানের আকাশপথের অভিযানে টালমাটাল হয়ে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন দেশে হামলার জেরে বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে এশিয়া, ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাজারগুলোতে সব জায়গায় শেয়ারবাজারে প্রভাব পড়েছে।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে সোমবার সংকটগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ‘ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি’র উল্লেখ করে কুয়েতের শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সৌদি আরবের প্রধান সূচক টিএএসআই সূচক ২ দশমিক ২ শতাংশ, মিসরের ইজিএক্স ৩০ সূচক ২ দশমিক ৫ শতাংশ, বাহরাইনের বিএএক্স সূচক ১ শতাংশ, ওমানের এমএসএক্স সূচক ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে।
সোমবার (২ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন, সিএনবিসি, বিবিসি, দ্য ডন ও রয়টার্স’র থেকে তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধান সূচক কেএসই ১০০ আজ ১৬ হাজার পয়েন্ট কমেছে, যা এক দিনে এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ পতন। এ জন্য পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ (পিএসএক্স) শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ করে দেয়। এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মধ্যে ভারতের নিফটি ৫০ সূচক ১ দশমিক ২৪ শতাংশ, জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ১ দশমিক ২৫ শতাংশ, হংকংয়ের হেংসেং সূচক ২ দশমিক ১৪ শতাংশ, চীনের সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক দশমিক ৪৭ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার মূল সূচক কোসপি ১ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া মালয়েশিয়ার প্রধান সূচক কেএলসিআই দশমিক ৯৬ শতাংশ ও তাইওয়ানের প্রধান সূচক দশমিক ৯০ শতাংশ পড়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে লেনদেনের শুরু থেকেই সূচকের পতন ঘটতে শুরু করে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ডাউ জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচক ৫৪৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১ শতাংশ, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ১ দশমিক ১ শতাংশ ও নাসড্যাক সমম্বিত সূচক ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারের ফিউচার সূচকগুলোরও পতন ঘটে। ওয়ালস্ট্রিটের এসঅ্যান্ডপি ৫০০, নাসড্যাক কম্পোজিট, ডাও জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ ফিউচার—সব কটিই প্রায় ১ শতাংশ করে কমেছে।
ফিউচার (ভবিষ্যৎ চুক্তি) হলো এমন ধরনের আর্থিক চুক্তি, যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা আগাম নির্ধারিত দামে ভবিষ্যতের কোনো তারিখে শেয়ার, পণ্য বা সূচক কেনাবেচার অঙ্গীকার করেন। বাজার খোলার আগেই ফিউচার লেনদেন দেখে বিনিয়োগকারীরা দিনটি সম্পর্কে আগাম ধারণা পান।
ইউরোপীয় শেয়ারবাজারগুলোতেও আজ বড় পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লন্ডনের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে আটটার কিছু পর প্যান-ইউরোপীয় সূচক স্টক্স ৬০০ সূচক প্রায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ ও লন্ডনের প্রধান শেয়ারসূচক এফটিএসই ১০০ সূচক প্রায় ১ শতাংশ পড়ে যায়। ইউরোপের অন্য বাজারগুলোতে পতন আরও বেশি ছিল। ফ্রান্সের সিএসি ৪০ সূচক ১ দশমিক ৮ শতাংশ ও জার্মানির ড্যাক্স সূচক ২ দশমিক ১ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। ইউরোপে তেল, গ্যাস ও প্রতিরক্ষা খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার ছাড়া প্রায় সব প্রধান খাতেই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়।
ইউরোপের প্রতিরক্ষা তথা সামরিক খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ইতালির মহাকাশ ও প্রতিরক্ষাপ্রতিষ্ঠান অ্যাভিওর শেয়ার প্রায় ২ শতাংশ বাড়ে। যুক্তরাজ্যের বিএই সিস্টেমসের শেয়ারমূল্য প্রায় ৫ শতাংশ ও সুইডেনের যুদ্ধবিমান নির্মাতা এসএএবির শেয়ার প্রায় ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ইতালির লিওনার্দো ও জার্মানির রেঙ্ক—এ দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম প্রায় ৪ শতাংশ করে বাড়ে।
অন্যদিকে ভ্রমণ ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বড় পতন দেখা যায়। অ্যাংলো-আমেরিকান ক্রুজ অপারেটর কার্নিভ্যাল ও এয়ারলাইনস গ্রুপ ইন্টারন্যাশনাল কনসোলিডেটেড এয়ারলাইনস গ্রুপের শেয়ারমূল্য ৩ শতাংশ কমে যায়। জার্মান পর্যটন কোম্পানি টুই এজির শেয়ার প্রায় ৯ শতাংশ ও লুফথানসার শেয়ারের দাম ৩ শতাংশ কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সোমবার (০৩ মার্চ) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ১৬ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৪৪ পয়সা।
সূত্র মতে, হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে (জুলাই’২৬-ডিসেম্বর’২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৩৬ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ৪৬ পয়সা।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৪৩ টাকা ৮৯ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
সূচক নিম্নমুখী, এক ঘণ্টায় শেয়ারদর কমেছে ২৯৭ কোম্পানির
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে শেয়ার দর হারিয়েছে ২৯৭ কোম্পানির।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ডিএসইর লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টা পর অর্থাৎ বেলা সাড়ে ১১টা ০৪ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ ৯১ দশমিক ৫০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৪৪২ পয়েন্টে।
প্রধান সূচকের সঙ্গে শরিয়াহ সূচক বা ‘ডিএসইএস’ ১১ দশমিক ২৯ পয়েন্ট কমে আর ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৪৪ দশমিক ৪০ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১০৮৮ ও ২০৯১ পয়েন্টে অবস্থান করেছে।
আলোচ্য সময়ে ডিএসইতে মোট ৩২১ কোটি ৫৬ লাখ ৪১ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
এসময় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৭টির, কমেছে ২৯৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টি কোম্পানির শেয়ারদর।
এমএন
পুঁজিবাজার
বিএটি’র লভ্যাংশ ঘোষণা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড (বিএটি) গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি আলোচিত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ।
সোমবার (২ মার্চ) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ টাকা ৮১ পয়সা, যা আগের বছর ৩২ টাকা ৪২ পয়সা ছিল।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১০২ টাকা ৫০ পয়সা।
আগামী ৩০ এপ্রিল কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ এপ্রিল।
পুঁজিবাজার
মাকসুদ কমিশন অপসারণের আভাসে শেয়ারবাজারে বড় উত্থান
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বর্তমান সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকে পরিবর্তন এনেছে এবং বীমা উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রথম কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে বড় ধস নামলেও, বিএসইসিতে পরিবর্তনের জোরালো আভাসে দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার।
সোমবার (২ মার্চ) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আত্মবিশ্বাস দেখা গেছে।
সূত্র মতে, এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭২ পয়েন্ট বেড়ে ৫৫৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। যা আগের কার্যদিবসে সূচকটি ১৩৯ পয়েন্ট হারিয়েছিল। আজ লেনদেন হওয়া ৩৯৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৪০টির বা ৮৬ শতাংশের বেশি কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে।
সূত্র মতে, আজ ডিএসইতে ৭৭৯ কোটি ৯৫ লাখ ৯১ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৭৭৫ কোটি ৫৬ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। এ হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকার বা ১ শতাংশ।
সূত্র মতে, এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৪০টির, কমেছে ৪২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টি।
অপরদিকে, সোমবার (২ মার্চ) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৭ টি কোম্পানির মধ্যে ১৩৯টি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, কমেছে ৪৪টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৪টি। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৫৫০০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শেয়ার।
যা আগের কার্যদিবসে সিএসইতে ১২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। আর সূচক সিএএসপিআই ২৪৬ পয়েন্ট কমেছিল।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এরই মধ্যে কয়েক দফায় বিএসইসিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইডিআরএ-তে পরিবর্তন আসায় এখন বিএসইসি পুনর্গঠনের বিষয়টি সময়ের ব্যাপার মাত্র। ‘মাকসুদ কমিশন’ অপসারিত হচ্ছে—এমন জোরালো খবরেই বিনিয়োগকারীরা আবার শেয়ার ক্রয়ে সক্রিয় হয়েছেন।
এমএন




